সঠিক লিখলে বিসিএস পরীক্ষায় ডাহা ফেল - মতামত - দৈনিকশিক্ষা

সঠিক লিখলে বিসিএস পরীক্ষায় ডাহা ফেল

দৈনিকশিক্ষা ডেস্ক |

শিরোনাম দেখে অনেকের ভড়কে যাওয়ার কথা। কপালে ভাঁজ পড়ার কথা বিসিএস পরীক্ষার্থীদের। আসলে বিষয়টি এত কঠিনভাবে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে সিরিয়াস হওয়ার প্রয়োজন তো আছেই। আসলে প্রশ্নটি আমাকে তাড়া করছে গত সপ্তাহে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মান শ্রেণির একটি ক্লাস নিতে গিয়ে। ছাত্রটি মেধাবী। ঢাকায় থেকে একটি কোচিং সেন্টারে শিক্ষকতা করে। পাশাপাশি উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে। কোচিং সেন্টারে পড়ানোর দায়িত্ব পালন করায় বর্তমান ধারার শিক্ষা ও পরীক্ষা সম্পর্কে ওর অনেকটা স্বচ্ছ ধারণা রয়েছে। আমি ওদের বাংলার সামাজিক-সাংস্কৃতিক ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে কয়েকটি বক্তৃতা করছি। রোববার (১৯ মে) কালের কণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত এক নিবন্ধে এ তথ্য জানা যায়। নিবন্ধটি লিখেছেন এ কে এম শাহনাওয়াজ।

নানা প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধান ও উত্খনন থেকে পাওয়া তথ্য সূত্রে গত তিন দশকে বাংলার ইতিহাসের অনেক ভুল সংশোধিত হয়েছে। বইপত্র ও জার্নালে তা প্রকাশও পেয়েছে। স্কুল থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠক্রম ও বইতেও তা সংশোধিত হচ্ছে। কিন্তু আমরা বেশির ভাগ এমন গত্বাঁধা পড়াশোনায় আটকে গেছি যে পরিবর্তিত জ্ঞানের সঙ্গে নিজেদের অনেক সময় যুক্ত করতে পারছি না। আমার ছাত্রটির আতঙ্ক এখানেই।

আমি যখন বলি, ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খলজির ‘বঙ্গ বিজয়’ বা ‘বাংলা বিজয়’ তত্ত্বটি সঠিক নয়। বখতিয়ার খলজি কখনো প্রাচীন বঙ্গ বা বাংলায় প্রবেশ করেননি। তিনি লক্ষণ সেনকে পশ্চিম বাংলার নদীয়ায় পরাজিত করেন ১২০৪ সালে, আর উত্তর বাংলার গৌড় এবং দেবকোট জয় করে ১২০৬ সালে সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। তিনি প্রচীন বঙ্গ জনপদের সীমানায়ই ঢোকেননি। তাই এই আফগান যোদ্ধাকে বঙ্গ বিজেতা বলার অবকাশ কোথায়! তবে বখতিয়ার অবশ্যই বাংলার সীমানায় প্রবেশ করেছিলেন। কিন্তু সেই অঞ্চল তখনকার নামে নদীয়া ও লখনৌতি।

পুরো বাংলা মুসলমান সুলতানদের অধিকারে আসে ১৩৫২-৫৩ সালে। সেই অর্থে বখতিয়ার বাংলা বিজেতাও হতে পারেন না। ইতিহাসের এই ভ্রান্ত শব্দ প্রথম সংস্কারের সুযোগ পেয়েছিলাম ১৯৯৬ সালে। তখন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও টেক্সট বুক বোর্ডের নবম-দশম শ্রেণির ইতিহাস বইয়ের সিলেবাস তৈরি ও গ্রন্থ প্রণয়নে আমি যুক্ত ছিলাম। তখন বঙ্গ বিজয়ের পরিবর্তে নদীয়া ও লখনৌতি বিজয় লিখে প্রথম সংস্কার করি। এর পরের বছর একই দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হয় উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বই সংস্কারে। সেখানেও সংশোধন করা হয়। এরপর কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস অনুযায়ী লেখা বইতেও সংস্কার করি। অনেক বছর এরই মধ্যে পেরিয়ে গেছে। ভেবেছি এত দিনে বঙ্গ বিজয়ের ভ্রান্তি থেকে আমরা শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও ইতিহাস পাঠক মুক্তি পেয়েছি।


কিন্তু আমাকে চমকে দিল আমার ছাত্রটি। ও ওর অভিজ্ঞতা থেকে বলল, স্যার আমার ধারণা বিসিএসের প্রশ্ন যারা করে তারা বাজারে চলতি গাইড বইগুলো অনুসরণ করে। এরই প্রতিফলন দেখা যায় প্রশ্নে। আমরা কোচিংয়ে প্রধানত গাইড বইই অনুসরণ করি। ওখানে সাতপুরনো ‘বঙ্গ বিজয়’ই রয়েছে। পরীক্ষার্থীরা তো লখনৌতি-নদীয়া অপশনই খুঁজে পাবে না। আবার অপশন থাকলেও বিসিএসের উত্তর-সমাধানে বঙ্গ বিজয়ই সঠিক সমাধান দেওয়া থাকবে। সঠিক লিখলে ভুল বলে তা কাটা পড়বে।

একইভাবে ইতিহাস বইয়ের আরেক প্রচলিত ভুল নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে। সাধারণ ইতিহাস বইতে যুগ যুগ ধরে লেখা হয়েছে, ‘আকবরের বাংলা বিজয়’। আসলে সম্রাট আকবর তাঁর জীবদ্দশায়ই পুরো বাংলা জয় সম্পন্ন করতে পারেননি। ১৫৭৬ সালের মধ্যে তাঁর সেনাপতিরা জয় করেছিল বাংলার উত্তর ও পশ্চিমাংশ। পূর্ববঙ্গ অনেক চেষ্টা করেও জয় করতে পারেননি তিনি। এ সময় মোগলদের হাত থেকে পূর্ববাংলাকে একজোট হয়ে রক্ষা করেছিল এখানকার বড় জমিদাররা। ইতিহাসে যারা বারোভুঁইয়া নামে পরিচিত। পুরো বাংলা জয়ের কৃতিত্ব ছিল সম্রাট জাহাঙ্গীরের। এসব সংস্কার করে বইপত্রে লেখাও হয়েছে। কিন্তু কার দায় পড়েছে এত কিছু লেখাপড়া করার। আমার কোচিং অভিজ্ঞ ছাত্র ওর ভাষায় সবচেয়ে প্রচলিত গাইড থেকে দেখাল ওখানে বাংলা বিজেতা হিসেবে সম্রাট আকবরের নামই আছে। ও নিশ্চিত বাংলা বিজেতা হিসেবে আকবরকেই নির্দিষ্ট রাখবেন বিসিএস পরিচালকরা। সত্য লিখতে গেলে নম্বর হারাবে পরীক্ষার্থীরা।

আমি এখানে ইতিহাস থেকে দুটি মাত্র উদাহরণ দাঁড় করালাম। আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যচর্চায় অনেক সাতপুরনো ভুল তথ্যের ওপর আমরা আটকে আছি। নতুন গবেষণালব্ধ তথ্য-প্রমাণে ইতিহাস সংশোধিত হলেও আমরা প্রতাপশালী অনেকে নিজেদের গড়া অচলায়তন ভেঙে যাবে ভয়ে মিথ্যাকেই বাঁচিয়ে রাখতে চাচ্ছি। যেমন ২০০৭ থেকে আমাকে কলমযুদ্ধ করতে হয়েছে টানা তিন বছর। বড় মানুষ বিশেষজ্ঞরা ঢাকা শহরকে ৪০০ বছরের পুরনো বলে দাঁড়ি দিয়ে ফেলেছেন। ২০১০ সালে ৪০০ বছর পূর্তি নিয়ে কত উৎসব আয়োজন আর জ্ঞানচর্চা হয়েছে। অথচ আমরা ইতিহাসের আকর সূত্র দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছি ঢাকা হাজার বছরের পুরনো শহর।

এই প্রাচীন নগরীর গৌরবময় অনেক ঐতিহ্য এখন সামনে এসেছে। অথচ নিজেদের গড়া অচলায়তন ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় আমরা ক্ষমতাবান অনেকেই জোর করে হলেও ৪০০ বছরে আটকে থাকতে চেয়েছি। শক্ত সূত্র উন্মোচিত হওয়ায় একসময় নগরীর প্রাচীনত্ব মেনে ‘রাজধানী ঢাকার ৪০০ বছরে’ স্থির হয়েছিলাম। কারণ ৪০০ বছর আগেই মোগল আমলে ঢাকা বাংলা সুবার রাজধানী হয়েছিল। কিন্তু ইতিহাসের সবল সূত্র প্রমাণ দেখাল মোগলপূর্ব যুগে বাংলার স্বাধীন সুলতানদের একটি প্রদেশ ছিল ‘মুবারকাবাদ’। যা সোনারগাঁও, ঢাকা, বিক্রমপুর, ফরিদপুর, যশোর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আর এই প্রদেশের রাজধানী ছিল পুরনো ঢাকা। শিলালিপি প্রমাণ তা স্পষ্ট করেছে। সেই হিসাবে ঢাকা রাজধানীর গৌরব পেয়েছিল ৬০০ বছর আগে। কিন্তু আমার ছাত্র জানাল এসব সত্য আপনাদের লেখার মাধ্যমে ২০০৭ সাল থেকে প্রকাশিত হলেও বিসিএসের গাইড বইগুলোতে জায়গা করে নিতে পারেনি। তাই বিসিএস পরীক্ষার্থী সত্যের পক্ষে থাকলে ডাহা ফেল করবে। যদিও নতুন আবিষ্কারে ঢাকার গৌরবের ইতিহাস নিয়ে গ্রন্থ প্রকাশিত হয়ে গেছে কয়েক বছর আগেই।

আমার ছাত্র জানাল, ঢাকার নামকরণের উৎস হিসেবে সেই ইসলাম খানের ঢাকিদের ঢাকের আওয়াজ বা ঢাকেশ্বরী দেবীর মূর্তিতেই আটকে আছে। আজ আপনি প্রামাণ্য তথ্য দিয়ে দেখাচ্ছেন সুলতানি যুগেই ঢাকা নামটি পরিচিত ছিল, সেই সত্য বিসিএসের মতো পরীক্ষাগুলোতে এখনো জায়গা করে নিতে পারেনি।

একইভাবে আমি যদি ঢাকায় মোগল অধিকারের সমকালীন ফারসি ভাষায় মির্যা নাথানের লেখা ‘বাহারিস্তান গায়েবী’ গ্রন্থের সূত্রে বলি ঢাকায় ধোলাই খাল বলে আদৌ কোনো খাল ছিল না, তাহলে তো সবাই আমাকেই তেড়ে আসবে। আমাদের জ্ঞানকোষ বাংলাপিডিয়ায়ও ধোলাই খাল এন্ট্রি রয়েছে। এবং সেই লেখায় সুবাদার ইসলাম খান এই খাল খনন করেছিলেন বলা হয়েছে। জানি না লেখক কোন সূত্র থেকে এই তথ্য পেয়েছিলেন। অথচ মির্যা নাথান স্পষ্টই বলেছেন, এটি ‘দোলাই নদী’। বালু নদী ডেমরার কাছে শীতলক্ষ্যায় মিলিত হওয়ার আগে এর একটি শাখা দক্ষিণ-পশ্চিমে ঢাকায় প্রবেশ করে এঁকেবেঁকে বুড়িগঙ্গায় পড়েছিল। এই নদী দিয়েই মোগল নৌবহর অগ্রসর হয়ে শীতলক্ষ্যায় বারোভুঁইয়াদের শেষ নৌঘাঁটিতে আক্রমণ করে। কিন্তু বিসিএস পরীক্ষার্থী কি ধোলাই খালের বাইরে যেতে পারবে?

সুতরাং টিকতে হলে সব সময় সত্য উত্তর দেওয়ার সুযোগ নেই। আমার মনে পড়ে গেল প্রায় ১১ বছর আগের কথা। আমার মেয়েটি তখন ক্লাস সেভেনে পড়ে। বিএনপির শাসনামল চলছে। স্কুলের বইগুলোতে জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বানানো হয়েছে। বিএনপি প্রজন্মকে কতটা ভুলের আবর্তে আবিষ্ট করতে পেরেছে বোঝার জন্য মেয়েকে প্রশ্ন করলাম, স্বাধীনতার ঘোষক কে? তোমাদের টিচাররা কী বলেছেন? শিশু মনের সারল্য দিয়ে ও চটপট উত্তর করল, টিচার বলেছেন পরীক্ষায় এলে লিখতে হবে জিয়াউর রহমান, আর জেনে রাখতে হবে, স্বাধীনতার ঘোষক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান!

আমাদের জ্ঞানচর্চায় এই অপশনটুকুও এখন যেন নেই। চর্চার অভাবে ভুলের আবর্ত থেকে আমরা বেরোতে পারিনি। শুদ্ধ জানার চেষ্টা ও অবকাশ নেই বলে ভুলের ভেতরই বসত করছি সবাই। মনে পড়ে ২০১১ সালের কথা। এনসিটিবির মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক পর্যায়ের বই নতুন করে লেখা হবে। লেখক প্যানেলে আমি ছিলাম। সেই সময় বই লেখার অভিজ্ঞতা খুব ভালো ছিল না। লেখক প্যানেলে একটি লম্বা তালিকা ছিল। কিন্তু বই লিখেছিলাম মোট পাঁচজনে। লেখার সময় খুব জ্বালাতন করছিলেন সেই সময় এনসিটিবির চেয়ারম্যান। বহু আগে অবসরে গেলেও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে টিকে ছিলেন। কেউ কেউ বলছিলেন আরেকবার নিয়োগ পেতে খুব তৎপর তিনি। আমাদের বারবার বইয়ের কলেবর ছোট করতে বলতেন। আমরা বলছিলাম বইয়ের চাহিদামতো এবং নীতিমালা অনুযায়ী পাণ্ডুলিপি এগোবে। কিন্তু তাঁর এক কথা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাচ্চাদের বইয়ের বোঝা কমাতে বলেছেন। আমরা তাঁকে বোঝাতে চেষ্টা করতাম প্রধানমন্ত্রী বইয়ের আকার নয়, বইয়ের সংখ্যা কমাতে বলেছেন। যা হোক, পাণ্ডুলিপি জমা দেওয়ার পর জানলাম ভেতরে ভয়ানক ঝামেলা হচ্ছে। ভীষণ প্রভাবশালী একজন অধ্যাপক এই কর্মযজ্ঞে তাঁকে না রাখায় ভয়ানক ক্ষুব্ধ হয়েছেন।

তাই অগত্যা শিক্ষাসচিব সেই অধ্যাপকের নেতৃত্বে একটি সম্পাদনা পরিষদ গঠন করলেন। শ্রদ্ধেয় সম্পাদকরা লেখকদের সঙ্গে কোনো পরামর্শ না করেই কাটাকুটি করে চেয়ারম্যান মহোদয়ের চাহিদামতো বই খর্বাকার করে ফেলেছেন। আর সবচেয়ে হোঁচট খাওয়া বিষয় হচ্ছে বখতিয়ার খলজির বঙ্গ বিজয় ধরনের যেসব ভুল ১৯৯৬ থেকে শুদ্ধ করা হয়েছিল অজ্ঞতার কারণে সেই সব ভুল সাব্যস্ত করে আবার ভুল তথ্যগুলো পুনর্বহাল করা হয়েছিল বইগুলোতে। পাঁচজন লেখক লিখলেও লেখক তালিকায় যুক্ত হলো প্যানেলের সব নাম। নানা ভ্রান্তির এই বইগুলোর দায়িত্ব আমরা নিতে পারিনি বলে সেই সময় আমরা এই বইয়ের লেখক তালিকা থেকে আমাদের নাম প্রত্যাহার করার জন্য লিখিত আবেদন করেছিলাম। কিন্তু সেই আবেদন কর্তৃপক্ষ শোনেনি। এখনো কষ্টের সঙ্গে দেখি লম্বা লেখক তালিকায় আমাদের নামও রয়েছে। জোর করে খর্বাকৃত করায় বাচ্চাদের বই ভাষার সাবলীলতা হারিয়েছে। যেমন ক্লাস সেভেনের সমাজ বইতে রয়েছে স্মারকলিপি, সংবিধান, প্রাদেশিক পরিষদ, পার্লামেন্ট ধরনের শব্দ। শিশু শিক্ষার্থীদের কাছে এসব টার্ম দু-চারটি বাক্য দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সম্পাদনা পরিষদ সম্ভবত বইয়ের আকার কমাতে সেসব বাক্য ফেলে দিয়ে শুধু শব্দগুলো রেখেছে। তাই এসব খটখটে শব্দাঘাতে বিপর্যস্ত হচ্ছে শিশু শিক্ষার্থী। স্বাভাবিকভাবে এই দায় লেখক তালিকার আমাদেরই বহন করতে হচ্ছে।

এই স্মৃতিচারণাগুলো করলাম এ জন্য যে ভেতরে-বাইরে কিভাবে অজ্ঞতা আমাদের ঘিরে ধরেছে তা বোঝার জন্য। এমনি এক অবস্থায় পড়েছি যে বিসিএসের মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলোতে পরীক্ষার্থীর অনেকে ইতিহাসের সত্য জানার পরও ফেল করার ভয়ে জেনে-বুঝে ভুলটিকেই লিখতে বাধ্য হচ্ছে। এমন অবস্থা থেকে বেরোনোর উপায় কী তা একমাত্র নীতিনির্ধারকরাই বলতে পারবেন।

 

লেখক : অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

ময়লার ভাগাড়ে মিলল কয়েক বস্তা ছেঁড়া টাকা - dainik shiksha ময়লার ভাগাড়ে মিলল কয়েক বস্তা ছেঁড়া টাকা ঝুলছে শিক্ষা আইন: নয় বছরেও আলোর মুখ দেখেনি - dainik shiksha ঝুলছে শিক্ষা আইন: নয় বছরেও আলোর মুখ দেখেনি গলাকাটা টিউশন ফি আদায় বন্ধে মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ - dainik shiksha গলাকাটা টিউশন ফি আদায় বন্ধে মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ জেএসসির অ্যাডমিট কার্ড বিতরণ শুরু ২০ অক্টোবর - dainik shiksha জেএসসির অ্যাডমিট কার্ড বিতরণ শুরু ২০ অক্টোবর প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা ৬ অক্টোবর - dainik shiksha প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা ৬ অক্টোবর ইউএনওর আচরণে ক্ষুব্ধ শিক্ষকদের মানববন্ধন - dainik shiksha ইউএনওর আচরণে ক্ষুব্ধ শিক্ষকদের মানববন্ধন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী নিয়োগের নীতিমালা প্রকাশ - dainik shiksha প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী নিয়োগের নীতিমালা প্রকাশ এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ - dainik shiksha এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন - dainik shiksha শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website