সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আট হাজার ৮৯৩ পদ শূন্য - বিবিধ - Dainikshiksha

সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আট হাজার ৮৯৩ পদ শূন্য

নিজস্ব প্রতিবেদক |

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন শিক্ষা অফিস ও সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আট হাজার ৮৯৩টি শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ শূন্য রয়েছে। মঙ্গলবার (১২ জুন) প্রশ্নের জবাবে সংসদকে এতথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।  

সংরক্ষিত আসনের সাংসদ খালেদা খানমের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন শিক্ষা অফিস ও সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীর শূন্য পদের সংখ্যা আট হাজার ৮৯৩টি।

এছাড়া চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানান, মাধ্যমিক স্তরে ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে ৩৭ দশমিক ৬২ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। 

এসময় ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার তুলে ধরেন শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি। মন্ত্রীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দে ৫৫ দশমিক ৩১ শতাংশ, ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে ৫৫ দশমিক ২৬ শতাংশ, ২০১১ খ্রিষ্টাব্দে ৫৩ দশমিক ২৮ শতাংশ, ২০১২ খ্রিষ্টাব্দে ৪৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ, ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দে ৪৩ দশমিক ১৮ শতাংশ, ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দে ৪১ দশমিক ৫৯ শতাংশ, ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে ৪০ দশমিক ২৯ শতাংশ, ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দে ৩৮ দশমিক ৩০ শতাংশ, ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দে ৩৭ দশমিক ৮১ শতাংশ এবং ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে ৩৭ দশমিক ৬২ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়ে।

একাদশে ভর্তি: ২য় দফার আবেদন শুরু - dainik shiksha একাদশে ভর্তি: ২য় দফার আবেদন শুরু বিসিএসেও তৃতীয় পরীক্ষক চালু - dainik shiksha বিসিএসেও তৃতীয় পরীক্ষক চালু ডিগ্রি ২য় বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়লো - dainik shiksha ডিগ্রি ২য় বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়লো পাবলিক পরীক্ষার গ্রেড: যা আছে আর যা হবে - dainik shiksha পাবলিক পরীক্ষার গ্রেড: যা আছে আর যা হবে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় কঠোর নজরদারির নির্দেশ গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর - dainik shiksha প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় কঠোর নজরদারির নির্দেশ গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর শিক্ষক নিবন্ধন: ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিষয়ের নতুন সিলেবাস দেখুন - dainik shiksha শিক্ষক নিবন্ধন: ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিষয়ের নতুন সিলেবাস দেখুন সার্টিফিকেট ছাপার আগেই ২ কোটি টাকা তুলে নিলেন ছায়েফ উল্যাহ - dainik shiksha সার্টিফিকেট ছাপার আগেই ২ কোটি টাকা তুলে নিলেন ছায়েফ উল্যাহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া  - dainik shiksha please click here to view dainikshiksha website