হাসপাতালের ১৭ কোটি টাকার কেনাকাটায় ১২ কোটিই লোপাট - বিবিধ - Dainikshiksha

হাসপাতালের ১৭ কোটি টাকার কেনাকাটায় ১২ কোটিই লোপাট

দৈনিকশিক্ষা ডেস্ক |

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সদর হাসপাতালের জন্য ১৭ কোটি টাকার কেনাকাটায় প্রায় ১২ কোটিই লোপাট হয়েছে। পণ্য সরবরাহ ছাড়াই জাল স্বাক্ষরে বিল তুলে নিয়েছে এর সঙ্গে জড়িত চক্রটি। জড়িতদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ শনিবার (২৫ মে ) যুগান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনটি লিখেছেন রাশেদ রাব্বি।

প্রতিবেদনে আরও জানা গেছে, প্রতিষ্ঠান দুটির জন্য ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রায় ১৭ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি কেনা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ৭ কোটি টাকা দামের একটি সফটওয়্যার এবং প্রায় ১০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি। কাগজে-কলমে এসব কেনা হলেও বাস্তবে অধিকাংশ যন্ত্রপাতির কোনো হদিস নেই। ৭ কোটি টাকার সফটওয়্যারের কোনো অস্তিত্বই পাওয়া যায়নি।

এ ছাড়া ১০ কোটি টাকার পণ্যের মধ্যে সন্ধান মেলেনি প্রায় ৫ কোটি টাকার পণ্যের। সব মিলিয়ে ১২ কোটি টাকাই লোপাট। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট একটি অসাধু চক্র যন্ত্রপাতি সরবরাহ না করেই এ অর্থ আত্মসাৎ করেছে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জন্য ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৭ কোটি টাকা মূল্যমানের ‘পিকচার আর্কাইভিং কমিউনিকেশন সিস্টেম (পিএসিএস) নামের একটি সফটওয়্যার কেনা হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গত ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে বিল জমা দিলে ৬ সেপ্টেম্বর তারিখে তত্ত্বাবধায়ক স্বাক্ষর করেন।

গত এপ্রিলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং অধিদফতরের সমন্বয়ে গঠিত তিন সদস্যের একটি পরিদর্শন কমিটি সেখানে পরিদর্শনে গেলে এই সফটওয়্যারের কোনো অস্তিত্ব পায়নি।

একজন উপ-সচিবের নেতৃত্বে গঠিত ওই কমিটি সফটওয়্যার দেখতে চাইলে তা দেখাতে পারেননি সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শেখ শাহজাহান আলী। এমনকি এটি কেন কেনা হয়েছে, কীভাবে ব্যবহার করা হবে- সে বিষয়েও বিস্তারিত বলতে পারেননি তিনি।

জানা গেছে, পিকচার আর্কাইভিং কমিউনিকেশন সিস্টেম (পিএসিএস) নামের এ সফটওয়্যারটি সাধারণত যে কোনো ধরনের ডিজিটাল ইমেজিং মেশিনে ছবি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার হয়ে থাকে। বিশেষ করে এক্সরে, আল্ট্রাসনোগ্রাম, সিটিস্ক্যান, এমআরআই ইত্যাদি মেশিনে এটি ব্যবহার করলে দেশে বা দেশের বাইরে চিকিৎসার্থে গেলে নির্দিষ্ট রোগীর রিপোর্ট ও ইমেজ সেখানে পাওয়া যাবে। তবে এ ধরনের উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার এখনও আমাদের দেশে গড়ে ওঠেনি।

এ ছাড়া আধুনিক প্রযুক্তির সিটিস্ক্যান বা এমআরআই মেশিনে এ ধরনের সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকে। তাই আলাদা করে কেনার প্রয়োজন নেই।

এ ধরনের মেশিন আমদানিকারকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পিএসিএস সফটওয়্যারের বাজারমূল্য এক লাখ থেকে দেড় লাখ ডলারের মধ্যে। অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় যার মূল্য এক থেকে সোয়া কোটি টাকা।

তারা জানান, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যে দামে এই সফটওয়্যার কিনেছে সেই দামে একটি সাধারণ এমআরআই মেশিন এবং এর সঙ্গে দুই থেকে তিন কোটি যোগ করলে একটি আধুনিক প্রযুক্তির এমআরআই মেশিন কেনা সম্ভব।

এত দামে এ ধরনের সফটওয়্যার কেনার কারণ জানতে চাইলে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শেখ শাহজাহান আলী  বলেন, এটি আধুনিক প্রযুক্তির সফটওয়্যার। এটি সংযুক্ত হলে হাসপাতালের সব ডিজিটাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও অস্ত্রোপচারের ছবি সংরক্ষিত থাকবে।

রাজধানী ঢাকার কোনো সরকারি হাসপাতালে এ ধরনের ব্যবস্থা না থাকলেও সাতক্ষীরায় তিনি কেন এ সফটওয়্যার কিনলেন- জানতে চাইলে ডা. শাহজাহান বলেন, এটা ওপরের নির্দেশে কেনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশের জন্য কেনা হবে। এটা প্রকৃত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে কেনা হল কেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবই ওপর থেকে হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আমিনুল হাসান  বলেন, অধিদফতর থেকে কোনো কিছুই কেনা হয় না। সবসময়ই স্থানীয় পর্যায়ে অর্থাৎ হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়ক বা সিভিল সার্জনের মাধ্যমে যে ক্রয় প্রস্তাব আসে তার পরিপ্রেক্ষিতেই মালামাল কেনা হয়ে থাকে।

এদিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রায় দশ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি কেনা হয়। দুটি আলাদা বিলে এ টাকা পরিশোধ করেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. তৌহিদুর রহমান। একটি বিলে ১৬ আইটেমের ৩৬টি যন্ত্রপাতির বিল পরিশোধ করা হয়েছে ৪ কোটি ৯৯ লাখ ৯৫ হাজার ৫০ টাকা। এর মধ্যে মাত্র ৩টি আইটেমের ২০টি যন্ত্রপাতির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। যার দাম এক কোটি ৬১ লাখ ৩৯ হাজার টাকা। বাকি যন্ত্রপাতির কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে অপর বিলে ৩টি আইটেমের ৯টি যন্ত্রপাতির বিল পরিশোধ করা হয়েছে ৪ কোটি ৯৯ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। যার মধ্যে রয়েছে ৪টি আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন। এর প্রত্যেকটির দাম ধরা হয়েছে ৮৭ লাখ টাকা।

কিন্তু স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানান, সর্বাধুনিক আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিনের দাম ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা। প্রতিটি মেশিন কিনতে অতিরিক্ত ৫০ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। অর্থাৎ চারটি মেশিনে সরকারের গচ্চা গেছে ২ কোটি টাকা। এ ছাড়া কালার ডপলার আল্ট্রাসাউন্ড ৪ডি মেশিনের দাম ধরা হয়েছে এক কোটি ১২ লাখ টাকা; অথচ ১ কোটি টাকায় আধুনিক প্রযুক্তির উন্নত মানের মেশিন কেনা সম্ভব। সেদিক থেকে এখানে অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে ১২ লাখ টাকা।

একইভাবে এনেসথেশিয়া মেশিনের দাম ধরা হয়েছে এক কোটি ৪৭ লাখ টাকা; যার প্রকৃত মূল্য ২২ লাখ টাকা, দুটি মেশিনের দাম পড়ে ৪৪ লাখ টাকা। এখানে অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে প্রায় এক কোটি টাকা। ১৮টি নেবুলাইজার মেশিনের দাম ধরা হয়েছে এক লাখ ৮৯ হাজার টাকা। অথচ ভালো মানের নেবুলাইজার মেশিন ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা দামে কেনা সম্ভব। সে ক্ষেত্রে প্রতিটি মেশিন সাড়ে ৫ হাজার টাকা হলেও এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে ৯০ হাজার টাকা।

দ্বিতীয় বিলে সরবরাহকৃত যন্ত্রপাতি থেকে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে প্রায় ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে ১০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় প্রায় ৫ কোটি টাকাই বেশি ব্যয় দেখানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী এবং ওয়েবসাইট পর্যালোচনা করে দামের এ পার্থক্য খুঁজে পেয়েছে।

কেনাকাটার বিষয়ে কথা বলার জন্য সাতক্ষীরা জেলার সাবেক সিভিল সার্জন ডা. তৌহিদুর রহমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তিনি বর্তমানে সরকারি চাকরি থেকে অবসরে যাওয়ায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ঢাকা থেকে যোগাযোগ করা হয়, সাতক্ষীরায় তার সাবেক কর্মস্থলে গিয়েও যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় কিন্তু কোনোভাবেই তার সঙ্গে কথা বলা যায়নি।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাতক্ষীরা জেলার বর্তমান সিভিল সার্জন ডা. রফিকুল ইসলাম  জানান, ওই সময় আমি দায়িত্বে ছিলাম না। তবে মালামাল সরবরাহের আগেই বিল তুলে নিয়েছে ঠিকাদার। তাই মন্ত্রণালয় থেকে যখন পরিদর্শক দল এসেছে তারা যন্ত্রপাতির অস্তিত্ব পায়নি। তবে সরবরাহকারী ঠিকাদার কিছু কিছু করে যন্ত্রপাতি সরবরাহ করছে।

এ ছাড়া হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক সূত্রে জানা গেছে, ডা. তৌহিদুর রহমান কাউকে না জানিয়েই এসব কেনাকাটার তালিকা প্রস্তুত করেন। বিভাগীয় চিকিৎসকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই তাদের নাম ক্রয় সংক্রান্ত বিভিন্ন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করেন। কেনাকাটা সম্পন্ন হলে বিল দেয়ার সময় তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। অসুস্থ অবস্থায় ক্রয়সংক্রান্ত কমিটিতে যাদের নাম রয়েছে তাদেরকে হাসপাতালে তার সঙ্গে দেখা করতে বলেন। এসব চিকিৎসক হাসপাতালে তাকে দেখতে গেলে তাদের দিয়ে কৌশলে বিভিন্ন ফাইলে স্বাক্ষর করিয়ে নেন।

এদিকে মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের পক্ষ থেকে ৩ সদস্যের একটি পরিদর্শন দল গত ৯ এপ্রিল সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল এবং সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনে যায়। সেখান থেকে ফিরে তারা কর্তৃপক্ষ বরাবর পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন দেন। এতে উল্লেখ করা হয়, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম দুই ত্রৈমাসিকে ভারি যন্ত্রপাতি কেনার জন্য হসপিটাল সার্ভিসেস ম্যানেজমেন্ট অপারেশনাল প্ল্যান থেকে মোট ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ পায়।

২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১৭২টি যন্ত্রপাতি কেনার জন্য একটি টেন্ডার আহ্বান করা হয়। যার ধারাবাহিকতায় বরাদ্দকৃত অর্থের সঙ্গে মিলিয়ে ৪,৯৯,৬০,০০০ টাকা এবং ৪,৯৯,৫০,০৫০ টাকার দুটি বিল পরিশোধ করা হয়। ওই টেন্ডার ও বিল পরিশোধ সম্পন্ন হয় ভূতপূর্ব সিভিল সার্জন, সাতক্ষীরা ডা. তৌহিদুর রহমানের সময়। হসপিটাল সার্ভিসেস ম্যানেজমেন্ট অপারেশনাল প্ল্যানের তৎকালীন লাইন ডিরেক্টর ডা. কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন বিল পরিশোধের জন্য ব্যয় মঞ্জুরি প্রদান করেন।

প্রথম বিলের মাধ্যমে ৪টি পোর্টেবল এক্সরে মেশিন, ৪টি আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন এবং ১টি ওটি লাইট ক্রয় করা হয়। যা বাক্সবন্দি অবস্থায় সিভিল সার্জন অফিসের বারান্দায় পাওয়া যায়। প্রতিটি আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিনের ক্রয়মূল্য ৮৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যা বাজারদরের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি।

দ্বিতীয় বিলের মাধ্যমে মোট ১৬ ধরনের ৩৬টি মেশিনের মূল্য পরিশোধ করা হয়। সরেজমিন পরিদর্শনে ১টি পোর্টেবল এক্সরে মেশিন, ১টি কালার ডপলার আল্ট্রাসাউন্ড মেশিন, ১৬টি নেবুলাইজার মেশিন, ১টি সাকশন মেশিন ব্যতীত অন্য কোনো মেশিন পাওয়া যায়নি।

যেসব মেশিন পাওয়া যায়নি তার মধ্যে আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন, এনেসথেশিয়া মেশিন উইথ ভেন্টিলেটর, হট এয়ার ওভেন, ইনকিউবেটর, সেন্টিফিউগেল মেশিন, অর্থোপেডিক সার্জারি, ইনস্ট্র–মেন্ট সেট, অপথালমস্কোপি, স্লিট ল্যাম্প, রেটিনোস্কপ, ডেন্টাল এক্সেসরিজ সেট, ব্লাড কালেকশন মনিটর, ওয়াটার বাথ। এসব মেশিনপত্রের মোট মূল্য প্রায় ৪ কোটি টাকা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, টেন্ডারের মাধমে ক্রয়কৃত পণ্য বুঝে নিতে একটি সার্ভে কমিটি করা হয়। যার সদস্য হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক ডা. ফরহাদ জামিল, ডা. আসাদুজ্জামান এবং সার্জারি বিভাগের ডা. শরিফুল ইসলাম। ক্রয়কৃত যন্ত্রপাতি তারা চলমান অবস্থায় বুঝে পেয়েছেন লিখে স্বাক্ষর করেন বিলে।

পরিদর্শন কমিটি তাদের কাছে এসব যন্ত্রপাতির অস্তিত্ব জানতে চাইলে তারা ৩ জনই ব্যাপারটি জানেন না বলে পরিদর্শন টিমকে জানান। পাশাপাশি তারা জানান, বিলে তাদের স্বাক্ষর জাল করে কেউ বসিয়েছে। এ ক্রয় সংক্রান্ত কোনো কিছুই জানেন না এবং এ ধরনের কোনো কাগজেও তারা স্বাক্ষর করেননি।

এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আমিনুল হাসান  বলেন, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সদর হাসপাতালের কেনাকাটা সংক্রান্ত জটিলতার এ বিষয়টি তিনি জানেন। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে মন্ত্রণালয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ  বলেন, পরিদর্শন কমিটি যে প্রতিবেদন দিয়েছে সেই আলোকেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যদি কেউ অনিয়ম করে থাকে তবে ছাড় পাবে না।

সামগ্রিক বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সরকারি হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা অধিশাখা) বেগম জাকিয়া সুলতানা  বলেন, সাতক্ষীরার এ বিষয়টিসহ আরও এমন একাধিক বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত সম্পন্ন হলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

২০২০ খ্রিষ্টাব্দের স্কুলের ছুটির তালিকা - dainik shiksha ২০২০ খ্রিষ্টাব্দের স্কুলের ছুটির তালিকা অতিরিক্ত কর্তন : কথা রাখেননি সিনিয়র সচিব (ভিডিও) - dainik shiksha অতিরিক্ত কর্তন : কথা রাখেননি সিনিয়র সচিব (ভিডিও) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল ২০ ডিসেম্বর মধ্যে - dainik shiksha প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল ২০ ডিসেম্বর মধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি চালুর দাবি জানালেন নিবন্ধনের প্রার্থীরা (ভিডিও) - dainik shiksha এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি চালুর দাবি জানালেন নিবন্ধনের প্রার্থীরা (ভিডিও) আত্তীকরণে গড়িমসি, শিক্ষামন্ত্রীকে গোঁজামিল দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা কর্মকর্তাদের - dainik shiksha আত্তীকরণে গড়িমসি, শিক্ষামন্ত্রীকে গোঁজামিল দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা কর্মকর্তাদের এমপিও নীতিমালা সংশোধন সংক্রান্ত কয়েকটি প্রস্তাব - dainik shiksha এমপিও নীতিমালা সংশোধন সংক্রান্ত কয়েকটি প্রস্তাব দৈনিকশিক্ষার ফেসবুক লাইভ দেখতে আমাদের সাথে থাকুন প্রতিদিন রাত সাড়ে ৮ টায় - dainik shiksha দৈনিকশিক্ষার ফেসবুক লাইভ দেখতে আমাদের সাথে থাকুন প্রতিদিন রাত সাড়ে ৮ টায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন - dainik shiksha শিক্ষার এক্সক্লুসিভ ভিডিও দেখতে দৈনিক শিক্ষার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন please click here to view dainikshiksha website