please click here to view dainikshiksha website

স্কুলের সভাপতির হাতে মার খেলেন নৈশপ্রহরী

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি | আগস্ট ১১, ২০১৭ - ৭:৩১ অপরাহ্ণ
dainikshiksha print

বরগুনার আমতলী উপজেলার তারিকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. নাসির উদ্দিন তালুকদারের বিরুদ্ধে নৈশপ্রহরী মো. শাহ আলমকে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (১০ই আগস্ট) বিকেলে এ ঘটনা ঘটেছে ।

জানা গেছে, তারিকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী মো. শাহ আলম (৫৫) বৃহস্পতিবার রাতে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে ঘুমিয়ে ছিল। সকাল বেলা কয়েল না নিভিয়ে চলে যায়। কয়েলের আগুনে ওই কক্ষের বিছানার একাংশ পুড়ে যায়।

এ নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেল সভাপতি ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইউনুচ মিয়াসহ শিক্ষকরা সালিশ বৈঠকে বসে। বৈঠকে নৈশপ্রহরী সভাপতির পা জড়িয়ে ধরে ক্ষমা চায়। কিন্তু সভাপতির এ ক্ষমা চাওয়া মনঃপুত হয়নি। তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে সকল শিক্ষকের উপস্থিতিতে শাহ আলমকে মারধর করে স্কুল থেকে বের করে দেন।

নৈশপ্রহরী শাহ আলম অভিযোগ করে বলেন, ক্ষমা চাওয়ার পরেও সভাপতি নাসির তালুকদার আমাকে কিল, ঘুষি ও লাথি মেরেছে। তার মারধরে আমার চোখের নিচে ফেটে গেছে।
সভাপতি মো. নাসির উদ্দিন তালুকদার নৈশ প্রহরীকে মারধরের কথা অস্বীকার করে বলেন বিদ্যালয়ে কোন সালিশ বৈঠকই হয়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ৭টি

  1. Sahadeb Chandra Roy says:

    বিদ্যালেয়র পিয়ন যদি ম্যানেজিং কমিটির সদস্যকে মারে তাহলে তার জী শাস্তি হওয়া দরকার? প্রশ্ন রইল।

  2. md.shariful islam says:

    খমতারে খমতা!

  3. পরমানন্দ ঢালী says:

    আরে ও তো মানুষ নয়। ও তো সভাপতি,যে সে জিনিষ নয়। শুধু ক্ষমা চাইলে হবে না,ওর অণ্ডকোষে সরষের তেলও মাখাতে হত।

  4. Amir Hussain says:

    Ei Savapatikeo Mere Pa Dhara Khama Caoano Ucit.

  5. কল্যাণ says:

    আসল সত্য ঊদঘাটন করা দরকার।

  6. আব্দুল হান্নান মিয়া, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক, বন্দর, নারায়ণগন্জ। says:

    পানি নীচে গ্রাম বড়ায় রে ভাই! নৈশ প্রহরীকে যদি কিল, ঘুষি মারতে না পারলেন তাহলে সভাপতির(!) ক্ষমতা থাকে কোথায়? “এমন করে কী জগৎ জুড়ে মার খাবে দূর্বল?”

  7. মোঃ মিলন হোসেন says:

    প্রাই প্রতিটি বিদ্যালয়ের কমিটির বাড়াবাড়ি রয়ছে এবং প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে৷ কারন একদিকে অল্প শিক্ষিত বা অশিক্ষিত অন্যদিকে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দিনের পর দিন অন্যায় করে চলেছে৷ প্রতিকার হওয়া খুবই জরুরি৷

আপনার মন্তব্য দিন