সংযুক্ত ভোকেশনাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতি দায়বদ্ধতা - মতামত - Dainikshiksha

সংযুক্ত ভোকেশনাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতি দায়বদ্ধতা

রিপন কুমার দাস |

ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমের এসএসসি ভোকেশনাল কোর্সটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল, যার পরিপ্রেক্ষিতে দেশে প্রায় ২৫০০ অধিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সংযুক্ত এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সাধারণ শাখার মুল প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকের নির্দেশনায় এ সকল প্রতিষ্ঠান কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ ও সহকারী প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ ভোকেশনাল শাখা থেকে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নিয়মানুযায়ী বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে থাকেন। পক্ষান্তরে ভোকেশনাল শাখার প্রতি তাদের কোন দায়বদ্ধতা নেই বললেই চলে। প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ ভোকেশনাল শাখা নিয়ে বিভিন্ন সময় নিজেদের ইচ্ছা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের সিদ্ধান্ত প্রদানের ফলে ভোকেশনাল শাখা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। এমনকি ভোকেশনাল শাখার বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের স্বীকৃতি বাতিল বা কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের এমপিও স্থগিতের মত অবস্থা দেখা দেয়। এছাড়া ভোকেশনাল শাখায় মারাত্মক কোন সমস্যা দেখা দিলে সে সমস্যা ট্রেড ইন্সট্রাক্টরদেরই সমাধান করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধান বা সহকারী প্রতিষ্ঠান প্রধান কোন ব্যবস্থাই গ্রহণ করেন না। তাই তো অনেক সময় মনে হয় সংযুক্ত ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠান ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা।

অপর দিকে সাধারণ শাখায় যদি প্রতিষ্ঠান প্রধান বা সহকারী প্রতিষ্ঠান প্রধানের সিদ্ধান্তের কারণে যদি কোন ধরণের সমস্যা সৃষ্টি হয় তবে সাধারণ শাখার সকল শিক্ষক ও কর্মচারীদের সাথে সাথে প্রতিষ্ঠান প্রধান বা সহকারী প্রতিষ্ঠান প্রধানের সমস্যা হয়, উদাহরণস্বরূপ, পাবলিক পরীক্ষায় যদি সাধারণ শাখায় যদি কাক্সিক্ষত ফলাফল না করতে পারে, তবে যদি সাধারণ শাখার শিক্ষক ও কর্মচারীদের এমপিও স্থগিত হয়, সাথে সাথে প্রতিষ্ঠান প্রধান বা সহকারী প্রতিষ্ঠান প্রধানের এমপিও স্থগিত হয়। কিন্তু ভোকেশনাল শাখার এ ধরনের সমস্যার কারণে প্রতিষ্ঠান প্রধান বা সহকারী প্রতিষ্ঠান প্রধানের কোন সমস্যাই সৃষ্টি হয় না, যা সমস্যা তা শুধু ভোকেশনাল শাখার শিক্ষক ও কর্মচারীদেরই হয়ে থাকে, যা একদেশ, দুইনীতির সমান। এছাড়া বেশির ভাগ সময়ই দেখা যায়, প্রতিষ্ঠান প্রধান বা সহকারী প্রতিষ্ঠান প্রধান তাদের মূল শাখার প্রতি গভীর মমত্ববোধের কারণে ভোকেশনাল শাখার জন্য এমন কিছু সিদ্ধান্ত প্রদান করেন, যার কারণে ভোকেশনাল শাখায় শিক্ষার্থী ভর্তিতেও বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। ফলে ভোকেশনাল শাখার শিক্ষক ও কর্মচারীদের সমস্যায় পড়তে হয়। তাই সাধারণ শাখার ন্য্যয় ভোকেশনাল শাখায়ও কোন সমস্যা হলে প্রতিষ্ঠান প্রধান বা সহকারী প্রতিষ্ঠান প্রধান সমান ভাবে দায়ী থাকবেন-এ ধরনের ব্যবস্থা থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন। তা না হলে ভোকেশনাল শাখার প্রতি তাদের দায়বদ্ধতার সৃষ্টি হবে না। 

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ট্রেডভিত্তিক ছাত্র ভর্তি ও ফলাফলের ভিত্তিতে অনেক কিছুই মুল্যায়ন করে থাকে। কিন্তু শুধু ট্রেড বিষয় পড়ানোর জন্যই প্রতিটি ট্রেডে মাত্র ২ জন ট্রেড ইন্সট্রাক্টর থাকেন। অপর দিকে সাধারণ বিষয় পড়ানোর জন্য ভোকেশনাল শাখায় বর্তমান নীতিমালায় ৬ জন সহকারী শিক্ষক রয়েছেন। অনেক সময় দেখা যায়, একটি ট্রেডের রসায়ন বিষয় সকল শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হলো, ফলে ঐ ট্রেডে ১জন শিক্ষার্থীও কৃতকার্য হতে পারল না। সে ক্ষেত্রে বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী ঐ ট্রেডের ট্রেড ইন্সট্রাক্টরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াসহ এমপিও বাতিলের সুপারিশ করা হয়, যা একেবারেই অমানবিক। যদি ব্যবস্থা নিতেই হয়, তবে যে বিষয় শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে, সে বিষয়ের বিষয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে নেওয়া যেতে পারে, সংশ্লিষ্ট ট্রেডের ট্রেড ইন্সট্রাক্টরদের বিরুদ্ধে নয়। অবশ্য যদি ট্রেড বিষয়েই যদি কাক্সিক্ষত শিক্ষার্থী কৃতকার্য না হতে পারে তবে ট্রেড ইন্সট্রাক্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যেতেই পারে। এছাড়া শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রেও ট্রেডভিত্তিক কাক্সিক্ষ শিক্ষার্থী ভর্তি না হলে ট্রেড ইন্সট্রাক্টরদের ওপর দায় চাপানো হয়, যেটা অন্যন্ত অমানবিক। এক্ষেত্রে ট্রেড ইন্সট্রাক্টরদের পাশাপাশি প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, ভোকেশনাল শাখার সাধারণ বিষয়ের শিক্ষকদের সমভাবে দায়ী করা যেতে পারে, যদি কঠিন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, তবে তা সকলের জন্যই সমান ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। 

এছাড়া মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সিলেবাসের চাপ কমানোর জন্য ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ থেকে সাধারণ শাখার জন্য মোট ১০টি বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে, যার ক গুচ্ছে ৩টি বিষয় ৩০০ নম্বর : বাংলা, ইংরেজি, গণিত, খ গুচ্ছে ২টি বিষয় ২০০ নম্বর : বিজ্ঞান, সমাজ,  গ গুচ্ছ ২টি বিষয় প্রথমটি ১০০ নম্বর ও দ্বিতীয়টি ৫০ নম্বর : ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভবিষৎ কর্ম জীবনের উপর লক্ষ্য রেখে ঘ  গুচ্ছের ৩টি বিষয় ৩০০ নম্বর (প্রথম ২টি মুল ও ১ টি ঐচ্ছিক) : বিজ্ঞান বিভাগ (পদার্থ, রসায়ন, জীবন বিজ্ঞান/উচ্চতর গণিত), বানিজ্য বিভাগ (হিসাব বিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, ব্যাংকিং ও ফিন্যান্স/ব্যবসায় উদ্যোগ) নির্ধারণ করা হবে, অর্থাৎ মানবিক বিভাগ বিলুপ্ত করা হয়েছে।

কিন্তু অপর দিকে ভোকেশনাল শাখায় বর্তমানে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, পদার্থ, রসায়ন, আত্মকর্মসংস্থান ও ব্যবসায় উদ্যোগ, শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিজ্ঞান, ট্রেড-১, ট্রেড-২, ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রইং, বাস্তব প্রশিক্ষণ, কৃষি শিক্ষা/হিসাব বিজ্ঞান/উচ্চতর গণিত মোট ১৫টি বিষয় অধ্যায়ন করতে হয়। যা একজন অপেক্ষাকৃত দুর্বল ও কম মেধাসম্পন্ন শিক্ষার্থীকে দিয়ে একেবারেই অসম্ভব। এর ফলে ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ক্রমে ক্রমে হ্রাস পাচ্ছে। 

তাই মাধ্যমিক পর্যায়ে ভোকেশনাল শাখার ক্ষেত্রে সাধারণ শাখার বিষয় সমুহের পাশাপাশি আরও ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের কথা চিন্তা করে কারিগরি বিষয় যোগ করা হয়, যার ফলে ভোকেশনাল শিক্ষার্থীদের সাধারণ শাখার শিক্ষার্থীদের থেকে সিলেবাসের চাপ বেশি পরে থাকে। তাই মাধ্যমিক পর্যায়ের ভোকেশনাল শিক্ষার্থীদের চাপ কমানোর জন্য সাধারণ বিষয়ের প্রতিটি পাঠ্যক্রম থেকে ৩০ ভাগ কর্তন করে সিলেবাস প্রণয়নসহ সাধারণ শাখার ন্যায় ক গুচ্ছে ৩টি বিষয় ৩০০ নম্বর : বাংলা, ইংরেজি, গণিত, খ গুচ্ছে ২টি বিষয় ২০০ নম্বর : বিজ্ঞান, সমাজ,  গ গুচ্ছে ৩টি বিষয় ১৫০ নম্বর : ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ইঞ্জিনিয়ারিং ড্রইং (নবম)+ আত্মকর্মসংস্থান ও ব্যবসায় উদ্যোগ (দশম), ভবিষৎ কর্ম জীবনের উপর লক্ষ্য রেখে ঘ গুচ্ছের ৩টি বিষয় ৩০০ নম্বর (প্রথম ২টি মুল ও ১ টি ঐচ্ছিক) : ট্রেড-১, ট্রেড-২, ট্রেড-৩ নির্ধারণ করা প্রয়োজন। ভোকেশনাল শাখায় ট্রেড বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া একান্ত প্রয়োজন তাই সাধারণ শাখার ক,খ ও গ গুচ্ছ ঠিক রেখে ভবিষৎ ও কর্ম জীবনের ওপর লক্ষ্য রেখে ঘ  বিজ্ঞান বিভাগ (পদার্থ, রসায়ন, জীবন বিজ্ঞান/উচ্চতর গণিত), বাণিজ্য বিভাগ (হিসাব বিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, ব্যাংকিং ও ফিন্যান্স/ব্যবসায় উদ্যোগ) এর পরিবর্তে ট্রেড-১, ট্রেড-২, ট্রেড-৩ নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

 

এছাড়া বিল্ডিং কনষ্ট্রাকশন বিভাগের ট্রেড-১ : মাশনারী, ট্রেড-২ : রড বাইন্ডিং, ট্রেড-৩ : টাইলস ওয়ার্কস, ড্রেসমেকিং বিভাগের ট্রেড-১ : ড্রেস ডিজাইন এন্ড কাটিং, ট্রেড-২ : ড্রেস এটাচ এন্ড সুইং, ট্রেড-৩ : ড্রেস ফিনিসিং এন্ড কোয়ালিটি,  বিল্ডিং ডেকোরেশন বিভাগের ট্রেড-১ : ফ্যাসাড ইন্সট্যালেশন, ট্রেড-২ : ফলস এন্ড ড্রাই ওয়াল পার্টিশন, ট্রেড-৩ : কনষ্ট্রাকশন পেইন্টিং, কটন স্পিনিং বিভাগের ট্রেড-১ : স্পিনিং প্রিপেয়টরী, ট্রেড-২ : কটন স্পিনিং, ট্রেড-৩ : পোস্ট স্পিনিং, মর্ডান উইভিং বিভাগের ট্রেড-১ : উইভিং প্রিপেয়টরী এন্ড ফিনিসিং, ট্রেড-২ : মর্ডান ওয়েভার, ট্রেড-৩ : ফেব্রিক ষ্টাকচারিয়াল ডিজাইন, বিউটিফিকেশন বিভাগের ট্রেড-১ : স্কিন কেয়ার সার্ভিস, ট্রেড-২ : হেয়ার কেয়ার সার্ভিস, ট্রেড-৩ : নেইল কেয়ার সার্ভিস, ফুড প্রসেসিং এন্ড প্রিজারভেশন  বিভাগের ট্রেড-১ : বেকিং (বিস্কুট ও ব্রেড), ট্রেড-২ : ডেইরি প্রোডাক্ট, ট্রেড-৩ : ফুড প্যাকেজিং, এগ্রোবেসড ফুড বিভাগের ট্রেড-১ : ফ্রুট এন্ড ভেজিটেবল প্রসেসিং, ট্রেড-২ : ফুড গ্রেইন মিলিং, ট্রেড-৩ : স্ন্যাক্স ফুডস প্রোডাকশন, লাইভস্টক বিভাগের ট্রেড-১ : ডেইরী ফার্ম ম্যানেজমেন্ট, ট্রেড-২ : ফ্যাটেনিং ফার্ম ম্যানেজমেন্ট, ট্রেড-৩ : লাইভস্টক ব্রিডিং, বিষয় নির্ধারণ করা যেতে পারে।

ভোকেশনাল শাখা সাধারণ শাখার সমমান করতে গিয়ে এত বেশি সাধারণ বিষয়ে পাঠ্যক্রম অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে যার ফলে এই শাখাটিতে সাধারণ মানের শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা গ্রহণ অসম্ভব হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ভোকেশনাল শাখাটি স্বল্প মেধাবী, দরিদ্র, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের নিকট আতংকের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, এ থেকে মুক্তির জন্য ও দক্ষ জনগোষ্ঠী তৈরির জন্য পাঠ্যক্রমের বোঝাও কমানো অতীব জরুরি। 

লেখক : ট্রেড ইন্সট্রাক্টর, ডোনাভান মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পটুয়াখালী। 

[মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন]

মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে দুদকের অভিযান - dainik shiksha মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে দুদকের অভিযান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালনের নির্দেশ - dainik shiksha শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালনের নির্দেশ এইচএসসির অনলাইন ফরম পূরণ শুরু ১৩ ডিসেম্বর - dainik shiksha এইচএসসির অনলাইন ফরম পূরণ শুরু ১৩ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মসূচি পালনে নির্দেশনা - dainik shiksha বিজয় দিবসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মসূচি পালনে নির্দেশনা স্টুডেন্টস কেবিনেট নির্বাচনের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ - dainik shiksha স্টুডেন্টস কেবিনেট নির্বাচনের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ ভিকারুননিসার ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত - dainik shiksha ভিকারুননিসার ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত ভিকারুননিসার বসুন্ধরা শাখার কলেজ ও মাধ্যমিকের অনুমোদন নেই - dainik shiksha ভিকারুননিসার বসুন্ধরা শাখার কলেজ ও মাধ্যমিকের অনুমোদন নেই এসএসসির ফরম পূরণের সময় ফের বাড়ল - dainik shiksha এসএসসির ফরম পূরণের সময় ফের বাড়ল ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধিসহ মাদরাসা শিক্ষকদের নভেম্বর মাসের এমপিওর চেক ব্যাংকে - dainik shiksha ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধিসহ মাদরাসা শিক্ষকদের নভেম্বর মাসের এমপিওর চেক ব্যাংকে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তিতে ট্রিপল ই জটিলতা - dainik shiksha শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তিতে ট্রিপল ই জটিলতা সরকারি চাকরিতে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলকের পরিপত্র জারি - dainik shiksha সরকারি চাকরিতে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলকের পরিপত্র জারি ডাচ-বাংলার উদাসীনতায় পরীক্ষকদের সম্মানীর টাকা প্রতারকদের হাতে - dainik shiksha ডাচ-বাংলার উদাসীনতায় পরীক্ষকদের সম্মানীর টাকা প্রতারকদের হাতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website