please click here to view dainikshiksha website

হাজী নাছির কলেজের এমপিও: ফের মরিয়া সেই অতিরিক্ত সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক | আগস্ট ১৬, ২০১৭ - ১১:১৬ অপরাহ্ণ
dainikshiksha print

হাজী নাছির কলেজের দশ শিক্ষকের স্থগিত থাকা এমপিও ছাড় করাতে ফের মরিয়া হয়ে ওঠার অভিযোগ পাওয়া গেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সেই বিতর্কিত অতিরিক্ত সচিবের বিরুদ্ধে। নতুন করে নিজেই শুনানি নিতে চান এই অতিরিক্ত সচিব। অথচ গত  ১৩ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর কাম্য যোগ্যতা ছাড়াই নিয়োগ ও এমপিওভুক্ত হওয়া কলারোয়ার হাজী নাছির উদ্দীন কলেজের ১০ শিক্ষকের শুনানি গ্রহণ করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন মন্ত্রণালয়ে। এতে উঠে এসেছে প্রকৃত চিত্র। কিন্ত এতে মন ভাজেনি ওই অতিরিক্ত সচিবের। এবার তিনি নিজেই শুনানি করে ভুলত্রুটি ‘মাফ’ করে দিয়ে এমপিও ফিরিয়ে দিতে চান বলে অভিযোগ উঠেছে।

তবে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা দৈনিকশিক্ষাকে বলেন, সম্প্রতি আওয়ামী লীগ সমর্থক একটি জাতীয় পত্রিকায় এই অতিরিক্ত সচিবের বিরুদ্ধে অধিদপ্তরের একজন উপপরিচালকের কাছ থেকে মাসিক ১০ লাখ টাকা ঘুষ নেয়ার ইঙ্গিতবাহী প্রতিবেদন প্রকাশের পর চাপের মুখে রয়েছেন। এই অতিরিক্ত সচিবের বিরুদ্ধে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষকরা।    

তিনি বলেন, শুধু হাজী নাছির কলেজই নয়। কুমিল্লার দাউদকান্দির আকবর আলী খান কারিগরি ও বাণিজ্য কলেজের স্থগিত থাকা ২১৪ জনের এমপিও ফিরিয়ে দেয়া এবং আদালতের আদেশে বন্ধ হয়ে যাওয়া দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সদনধারী সহকারি গ্রন্থাগারিকদের এমপিওভুক্ত করতেও মরিয়া এই অতিরিক্ত সচিব। তিনি যুগ্ম-সচিব থাকাকালে মাউশির এমপিওর সভায় যোগ দিতেন। পদোন্নতি পেয়েও কীভাবে একই মন্ত্রণালয়ে থাকলেন তা নিয়েও সরকারি-বেসরকারি শিক্ষক নেতাদের রয়েছে প্রশ্ন।

ডিআইএর একজন কর্মকর্তা দৈনিকশিক্ষাডটকমকে বলেন, আমাদের অধিদপ্তরের ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয় অভিযুক্ত শিক্ষকরা ভুয়া ও জাল সনদ দেখিয়ে চাকুরিলাভ ও এমপিওভু্ক্ত হন। ডিআইএ’র ওই প্রতিবেদন মিথ্যা প্রমাণ করাতে চান ওই অতিরিক্ত সচিব?

কারিগরি অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা বলেন, হাজী নাছির কলেজের কারিগরি শাখার নিয়োগে অনিয়মের আসল চিত্র তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তাই ২৭ এপ্রিল অধিদপ্তরের এমপিও কমিটির সভায় হাজী নাছির কলেজের দুইজন শিক্ষকের স্থগিত থাকা এমপিও ফের ছাড়করণের আবেদনটি নাকচ হয়েছে। অথচ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের দুএকজন বিতর্কিত কর্মকর্তা মরিয়া ১০ শিক্ষকের এমপিও ফিরিয়ে দিতে। নীচে দেখুন তাদের সভার সিদ্ধান্ত।

সংবাদটি শেয়ার করুন:


পাঠকের মন্তব্যঃ ১৫টি

  1. ওবাইদুল হক says:

    ঘুষ না দেওয়ায় অদৃশ্য কারণে এনটিআরসিএ কর্তক সুপারিশকৃত কিশলয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতনে সর্বোচ্চ নম্ব্রধারী ও ইংরেজী বিষয়ে ১ম স্থান অর্জনকারী হওয়া সত্ত্বেও আমাকে এম,পি,ও হতে ভারপ্রান্ত প্রধান শিক্ষক বাদ দিয়েছেন।

  2. আহসান হাবীব says:

    আমার কথা হ‌চ্ছে, এখন যে‌হেতু এম‌পিওভূক্ত শিক্ষা প্র‌তিষ্ঠা‌নে শিক্ষক নি‌য়োগ বন্ধ র‌য়ে‌ছে;

    সেখা‌নে ডি‌গ্রি তৃতীয় শিক্ষক, আই‌সি‌টি শিক্ষক, শাখা শিক্ষক, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাং‌কিং, উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপনণ সহ সব মি‌লি‌য়ে আমার ম‌নে হয় ১০০০০ শিক্ষকও হ‌বেন না, যাঁরা এম‌পিওভূ‌ক্তির অ‌পেক্ষায় র‌য়ে‌ছেন।

    আমা‌দের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কি পা‌রেন না মাত্র এই ১০০০০ শিক্ষক‌দের মু‌খে অন্ন তু‌লে দি‌তে ?

    অথচ প্র‌তি বছরই এম‌পিওর শত শত কো‌টি টাকা গা‌য়েব হ‌য়ে যায়।

  3. Ratan kumar roy says:

    আপনার মন্তব্য পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলাধীন মল্লিকাদহ বৈদ্যনাথ দ্বিমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ে জাল সনদের ছড়াছরি ? ডিআইএ এর তদন্ত হলে কমপক্ষে 5 থেকে 6 জনের জাল সনদ ধরা পড়বে যাদের আদৌ কোনদিন নিবন্ধন পরীক্ষায় পাশ করেনি জাল সনদে এমপিও ভুক্ত হয়ে সরকারের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে| অথচ বৈধ নিয়োগ,সঠিক একাডেমিক সনদ, সঠিক নিবন্ধন সনদ থাকা সত্ত্বেও পর পর তিনবার মাউশিতে মৌসুমী রায়ের ফাইল পাঠানোর পরও নানা অজুহাত দেখিয়ে সেটি রিজেক্ট করে দেয়! উক্ত বিদ্যালয়ে একজন পিয়ন থেকে শারীরিক শিক্ষায় পদোন্নতি পায় এখন তার দীর্ঘ দিন ধরে দুটি পদে এমপিও আসে| আরো দুজন 4র্থ শ্রেনির কর্মচারী মারা যায় প্রায় ১০ বছর আগে এদের এমপিও এখনো আসে| হায় মাউশি!হায় ডিআইএ! হায় দুদক! একই স্কুলে কেউ জাল সনদে চাকরি করে ভালোভাবে ক্লাশ না করে পেট পুড়ে খাচ্ছে আর কেউ না খেয়ে দিনের পর দিন শুধু ক্লাশ করে যাচ্ছে!

  4. নিয়াজ মাহমুদ says:

    Non mpo ভুক্ত degree শিক্ষকদের মুখে অন্ন তুলে দেতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছি

  5. আখতারু আলম সহকারী গ্রন্থাগারিক ককক্সবাজার ইসলামীয়া মহিলা কামিল মাদরাসা কক্সবাজার। says:

    কক্সবাজার ইসলামীয়া মহিলা কামিল মাদরাসার অবৈধ অফিস সহকারী আবুল ফয়েজ ও অধ্যক্ষ সনদ জালিয়াতি করে বহাল তবিয়তেই রয়েছেন অবৈধ টাকার প্রভাবে গত মিনিষ্ট্রি অডিট সফলভাবে সামাল দিয়েছেন। আর কতদিন এভাবে চলবে। এভাবে আর চলবে কতকাল দয়াল.?

  6. MD.SHAHIDUL ISLAM,Senior Assistant Teacher,Chapadaha B.L. High School, GAIBANDHA. says:

    জাল সনদে কাজ হলে ছড়াছড়ি হবেই তো ।

  7. আখতারু আলম সহকারী গ্রন্থাগারিক ককক্সবাজার ইসলামীয়া মহিলা কামিল মাদরাসা কক্সবাজার। says:

    কক্সবাজার ইসলামীয়া মহিলা কামিল মাদরাসার অবৈধ অফিস সহকারী আবুল ফয়েজ ও অধ্যক্ষ সনদ জালিয়াতি করে অবৈধ টাকার প্রভাবে রয়েছেন বহাল তবিয়তে। গত মিনিস্ট্রি অডিট অবৈধ টাকা দিয়ে ভাল ভাবে সামলে নিয়েছেন। কিন্তুু এভাবে আর চলবে কতকাল.দয়াল?

  8. আখতারু আলম সহকারী গ্রন্থাগারিক ককক্সবাজার ইসলামীয়া মহিলা কামিল মাদরাসা কক্সবাজার। says:

    খুব ভেতর

  9. আখতারু আলম সহকারী গ্রন্থাগারিক ককক্সবাজার ইসলামীয়া মহিলা কামিল মাদরাসা কক্সবাজার। says:

    হ্পোএই

  10. Md.Jowel Rana says:

    যে সকল ঘোষখোর কর্মকর্তারা এই সব করছে তারাই সরকারের সুনাম নষ্ট করছে ।এর প্রতিকার না করলে সরকার কে এর জন্য চরম মাশুল দিতে হবে ।

  11. ফজলু says:

    সহকারী গ্রন্হগারীক & কৃষি সবাই জাল

  12. মোঃ শফিকুল আলম says:

    জাল সনদ এখন কোন বিষয় নয় কেননা এটা যাদেরকে এক সময় টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল এরা পদ পাওয়ার সাথে সাথে এদের কাজ শুরু করে দিয়েছে পুরোদমে। কারণ এরা জানে টাকা হলে এদেশে কিছুই হয়না, সবাই টাকার কাছে বিক্রি হয়েছে।NTRCA এর কম্পিউটার বিভাগ ৩০থেকে৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে পাশ করিয়ে নাম,রোল নেটে উঠিয়ে দেয় কেননা আমরা মনে করি নেটে নাম,রোল থাকলেই সে সঠিক , আমরা বোকার স্বর্গে আছি। খাতা চেক দিলেই তো সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। মন্তব্য দিয়ে কোন কাজ হয় না। যেখানে আছি সেখানে যেমন জাল সনদধারী আছে, তেমনি নাছিরউদ্দিন কলেজেও জাল সনদধারী থাকবে এটা স্বাভাবিক ।

  13. Md Abul kalam says:

    sokol non mpo school ke mpo kora dorker.

  14. Md Abul kalam says:

    sokol non mpo school k mpo kora dorker.

আপনার মন্তব্য দিন