শিক্ষা খাতের অগ্রগতি বজায় রাখতে হবে - মতামত - Dainikshiksha

শিক্ষা খাতের অগ্রগতি বজায় রাখতে হবে

ড. এম. শাহ্ নওয়াজ আলি |

‘সাবাশ বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয় : জ্বলে-পুড়ে, মরে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয়।’ দ্রোহের কবি, প্রতিবাদী কবি সুকান্তের বিখ্যাত দুর্মর কবিতার পঙ্ক্তিগুলোর সঙ্গে তাল মিলিয়ে আজ বলতে চাই সত্যিই বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটি কখনও মাথা নোয়াবার নয়। গাঙ্গেয় অববাহিকার পললসমৃদ্ধ এ ভূখণ্ডটি বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের কাছে এক রূপকথার গল্পের শিরোনাম। মাত্র ৪৭ বছর আগে স্বাধীনতার মহান স্থপতি শেখ মুজিবের নেতৃত্বে ৩০ লাখ প্রাণের বিনিময়ে বিশ্ব মানচিত্রে ৫৫ হাজার বর্গমাইলের একটি দেশ সৃষ্টি হয়। জাতির জনকের ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত ও আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার বুকভরা স্বপ্ন মাত্র তিন বছর সাত মাস ছয় দিনের মাথায় ধূলিসাৎ করে দেয় ১৫ আগস্টের ঘাতকচক্র।

শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের চাবিকাঠি। উন্নয়নকে গতিশীল এবং টেকসই করতে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। গত ১০ বছরে প্রাথমিক শিক্ষা, মাধ্যমিক শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, মাদরাসা শিক্ষা এবং উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সরকারের সাফল্য আজ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি, ঝরে পড়া রোধ, শিক্ষার প্রসার, বাল্যবিবাহ রোধ, নারীর ক্ষমতায়ন, আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে মেয়েদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিসহ সমতা বিধানের লক্ষ্যে সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর আওতায় উপবৃত্তিসংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলো ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। অন্যদিকে ডিজিটাল পদ্ধতির আওতায় মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয় উপবৃত্তির টাকা অনলাইনে প্রদান করেছে। মেধাবৃত্তির আওতায় প্রাথমিক থেকে স্নাতকোত্তর শ্রেণি পর্যন্ত মেধা ও সাধারণ বৃত্তি, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, উপজাতি উপবৃত্তি, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, প্রতিবন্ধী (দৃষ্টি ও অটিস্টিক ছাড়া) ও অটিস্টিক উপবৃত্তি এবং পেশামূলক উপবৃত্তিবিষয়ক ৩টি ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন মেয়াদে বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।

বর্তমান সরকারের সাহসী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষার প্রসঙ্গটি সর্বাগ্রে। এ প্রসঙ্গে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের একটি উক্তি বিশেষভাবে স্মরণীয়- আগে চাই মাতৃভাষার গাঁথুনি, তারপর ইংরেজি শেখার পত্তন। দার্শনিক রুশো, প্লেটো, অ্যারিস্টেটল ও রাসেলের মতে সব শিক্ষার ভিত্তি প্রাথমিক শিক্ষা। প্রাথমিক শিক্ষাকে পাশ কাটিয়ে কোনো শিক্ষার প্রসঙ্গ চিন্তা করা যায় না। এ সত্যকে ধারণ ও লালন করে স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু ৪৪ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেন। সেই পথ ধরে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী গত ১০ বছরে তিন ধাপে ২৫,২৪০টি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেছেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোয় গত ১০ বছরে ১ লাখ ৩০ হাজার ১০০ শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। ২০০৫ খ্রিস্টাব্দ প্রাথমিকে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪৭.২ শতাংশ, বর্তমানে তা হ্রাস পেয়ে ১০.৬ শতাংশে। গত ১০ বছরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন শ্রেণীকক্ষ নির্মাণ করা হয়েছে ৩৬ হাজার। শিশুদের মধ্যে ডিজিটাল পদ্ধতির শিক্ষা কার্যক্রম বিস্তার ঘটানোর লক্ষ্যে ৮৯২৫টি বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর সরবরাহ করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের আরও ২টি যুগান্তকারী সাফল্য হল দেশের দারিদ্র্যপীড়িত এলাকার ৯৩৬টি উপজেলায় ১৫ হাজার ৭০০টি বিদ্যালয়ে ৩০ লক্ষাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে টিফিন বিস্কুট বিতরণ এবং বিদ্যালয়বিহীন এলাকায় ৬৩৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন। এ ছাড়া প্রাথমিক পর্যায়ের এক কোটি ৩০ লাখ শিক্ষাথীকে উপবৃত্তি বিতরণ বিশ্বজেুড়ে সুনাম ও খ্যাতি বয়ে এনেছে।

২০০৯ থেকে ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ১৪ লাখ ৮৮ হাজার ৪০১ শিক্ষার্থীকে ১২০৩ কোটি ৮১ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ টাকা বৃত্তি হিসেবে প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্র“তি অনুযায়ী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়বিহীন ৩২৫টি উপজেলার বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১৪২টি প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণ করা হয়েছে এবং অবশিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সরকারি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ ছাড়া ৩১১টি বেসরকারি কলেজ সরকারিকরণ করা হয়েছে। ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ থেকে এ পর্যন্ত বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮০ হাজার ৪০৬ শিক্ষককে এমপিও প্রদান করা হয়েছে। অন্যদিকে বেসরকারি কলেজের ১৭ হাজার ৪৫৮ শিক্ষককে এমপিও প্রদান করা হয়েছে, যা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে এক মাইলফলক। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ জারি করা হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ থেকে এ পর্যন্ত অবসর সুবিধাবোর্ড থেকে ৫৯ হাজার ৪১৪ শিক্ষক-কর্মচারীকে ২ হাজার ৩৬১ কোটি ৬৭ হাজার ৮৮৮ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে, যা অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও দাবি পূরণ করেছে। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণী পদমর্যাদা প্রদান করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর সংলগ্ন এলাকায় ১০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় (সরকারি) স্থাপন প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকার আশপাশে বিদ্যালয় স্থাপনের প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নন-ক্যাডার ৪৫০ জনকে সরকারি বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকের পদায়ন করা হয়েছে। বিভিন্ন বিষয়ের শ্রেণীশিক্ষককে সৃজনশীল পদ্ধতিতে দক্ষ করার লক্ষ্যে এসইএসডিপি প্রকল্পের আওতায় ৪,৪২,০৯১ জন এবং সেসিপের আওতায় ৬৭ হাজার ৪৬৫ জনসহ সারা দেশের মোট ৫,০৯,৫৬৬ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের কাছে বিজ্ঞান শিক্ষাকে আকর্ষণীয় করার লক্ষ্যে হাতেকলমে বিজ্ঞান শিক্ষা বিষয়ে মোট ৫৫,০১৭ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

বাংলাদেশ একটি মুসলিম অধ্যুষিত দেশ। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু আমাদের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা শব্দটি যুক্ত করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু ইসলামিক ফাউন্ডেশন, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড, টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমার জন্য জমি বরাদ্দ থেকে শুরু করে অনেক ইসলাম হিতৈষী কাজ করেছিলেন। ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দের পর থেকে আওয়ামী লীগকে ইসলামবিরোধী দল, এমনকি নাস্তিকের দল বলেও অপপ্রচার চালানো হয়েছে। কিন্তু গত ১০ বছরে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পৃষ্ঠপোষকতায় ইসলাম, ইসলামী শিক্ষা এবং মাদরাসা শিক্ষার যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে তা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। মাদরাসা শিক্ষার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের অন্যতম সাফল্য হল মাদরাসা শিক্ষার জন্য আলাদা অধিদফতর প্রতিষ্ঠা।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ ড. কুদরাত ই-খুদার নেতৃত্বে গঠিত শিক্ষা কমিশনে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দক্ষ জনশক্তি রফতানির লক্ষ্যে কারিগরি শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার কারিগরি শিক্ষার প্রসারে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষায় এনরোলমেন্ট ছিল ১ শতাংশের কম। বর্তমান সরকারের বিশেষ সুদৃষ্টি ও যুগান্তকারী পদক্ষেপের ফলে এখন তা দাঁড়িয়েছে ১৫.১২ শতাংশ। ২০২০ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ কারিগরি শিক্ষায় ২০ শতাংশ এনরোলমেন্টের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ডিপ্লোমা কোর্সে আসন সংখ্যা ১২,৫০০ থেকে ৫৭,৭৮০টি করা হয়েছে।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ছিল মাত্র ৬টি। ’৭৫-পরবর্তী সময় থেকে ’৯৬ পর্যন্ত দেশে উচ্চশিক্ষার পরিবেশ সুনিশ্চিত ছিল না। ’৯৬ খ্রিস্টাব্দে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার দ্বার উন্মুক্ত হয়। গড়ে ওঠে নতুন নতুন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়। তবে ২০০৯ থেকে গত ১০ বছরে দেশে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ আকাশছোঁয়া উচ্চতায় পৌঁছে গেছে। দেশে নতুন ২২টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার বাইরে বেসরকারি উদ্যোগে ৫২টি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দেয়া হয়েছে। উচ্চশিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিকীকরণের লক্ষ্যে Accreditation Council আইন পাস করা হয়েছে। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৭ লাখ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৩৮ লাখে উন্নীত হয়েছে। ৪৩টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৫৩টি প্রশাসনিক ভবন ও একাডেমিক ভবন, ৭৩টি আবাসিক ভবন এবং ১০১টি আবাসিক হল নির্মাণ করা হয়েছে। এসব অবকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ১৫,০০০ শিক্ষার্থীর আবাসিক সুবিধা নিশ্চিত হয়েছে। অন্যদিকে বর্তমান সরকারের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার ফলে গবেষণা এবং অনুন্নয়ন খাতে ব্যাপক বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ৯৭৫৫.৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮১টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। অনুন্নয়ন বাজেট ৯০৮টি টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৪৮৫৩ কোটিতে উন্নীত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে গবেষণা। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে গবেষণা খাতে বরাদ্দ ৬ কোটি থেকে বৃদ্ধি করে ৬২ কোটিতে উন্নীত করা হয়েছে। এ ছাড়াও ৩৩২.১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে উচ্চগতি সম্পন্ন ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বজ্ঞান ভাণ্ডারের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংযোগ স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের মেধার মূল্যায়ন তথা স্বীকৃতি হিসেবে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এ জন্য গত ১০ বছরে ৫০১ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে কমনওয়েলথ স্কলারশিপ প্রদান করা হয়েছে। ১৮৫ গবেষককে ইউজিসি স্বর্ণ প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণ প্রদান করা হয়েছে ৮৫৬ মেধাবী শিক্ষার্থীকে।

অসংখ্য বাধা-বিপত্তি ও প্রতিকূলতা পেরিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের মহাসড়কে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। শুধু শিক্ষা ক্ষেত্রে নয়, মাথাপিছু জাতীয় আয়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং গড় আয়ু বৃদ্ধি, মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার হ্রাসকরণ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিসহ উন্নয়নের সব সূচকে বাংলাদেশের সাফল্য আজ আকাশছোঁয়া। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তীতে ২০২১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ পৌঁছে যাবে মধ্যম আয়ের কাতারে। কিন্তু চারদিকে স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি ও ষড়যন্ত্রকারীরা থেমে নেই। তাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রতিটি প্রগতিশীল মানুষকে সচেতন হওয়ার এখনই উপযুক্ত সময়।

 

লেখক: সদস্য, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন

আগামী বছর সব স্কুলে একযোগে প্রাক প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ - dainik shiksha আগামী বছর সব স্কুলে একযোগে প্রাক প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ এক নজরে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার নম্বর বিভাজন - dainik shiksha এক নজরে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার নম্বর বিভাজন ভিকারুননিসার অডিট রিপোর্ট, শাখা খোলার কাগজপত্র চেয়েছে ঢাকা বোর্ড - dainik shiksha ভিকারুননিসার অডিট রিপোর্ট, শাখা খোলার কাগজপত্র চেয়েছে ঢাকা বোর্ড কে এই নাজনীন ফেরদৌস? - dainik shiksha কে এই নাজনীন ফেরদৌস? জাল সনদ বিক্রেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ - dainik shiksha জাল সনদ বিক্রেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষার ফল ২৪ ডিসেম্বর - dainik shiksha প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষার ফল ২৪ ডিসেম্বর নবসৃষ্ট পদে নিয়োগে ও ব্যয়ের তথ্য চেয়েছে মন্ত্রণালয় - dainik shiksha নবসৃষ্ট পদে নিয়োগে ও ব্যয়ের তথ্য চেয়েছে মন্ত্রণালয় বিজয় দিবসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মসূচি পালনে নির্দেশনা - dainik shiksha বিজয় দিবসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মসূচি পালনে নির্দেশনা স্টুডেন্টস কেবিনেট নির্বাচনের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ - dainik shiksha স্টুডেন্টস কেবিনেট নির্বাচনের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website