please click here to view dainikshiksha website

সেকায়েপের অতিরিক্ত ক্লাস ব্যাহত, কর্তৃপক্ষ নির্বিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক | আগস্ট ১৬, ২০১৭ - ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
dainikshiksha print

হুমকি, ধমকিসহ বিভিন্ন বাধাঁর মুখে সেকায়েপ প্রকল্পভুক্ত অতিরিক্ত ক্লাস শিক্ষকরা। ভুক্তভোগী শিক্ষকরা সবাই বিশ্বব্যাংকের ঋণের টাকায় চলা সেকায়েপের অধীনে অস্থায়ীভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসায় পাঠদানের জন্য পদায়নকৃত। কিন্তু যেসব প্রতিষ্ঠানে তাদেরকে অতিরিক্ত ক্লাস নেয়ার জন্য দায়িত্ব দেয়া হয় সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ, অসহযোগীতাসহ নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছেন মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাছাড়া সংশ্লিষ্ট স্কুল ও মাদ্রাসার অধিকাংশ ইংরেজি ও গণিত শিক্ষকরা চান না সেকায়েপ নিয়োগকৃত শিক্ষকরা ক্লাস নিক। অতিরিক্ত শিক্ষকদের কাছে যেন কেউ বাড়ী ভাড়া না দেন সেজন্য বাড়ীওয়ালাদেরও চোখ রাঙানি বা ক্ষেত্রমতে কুৎসা রটানোরও অভিযোগ পাওয়া গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেকায়েপভুক্ত একাধিক শিক্ষক দৈনিকশিক্ষাডটকমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

সম্প্রতি মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার শিমুলিয়া সিদ্দিকীয়া আলিম মাদ্রাসার একাধিক শিক্ষকের অসহযোগীতামূলক আচরণের প্রতিকার চেয়ে সেকায়েপ প্রকল্প পরিচালক বরাবর আবেদন করেছেন ভুক্তভোগী একজন অতিরিক্ত ক্লাস শিক্ষক। ৬ই আগস্ট অভিযোগ জানানোর পর অদ্যাবধি কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। অভিযোগে বলা হয়, আনোয়ার হোসেন নামের একজন ইবতেদায়ী শিক্ষক নানা কটুক্তি করেন সেকায়েপের একজন শিক্ষককে। ভুক্তভোগী শিক্ষক সেকায়েপের নজরুল ইসলাম ও হাবিবার নামের দুইজন কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানালে তারা লিখিত অভিযোগ দেয়ার পরামর্শ দেন। সেমতে অভিযোগ দিলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

তবে, আজ বুধবার (১৬ আগস্ট) দৈনিকশিক্ষার এক প্রশ্নের জবাবে প্রকল্প পরিচালক ড. মাহমুদুল হক বলেন, তিনি বৃহস্পতিবার অভিযোগটি পেয়েছেন।  উপ-পরিচালক উম্মে হাবিবাকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। পরিচালক দাবি করেন, তিনি শুনেছেন যে, দুই পক্ষেরই দোষ রয়েছে।

গজারিয়ার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: জাকির হোসেন দৈনিশিক্ষাডটকমকে বলেন, তিনি বিষয়টি জেনেছেন। সেকায়েপের একজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়েছে। বুধবার মাদ্রাসার শিক্ষকদের সঙ্গে বসবেন। অভিযোগকারীকেও ডাকা হয়েছে। মীমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জানতে চাইলে সেকায়েপের একজন উপ-পরিচালক দৈনিকশিক্ষাডটকমকে বলেন, একটা লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিচালক স্যারের নির্দেশ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দৈনিকশিক্ষার অনুসন্ধানে জানা যায়, আন্তর্জাতিক অর্থলগ্নীকারী বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে সহজ শর্তে ঋণ করে সেকায়েপ প্রকল্প চালু করেছে সরকার। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে এসব প্রকল্পে কর্মরত বি সি এস প্রশাসন ও সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তারা বিদেশে ঘোরা আর ঢাকায় ভালো পদায়নের একটা মাধ্যম হিসেবে এই প্রকল্পটিকে ব্যবহার করে থাকেন। আর বিশ্বব্যাংক ও এডিবি শিক্ষাখাতে কিছু দালাল বা নিজেদের লোক তৈরি করে চলছে। বিশ্বব্যাংকের বা এডিবির পছন্দের লোক হওয়ার আশায় অনেক ত্যাগ স্বীকার করেন শিক্ষা ক্যাডারের অনেক কর্মকর্তা। তারা বছরের পর বছর এই প্রকল্পে চাকরি করছেন। এই প্রকল্পের একটি কম্পোনেন্ট অতিরিক্ত ক্লাস শিক্ষক।

ইংরেজি ও গণিতে অতিরিক্ত ক্লাস শিক্ষার্থীদের দূর্বলতা দূর করে পাবলিক পরীক্ষায় ভালো ফল করার দাবি করে আসলেও বাস্তবে এই প্রকল্পের অতিরিক্ত ক্লাসের কোনও সুফল পাওয়ার গবেষণা প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। মুখে মুখে দাবি করা হয় সফল।

সেকায়েপের টাকা নিয়ে ক্লাস না নেয়ায় কদিন পর পর টাকা ফেরত দেয়ার চিঠি দেয়া হয় প্রকল্প থেকে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রধানদের দেয়া সেকায়েপের চিঠির কপি দৈনিকশিক্ষার হাতে রয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী সম্প্রতি বলেছেন, সঠিকভাবে খাতা মূল্যায়নের ফলে পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হার কমেছে। আর বোর্ডের পরিসংখ্যানে দেয়া যায় বেশিরভাগ ফেল হয় ইংরেজি ও গণিতে।

 এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৪০ কোটি টাকার বই কেনাকাটায় বিশ্বব্যাংক ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মধ্যকার নানা অভিযোগের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে।

২০০৯ খ্রিস্টাব্দে সেসিপের দেশী-বিদেশী পরামর্শকদের সমন্বয়ে গঠিত অনুসন্ধান কমিটির তথ্যমতে,  সঠিকভাবে খাতা দেখার নির্দেশনা পেলেই  পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হার কমে। উদার হলে বাড়ে।

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ৬৮টি

  1. Md.Shahjahan Shaju says:

    আমাদের মতো সনদ প্রাপ্তকে নেন স্যার ,আমরা অনেক কষ্টে আসি.আমরা আপনার ওই সন্থান।আর এ গনি স্কুল এন্ড কলেজ আসি স্কুল এম পি ও ,কলেজ নন এম পি ও ,( সমাজ বিজ্ঞান) কলেজ শাখায় আসি । ০১৭৩৯-৪৩৯৯৫৮

  2. অচিন্ত্য মিস্ত্রী। সিনিয়র শিক্ষক, গাওখালী মা:বি:ও কলেজ, নাজিরপুর, পিরোজপুর।। says:

    অতিরিক্ত ক্লাস কখন নিবে, নির্ধারিত সময়ে নাকি ছুটির আগে পড়ে বুঝা গেল না।।

  3. নির্মল says:

    অত্যান্ত পরিতাপের বিষয় এ প্রকল্প- ১. যেখানে বিজ্ঞান শাখা নাই সেখানেও বিজ্ঞন শিক্ষক ২. যেখানে MPO ভুক্ত গনিত/ ইংরেজি/ গণিত ও ইংরেজি শিক্ষক আছে, সেখানেও ACT দিয়েছে।

  4. দিলীপ সিকদার,সহকারী প্রধান শিক্ষক,গংগানগর আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজ,শরীয়তপুর। says:

    যে সকল স্কুলে সেকায়েফ কতৃক অতিরিক্ত শিক্ষক। তাদের সঙ্গে অন্যান্য শিক্ষকদের ভাল ব্যবহার করতে হবে,তানাহলে প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি।

  5. ভূপাল প্রামানিক, প্র:শি: নামুজা উচ্চ বি: & সেক্রেটারি বা: প্রধান শিক্ষক সমিতি, বগুড়া । 01711 515468 says:

    Ok.,

  6. মুহা.সাইফুল্লহ বিন জাকারিয়া.পিরোজপুর, মঠবাড়ীয়া. মুঠোফোন-01719-482639 says:

    সেকায়েপ কর্তৃক কি প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে আইসিটি বা কম্পিউটার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া যায় কি???.কারণ আমরা বৈধভাবে অাইসিটি /কম্পিউটার শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়েও আজ শুধু হয়রানির শিকার দীর্ঘ 4/5 বছর ধরে এমপিওর আশায়, একবার অর্থ মন্ত্রী বলেছিলেন এমপিও দেওয়ার মত নাকি বাংলাদেশে মাল নাই. তাই বলছি শুধু আইসিটি /কম্পিউটার শিক্ষকদের এমপিওর বেলায় মাল থাকেনা!!!!!!!!!.

  7. Suman Hossain says:

    আমার মতে এ প্রকল্প বাদ দেওয়াই ভালো। না হয় সকলTeacher দের করে MPO করে দেন।

  8. মোঃ আনোয়ার হুসাইন says:

    Science, math & English (MPOl) teachers are busy with their private tuition. They have not time for regular classes. An act comes at 9:00 am to take especial selected class where MPO teachers come at 11:00 am but signed at 9:30, sometimes they leave at 2/3 but signed at 4 pm. I know you will angry on me but I will request you before commenting on my comment please visit a institution where appointed act & talk to the students of that institution what they say about act. After that you will not satisfied, I will give you proof. There would be some careless person with this project but acts are truly hard workers… the always working to built your lovely child ‘s career & our golden country.

  9. NADIRU HOQUE says:

    এসিটিরা mpo শিক্ষকদের চাইতে অনেক বেশি পরিশ্রম করে।ছাত্রছাত্রী দের কাছে এসিটিরা অনেক বেশি জনপ্রিয়। আর অতিরিক্ত ক্লাস এ উপকার হয়না,এটা সম্পুন ভুল।এতে প্রাইভেট এর চাহিদা মেটায়।এসিটি নিয়েগের ফলে গুনগত শিক্ষার মান অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।

  10. Md. Mafizur Rahman (A.T) , P.S.S Secondary School, Daulatpur, Kushtia says:

    দেশের সবাই যদি সৎ হতো তাহলে অনিয়ম বলে কিছু থাকত না। এসিটি অনেকে আছেন যারা অনিয়ম করেন।

  11. মোঃ মাহি উদ্দীন says:

    সেকায়েপের অধীনে এসিটিরা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করছে।যা শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা খুবই সন্তুষ্ট।অতচ কতিপয় নিয়মিত শিক্ষক এসিটিদের কাজ করতে বাধা দিচ্ছে অতিরিক্ত ক্লাস নিতে কারণ এসব ক্লাস গুলো নিলে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ার প্রয়োজন পরে না।তাই তাদের ব্যবসা হয় না।

  12. Md. Shahidul Islam says:

    প্রতিবেদনের প্রথম অংশটুকু আংশিক সত্য হলেও শেষ অংশটুকু সত্য নয়। “”””ইংরেজি ও গণিতে অতিরিক্ত ক্লাস শিক্ষার্থীদের দূর্বলতা দূর করে পাবলিক পরীক্ষায় ভালো ফল করার দাবি করে আসলেও বাস্তবে এই প্রকল্পের অতিরিক্ত ক্লাসের কোনও সুফল পাওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। সঠিকভাবে খাতা দেখার নির্দেশনা পেলেই পাসের হার কমে। উদার হলে বাড়ে। সেকায়েপের অতিরিক্ত ক্লাসের কোনো প্রভাব পড়েনি কোথাও।””””

  13. Miss. Purnima (assistant teacher, science) says:

    ACT teachers no need.

  14. Nuruzzaman,Abdul Hamid Khan High and College,Jamalpur says:

    it is very regret that most of the English teachers(ACT teachers) have collected their certificates from private univercities by exchanging money. their average marks at 70%.it is very tough to get 50% marks in English(3 years ago) let alone 70%.The authority appointed them only cheeking certificates without facing any exam.the meritorios students could not get opportunity to join as an English teacher.

  15. কল্যাণ says:

    কুকুর মানুষকে কামড়বে এটা স্বাভাবিক হলেও দুঃখ জনক। কিন্তু মানুষ কুকুরকে কামড়াবে এটা হতেই পারেনা। কোন শিক্ষক এ সি টি শিক্ষকদের প্রতি অনেয্য আচরন করবে, এটা দু্ঃখ জনক। কিন্তু একজন এ সি টি শিক্ষকের চাকুরীবিধি এবং আচরন বিধি এতটা লাগামহীন, এটা ভাবাই মুসকিল! নেয্য কথার উল্টো শ্রোতে ভেসে চলা বাংগালী জাতীর গন্তব্য কোথায়?

  16. NADIRU HOQUE says:

    দরকার নেই কারন আপ্নারা প্রাইভেট বানিজ্য করতে পারেন না।আপ্নারা কতটুকু পড়ান,কি পড়ান এগুলো সচক্ষেই দেখতে পাই ম্যডাম

  17. শেখ মাহমুদ সপ্রশি বয়ড়া ইসরাইল আহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় সরিষাবাড়ি জামাল পুর says:

    আমার স্কুলে শিক্ষক দেওয়ার জন্য অনুরোধ রাখছি।

  18. মুহাম্মদ ইসমাইল says:

    “শিক্ষার্থীরা সেকায়েপ প্রজেক্টের অতিরিক্ত ক্লাসের সুফল পাচ্ছেনা” আমি একজন এসিটি হিসেবে বলছি, নিউজটি সম্পূর্ণ একপেশে এবং মনগড়া। এই নিউজের ভিত্তি খুজে পাচ্ছিনা। সেকায়েপ এসিটিরা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগ্রহ উদ্দীপনা তৈরিতে সক্ষম হয়েছেন।
    এসিটিরা তাদের মেধা যোগ্যতা দিয়ে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। শিক্ষার্থীরা এই প্রজেক্টের সুফল পাচ্ছে। এই প্রজেক্ট শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবকদের নিকট প্রশংসিত হয়েছ।

  19. Ratul says:

    ACT দের ভিত্তিটা শক্ত করে দেন। তারপর দেখেন ACT টিরা কেমন পারফর্ম করে,,,,

  20. আলমগীর (এসিটি,গণিত) says:

    অতিরিক্ত শিক্ষকদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে অত্যন্ত স্বচ্চ প্রক্রিয়ায়। সব এসিটির স্নাতক পর্যায়ে ৫০% এর উপরে মার্ক আছে।বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্টরা অনার্স মাস্টার্স পাস করে এসিটি হিসেবে শিক্ষার্থীদের গুণগত পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছে।মেধাবী এই সব এসিটিরা নিয়মিত শিক্ষকের আক্রোশের স্বীকারের মূল কারণ প্রাইভেট বাণিজ্য।প্রকল্পের আওতায় স্কুলের ছুটির আগে পরে ও বন্ধের দিনে এসিটিরা অতিরিক্ত ক্লাসের পাশাপাশি নিয়মিত শিক্ষক হিসেবে ক্লাস নিয়ে থাকেন।শিক্ষার্থীদের কাছে এসিটিদের গ্রহণযোগ্যতার কারণে এবং অতিরিক্ত ক্লাসের(ফ্রি কোচিং)কারণে অন্যান্য শিক্ষকের প্রাইভেট বাণিজ্য বাধাগ্রস্থ হওয়ার কারণে এসিটিরা অন্যান্য নিয়মিত শিক্ষকের আক্রোশের স্বীকার।প্রতিবেদক ও অন্যান্য সকলের প্রতি আহ্বান থাকবে আপনার এসিটিদের মূল্যায়নের জন্য সরাসরি শিক্ষার্থীদের কাছে যান। এসিটিদের নিরলস পরিশ্রমকে হেয় করতে প্রকল্পে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দুর্নীতিকে মেশাবেন না।
    সেকায়েপের একটি সফল কম্পোনেন্ট হচ্ছে এসিটি নিয়োগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গণিত, ইংরেজি ও বিজ্ঞান ভীতি দূর করা এবংশিক্ষার গুণগত মানের পরিবর্তন করা।

  21. সানিদ নোমান says:

    অলাভজনক প্রকল্প। সমস্যাটাই বেশি। অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষকবৃন্দ অতিরিক্ত কোন কাজ করতে রাজি নন। ফলাফলের কোন উন্নতি নেই। দায়সারা গোছের সময় দেন। ছুটি নিতে আগ্রহী বেশী। তাদের অনুপস্থিতজনিত কারনে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয় না, বিধায় তারা অনুপস্থিত থাকতে ভালবাসেন। অন্যান্য শিক্ষকদের থেকে তাদের সম্মানী বেশী হওয়ায় অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দের মাঝে দূরত্ব পরিলক্ষিত হয়। তাদেরকে ট্যালেন্ট বলে মাথায় উঠানো হয়, অথচ বিদ্যালয়ের এমন শিক্ষক সংখ্যাই বেশী যারা তাদের থেকেও অনেক ট্যালেন্ট। মূল্যায়ণের দিক থেকে ঐ শিক্ষকবৃন্দ কোথাও কোথাও এখনো নন এমপিও। সর্বপরি প্রধান কার্যালয়ে অভিযোগন/আবেদন করলেও তারা অদৃশ্য কারনে সেটার উপর কর্ণপাত করেন না। এভাবে চলেছ বলে আমার মনে হয়।

  22. ইঞ্জি:মো: ইমাম হোসেন(এমসিএসই) says:

    আমার মনে হয় এসিটিরা ভালো শিক্ষক এটা কাহারো বুজতে বাকি নাই। সমস্যা একটাই এসিটিরা ছাত্র/ছাত্রীদের প্রিয় শিক্ষক। এসিটি স্যার অতিরিক্ত ক্লাসনেন। তাই স্কুলের স্যারেরা প্রাইভেট পড়াতে পারেনা। আমরা জানি সতিনের ছেলে মেয়েরা যতই ভালো হয়। তার পর ওদের দোষ থাকে এটা কে না জানে।তেমনি এসিটিরা।আবার এসিটিরা টাকা বেশি পায় অতিরিক্ত ক্লাসের জন্য।
    এটাও ওদের ভালো লাগেনা।সমস্যার সমাধান অব্যশ একটা আছে এসিটিরা সরকারি হলে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। ইন-শা আল্লাহ। এবং বাংলাদেশকে ডিজিটাল দেশ গড়তে আইসিটি শিক্ষক সেকায়েপ নিয়োগ দিবেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা।সকলকে সাথে থাকার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।

  23. আহসান হাবীব says:

    আমার কথা হ‌চ্ছে, এখন যে‌হেতু এম‌পিওভূক্ত শিক্ষা প্র‌তিষ্ঠা‌নে শিক্ষক নি‌য়োগ বন্ধ র‌য়ে‌ছে;

    সেখা‌নে ডি‌গ্রি তৃতীয় শিক্ষক, আই‌সি‌টি শিক্ষক, শাখা শিক্ষক, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাং‌কিং, উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন সহ সব মি‌লি‌য়ে আমার ম‌নে হয় ১০০০০ শিক্ষকও হ‌বেন না, যাঁরা এম‌পিওভূ‌ক্তির অ‌পেক্ষায় র‌য়ে‌ছেন।

    আমা‌দের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কি পা‌রেন না মাত্র এই ১০০০০ শিক্ষক‌দের মু‌খে অন্ন তু‌লে দি‌তে ?

    অথচ প্র‌তি বছরই এম‌পিওর শত শত কো‌টি টাকা গা‌য়েব হ‌য়ে যায়।

  24. আহসান হাবীব এসিটি(অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষক) says:

    এসিটি নিয়োগ দেয়া হয়েছে প্রতিষ্ঠান প্রধানের চাহিদার প্রেক্ষিতে শুধুমাত্র গণিত বিজ্ঞান ও ইংরেজি বিষয়ে এবং এসব নির্ধারিত বিষয়ের বাইরে ক্লাস না নেয়ার জন্য যাতে প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হয়। অথচ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এসিটিদের তার নির্ধারিত বিষয়ে ক্লাস নিতে দেয়না নিয়মিত শিক্ষকরা।শিক্ষার্থীদের কাছে এসিটিদের সুনামে এমপিও শিক্ষকরা ঈর্ষান্বিত।তাই তারা এসিটি বাতিলের দাবি করছে। সব কিছুর মূলে প্রাইভেট বাণিজ্য।

  25. শাহ্‌ আলম (চলনবিল থেকে) says:

    এখানে অনেক নিরব প্রতিহিংসা কাজ করছে। এই দেশের অধিকাংশ শিক্ষকরা একে অন্যের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে কাজ করেন। এই চিত্রটি আমি নিজেই প্রত্যক্ষ করেছি যখন এই প্রকল্পে রিসোর্স টীচার হিসেবে আড়াই বছর কাজ করেছি। এভাবে প্রকল্প না দিয়ে প্রতি স্কুলে ছাত্র-ছাত্রী অনুপাতে আরও ২ জন করে গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে স্থায়ীভাবে শিক্ষক নিয়োগ দিলে স্থায়ী সমাধান হবে।

  26. মোহর আলী says:

    ঘটনা সত্য হতে পারে কারণ বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান জরিপকালে আমি এরকম তথ্য পেয়েছি। সেকায়েপ এর এসিটি এবং এমডিএ রা আসলেই সৎ, মেধাবী এবং প্রচুর পরিশ্রমী।সুতরাং সরকারের উচিত এদেরকে রাজস্বখাতে নিয়ে স্থায়ী করা।

  27. এমদাদুল হক এখলাছ says:

    seqaep act দের parmanent করা হোক।act রা সবাই সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী এবং এদের অতিরিক্ত class এর কারনে private অনেকটা কমে গেছে।

  28. কল্লোল সরদার says:

    ইংরেজি ও গণিতে অতিরিক্ত ক্লাস শিক্ষার্থীদের দূর্বলতা দূর করে পাবলিক পরীক্ষায় ভালো ফল করার দাবি করে আসলেও বাস্তবে এই প্রকল্পের অতিরিক্ত ক্লাসের কোনও সুফল পাওয়ার গবেষণা প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি।এটি একটি ভুয়া খবর,
    আপনারা স্কুলে স্কুলে গিয়ে দেখেন, টাকা দিয়ে যারা শিক্ষক হয়েছে তাদের মান ভালো না ACT দের মান ভালো।

  29. মোঃ এনামুল হাসান says:

    এসিটি নিয়োগ দিয়ে কোনো উপকার হয়েছে কিনা তা শিক্ষার্থীদের কাছে খোজ নিলেই পাওয়া যাবে।

  30. Mritunjoy Kumar Roy says:

    সেকায়েপ কতৃক নিয়োগকৃত এসিটি শিক্ষকগণ মেধাবী ও দায়িত্বশীল। তাঁদেরকে স্থায়ী ভাবে এমপিও ভূক্ত করলে বিদ্যালয় এবং শিক্ষার্থী উভয়ই উপকৃত হবে সাথে শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে। মন্তব্যটি দৈনিক শিক্ষাডটকমের মাধ্যমে প্রচার করার জন্য বিনীত ভাবে অনুরোধ করিতেছি। মৃত্যুঞ্জয় কুমার রায়,প্রধান শিক্ষক।

  31. মণি রহমান says:

    অতিরিক্ত ক্লাশই বা কোনটি? আর তথাকথিত “ডিটেনশন ক্লাশ” ই বা কোনটি? রাজধানির যে বিদ্যালয়ে ছুটির পর পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির সকল শিক্ষার্থীদের আটকিয়ে টাকার বিনিময়ে ডিটেনশন ক্লাশ নেয়া হয় সেটাকেই আবার অতিরিক্ত ক্লাশও বলা হয়! এক শ্রেণির অযোগ্য শিক্ষা প্রশাসক প্রভাবশালীদের সঙ্গে জড়িয়ে ভাগের টাকা ধরিয়ে দিয়ে অভিভাবকদের উপর এইযে বছরের পর বছর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে তা দেখার কী কেউ নেই? শিক্ষার্থীদের পাঠে অমনোযোগী করতে-ফল বিপর্যয় ঘটাতে আর কী করা হলে পরে শিক্ষা ব্যবস্থা ধংস হবে?

  32. amra additional exam & class regular nia thaki. tar boro prove student . r ato boro prokolpo aktu na aktu problem to hobai. ti bola ata sobar jonno na......... says:

    ulta palta news dian na

  33. অনুপ হালদার says:

    এটুকু বলতে পারি,এসিটি দিয়ে উপকার হয়েছে কি না এসে দেখে যান।
    বাধাল আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়
    ই আই আই এন -১১৫২৪০
    শরণখোল,বাগেরহাট।
    উল্টা পাল্টা বলে লাভ কি,সরজমিনে পরখ করতে হয়।
    স্থায়ি করার দরকার নেই, কিন্তু আজে বাজে কথা বলা বন্ধ করুন। কারন সম্মান দিতে যখন না পারেন, নেওয়ার অধিকার ও নেই আপনার।

  34. মেজবা says:

    অতিরিক্ত ক্লাস নিলে স্কুলের শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশনি ব্যাবসা ক্যামনে চলবে? তাইতো সেকাএপে এত বাধা।

  35. Md.mamun hossen says:

    Amr mothe sob school gulothe ACT dewa dorkar…..tahole bangladesh theke coaching business ta uathe jabe….o poor students ra pora lekhar sujog pabe….

  36. বর্ষা কৈরী says:

    সমূহ অভিযোগ সত্য। আমি শিক্ষা গবেষণার ছাত্র ছিলাম, আমার পরিচিত ডিপার্টমেন্টের জুনিয়র যারা সেকায়েপে কাজ করে তাদের অনেকের থেকে একই রকমের অভিযোগ পেয়েছি। অনেকে জব ছেড়েও দিয়েছে। প্রোজেক্ট করতে হলে ইফেক্টিভ হয়ে এমন ভাবে করতে হবে তা না হলে ফলাফল শূন্য।

  37. Rasel hossain says:

    দৈনিক শিক্ষার মত নামকরা পত্রিকায় এসিটিদের বিষয়ে যে সংবাদ এসেছে তা অনভিপ্রেত ও অবাস্তব।দু একটি ব্যতিক্রম চাড়া সারা বাংলাদেশে এসিটিরা অত্যন্ত জনপ্রিয়।শিক্ষা মন্রনালয়ের উইং এ বিষয়ে স্পস্ট ধারনা পেয়েছে।আমি সেকায়েপের এসিটি প্রোগ্রাম নিয়ে চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম সফল শিক্ষা প্রোজেক্ট……আশা করি দৈনিক শিক্ষার সম্পাদক স্যার এ বিষয় টা আমলে নিয়ে বাস্তব ভিত্তিক সংবাদ দিবেন….না হলে এসিটি দের শুধু নয় এই পত্রিকাটির ও সুনাম ক্ষুন্ন হবে…..

  38. Mahbubur rahman says:

    এসিটিরা অতি অল্প সময়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে জনপ্রিয় হয়েছেন। টিচিং পদ্ধতি অনেক অনেক ভালো।আশা করি সরকার ভালো নজরে রাখবে।

  39. মোঃ রশিদুল আলম, প্রধান শিক্ষক, সরল খাঁ উচ্চ বিদ্যালয়, আদিতমারী, লালমনিরহাট। says:

    এসিটিদের যদি স্থায়ী করে নেয়া হয়, আর তাতে যদি তারা রাজি হয়ে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চাকুরী করে, তাহলে আমি মনে করব সরকারের ভাগ্য ভাল। মনে করব সরকারে এটা বোনাস পয়েন্ট। কারণ এদের সার্টিফিকেটের মান এবং এদের মেধা খুব ভাল। এরা যখন তখন বিভিন্ন জায়গায় ভাল ভাল পদে চাকুরী পাচ্ছে, বিসিএসের মতো পরীক্ষায় এরা ভাল রেজাল্ট করে সেখানে সুযোগ পাচ্ছে। এরা অল্প সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছে। এরাই এখন শিক্ষার্থীদের কাছে বেস্ট/ফেবারিট টিচার। এরা নিচ্ছে অতিরিক্ত ক্লাশ, এরা নিচ্ছে নিয়মিত ক্লাশ। হ্রাস পেয়েছে প্রাইভেট। তাই যারা প্রাইভেট পড়ান তাদের শত্রু এরা। এতক্ষণ আমি বললাম এদের গুনাগুন। এদের নিয়ে বিদ্যালয়ে কিছু সমস্যাও আছে। এদের চাকুরী অস্থায়ী হওয়ায় এরা সব সময় বিভিন্ন জায়গায় চাকুরীর আবেদন করে। এদের থাকে চাকুরীর পরীক্ষা, থাকে স্বাক্ষাতকার বা ইন্টারভিউ। এরা অনেকে আবার স্টুডেন্ট। তাই স্টুডেন্ট হিসেবে পরীক্ষাও থাকা স্বাভাবিক। তাই এদের মানবিক কারনে অনেক অনেক ছুটি দিতে হয়। আর তখনই হয়ে যায় সমস্যা। নিয়মিত ক্লাশ পরিচালনায় হয়ে যায় গ্যাপ। পিছিয়ে পড়ার সম্ভবনা থাকে শিক্ষার্থীদের। আর এরা কিছু কিছু শিক্ষকের শত্রু হওয়ায় এদের প্রক্সি ক্লাশে যেতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা অনীহা প্রকাশ করে। এসিটিরা সব সময় থাকে আতঙ্কে। এরা ভাবে কখন যেন চাকুরী চলে যায়। চাকুরীর বয়স থাকতে যদি স্থায়ী চাকুরী না পাই তাহলে কি হবে? এই টেনশন সব সময় এদের মাঝে বিরাজ করে। আমি মনে করি, হয় এদের বাতিল করা হোক অথবা এদের স্থায়ী করে নেয়া হোক। আশা করি সরকার এদের ব্যাপারে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছিবেন। অনেক ক্ষেত্রে এদের চাকুরী অস্থায়ী হওয়ায় কেউ এদের বিয়ে করতে চায় না। সর্বশেষ এদের সুব্যবস্থা হোক এবং বিয়েটাও হোক এই কামনা করি।

  40. মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন, says:

    এসিটিরা অনেক পরিশ্রমী, তাদের কঠুর পরিশ্রমের কারনে আজ বাংলাদেশ এর মাধ্যমিক শিক্ষায় গুনগত মান বেড়েছে, এর সাথে সাথে ঝরে পড়ার প্রবনতা করেছে। এসিটিদের যদি মধ্যমিক সেক্টর থেকে বাদ দেয়া হয় তাহলে মাধ্যমিক এর গণিত, ইংরেজী, বিজ্ঞান এই সাবজেক্টস এ ধস নামবে, তাই মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ও পিডি মহোদয় এর নিকট আবেদন যে, এই শিক্ষকদের কে মাধ্যমিক সেক্টর থেকে বাদ না দিয়ে আরো নতুন করে নিয়োগের ব্যবস্থা করত: বাধিত করবেন।

  41. তাজিবুল হক says:

    মাষ্টার ট্রেনারদের মাধ্যমে ক্লাস মনিটরিং নিয়মটি ভেলো ছিল

  42. সুব্রত কুমার সানা says:

    মাঠপর্যায়ে যান, এসি রুমে বসে বানোয়াট প্রতিবেদন তৈরি করবেন না। দৈনিক শিক্ষা এর মত একটা পাঠক বহুল সাইটে এভাবে অন্যের তৈরি প্রতিবেদন প্রকাশ করা অত্যন্ত দুঃখ জনক। সেকায়েপ প্রকল্পভূক্ত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে যান, ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে এবং অবিভাবকদের কাছ থেকে মতামত নিন। সেকায়েপ কর্তৃক মনোনীত শিক্ষকদের জন্যে MPO অনেক শিক্ষকের বহুদিনের প্রাইভেট নামক ব্যবসার চরম ক্ষতি হচ্ছে। বিধায় তারা বিভিন্ন রকম বানোয়াট তথ্য দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কার কতটুকু যোগ্যতা তা কী কখনও যাচাই করেছেন? অধিকাংশ শিক্ষক যেখানে মানসম্পন্ন ক্লাস নিতে ব্যর্থ বিশেষ করে প্রযুক্তির দিক দিয়ে কোথায় তারা তা তো সম্পাদক মহাশয় জানেন না। সেদিকে নজর না দিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এমন একটি যুগোপযোগী প্রকল্পকেই খাটো আর হেয় প্রতিপন্ন করা মোটেই নিরপেক্ষ এবং বিজ্ঞতার পরিচায়ক নয়। হয়ত কোথাও কোথাও দু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটতে পারে। এজন্য গোটা প্রকল্পের ব্যর্থতা এরূপ মনগড়া প্রতিবেদন সত্যিই বেদনাদায়ক। পাবলিক পরীক্ষায় ফলাফলের পরিবর্তনের যে কথা বলা হয়েছে সেখানে আছে ভিন্ন চিত্র সেটা তো বললেন না। অধিকাংশ এসিটি দের অষ্টম ও দশম শ্রেণির ক্লাস দেওয়া হয়না। কারণ সেখানে আছে তাদের প্রাইভেট বানিজ্য। প্রতিবেদনে অন্তত এটুকু উল্লেখ করা উচিত ছিল। যাক পক্ষপাতের জয় হোক।

  43. মো : ইসমাইল হোসেন । এসিটি - Science করতোয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় , জীবননগর ,চুয়াডাংগা says:

    এসিটি গন সকলেই মেধাবি এবং বিষয় ভিত্তিক শিক্ষক সুতরাং তারা তাদের প্রচেষ্টার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের ভালো ভাবে শিক্ষা ও দিক নির্দেশনের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও দেশের ফলাফল উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। সুতরাং এসিটিদের দেশের উন্নয়নের জন্য দরকার আছে না নেই সেটা দেশের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ,শিক্ষা মন্ত্রী ,সেকায়েপ প্রজেক্ট ডিরেক্টর মহোদয় ই ভালো জানেন।।।

  44. Md. Nurul Islam says:

    All of the teacher are very cordial to ACT teacher in our school. ACT teachers are also very helpful to our students by their regular class & additional class. Some of the news in this page are strictly wrong. Teaching capacity and qualification of ACT teachers are better than mpo teacher. It is true that 50% or more mpo teacher are 3rd class, where as most of ACT teacher are 1st class from public/govt university. Over all ACT teachers are supported 100% by me for students of rural area.

  45. Razib Ahmed says:

    সেকায়েপ এর এসিটি শিক্ষকগণ এই অল্প দিনে যে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে তা,২০-৩০ বছর চাকুরি করে অর্জন করতে পারেনি এমপিও ভুক্ত অনেক শিক্ষক, কারন সেকায়েপ এর সকল শিক্ষক স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রী অর্জনকারী এবং তরুন মেধাবী, সৎ, নিষ্ঠাবান , যা সাধারনত এমপিও ভুক্ত পুরানো শিক্ষকদের মাঝে খুব কম। গুটি কয়েক অসৎ এসিটি গনের জন্য সকল এসিটিদের বিচার করা ঠিক নয়, এটা অন্যায়,অবিচার এছারা এসিটি শিক্ষকদের নিয়োগ পদ্ধতি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক গনের নিয়োগ প্রদ্ধতির অনুরুপ, যেখানে অযোগ্যদের চান্স পাওয়ার কোন সুযোগ নেই। আশা করি সেকায়েপের মেয়াদ বৃদ্ধি পাবে এবং সকল এসিটিগণ থাকবে তাদের নিজ নিজ প্রতিভাগুনে।। সেকায়েপ যদি নাও থাকে কোন এসিটি বেকার হয়ে বসে থাকবে না ইনশাল্লাহ্, কারন এই অল্পদিনে অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে, যা দিয়ে যেকোন বাঁধা অতিক্রম করতে পারবে ইনশাল্লাহ্। পরিশেষে সকল এসিটিগণকে ধন্যবাদ জানিয়ে লক্ষ্য অটুট রাখার আহ্বান জানাচ্ছি, বিজয় হবে ইনশাল্লাহ্।।

  46. Razib Ahmed says:

    সেকায়েপ এর এসিটি শিক্ষকগণ এই অল্প দিনে যে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে তা,২০-৩০ বছর চাকুরি করে অর্জন করতে পারেনি এমপিও ভুক্ত অনেক শিক্ষক, কারন সেকায়েপ এর সকল শিক্ষক স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রী অর্জনকারী এবং তরুন মেধাবী, সৎ, নিষ্ঠাবান , যা সাধারনত এমপিও ভুক্ত পুরানো শিক্ষকদের মাঝে খুব কম। গুটি কয়েক অসৎ এসিটি গনের জন্য সকল এসিটিদের বিচার করা ঠিক নয়, এটা অন্যায়,অবিচার এছারা এসিটি শিক্ষকদের নিয়োগ পদ্ধতি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক গনের নিয়োগ প্রদ্ধতির অনুরুপ, যেখানে অযোগ্যদের চান্স পাওয়ার কোন সুযোগ নেই। আশা করি সেকায়েপের মেয়াদ বৃদ্ধি পাবে এবং সকল এসিটিগণ থাকবে তাদের নিজ নিজ প্রতিভাগুনে।। সেকায়েপ যদি নাও থাকে কোন এসিটি বেকার হয়ে বসে থাকবে না ইনশাল্লাহ্, কারন এই অল্পদিনে অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে, যা দিয়ে যেকোন বাঁধা অতিক্রম করতে পারবে ইনশাল্লাহ্। পরিশেষে সকল এসিটিগণকে ধন্যবাদ জানিয়ে লক্ষ্য অটুট রাখার আহ্বান জানাচ্ছি, বিজয় হবে ইনশাল্লাহ্।।

  47. md. golam mostofa says:

    এমপিও ভুক্ত টিচাররা কিন্তু স্বচ্ছভাবে অাসে না…সীমাহীন দুর্নীতি হয়…এসিটি নিয়োগ একদম স্বচ্ছ…অাপনাদের বিনীতভাব অনুরোধ যানাচ্ছি…স্কুলে গিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মতামত নিন…যদি এমপিও টিচারদের চাইতে খারাপ পাঠদান করে কোন এসিটি তবে এসিটি টিচাররা কান ধরে চাকরি ছাড়বে নতুবা যারা এসিটি নিয়ে বাজে মন্তব্য করে তারা কান ধরবে…অাশা করি এসিটিরা অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি পাবে…অামিন.

  48. সোহেল রানা says:

    স্কুলে স্কুলে আসুন ,এসিটি রা কেমন পড়ায় ,খোজ নিন,অতিরিক্ত ক্লাসে কি পরিমান ছাএছাএী উপকৃত হচ্ছে দেখুন। তারপর প্রতিবেদন লিখুন।এমন আজগবি মনগড়া প্রতিবেদন লিখবেন না। এসিটি আজ সরানো হলে কাল থেকে প্রতিষ্ঠানে কি বাজে অবস্খা হয় দেখুন।please don’t judge a book by its cover.

  49. TANVIR AHMED says:

    Jakaria sir 4/5 year noi hobe 6 year dore ICT Teacher der MPO bondo.

  50. TANVIR AHMED says:

    Jakaria sir 4/5 year noi hobe 6 year dore ICT Teacher der MPO bondo

  51. samad says:

    I came to know that English and Mathematics classes are being taught by SEQAEP but in Agrani High School, Bank Town, Savar ,Dhaka there is no class to take as for SEQAEP program. The classes are taken by the teachers for all subjects before starting school and 600Tk. is taken from every student. Who takes money, if SEQAEP gives taka for extra classes?

  52. Mehenaj says:

    এসিটি শিক্ষকদের ছাত্রছাত্রীদের কাছে অধিক জনপ্রিয়তাই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে আজ।সরজমিনে পরিদর্শন করলেই এর প্রমাণ পাওয়া যাবে।প্রায় প্রতিটা স্কুলে যে সকল শিক্ষকগণ প্রাইভেট বাণিজ্য চালিয়ে আসছে বছরের পর বছর তাদের চক্ষুশূল হল এই এসিটি শিক্ষকগণ।বেশির ভাগ স্কুলে এসিটিদের প্রকল্প হতে নির্ধারিত কাজের বাহিরেও স্কুলের প্রয়োজন দেখিয়ে অনেক কাজ করানো হয়।প্রয়োজনীয় নিয়মিত ক্লাসের বাহিরেও তাদের ক্লাস দেওয়া হয়।অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় এমপিও শিক্ষকদের দিনে ২টি অতিরিক্ত ক্লাস নিলেও এসিটিদের নিতে হয় দিনে ৪/৫টি ক্লাস,এরপরেও অতিরিক্ত ক্লাস তো থাকেই।প্রকল্প থেকে বার বার বলা সত্যেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এসিটিদের দিয়ে নেয়া হয় তাদের বিষয়ের বাহিরের ক্লাস।এসিটিদের উপর অতিরিক্ত খবরদারি করা যেন এমপিও শিক্ষকদের একধরনের বিনোদনের খোরাক যোগায়।এসকল কিছু ছাপিয়ে যে বিষয়টি সামনে এসেছে তা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের নিকট এসিটিদের জনপ্রিয়তা,উক্ত বিষয় গুলিতে শিক্ষার্থীদের গুণগত মানের উন্নয়ন।মাধ্যমিক পর্যায়ে এসিটিদের দ্বারা যে উন্নয়নের যাত্রা দেখা দিচ্ছে এসিটি কার্যক্রম সরিয়ে নিলে সেই উন্নয়ন আর আলোর পথ দেখবেনা এটুকু বলা যায়।বহু বছর পর মাধ্যমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে এসিটিদের মাধ্যমে যে যুগউপযোগী সিন্ধান্ত সরকার নিয়েছে তা সত্যি খুব কার্যকর সিন্ধান্ত এবং প্রসংসার দাবিদার।

  53. সোলায়মান, সহকারি শিক্ষক, রৌহা দারুল আমান ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা। says:

    আসলে আমি মনে করি এটা আমাদের বুঝার ভূল, কারণ, যারা এসিটি শিক্ষক তারা তো অতিরিক্ত ক্লাশ নেবে এতে এমপিওভুক্ত শিক্ষককের অসুবিধাটা কোথায়? বরং এতে তাদেরই সুবিধা হচ্ছে যে, তারা যে ক্লাশ নেন সেই একই ক্লাস এসিটি শিক্ষকরাও নেন ফলে শিক্ষার্থীরা ভাল ফলাফল করতে পারছে।

  54. nirjon habib says:

    চমৎকার নন্দঘোষ প্রমানের রিপোর্ট তাহলে ফলাফল ভাল না হওয়ার দায় তো মাধ্যমিক প্রাথমিক টিচারদের উপর

  55. মিলটন says:

    বেসরকারি স্কুল এ সমাজ বিঞান ও সাধারণ ডিগ্রিধারীদের দিয়ে ইংরেজী, বাংলা ও অন্যান্য বিষয় পড়াচ্ছে।তাছাড়া তাদের চাকুরি মেধার ভিত্তিতে হয়নি।অন্যদিকে এসিটিরা ৯৫ ভাগ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স।তাহলে কি দাড়ালো…….

  56. Taher says:

    Science, math & English (MPOl) teachers are busy with their private tuition. They have not time for regular classes. An act comes at 9:00 am to take especial selected class where MPO teachers come at 11:00 am but signed at 9:30, sometimes they leave at 2/3 but signed at 4 pm. I know you will angry on me but I will request you before commenting on my comment please visit a institution where appointed act & talk to the students of that institution what they say about act. After that you will not satisfied, I will give you proof. There would be some careless person with this project but acts are truly hard workers… the always working to built your lovely child ‘s career & our golden country.

  57. সাইফূল ইসলাম says:

    সমস্যা একটাই এসিটি শিক্ষকগন সকালে(৮-১০) ক্লাস নেন যে সময় অন্যান্য শিক্ষকগন প্রাইভেট পড়ান তাদের অতিরিক্ত ক্লাসের জন্য তাদের প্রাইভেট ব্যবসায় সমস্যা হয় আর তারা সবাই তরুন,মেধাবী ও আর অস্থায়ী হওয়ায় চাকরির নিশ্চয়তার জন্য ভাল কিছু করতে চান যেটা তাদেরকে ছাত্রদের নিকট জনপ্রিয়তা এনে দেয় এ থাকতে পারে তবে আমার মনে হয় সব সমস্যার মূল হল প্রাইভেট ব্যবসার পথে সমস্যা তৈরি করা। তাই প্রকল্পের উচিত অতিরিক্ত ক্লাস গুলোর সময় এমন ভাবে দেওয়া যাতে অন্যদের প্রাইভেট পড়াতে কোন অসুবিধা না হয় তাহলে সবাই তাদের কে ভাল বলবে

  58. Md.Mahmudul Haq.H.T Sharankhola,Bagerhat says:

    দুগ্ত এলাকার জন্য এসিটি শিক্ষকের খুবই প্রয়োজনীয় রহিয়াছে ৷ এসিটি শিক্ষকদের প্রচেশটায় বিদ্যালয়ের ছাত্র্,ছাত্রীদের লেখা পড়ার মান খুব ভাল হইতেছে ৷ কারণ এসিটি শিক্ষক গন দেশের বড় বড় পাবলিক বিশববিদ্যালয় হইতে সকল পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ ও প্রথম শে্রণী প্রাপত ৷ এসিটি শিক্ষকের বিরুদধ খারাপ মনতব্য দু:খ জনক ৷

  59. একজন এ সি টি says:

    আমি একজন এসিটি , প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই বিশ্ব ব্যাংক কে এবং সেকায়েপ কর্মকর্তাদের, এই ধরনের শিক্ষা প্রযেক্ট পরিচালনা করার জন্য। এই প্রযেক্টে যোগদানের আগে অনেক এ সি টি এর মতো আমিও বেকার ছিলাম।সতোতার সাথে বলতে পারি যোগদানের পর থেকে কর্মে ফাঁকি দেই নি।সারা দেশের প্রায় প্রত‍্যেক এসিটি অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন এই প্রযেক্টে সফল করতে এবং এই প্রযেক্টে যে সফল তা বিশ্ব ব্যাংক প্রতিনিধিরা স্বীকার করেছেন এমনকি বাহিরের অনেক দেশে এই প্রযেক্টে চালু করার চিন্তা করছেন। সেখানে এই ধরনের খবর প্রযেক্টের সফলতা কে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে না কী??? নিশ্চয়ই সবাই জানেন যে এসিটি রা প্রত্যন্ত অঞ্চলে অনেক কষ্ট শীকার করে তাঁদের দায়িত্ব পালন করছেন। যেখানে স্কুলে যাওয়ার মতো ভালো রাস্তা ঘাট ও নেই, স্কুল শিক্ষকদের মানসিকতা ও পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে সময় লাগছে তারপরও এসিটিরা তাঁদের যথাযথ দায়িত্ব পালন করছেন। একটা দুটো স্কুলে কিছু সমস্যার কারণে সমগ্র প্রযেক্টের সফলতা কে প্রশ্নবিদ্ধ করাটা কতটা যুক্তিযুক্ত তা কতৃপক্ষ ভালো বলতে পারবেন।

  60. Ani sen says:

    এসিটিগন ১০০% সততার সাথে তাদের দায়িত্ব পালন করেন।তাই আজ তারা সফল।তার প্রমান আমার স্কুলে এবার এসএসসি তে ১০০%পাশ।তাই উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

  61. মো:মামুন হোসেন says:

    এটুকু বলতে পারি,এসিটি দিয়ে উপকার হয়েছে কি না এসে দেখে যান।
    রাজাপুর,ঝালকাঠির সকল প্রতিষ্ঠানে ৷
    উল্টা পাল্টা বলে লাভ কি,সরজমিনে পরখ করতে হয়।
    স্থায়ি করার দরকার নেই, কিন্তু আজে বাজে কথা বলা বন্ধ করুন। কারন সম্মান দিতে যখন না পারেন, নেওয়ার অধিকার ও নেই আপনার।

  62. Ruhul Quddus ACT English says:

    I want to tell something for those people who are unwilling to appoint ACT in their institution. Actually, ACT’S are brilliant. They are hard working. Especially, they are able to do a government job. Really, the people who are talking like nonsence about ACT, they should come to the field. I think, every institution has got life to get ACT. Because their teaching capacity is post modern. Every student of the institution can understand them easily. so you should not talk like nonsence about ACT. You should come to the field and examine what is reality. At last, I think if the government want to build digital Bangladesh, their is no alternative of ACT. so the government should try to permanent them.।

  63. শেখ রাসেল, মধুখালি, ফরিদপুর says:

    যারা অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষকদের বদনাম করছেন তাদের বলছি.. শিক্ষকদের ভাল মুল্যায়ন করতে পারে শিক্ষার্থীরা এবং পরীক্ষার ফল। আমার মনে হয় এ ব্যাপারে ACT রা MPO শিক্ষকদের চ্যালেন্জ করতে পারে।
    আর ACT দের পদায়ন করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানের আবেদনে। সুতরাং ACTদের সুনজরে দেখুন শিক্ষার মান বাড়ান এবং শিক্ষা বাণিজ্য কমান যদি দেশের ভাল চান।

  64. মো: শওকত আলী says:

    সরকার দিয়েছে এ,সি,টিদের অতিরিক্ত ক্লাশ হিসেবে। অথচ্য তারা প্রাইভেট নামক শিক্ষা বাণিজ্যে লিপ্ত হচ্ছে। এক সাথে ৩০/৩২ জন ছাত্র নিয়ে দুপুর ৩ টা থেকে বিকেল ৫.০০ টা পর্যন্ত প্রাইভেট পড়িয়ে থাকে। বিদ্যালয়ে তারা নিয়মিত না। তাবে তাদের নিয়োগ দিয়ে কি লাভ। উদাহরণ সরুপ বলতে চাই মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলার বাঘুটিয়া কে,এস, উচ্চ বিদ্যালয়ে এ,সি,টি শিক্ষক(গণিত) মো: সোহেল রানা। তিনি কমপক্ষে ৫ ব্যাচ ছাত্র পড়িয়ে থাকে। এলাকার কিছু কিছু ছাত্র মনে করে তিনি খুব ভাল গণিত পড়িয়ে থাকে। কিন্তু তার উল্টো। স্কুল পরীক্ষায় কোন ছাত্র/ছাত্রীই ভাল করতে পারে নি। এমতাবস্থায় তাকে অপাসরন না করলে অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষা মারাত্বক হুমকির মুখে পড়বে।

আপনার মন্তব্য দিন