শিক্ষা মহাপরিকল্পনা - মতামত - Dainikshiksha

শিক্ষা মহাপরিকল্পনা

দৈনিকশিক্ষা ডেস্ক |

শিক্ষা জাতীয় উন্নয়নের চাবিকাঠি। দুনিয়ার সব অগ্রসর দেশ আজকের পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে শিক্ষা নামের জাদুর পরশে। বাংলাদেশকে উন্নত দেশগুলোর কাতারে নেওয়ার স্বপ্নকল্প ঘোষণা করা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। কিন্তু এ স্বপ্ন বাস্তবায়নে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে শিক্ষা ক্ষেত্রে যথাযথ প্রস্তুতি না থাকার সীমাবদ্ধতা। বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিক্ষা খাত নিয়ে সরকারের কোনো মহাপরিকল্পনা না থাকায় শিশু-কিশোররা গিনিপিগে পরিণত হচ্ছে। রোববার (২ জুন) বাংলাদেশ প্রতিদিন প্রত্রিকায় প্রকাশিত এক নিবন্ধে এ তথ্য জানা যায়।

শিক্ষাবর্ষের এক-তৃতীয়াংশ চলে যাওয়ার পর গত বছরের এপ্রিলে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার শিক্ষার্থীরা জেনেছে তাদের প্রশ্নপত্রে ভিন্নতা আসছে এবং পরীক্ষায় বহুনির্বাচনী প্রশ্ন বা এমসিকিউ থাকবে না। অথচ এমসিকিউ রেখে এর দুই মাস আগে ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের কাঠামো ও নম্বর ঠিক করেছিল জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি। এর দুই মাস পর হঠাৎই এমসিকিউ বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। শিক্ষা খাত নিয়ে মহাপরিকল্পনা না থাকায় সরকার বা মন্ত্রী পরিবর্তন হলে পরিবর্তন হয় পাঠ্যবই। কারণে-অকারণে বছর বছর পাঠ্যবইয়ের কনটেন্টে আসে পরিবর্তন। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা না থাকায় ঘন ঘন পাল্টাচ্ছে পরীক্ষা পদ্ধতি। একটি পদ্ধতি ঠিকমতো কার্যকর না হতেই আবার চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে নতুন পদ্ধতি। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ঠিকভাবে তা রপ্ত করার আগেই আবার আসছে নতুন সিদ্ধান্ত। নতুন এসব পদ্ধতির সঙ্গে তাল মেলাতে না পেরে বিপত্তিতে পড়ছে শিক্ষার্থীরা।

দেশের শিক্ষাব্যবস্থার প্রায় সবটাই পরিচালিত হয় নিজস্ব অর্থায়নে। বিদেশি অনুদান যেটুকু আছে তা অনেকটা শাঁখের করাতের মতো। নগণ্য সে অনুদানের কারণে দাতা সংস্থা চাপিয়ে দেয় একের পর এক পরামর্শের বোঝা; যার আলোকে হঠাৎ করেই পরিবর্তন আসে শিক্ষাব্যবস্থায়। গিনিপিগ হিসেবে ব্যবহার করা হয় দেশের শিক্ষার্থীদের। সে ব্যবস্থার ব্যর্থতা স্পষ্ট হলে কিংবা সমালোচনার ঝড় বইলে চাপিয়ে দেওয়া হয় নতুন প্রেসক্রিপশন। সময়োপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনেও ব্যর্থ হয়েছে প্রতিটি সরকার। বিশেষত উচ্চশিক্ষার নামে দেশে চলছে বড় মাপের তামাশা; যা একদল শিক্ষিত বেকার সৃষ্টিতে অবদান রাখছে। কর্মমুখী শিক্ষার অভাবে বিদেশ থেকে কর্মী এনে কাজ করছে দেশেরই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। জাতীয় অগ্রগতির স্বার্থে শিক্ষা ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন আজ সময়েরই দাবি।

করোনায় আরও ২৯ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩ হাজার ২৮৮ - dainik shiksha করোনায় আরও ২৯ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩ হাজার ২৮৮ এমপিওভুক্ত হলেন আরও ৭৩ শিক্ষক - dainik shiksha এমপিওভুক্ত হলেন আরও ৭৩ শিক্ষক সরকারি স্কুল-কলেজ কর্মচারীদের অনলাইনে পিডিএস পূরণের নির্দেশ - dainik shiksha সরকারি স্কুল-কলেজ কর্মচারীদের অনলাইনে পিডিএস পূরণের নির্দেশ শ্রান্তি বিনোদন ভাতা তুলতে চাঁদা নেয়ার অভিযোগ তিন শিক্ষক নেতার বিরুদ্ধে - dainik shiksha শ্রান্তি বিনোদন ভাতা তুলতে চাঁদা নেয়ার অভিযোগ তিন শিক্ষক নেতার বিরুদ্ধে শিক্ষা কর্মকর্তার গাফিলতিতে ১৭ স্কুল মেরামতের সাড়ে ৩৫ লাখ টাকা ফেরত - dainik shiksha শিক্ষা কর্মকর্তার গাফিলতিতে ১৭ স্কুল মেরামতের সাড়ে ৩৫ লাখ টাকা ফেরত পলিটেকনিকে ভর্তিতে বয়সসীমা থাকছে না - dainik shiksha পলিটেকনিকে ভর্তিতে বয়সসীমা থাকছে না সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ পদের আবেদন শুরু - dainik shiksha সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ পদের আবেদন শুরু বিনামূল্যে আন্তর্জাতিক মানের ডিজিটাল কনটেন্ট দিচ্ছে টিউটর্সইঙ্ক - dainik shiksha বিনামূল্যে আন্তর্জাতিক মানের ডিজিটাল কনটেন্ট দিচ্ছে টিউটর্সইঙ্ক শিক্ষকদের ফ্রি অনলাইন প্রশিক্ষণ চলছে - dainik shiksha শিক্ষকদের ফ্রি অনলাইন প্রশিক্ষণ চলছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website