please click here to view dainikshiksha website

সিনিয়র স্কেলে পদোন্নতি পরীক্ষায় শত শত কর্মকর্তা ফেল

নিজস্ব প্রতিবেদক | আগস্ট ১৮, ২০১৭ - ১:২৯ অপরাহ্ণ
dainikshiksha print

সিনিয়র স্কেলে পদোন্নতি পরীক্ষায় শত শত কর্মকর্তা উত্তীর্ণ হতে পারছেন না। এমনকি পরীক্ষার আবেদনপত্রেও ভুল করছেন তারা। এর ফলে বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তা উপসচিব পদে পদোন্নতিও পাচ্ছেন না। বিসিএস ক্যাডারগুলোর কর্মকর্তাদের সিনিয়র স্কেলের পরীক্ষায় বারবার অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি প্রশাসনকে ভাবিয়ে তুলছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সিনিয়র স্কেলে পদোন্নতি পরীক্ষা বিসিএস ক্যাডারভুক্ত কর্মকর্তাদের চাকরি জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হলেও অনেকেই উত্তীর্ণ হতে পারছেন না। আর এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারলে চাকরি জীবনে বেতনভাতা বৃদ্ধিসহ সিনিয়র সহকারী সচিব হওয়া যায় না। মেলে না উপসচিব পদে কাক্সিক্ষত পদোন্নতি।

সূত্র জানায়, সিনিয়র স্কেল পদোন্নতি পরীক্ষায় বেশির ভাগ কর্মকর্তা একবারে পাস করতে পারছেন না। আবার অনেকে একাধিকবার পরীক্ষা দিয়ে ফেলের কাতারে থাকছেন। আবার অল্পকিছু কর্মকর্তা পরীক্ষা না দিয়ে চাকরির দীর্ঘ সময় পর চাকরিতে সিনিয়র স্কেল পাওয়ার আশায় থাকেন। তবে তাদের কপালে পদোন্নতি জোটে না। সিনিয়র কর্মকর্তার পরিচয়টুকু সম্বল করে চাকরিতে বহাল থাকেন।

সম্প্রতি এক সিনিয়র স্কেল পরীক্ষায় ২ হাজার ৮৭৭ জন কর্মকর্তা আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে ২৬৯ জন কর্মকর্তার আবেদনপত্রেই ভুলত্রুটি পাওয়া গেছে। তবে বহুবার ফেল করা কিছু কর্মকর্তাকে বিশেষ বিচেনায় পাস করানোর নজির আছে।

সিভিল সার্ভিস ক্যাডারভুক্ত কর্মকর্তাদের সিনিয়র স্কেলে পদোন্নতি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে চলতি মাসে। এ পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য বিভিন্ন ক্যাডার থেকে ২ হাজার ৮৭৭ জন কর্মকর্তা আবেদন করেন। এর মধ্যে ২৬৯ জন কর্মকর্তার আবেদনেই বিভিন্ন ত্রুটি বিচ্যুতি রয়েছে। ফলে ৩১ জুলাই ২০১৭ সালের মধ্যে এসব ভুল সংশোধনের নির্দেশ দেয় সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।

২০১৬ সালের আগস্ট মাসে এ পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য আবেদন করেন ২ হাজার ৯৯৬ জন কর্মকর্তা। এর মধ্যে যোগ্য আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৯২২ জন। প্রথম পত্রে যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৪৯৭ জন। পরীক্ষায় অংশ নেন ১৬৩২ জন। উত্তীর্ণ হন ১৩৭০ জন। এতে অনুপস্থিতি ও অনুত্তীর্ণ কর্মকর্তার সংখ্যা ৪৫ দশমিক ১৩ শতাংশ। ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বিগত বছরে অনুষ্ঠিত অন্যান্য পত্রের পরীক্ষাতেও অনুপস্থিতি ও অনুত্তীর্ণ হার প্রায় একই রকম।

এ প্রসঙ্গে সরকারি কর্ম কমিশনের পরিচালক (সিনিয়র স্কেলে পদোন্নতি পরীক্ষা) সেলিমা বেগম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সিনিয়র স্কেলে পদোন্নতি পরীক্ষা প্রতি বছরের ফেব্রুয়ারি ও আগস্ট মাসে অনুষ্ঠিত হয়। বছরে অনুষ্ঠিত দুটি পরীক্ষাতেই একজন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করতে পারেন। সেলিমা বেগম বলেন, চলতি মাসে এ পরীক্ষায় অংশ নিতে আগ্রহী ২৬৯ কর্মকর্তার আবেদনপত্রেই বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়েছে। বিভিন্ন শর্তে এসব আবেদন সংশোধনের জন্য সময় দেয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভুল সংশোধন না করলে আবেদনপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে। তিনি বলেন, প্রতিটি পরীক্ষাতেই কর্মকর্তাদের একটি বড় অংশ আবেদন করার পরও অংশ নেন না।

এ মাসে পরীক্ষায় অংশ নিতে আগ্রহী ১৬ কর্মকর্তার আবেদনপত্রের সঙ্গে স্থায়ীকরণের আদেশ না থাকায় ভুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এছাড়া আবেদনপত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর ও সিল নেই ৪৩ জনের, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিল আছে স্বাক্ষর নেই ২ জনের, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর আছে সিল নেই ২৮ জনের, প্রার্থী ও ঊর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষের স্বাক্ষর ও সিল নেই ২ জনের, প্রার্থী ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর আছে সিল নেই ৩ জনের, প্রার্থীর স্বাক্ষর আছে, সিল নেই ৩২ জনের, মূল আবেদনপত্রের ফটোকপি নেই ১ জনের, স্থায়ীকরণের আদেশ নিজের দ্বারা সত্যায়িত ১ জনের, বিলম্বে জমা দেন ১৪১ জন। উল্লিখিত কারণে ২৬৯ কর্মকর্তার আবেদনপত্রই ভুল হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংশ্লিষ্টরা।

সিনিয়র স্কেলে তিনটি বিষয়ে ৩০০ নম্বরের পরীক্ষা নেয়া হয়। এর মধ্যে প্রথম পত্র- বাংলাদেশ ও চলতি বিষয়াবলি, দ্বিতীয় পত্র- সব সরকারি অফিসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন, বিধি ও পদ্ধতি, তৃতীয় পত্র- সংশ্লিষ্ট ক্যাডারের কাজকর্ম সম্পর্কিত বিষয়াদি। একজন কর্মকর্তা এক সঙ্গে তিনটি অথবা কম সংখ্যক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে এ পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য চাকরির বয়স কমপক্ষে চার বছর ও স্থায়ী হতে হবে। যদি কোনো কর্মকর্তা এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারেন তাহলে চাকরির বয়স ১৪ বছর বা নিজের বয়স ৫০ বছর হলে সিনিয়র স্কেলে পদোন্নতি পরীক্ষায় উত্তীর্ণের সুযোগ দেয় সরকার।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক যুগ্মসচিব বলেন, সিনিয়র স্কেলে পদোন্নতি পরীক্ষায় পাস করার পর কোনো কর্মকর্তা তার সিনিয়র স্কেল পেয়ে থাকেন। এ পরীক্ষায় পাস করতে না পারলে সিনিয়র স্কেল পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ওই কর্মকর্তা বলেন, ক্যাডারভুক্ত কর্মকর্তারা নবম গ্রেডে চাকরিতে যোগদান করেন। সিনিয়র স্কেলে পদোন্নতি পরীক্ষায় পাস করার পর ষষ্ঠ গ্রেডে বেতন পান।

সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার এ প্রসঙ্গে বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের এখন বেতন অনেক বেড়েছে। আমাদের সময়ে বেতন-ভাতা অনেক কম ছিল। তিনি বলেন, ২০০৮ সালে অবসরের সময় আমি মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে যে বেতন পেতাম, এখন নতুন চাকরিতে ঢুকেই একজন বিসিএস অফিসার সেই বেতন পাচ্ছেন। স্বচ্ছল জীবন-যাপন করতে পারছেন। কাজেই সাধারণ মানুষকে সঠিক সেবা দেয়ার স্বার্থে কর্মকর্তাদের আরো অনেক পড়াশোনা করা উচিত। সিনিয়র স্কেলে পদোন্নতি পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হওয়া খুবই দুঃখজনক।

সর্বশেষ ২০১৬ সালের আগস্ট মাসে এ পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন ২ হাজার ৯৯৬ জন। এর মধ্যে যোগ্য আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৯২২ জন। প্রথম পত্রে যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৪৯৭ জন। পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৬৩২ জন। এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ১ হাজার ৩৭০ কর্মকর্তা। ২৬২ জন কর্মকর্তা ফেল করেন। তাছাড়া পরীক্ষায় অংশ নেননি ৮৬৫ কর্মকর্তা। অর্থাৎ ফেল করা ও পরীক্ষা না দেয়া কর্মকর্তার সংখ্যা মিলে দাঁড়ায় ১ হাজার ১২৭ জন।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন ২ হাজার ৭০০ জন। এর মধ্যে যোগ্য আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৫৪৭ জন। প্রথম পত্রে যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৩৯ জন। পরীক্ষায় অংশ নেন ৮৪৭ জন। উত্তীর্ণ হন ৭২১ জন। দ্বিতীয় পত্রে যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৩৪৫ জন। পরীক্ষায় অংশ নেন ১ হাজার ২৬ জন। উত্তীর্ণ হন ৮২৪ জন। তৃতীয় পত্রে যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৯৩৩ জন। পরীক্ষায় অংশ নেন ৭৯৭ জন। উত্তীর্ণ হন ৭০২ জন।

২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ৭৩ জন ক্যাডার কর্মকর্তাকে সিনিয়র স্কেলে পদোন্নতি পরীক্ষায় বিশেষ বিবেচনায় যোগ্য ঘোষণা করে পিএসসি। এর আগেও একাধিকবার বিশেষ বিবেচনায় অনেক কর্মকর্তাকে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ৩৪টি

  1. Md.Neowyaz says:

    Promotion Exam need for all public bodies organization. that’s BRDB, BWDB & public university etc.

  2. মোস্তাফিজুর রহমান।সহশিক্ষক গনিত।দুর্গাপুর হাজী মোবারক আলী দাঃ মাদ্রাসা,বরিশাল।01711857492 says:

    আমাদের জন্য এ ব্যবস্থা রাখলে ভাল হত।আমাদের অভাগার কাতার থেকে মুক্তি দিন।

  3. পরমানন্দ ঢালী says:

    বাহ ! এখানেও অযোগ্য লোক আছে ? আবেদন পত্রে ভুল থাকে,পরীক্ষায় পাশ করে না এমন করমকরতা এখানেও আছে ? পত্র পত্রিকায় যা দেখি তাতে মনে হয় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরাই শুধু অযোগ্য। আজ বুঝছি এদের মত লোকদের কারণেই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বেহাল দশা। এ ধরণের লোকেরা অন্যের ভাল চায় না,দেশের ভালও চায় না।

  4. md abdus salam says:

    pass korachi kitu 6-grade kothai hi re Bangladesh

  5. মুহা: জিয়াউল হক says:

    এত বড় পদে অযোগ্য লোক থাকে কিভাবে।সকল অফিসে এমন অানারি কর্মকর্তা বসে অাছে পদ দখল করে।অনেক উদাহরণ পত্রিকায় পেয়ে থাকি।হজ যাত্রীদের নিয়ে যে কান্ড ঘটে গেল এটা তার বাস্তব উদাহরণ।এরকম অার কত যে উদাহরণ তার শেষ নেই। একই কাজে দুইবার বরাদ্দ বৃদ্ধি।সব কিছুর পিছনে ঐ একই কারণ। মূল সমস্যা কি?

  6. Md . A . Karim says:

    Thos type of exams should be introduced in all offices for promotion.

  7. Md . A . Karim says:

    This type of exams should be introduced in all offices for promotion.

  8. belal says:

    এরা অাবার করমকরতা। সচিব হয়ে দেশ চালাবে

  9. মোঃ হবিবর রহমান, প্রভাষক,বীরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ, দিনাজপুর says:

    এসব পরীক্ষা উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের হাতে ছেড়ে দেয়া হোক। ইন্সাআল্লাহ পাশের হার অনেক বাড়বে।

  10. MD.Zamal uddin says:

    খালি কলস এখানেও আছে ,,,,,। নইলে আর ভাল মন্দ পার্থ্যক্য ,,,,!!!!

  11. পবিত্র কুমার রায় সহকারী শিক্ষক(গণিত) বেতুড়া দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয় says:

    right

  12. Yousuf Ali says:

    Mr Dhali and Mr Samad are not correct. Two of you are same and failed. Because failure is natural and usual.
    ‘Failure is the pillar of success.’

  13. A.F.M.MOKHLESUR RAHMAN says:

    .
    কর্মকর্তা বলে কথা।

  14. md anwar hossein says:

    In every sector,for higher scale exam should be a must.

  15. মুহাম্মাদ নুরুল আবছার says:

    অযোগ্য লোক সব জায়গায় আছে।

  16. রফিকুল ইসলাম, চান্দসি, ঘাটাইল says:

    বেসরকারী এমপিও ভূক্ত প্রতিষ্ঠান গুলিতেও সহকারি ছাড়া উচ্চতর পদগুলোতে(যেমন:প্রধান, সহপ্রধান) পদোন্নতি পরিক্ষার মাধ্যমে সরকারই যদি নিয়োগের ব্যাবস্হা করে তবে অবশ্যই বানিজ্য প্রথা,স্বজন প্রীতি, দুর্নীতি কমতে বাধ্য।

  17. ছাইদুল মিয়া says:

    এদের ভূসি খাওয়াতে হবে।

  18. আবুল খায়ের, রামচন্দ্রপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ,সারিয়াকান্দি,বগুড়া। says:

    ভেজাল খেয়ে খেয়ে আসলের স্বাদটাই আমরা ভুলে গেছি।

  19. বাবুল says:

    এই হল বি সি এস এর ক্যাডার! দেশবাসী দেখল এদের যোগ্যতা, ছিঃ……..

  20. আব্দুল হান্নান মিয়া, সিনিয়র শিক্ষক, বন্দর, নারায়ণগঞ্জ। says:

    কর্মকর্তা সাহেবরা কি প্রশ্নপত্র ফাঁস করতে পারেন না?

    • রফিকুল ইসলাম, প্রভাষক পদার্থবিজ্ঞান, আটিয়া মহিলা কলেজ, দেলদুয়ার, টাঙ্গাইল। says:

      প্রশ্ন ফাঁস করেনি তা কে বলেছে। তাদের হাতেই তো প্রশ্ন থাকে। সবাই তো আর এক রকম ক্ষমতা রাখে না। যারা পাশ করে পার পেয়ে গেছে তারা তো মেধাবী কর্মকর্তা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েই গেল । তারা স্বীকার করবে কেন যে প্রশ্ন ফাঁস হয়। তারা বলবে যে খুব পড়াশোনা করতে হয়েছে ।

  21. নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক says:

    কি যে বলবো ভাই , বেসরকারি চাকরি করি বলে কোন ইজ্জত নাই।
    আমাদের সভাপতি ও আমাদের কথায় কথায় অযোগ্য বলেন।ওনাদের অবস্থা এরকমকেন?জাতি তা জানতে চায়।

  22. নূর মোঃ শামীম says:

    সরকারী বা বেসরকারী দপ্তরের সব জনবলের সিনিয়র স্কেল / উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির ক্ষেত্র পরীক্ষার মানদণ্ডে হলে ভালো হয়। আর জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে হলেও সব কর্মক্ষেত্রে একই নিয়ম আছে কী?

  23. মোঃ শফিকুল ইসলাম, সহঃশিক্ষক। বাংগালপাড়া ইসলামিয়া দাঃমাঃ অষ্ঠগ্রাম, কিশোর গঞ্জ। says:

    ## এখানেও অযোগ্য লোক আছে ? আবেদন পত্রে ভুল থাকে,পরীক্ষায় পাশ করে না এমন করমকরতা এখানেও আছে ? পত্র পত্রিকায় যা দেখি তাতে মনে। এ ধরণের লোকেরা অন্যের ভাল চায় না,দেশের ভালও চায় না। এমন কর্মকর্তা দেশে থাকলে দেশের বারটা বাজবে।তাদেরকে প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ দেয়া হউক।

  24. মো: আইয়ুব আলী says:

    লীগ মার্কা অফিসার ফেলতো করবেই। মেধাবীরা নিয়োগ পায় না। ছাত্র লীগ একমাত্র যোগ্যতা।

  25. Bichakshan Mandal says:

    শিক্ষা ক্যাডার এমনই একটি ক্যাডার এখানে প্রমানের জন্য পাশ করার প্রয়োজন পড়েনা সব কিছূ অটো হয়।

  26. শহিদ says:

    ডিপার্টমেন্টাল ও সিনিয়রস্কেল প্রথম চেষ্টায়ই পাস করেছি, আল্লাহর ইচ্ছায়

  27. স্বপন রায় says:

    এর থেকে এটাই বোঝা যায় যে,সরকারী অফিস আদালত অদূর ভবিষ্যতে মেধা
    শূ্ন্য হতে চলেছে।আসলে একটা দেশের
    সরকারি দপ্তর হলো সেদেশের ভাগ্যর
    নিয়ন্তা।কিন্ত তারা ঘুষ আর দুর্নীতি তে
    মগ্ন,আগামী প্রজন্মের ভাবনা তাদের
    ভাববার সময় কোথায়?

  28. shariful Islam says:

    This is the reflection of present education standard the newly appointed officials who have qualified BCS exam.I don’t understand why most of them are afraid of appearing at senior scale exam.?or why most of them fail in I think though they have qualify Bcs they had some lackage,or they have lost confidence. I think this short term senior scale exam. is much more effective after BCS entrance exam. I do request this exam. should be implemented in all department specially in none govt. Teachers to make them nationalised altogether sothat some unfortunate teachers can show their performance again.

  29. মোঃ নেছার উদ্দিন। সিনিয়র শিক্ষক, নবীগঞ্জ ইসঃসিঃ মাঃ। says:

    সঠিকভাবে মেধা যাচাই করে নিয়োগ দিলে কিংবা রাজনৈতিক ভাবে বিবেচনা করে নিয়োগ না দিলে ভদ্র লোকদের এরকম শরম বা বিপদে পড়তে হতোনা।

  30. জাহাঙ্গীর says:

    সকল পদোন্নতির বেলায় এরকম পরীক্ষা হলে যোগ্যরা সঠিক জায়গায় থাকতেন এবং দেশের উন্নয়ন দ্রুত হত া

  31. Anisur Rahman, Lecturer, BCSS Govt. College, Gurudaspur, Natore says:

    BCS Cadre der obak kora kando!!!!!

আপনার মন্তব্য দিন