সমাপনী বাদে সব পরীক্ষা হবে শিক্ষকদের প্রশ্নে - স্কুল - দৈনিকশিক্ষা

সমাপনী বাদে সব পরীক্ষা হবে শিক্ষকদের প্রশ্নে

নিজস্ব প্রতিবেদক |

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শ্রেণিতে প্রথম সাময়িক, দ্বিতীয় সাময়িক ও বার্ষিক পরীক্ষা নিজস্ব শিক্ষকদের প্রশ্নপত্রেই নিতে হবে। অর্থাৎ স্ব স্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষকদেরই তাদের নিজেদের স্কুলের প্রশ্ন করতে হবে।  বুধবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়।

পরিপত্রে বলা হয়, শুধু পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্ন ব্যতীত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় সাময়িক এবং বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের করতে হবে। এর আগে প্রাথমিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র উপজেলা ও থানা পরীক্ষা পরিচালনা কমিটি থেকে প্রণয়ন করা হতো।

আরও পড়ুন: প্রাথমিকের প্রশ্ন প্রণয়নের দায়িত্ব কার?

পরিপত্রে বলা হয়, ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সৃজনশীলতা তৈরির জন্য সর্বপ্রথম শিক্ষকদের মধ্যে সৃজনশীলতা সৃষ্টি করা প্রয়োজন। এ কারণেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র স্ব স্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রণয়ন করা জরুরি। তাই এখন থেকে উপজেলা ও থানা পরীক্ষা পরিচালনা কমিটি থেকে প্রশ্ন প্রণয়নের পরিবর্তে নিজ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রশ্ন প্রণয়ন করতে হবে। কোনো অবস্থাতে সমিতি বা অন্য কোনো উৎস থেকে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করা যাবে না।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. আকরাম আল হোসেন দৈনিক শিক্ষাডটকমকে বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম, দ্বিতীয় সাময়িক ও বার্ষিক পরীক্ষার সব প্রশ্ন স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের করতে হবে। বর্তমানে এটি উপজেলা বা থানা পরীক্ষা পরিচালনা ও সমন্বয় কমিটি প্রণয়ন করে থাকে।

আকরাম-আল-হোসেন বলেন, শিক্ষকদের প্রশ্ন করার দক্ষতা না থাকলেও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা যাচাই করা সম্ভব হবে না। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৃজনশীলতা আনতে সর্বপ্রথম শিক্ষকদের মধ্যে সৃজনশীলতা তৈরি করতে হবে। এতে করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি হবে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়নের দায়িত্ব উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের থাকলেও গত এপ্রিলে এ ভার স্ব-স্ব বিদ্যালয়কে দিয়ে আদেশ জারি করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়গুলো। কিন্তু জুলাইয়ের শুরুতেই সে আদেশ স্থগিত করা হয়। তাই, প্রশ্ন তৈরির দায়িত্ব কে পালন করবেন তা নিয়ে বিভ্রান্ত ছিলেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা।

 

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ - dainik shiksha এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ দাখিলে পাস ৮২ দশমিক ৫১ শতাংশ - dainik shiksha দাখিলে পাস ৮২ দশমিক ৫১ শতাংশ এসএসসি ভোকেশনালে পাস ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ - dainik shiksha এসএসসি ভোকেশনালে পাস ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ ১০৪টি প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করতে পারেনি - dainik shiksha ১০৪টি প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করতে পারেনি এসএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন ৭ জুনের মধ্যে - dainik shiksha এসএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন ৭ জুনের মধ্যে এখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে না : প্রধানমন্ত্রী - dainik shiksha এখনই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে না : প্রধানমন্ত্রী দাখিলের ফল জানবেন যেভাবে - dainik shiksha দাখিলের ফল জানবেন যেভাবে ৬ জুন থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরুর প্রস্তাব - dainik shiksha ৬ জুন থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরুর প্রস্তাব এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল জানবেন যেভাবে - dainik shiksha এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল জানবেন যেভাবে এসএসসি-দাখিল ভোকেশনালের ফল জানবেন যেভাবে - dainik shiksha এসএসসি-দাখিল ভোকেশনালের ফল জানবেন যেভাবে নন-এমপিও শিক্ষকদের তালিকা তৈরিতে ৯ নির্দেশ - dainik shiksha নন-এমপিও শিক্ষকদের তালিকা তৈরিতে ৯ নির্দেশ কলেজে ভর্তি : দৈনিক শিক্ষায় বিজ্ঞাপন পাঠান ইমেইলে - dainik shiksha কলেজে ভর্তি : দৈনিক শিক্ষায় বিজ্ঞাপন পাঠান ইমেইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটি বাড়ল ১৫ জুন পর্যন্ত - dainik shiksha বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটি বাড়ল ১৫ জুন পর্যন্ত ঘরে বসেই পরীক্ষা নেয়ার চিন্তা - dainik shiksha ঘরে বসেই পরীক্ষা নেয়ার চিন্তা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ১৫ জুন পর্যন্ত, ৩১ মে থেকে অফিস-আদালত খুলছে - dainik shiksha শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ১৫ জুন পর্যন্ত, ৩১ মে থেকে অফিস-আদালত খুলছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website