শিক্ষা নিয়ে নতুন বছরে নতুন শিক্ষা নিন - মতামত - Dainikshiksha

শিক্ষা নিয়ে নতুন বছরে নতুন শিক্ষা নিন

এ কে এম শাহনাওয়াজ |

দেশে একটি শিক্ষানীতি হয়তো আছে; কিন্তু শিক্ষার নীতি যে কী তা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। আর যদিও বা কোনো নীতি থাকে, তবে তা প্রণয়ন করা বা প্রয়োগ করার আধিকারিক কে বা কারা তাও স্পষ্ট হল না। যদি সাধারণ ধারণা থেকে মনে করেন শিক্ষার সঙ্গে যারা দীর্ঘকাল যুক্ত, শিক্ষা নিয়ে যারা গবেষণা করেন তারাই শিক্ষাবিষয়ক পরিকল্পনা নিয়ে ভাববেন, নীতিনির্ধারণ করবেন, তবে আমাদের দেশের বাস্তবতায় তা বড় ভুল হয়ে যাবে। এদেশের ক্ষমতাসীন রাজনীতিক আর আমলারা জ্ঞানচর্চায় যুক্ত মানুষদের অপদার্থ ও মূর্খ ভাবতে পছন্দ করেন আর চেয়ারের উষ্ণতায় নিজেদের সর্ববিদ্যায় পারদর্শী ভেবে আহ্লাদিত হন। বড় বড় নীতিনির্ধারণ করেন। শিশু মনস্তত্ত্ব বুঝলেন না, শিশু পাঠের ধারাক্রম বুঝলেন না, পরীক্ষা পদ্ধতির ভালো-মন্দ নিয়ে যথার্থ বিশ্লেষণ হল না; কিন্তু সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়া হল। রাজনীতিক, কিছুসংখ্যক ছকবন্দি শিক্ষাবিদ আর আমলাদের খেলার পুতুল হয়ে গেল শিশু শিক্ষার্থীরা।

রাজনীতির ক্ষমতাবানরা ভাবলেন, শিশুপড়ুয়াদের জন্য এমন ব্যবস্থা করব যাতে পরীক্ষার ফলাফলে বিস্ফোরণ ঘটে। আর বড় মুখ করে বলা যাবে এ সরকার শিক্ষাবান্ধব সরকার। শিক্ষার উন্নয়নের ধারা হিমালয়ের চূড়ায় উঠিয়ে দিয়েছে। ইংরেজ যুগে ঘটা করে এন্ট্রান্স পরীক্ষা দিয়ে পাবলিক পরীক্ষার যাত্রা শুরু করা হতো। পরবর্তী সময়ে আমরা একে এসএসসি পরীক্ষায় রূপান্তর করলাম। আবার অধুনা জ্ঞানী-গুণীরা নতুন কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখলেন আরও দুটো পাবলিক পরীক্ষার জোয়াল শিশু শিক্ষার্থীর কাঁধে চাপিয়ে। এসব সার্টিফিকেটের প্রায়োগিক মূল্য না থাকলেও জোয়াল বহন করতে হল। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মানুষরা, শিক্ষা গবেষকরা, শিশু মনস্তাত্ত্বিকরা হায় হায় করতে লাগলেন। এই দুই পরীক্ষার জোয়াল-মুক্তির জন্য কাতর মিনতি করতে থাকলেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞ রাজনীতিকরা এসব মূর্খ-মাতম কানেই তুললেন না। বললেন, এসএসসি পরীক্ষা দিতে গিয়ে নাকি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরীক্ষাভীতি কাজ করে। তাই তারা ক্লাস ফাইভে পিইসি আর ক্লাস এইটে জেএসসি পরীক্ষার ব্যবস্থা করে শিক্ষার্থীর মন থেকে পরীক্ষাভীতি কমিয়ে দিচ্ছেন! যাতে বীরদর্পে এসএসসির মঞ্চে এসে দাঁড়াতে পারে। নির্বিঘ্ন এসএসসি পরীক্ষার জন্য দীর্ঘমেয়াদি এমন অভিনব প্রস্তুতির ব্যবস্থা পৃথিবীর আর ক’টা দেশ দেখাতে পেরেছে! কোনো কোনো দেশে অনেক আগে এমন সব পরীক্ষার ভার ছিল। বিরূপ অভিজ্ঞতায় তা উঠিয়ে দিয়েছে। আর আমরা এসব এখন যুক্ত করছি।

নতুন বছর শুরুর পূর্বক্ষণে ৩০ ডিসেম্বর পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হল। টিভি চ্যানেল ঢাকার নামিদামি স্কুলগুলোর সাফল্য পাওয়া উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকের গর্বিত মুখগুলো টিভি পর্দায় নিয়ে আসে। ধরা পরে না গ্রামগঞ্জের শিক্ষার্থীর আনন্দ-বেদনার কথা। থাকে পরীক্ষার চাপে পিষ্ট শিশু-কিশোরের শৈশব ও কৈশোর কেড়ে নেয়ার গল্প। নোট, গাইড আর কোচিংয়ের চাপে ক্লিষ্ট অভিভাবকের মুখ।

২০১৮ সাল আসার আগে শিশুশিক্ষা, শিক্ষার্থী আর শিক্ষক নিয়ে এখন সরগরম দেশ। আর এসব দেখে, শুনে ও ভেবে বারবার মনে প্রশ্ন জাগে সত্যিই কি এদেশে পরিকল্পিত কোনো শিক্ষানীতি আছে? আমরা শিক্ষা বিস্তারের কথা বলছি, মানোন্নয়নের কথা বলছি; অথচ শিক্ষার আঁতুড়ঘর অথবা শিক্ষা-ইমারতের ভিত্তি নির্মাণের কথা ভুলে যাচ্ছি। শিক্ষার চকচকে বহুতল ভবন তৈরি করছি অথচ খোঁজ রাখছি না ভিত্তির।

গত ১৫ অক্টোবর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা আন্দোলনে নেমেছিলেন। তাদের ৬ দফা দাবির প্রধানটি হচ্ছে বেতন গ্রেড নিয়ে অসন্তুষ্টি। সহকারী শিক্ষকরা চান বেতন গ্রেডে প্রধান শিক্ষকের চেয়ে এক ধাপ নিচে ১১নং গ্রেডে তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হোক। ১১নং গ্রেডের মূল বেতন ১২ হাজার টাকা। সাকুল্যে হয়তো ২৫ হাজার টাকা পাবেন। প্রভিডেন্ট ফান্ড ও অন্যান্য কর্তন শেষে হয়তো ২০-২২ হাজার টাকা হাতে থাকবে। এই বাজারে বাবা-মা নিয়ে ৫ জনের সংসার হলে একজন শিক্ষক ১১নং গ্রেডে কতটাই বা স্বাচ্ছন্দ্য পাবেন! অথচ এটুকুর জন্য আন্দোলনে মাঠে থাকতে হচ্ছে। প্রতীকী অনশন করতে হচ্ছে। মন্ত্রী এসে আশ্বাসের বাণী শুনিয়ে ধর্মঘট স্থগিত করান।

এই আন্দোলন স্থগিত হলে এবার ২৬ ডিসেম্বর আন্দোলন নিয়ে মাঠে নামেন নন-এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকরা। টেলিভিশনে শিক্ষকদের কান্নাজড়িত দুঃসহ জীবনের কথা শুনি। দীর্ঘদিন ধরে তারা ছাত্র পড়িয়ে আসছেন, কখনও প্রায় বিনা পয়সায়, আবার কখনও যৎসামান্য বেতনে। এমপিওভুক্ত হলে সরকারি বেতনের অংশটুকু থাকলে সামান্য স্বস্তি খুঁজে পেতেন। আমি ভাবি এই শিক্ষকদেরও আমাদের মতো সংসার আছে। সন্তানদের পড়ার খরচ আছে। চিকিৎসা খরচ আছে। আর নিত্যকার খাওয়া-পরার প্রশ্নটিও থাকছে। বাজারের অবস্থাও একই। এদের আমরা তুচ্ছ ভাবতে পারি- তবে মানতে হবে এই শিক্ষকদের স্কুলে হাজার হাজার শিক্ষার্থী পড়ছে। যাদের দায়িত্ব সরকারের নেয়ার কথা।

এখন সঙ্গত প্রশ্ন থাকছে, এই মানবেতরভাবে জীবিকা নির্বাহ করা শিক্ষকরা কী পাঠ দেবেন? গত ৩০ ডিসেম্বরে বিভিন্ন চ্যানেলের টকশো দেখছিলাম। বেশিরভাগ শোর বিষয়বস্তু ছিল বই বিতরণ, পিইসি, জেএসসি পরীক্ষা, প্রাইমারি শিক্ষক আন্দোলন ইত্যাদি। একই সঙ্গে জেএসসির ফল প্রকাশ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য ইত্যাদি।

দেখা গেল, শিক্ষক ও শিক্ষা-গবেষণায় যুক্ত মানুষদের বিশ্লেষণ এক রকম, আবার রাজনীতিক ও আমলাদের ধারণা অন্যরকম। শিক্ষাবিদরা যতই বলছেন পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা নিরর্থক, শিশু মনস্তত্ত্বের দিক থেকে ক্ষতিকর, শিশুর স্বাভাবিক বিকাশের পথকে ভারাক্রান্ত করে তোলা হচ্ছে, শিক্ষার্থীকে যুক্ত করে ফেলা হচ্ছে নোটবই, গাইড বই ও কোচিংয়ের চাপে, উচ্ছল শৈশবকে কেড়ে নেয়া হচ্ছে, ততই রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারক পর্যায় থেকে শিক্ষাবিদদের চিন্তা ও বক্তব্যকে আমলে না নিয়ে গুণগান করা হচ্ছে এসব অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষার। নিজেদের পক্ষে নানা যুক্তি তুলে ধরা হচ্ছে। তখন মনে হয়- শিক্ষাভাবনা থেকে শিক্ষাবিদরা অবসর নেবেন কিনা তা এখন ভাবনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অক্টোবর মাসে ১১ নম্বর বেতন গ্রেডের দাবিতে সরকারি প্রাইমারি স্কুলের সহকারী শিক্ষকরা যখন রাজপথে আন্দোলন করছিলেন, তখন অনেক চ্যানেলে মন্তব্য করা হয় সরকারের এই শেষ সময়ে এবং আসন্ন নির্বাচনের আগে এই আন্দোলন কেন? এরা কি কোনো পক্ষের প্ররোচনায় সরকারকে বিব্রত করতে চাইছে? আবার ডিসেম্বরে নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা এমপিওভুক্তির দাবিতে রাজপথে নেমেছেন। চ্যানেলের বক্তব্য এবারেও অভিন্ন।

আমার মনে হয়, চ্যানেলগুলোর প্রশ্ন করার যুক্তি রয়েছে। কিন্তু উদ্দেশ্যকে বাঁকা চোখে দেখার অর্থ আমি খুঁজে পাই না। শিক্ষকদের দুর্দশার ছবি তো বাস্তব। আর আন্দোলন করতে সরকারের নানা দুর্বল সময় বেছে নেয়াটা আন্দোলনকারী শিক্ষকদের কৌশল হতেই পারে। কারণ আমরা প্রতিটি ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা দিয়ে দেখেছি, কোনো যৌক্তিক দাবি ঘনীভূত হওয়ার আগে সরকার নড়েচড়ে বসে না। সংকট মোকাবেলা করে আগেই সমাধানের পথ বের করার চেষ্টা হতে পারত। কিন্তু সরকার পক্ষ আগেভাগে সংকট সমাধানে কখনও তৎপর হয় না। একইভাবে আন্দোলনকারীরাও বুঝে গেছেন সরকারের দুর্বল সময়টিতে মাঠে নামলে সমাধানের পথ সহজ হতে পারে।

আমরা লক্ষ করলে দেখব ঔপনিবেশিককাল থেকে শুরু করে সব আমলেই প্রাথমিক শিক্ষার কাঠামোটিকে সবল করার চিন্তা সরকার কখনও করেনি। আর্থিক দুরবস্থার মধ্য দিয়েই অগ্রসর হতে হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের। উনিশ শতকের শেষদিকে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন কেমন ছিল আমার কাছে তথ্য নেই। তবে সে সময় একজন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের বেতন ছিল আড়াইশ’ টাকা। সেই অনুপাতে একজন শিক্ষকের বেতন হয়তো পঞ্চাশ থেকে একশ’ টাকা হতে পারত। তবে অনুমান করা যায় তেমন ছিল না। ‘ঢাকা প্রকাশ’ পত্রিকার সম্পাদক কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার সাংবাদিকতা ছেড়ে ১৮৭৪ সালে যশোর জেলা স্কুলের হেড পণ্ডিত হয়েছিলেন। এ সময় তার বেতন ছিল ৫০ টাকা। এ উদাহরণের সঙ্গে তুলনা করলে বলতে হবে এর শতবর্ষ পরে স্কুল শিক্ষকদের বেতন আরও নিন্মগামী হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ১৯৬৩ সালের আগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন প্রশিক্ষিত এন্ট্রান্স পাস সহকারী শিক্ষকের বেতন ছিল ৪০ টাকা। ফলে অনুমান করা যায় আর্থিকভাবে শিক্ষক সচ্ছল হতে পারেননি কখনও। ২০১৬ সালে এসে বর্তমান পে-স্কেলে বেতন ভালো বাড়লেও আনুপাতিক হারে শিক্ষকদের আর্থিক অবস্থান দুর্বলই থেকে যাচ্ছে।

তবুও ধরে নিচ্ছি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা মন্দের ভালো অবস্থায় আছেন; কিন্তু নন-এমপিওভুক্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তো মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এমপিওভুক্ত হলে বেতনের সরকারি অংশটি পাওয়া যেত। আমি খোঁজ নিয়ে জেনেছি স্কুলভেদে নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা ১৫০০ থেকে ৫-৬ হাজার পর্যন্ত টাকা বেতন পেয়ে থাকেন। এই অভুক্ত, হতাশ শিক্ষকরা কতটা পাঠদান করতে পারবেন বিদ্যালয়গুলোতে? শিক্ষকদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং শিক্ষার প্রাথমিক স্তরে এমন ছন্নছাড়া দশা রেখে আমরা শিক্ষার মানোন্নয়নের কথা বলি কেমন করে সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

এসব জরাজীর্ণ দশা নিয়ে আমরা পার করলাম ২০১৭ সাল। উন্নয়ন তো হচ্ছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। আমাদের দেশের নীতিনির্ধারকরা মানেন কিনা জানি না, শিক্ষাক্ষেত্রে বিনিয়োগ নাকি সবচেয়ে উত্তম বিনিয়োগ। সভ্য দেশগুলো সেভাবেই বিষয়টি দেখে থাকে। পাশাপাশি এ তো স্বতঃসিদ্ধ যে, শিক্ষার বুনিয়াদ হচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়। শিক্ষার উন্নতি করতে হলে এই বুনিয়াদকেই শক্ত করতে হবে। উচ্চ বেতন থাকলে প্রশিক্ষিত ও উচ্চশিক্ষিত শিক্ষক পাওয়া যেত। কিন্তু নতুন বছরের শুরুতেও একান্ত বেঁচে থাকার দাবিতে মরণপণ অনশনে ফুটপাতে পড়ে থাকতে হচ্ছে আন্দোলনরত শিক্ষকদের। নিকট অতীতে রুটিরুজির দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে শিক্ষকদের পুলিশের লাঠিপেটা হজম করতে হয়েছে। এবারও সুরাহার কোনো লক্ষণ নেই। শিক্ষামন্ত্রী কোনো আশার কথা শোনাতে পারছেন না।

নতুন বছরে প্রাথমিক শিক্ষা আর শিক্ষকদের সংকট অব্যাহত থাকুক কেউ তা প্রত্যাশা করবে না। আমলা ও রাজনীতিকদের জ্ঞানের পাশাপাশি শিক্ষা নিয়ে যারা কাজ করছেন, গবেষণা করছেন তাদের বিবেচনাকে সঙ্গে নিয়ে বাস্তবসম্মত পথে নীতিনির্ধারণের জন্য বিধায়কদের সবিনয় অনুরোধ করব। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষার ভারে ভারাক্রান্ত না করে শিক্ষাবিষয়ক বিশেষজ্ঞের পরামর্শে এই নতুন বছরে প্রাথমিক শিক্ষা কারিকুলামের পুনর্বিন্যাস করার শপথ নিতে হবে। আবার শিক্ষকদের একটি অংশকে মানবেতর জীবনে রেখে- হতাশায় নিপতিত করে শিক্ষার কল্যাণ সাধিত হতে পারে না।

ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

সৌজন্যে: যুগান্তর

৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ও বৈশাখী ভাতার ফাইল প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে - dainik shiksha ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ও বৈশাখী ভাতার ফাইল প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে দাখিল আলিম পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ - dainik shiksha দাখিল আলিম পরীক্ষায় বৃত্তিপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ মাস্টার্সের সমমর্যাদা পেল দাওয়ারে হাদিস - dainik shiksha মাস্টার্সের সমমর্যাদা পেল দাওয়ারে হাদিস এইচএসসি প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের বিজ্ঞপ্তি - dainik shiksha এইচএসসি প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের বিজ্ঞপ্তি এমপিও কমিটির সভা ২৪ সেপ্টেম্বর - dainik shiksha এমপিও কমিটির সভা ২৪ সেপ্টেম্বর তেরো এগারোর বাদপড়া শিক্ষকদের হইচই (ভিডিও) - dainik shiksha তেরো এগারোর বাদপড়া শিক্ষকদের হইচই (ভিডিও) দৈনিক শিক্ষায় বিজ্ঞাপন পাঠান ইমেইলে - dainik shiksha দৈনিক শিক্ষায় বিজ্ঞাপন পাঠান ইমেইলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website