সাড়ে ৮ হাজার শিক্ষার্থীর উপবৃত্তি বন্ধ - কলেজ - Dainikshiksha

সাড়ে ৮ হাজার শিক্ষার্থীর উপবৃত্তি বন্ধ

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি |

কলারোয়ায় সেকায়েপ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় উপজেলার মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দের ডিসেম্বরে প্রকল্পটি বন্ধের ফলে চলতি শিক্ষাবর্ষের প্রায় সাড়ে আট হাজার শিক্ষার্থী উপবৃত্তি পাচ্ছে না। 

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থী ঝরে পড়া ও বাল্যবিবাহ রোধে ৪৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৩১টি মাদরাসায় ৯ বছর আগে সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি অ্যান্ড আকসে এনহান্সমেন্ট প্রজেক্ট  (সেকায়েপ) মডেল প্রকল্পটি চালু করা হয়। প্রতি শিক্ষাবর্ষে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত গড়ে প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করে। মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় সাড়ে আট হাজার শিক্ষার্থী এ প্রকল্প থেকে উপবৃত্তিসহ নানা সুবিধা পেয়ে আসছিল।

সূত্রটি বলছে, গত ২০১৭ শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রায় ২৪ হাজার ৩ শত ৬৪ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত ছিল। এদের মধ্যে প্রায় ৮ হাজার ৬ শত ৫৩ জন শিক্ষার্থী উপবৃত্তি সুবিধা পেত। এ ছাড়া উদ্দীপনা পুরস্কার, জেএসসি-এসএসসি ও সমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের আর্থিক সহায়তা, উপজেলা পর্যায়ে সেরা তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা হারে প্রতিবছর সন্মাননা প্রদান করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। 

প্রকল্পটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার প্রবণতা বেড়ে গেছে। বাল্যবিয়েপ্রবণ এ এলাকায় সর্বশেষ এসএসসি পরীক্ষায় খোরদো মাধ্যমিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের অধীনে ১০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে চারশ’ ৪৭ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। কিন্তু এর মধ্যে ২৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকে। অনুপস্থিতদের মধ্যে ১৩ জন মেয়ে। এ ১৩ জন বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে বলে শিক্ষকরা দাবি করেন।   

প্রকল্পের সুবিধা ভোগী দেয়াড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র আল-মামুন জানায়, তার বাবা একজন ইট ভাটার শ্রমিক। যা আয় করে তা দিয়ে তিন ভাইবোনের লেখাপড়া চালানো কষ্ট। উপবৃত্তির টাকা দিয়ে খাতা-কলম কেনা, স্কুলের যাওয়া-আসা, পরীক্ষার ফিসহ কিছু খরচ মিটত। এ বছর কিছুই পাইনি। তাই সব খরচ বাবার কাঁধে পড়েছে। যেকোনো সময় তার পড়া লেখা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। একই কথা বলেছে ওই স্কুলের নবম শ্রেণির মুক্তা খাতুন। স্কুলটির প্রধান শিক্ষক দেবেন্দ্র নাথ দাস জানান, প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থী ঝরে পড়া ও বাল্যবিয়ের প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে। 

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হামিদ জানান, প্রকল্প বন্ধ হলেও আরেক নতুন প্রকল্প আসছে। ঐ প্রকল্পটি ২ বছরের। একবারে  সব টাকা পয়সা দিয়ে দেবে। তবে অভিভাবকরা সচেতন হওয়ায় শিক্ষার্থীরা এ বছর কম ঝরে পড়ছে।

১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি ৩০ আগস্ট - dainik shiksha ১৬তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি ৩০ আগস্ট স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের মে মাসের এমপিওর চেক ব্যাংকে - dainik shiksha স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের মে মাসের এমপিওর চেক ব্যাংকে ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সংসদীয় কমিটিতে বিতর্ক - dainik shiksha ম্যানেজিং কমিটির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সংসদীয় কমিটিতে বিতর্ক প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: ৫ দিন আগে অ্যাডমিট না পেলে যা করবেন - dainik shiksha প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: ৫ দিন আগে অ্যাডমিট না পেলে যা করবেন নতুন সূচিতে কোন জেলায় কবে প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা - dainik shiksha নতুন সূচিতে কোন জেলায় কবে প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাংকিং নিয়ে যা বললেন ড. জাফর ইকবাল - dainik shiksha বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাংকিং নিয়ে যা বললেন ড. জাফর ইকবাল সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি - dainik shiksha সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের স্কুলের ছুটির তালিকা - dainik shiksha ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের স্কুলের ছুটির তালিকা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website