স্কুলের পাশে ভেঙ্গে পড়ে আছে বৈদ্যুতিক পিলার, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা - বিবিধ - Dainikshiksha

স্কুলের পাশে ভেঙ্গে পড়ে আছে বৈদ্যুতিক পিলার, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা

লালমনিরহাট প্রতিনিধি |

লালামনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের একটি বিলুপ্ত সিটমহলে ১১ হাজার কে.ভি লাইনের একটি বৈদ্যুতিক পিলার ভেঙ্গে পড়ে আছে। সংযোগ তারসহ মাটিতে পড়ে থাকার কারণে অসাবধানতা বশত যে কোনো মুহুর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। ১৬ নং ভোটবাড়ী জহর আলীর সীট এলাকায় জয়নাল আবেদীন শিক্ষানগর উচ্চ বিদ্যালয় ও ফুলজান রহিমুদ্দীন টারী বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশেই বৈদ্যুতিক পিলারটি পড়ে থাকতে দেখা যায়।

জানা গেছে, গত বৈশাখে কালবৈশাখী ঝড়ে পিলারটি প্রথমে হেলে পড়ে। তারপর একসময় সেটি ভেঙ্গে যায়। একটি বৈদ্যুতিক পিলার এভাবে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকলেও কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে যে কোনো মুহুর্তে ঘটতে পারে প্রাণহানীর মত বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

এলাকাবাসীর পক্ষে সিট নেতা মোজাহারুল ইসলাম পাতু তার বড় ভাই জয়নাল আবেদীন, প্রধান শিক্ষক শ্রী বিধান চন্দ্র রায়সহ আরো কয়েকজন দৈনিক শিক্ষাকে বলেন, একাধিকবার যোগাযোগ করলেও বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন এ পর্যন্ত অবহেলিত সিটমহলের এমন একটি বিপদে সাড়া দিচ্ছে না। অথচ পিলারটি মেরামত করা আশু প্রয়োজন।

অবহেলিত সিটমহলে গড়ে উঠা দু’টি নতুন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মাঠে খেলতে গিয়ে বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার আতঙ্কে থাকে বিদ্যালয়ের প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষার্থী। এছাড়া অভিভাবকসহ শিক্ষকরাও সবমসময় তটস্থ থাকেন।

এ ব্যাপারে পাটগ্রাম বিদ্যুৎ অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য একাধিকবার তার ফোন নম্বরে কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ওই অফিসের একটি সুত্র জানায়, মেরামত করার কাজে সরকারি বাজেট বরাদ্দ তেমন নাই।

মিটার বাবা নামে এক মাস্টাররোল কর্মচারী মিলন বলেন, ‘স্যার ওখানে না গেলেও অফিসের অন্য স্টাফরা যাবে, তবে খরচ আগে জমা দেন।’

এমপিওভুক্তির দাবিতে ফের রাজপথে শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি শুরু - dainik shiksha এমপিওভুক্তির দাবিতে ফের রাজপথে শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি শুরু মারধরে অসুস্থ হলে আবরারকে অন্য রুমে নিয়ে গিয়ে পেটাই : রবিন - dainik shiksha মারধরে অসুস্থ হলে আবরারকে অন্য রুমে নিয়ে গিয়ে পেটাই : রবিন কী আছে শিক্ষক গোকুল দাশের লাইব্রেরিতে, কেন বিক্রির বিজ্ঞাপন? - dainik shiksha কী আছে শিক্ষক গোকুল দাশের লাইব্রেরিতে, কেন বিক্রির বিজ্ঞাপন? ৪২ শতাংশই অন্য চাকরি না পেয়ে শিক্ষকতায় এসেছেন - dainik shiksha ৪২ শতাংশই অন্য চাকরি না পেয়ে শিক্ষকতায় এসেছেন ডিগ্রি ১ম বর্ষ পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত - dainik shiksha ডিগ্রি ১ম বর্ষ পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন - dainik shiksha শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website