please click here to view dainikshiksha website

সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতি :পর্যালোচনা এবং প্রস্তাবনা

মেজর মোহাম্মদ ওমর ফারুক | নভেম্বর ১৮, ২০১৭ - ৮:২৬ পূর্বাহ্ণ
dainikshiksha print

সৃজনশীলতা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। সকলেই এ থেকে নিজের মতো করে আনন্দ উপভোগ করে এবং প্রায়শ তা মানবজাতির জন্য মঙ্গল বয়ে আনে। আদিকাল থেকে মানবজাতি নিজস্ব প্রয়োজনে নানাভাবে সৃজনশীলতার পরিচয় দিয়ে আসছে। যেমন— পাথরে-পাথরে ঘর্ষণের ফলে আগুন জ্বালানো থেকে শুরু করে ঈশ্বর কণার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যক্তির মধ্যে এ ধরনের সুপ্ত সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়তা করে। রবীন্দ্রনাথ তাঁর শিক্ষাদর্শনে যে তিনটি পদ্ধতির ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন তার মধ্যে সৃজনশীলতার মাধ্যমে আত্মপ্রকাশের বিষয়টিও রয়েছে। ২০০৮ সালের এপ্রিলে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতি নামে ২০১০ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় বাংলা ও ধর্মশিক্ষায় সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতির অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতির যাত্রা শুরু হয়। এখন উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় সকল বিষয়ই সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত। এ প্রশ্নপদ্ধতির দু’টি অংশ—একটি রচনামূলক আর অন্যটি বহুনির্বাচনী। সাধারণত আমরা অনেকেই সৃজনশীল প্রশ্ন বলতে শুধু রচনামূলক অংশকেই বুঝি। কিন্তু বহুনির্বাচনী প্রশ্নেও জ্ঞান, অনুধাবন, প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা যাচাই করা হয়।

সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতির উদ্দেশ্যই হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত বিষয়ে সুস্পষ্ট জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি বিষয়টি অনুধাবন এবং এর প্রয়োগে যথাযথ দক্ষতা অর্জন করা। এ পদ্ধতি সম্পূর্ণরূপে শিক্ষণ ও শিখনের ওপর নির্ভরশীল, যা শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের পাশাপাশি সৃজনশীল মানসিকতার প্রসার ঘটাবে। কিন্তু বাস্তবচিত্র হলো, পূর্বে যেখানে ‘নোট বই ছিল ২৫ ফর্মার, এখন তা হয়েছে ৫০ ফর্মার’। এ নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে ব্যাপক। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অ্যাকসেস অ্যান্ড কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স ইউনিট (একিউএইড) কর্তৃক সারা দেশের ১৮,৫৯৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে শতকরা ৩৯.১২টি প্রতিষ্ঠানের ওপর পরিচালিত জরিপের ফলাফলে দেখা যায় নিজেরা প্রশ্ন করে (৫১.০৪%), অন্যেরা করা প্রশ্ন কেনে (১৮.৭৬%) বা অন্যের সহায়তায় প্রশ্ন তৈরি করে (২৮.৩৪%) বিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিচ্ছে। এটি প্রশ্নপত্র প্রণয়ন সংক্রান্ত ২০১৪ সালে জারিকৃত সরকারি নির্দেশের পরিপন্থি।

সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতি সংক্রান্ত সর্বশেষ আলোচনার বিষয় হলো এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার প্রায় ৮% এবং জিপিএ-৫ পাঁচ হাজার কমে যাওয়া নিয়ে। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে—এ বছর সঠিক নিয়মে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের মাধ্যমে সারা দেশে সমতা আনা গেছে। এ বছর পরীক্ষকগণকে তিন দিনের প্রশিক্ষণসহ নমুনা উত্তরমালা সরবরাহ করা হয়েছে। প্রত্যেক বিষয়ে প্রধান পরীক্ষকগণ ১২% খাতা নিরীক্ষা করেছেন। এ প্রসঙ্গে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য হলো-পূর্বে প্রধান পরীক্ষকগণ খাতাই দেখতেন না আর পরীক্ষকগণও সঠিকভাবে দেখেননি। এ থেকে আমরা বলতে পারি এবছর পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের বিষয়ে সম্পৃক্ত সকলকে একটি নির্দিষ্ট নিয়মে কিছুটা জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়েছে। কিন্তু একটি প্রশ্ন করাই যেতে পারে যে—এ বছরই কেন পরীক্ষকগণকে উত্তরমালা সরবরাহ করা হলো? সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতিতে প্রশ্ন প্রণেতার নমুনা উত্তরমালা প্রস্তুতসহ বহুনির্বাচনী অংশে সকল অধ্যায় থেকে বিভিন্ন দক্ষতার মানদণ্ডে নির্দিষ্ট অনুপাতে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন হয়েছে কিনা তা পরীক্ষার জন্যও নির্দিষ্ট ছক দেওয়া আছে, যা প্রশ্নপত্র ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পৃক্ত সকলের জানা।

সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতির সুফল পেতে হলে শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তুলতে হবে যেন মুখস্থ নির্ভর নোট বা গাইড অনুসরণ না করে তারা নিয়মিত অংশগ্রহণমূলক শ্রেণি কার্যক্রমে উপস্থিত থেকে বিষয়ভিত্তিক প্রয়োজনীয় তত্ত্ব, তথ্য-উপাত্ত, সূত্র, নীতি ও ধারণাগুলো ভালোভাবে উপলব্ধি করতে হবে। সাথে সাথে পাঠ্য বই বহির্ভূত সহায়ক বই পড়ার অভ্যাসও গড়তে হবে। বাস্তবে প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক কার্যক্রমের চেয়ে সিংহভাগ শিক্ষার্থীকে কোচিং সেন্টার বা গৃহশিক্ষকের ওপর নির্ভরশীল হতে দেখা যায়। অথচ ২০১২ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কোচিং বাণিজ্য বন্ধের লক্ষ্যে একটি নীতিমালা জারি করেছে। নীতিমালা অনুযায়ী কোনো শিক্ষক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে নিজ প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতে পারবেন না। তবে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য অভিভাবকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠান প্রধান পাঠদানকালীন ব্যতীত প্রতিষ্ঠানে বিষয় ভিত্তিক বিশেষ ক্লাসের ব্যবস্থা করতে পারবেন। এর জন্য বিষয় প্রতি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি গ্রহণ করা যাবে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠান প্রধানের অনুমতি সাপেক্ষে একজন শিক্ষক অন্য প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ ১০ জন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতে পারবেন। কোচিং বাণিজ্য রোধ নীতিমালায় উল্লিখিত তদারকি কমিটির পাশাপাশি প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ ও প্রতিষ্ঠান প্রধানকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের এ ধরনের কার্যক্রম তদারকি করার জন্য বলা হয়েছে।

কোচিং নির্ভর শিক্ষা সকলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করে না। তবে যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষকমণ্ডলী ও পরিচালনা পর্ষদের মিলিত প্রচেষ্টায় একই প্রতিষ্ঠানে সকলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করা যেতে পারে। কারণ প্রাইভেট বা কোচিং বন্ধ হলে শিক্ষার্থীরা শ্রেণি পাঠে অধিক মনোযোগী হবে। এক্ষেত্রে একীভূত শিক্ষাদানের প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব আরোপের প্রয়োজন হবে। ফলে নিজস্ব মেধা ও পরিশ্রমের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা উপযুক্ত ফলাফল লাভে সুযোগ পাবে। যা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমকে আরো বেগবান করবে এবং একই প্রতিষ্ঠানের সকলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করবে।

শিক্ষাবর্ষের শুরুতে বিষয়ভিত্তিক দুর্বল শিক্ষার্থীদের (সাধারণত বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ইংরেজি ও গণিত বিষয়ই দুর্বল শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি) বাছাই করে তাদের জন্য নিয়মিত ক্লাসে/শ্রেণি কার্যক্রমের বাইরে পৃথক সেকশন এর ব্যবস্থা করা যেতে পারে। সকল প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা ও জনবল কাঠামো অনুযায়ী পৃথক সেকশন করার সুযোগ নাও থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে অভিভাবকগণের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে ২০১২ সালের কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নীতিমালায় উল্লিখিত অতিরিক্ত ক্লাসের ফি সংগ্রহ করত (অভিভাবকগণের সাথে মত বিনিময়ের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বলা যায় অভিভাবকগণ যেকোনো মূল্যে সন্তানের লেখাপড়ার ভালো সুযোগ চান) প্রতিষ্ঠান নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় শিক্ষক সংখ্যা পূর্ণ করতে পারেন। যা শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উভয়ের জন্যই অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হবে না। ফলে শিক্ষার্থীরা অনুশীলনের এবং সামাজিকীকরণে অধিক সময় পাবে। এর ফলে প্রতিষ্ঠান ও অভিভাবক উভয়ই উপকৃত হবে। প্রথমে পরীক্ষামূূলকভাবে যেকোনো একটি শ্রেণির ক্ষেত্রে এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত শিক্ষা প্রদানের উদ্দেশ্যে বছরের শুরুতে বিষয় শিক্ষকের নিকট হতে সুনির্দিষ্ট একটি শ্রেণি কার্যক্রমের ক্রমধারার একটি তালিকা (বাত্সরিক পাঠপরিকল্পনা) সংগ্রহ করে শিক্ষার্থীদের নিকট সরবরাহের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।

যাতে শিক্ষার্থীরা শ্রেণি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারে। শিক্ষার্থীদের মেধার সর্বাধিক অনুশীলনের জন্য বিষয় শিক্ষক পাঠ্যক্রমের আলোকে নিত্যনতুন সমস্যা/উদ্দীপকের মাধ্যমে প্রত্যেক অধ্যায়ের জন্য সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতির অন্তত একটি প্রশ্ন নিজে শ্রেণিকক্ষে ব্যাখ্যা করবেন, একটি প্রশ্ন শিক্ষার্থীদের দিয়ে শ্রেণিকক্ষে বিশেষ ব্যবস্থায় অনুশীলন করানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ভুলগুলো দেখিয়ে দেবেন এবং একটি প্রশ্ন বাড়ির কাজ হিসেবে শিক্ষার্থীদের দিয়ে করাবেন। এবং বাড়ির কাজগুলোর প্রয়োজনীয় সংশোধন করে দেবেন। অনেক সময় বাড়ির কাজগুলো পোস্টার উপস্থাপনার ন্যায় উপস্থাপন করাবেন এবং নম্বর প্রদান করবেন। এই নম্বর মাসিক/সাপ্তাহিক পরীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। এমনকি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার অংশ হিসেবেও এ ধরনের অনুশীলন করানো যেতে পারে। যা শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতায় আগ্রহ সৃষ্টি করবে। অবশ্যই প্রতিষ্ঠান সরকারি/নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিষয় শিক্ষক তৈরি করবে। এ সাথে বিষয়গুলো ধারাবাহিকভাবে নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রমে অনুসরণ হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণেরও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের সামাজিকীকরণে সহায়তার পাশাপাশি কোচিং সেন্টার বা গৃহশিক্ষকের প্রতি নির্ভরশীল হতে নিরুত্সাহিত করবে। অভিজ্ঞতায় দেখা যায় এই ধরনের অনুশীলন শিক্ষার্থীদের ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করে।

সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতি একটি আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি। এটির সফলতা অনেকগুলো বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল। এগুলোর মধ্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এগুলোর একটি আর একটির পরিপূরক। যেমন—পাঠদানে শিক্ষককে যত্নশীল ও সৃজনশীল পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে বৈচিত্র্য আনবেন। পাশাপাশি শিক্ষককে সৃজনশীল প্রশ্ন প্রণয়ন ও উত্তরপত্র মূল্যায়নে দক্ষ হতে হবে। শিক্ষক প্রশ্ন প্রণয়নে ও উত্তরপত্র মূল্যায়নে দক্ষ না হলে কোনো অবস্থাতেই সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতির সুফল পাওয়া যাবে না। কাজটি সহজ নয় এবং রাতারাতি সম্ভবও নয়। শিক্ষককে এ দক্ষতা অর্জনে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।

বর্তমান শিক্ষানীতিতে নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। তাই প্রথমে শিক্ষকগণকে এর গুরুত্ব অনুধাবনের পাশাপাশি নিজে চর্চা করে শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে তা অনুশীলন করাতে হবে। সে সঙ্গে শিক্ষকতা যে সমাজের আর পাঁচটি পেশার মতো নয়, শিক্ষকতা যে ব্রত—তা আমাদের শিক্ষককে বুঝতে হবে। পাশাপাশি অভিভাবকের উচিত হবে নিয়মিত সন্তানদের লেখাপড়ার খোঁজ-খবর ও শ্রেণি-শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা। কোনো অবস্থাতেই সন্তানকে কোচিং সেন্টারে না পাঠানো। আর সকলকে প্রতিষ্ঠানের প্রতি নির্ভরশীল করতে পারলেই সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতির সুফল পাওয়া যাবে।

লেখক : সেনা কর্মকর্তা

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ১টি

  1. জাহাংগীর কবির. নাজির পুর, পিরোজপুর says:

    কিছু কিছু বিষয়ে দেখা গেছে সৃজনশীল প্রশ্নের যে সকল নমুনা উত্তর প্রধান পীক্ষকগন করে পাঠিয়েছেন তার চাইতে ভাল উত্তর একজন পরীক্ষার্থী তার উত্তরপত্রে দিয়ে দিয়েছে সেই ক্ষেত্রে নম্বরের পার্থক্য একজন পরীক্ষক কি ভাবে দূর করবেন?

আপনার মন্তব্য দিন