ইংরেজিতে ১ পেয়েই মেধাতালিকায়! - ভর্তি - Dainikshiksha

ইংরেজিতে ১ পেয়েই মেধাতালিকায়!

ইবি প্রতিনিধি |

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজিতে ২৫ নম্বরের মধ্যে ১ পেয়েই মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছে একাধিক শিক্ষার্থী। এছাড়াও ০.২৫, ১.৫, ২ এবং ৩ পেয়েও অনেক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী মেধাতালিকায় স্থান করে নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ‘বি’ ইউনিটের ফলাফল প্রকাশিত হলে এসব অসঙ্গতি দেখা যায়।

সূত্র মতে, গেল ৪ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।এতে ২১ হাজার ২০ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী আবেদন করে। ১৮ হাজার  ৮১১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার এই ইউনিটের ফলাফল প্রকাশিত করে কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষার ফলাফলে ব্যাপক অসঙ্গতি দেখা যায়।

দ্বিতীয় শিফটে ০৯২৭০ রোল নম্বরধারী শিক্ষার্থী ইংরেজিতে ১ পেয়েও মেধাতালিকায় ২৫৮তম হয়েছে। এছাড়াও প্রথম শিফটে ০২৬১৯ রোল নম্বরধারী শিক্ষার্থী ইংরেজিতে ১.২৫ পেয়ে মেধাতালিকায় ২৬৭ তম, একই শিফটের ২০৬২৩ রোল নম্বরধারী শিক্ষার্থী ২ পেয়ে মেধাতালিকায় ২৮১তম হয়েছে। এভাবে বাংলা, সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে নূন্যতম নম্বর পেয়ে একাধিক শিক্ষার্থীর মেধাতালিকায় স্থান হয়েছে।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শিক্ষার্থীরা এই ফলাফলের বিরুদ্ধে মতামত প্রকাশ করছেন। এ বিষয়ে একাধিক শিক্ষার্থী জানান, আমরা এমন ইবিয়ান চাই না। যারা ইংরেজিতে ১ পেয়েই মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছে। এর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দায়ী। এ বছর ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতায় ‘সি’ ইউনিটে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরাও বিপাকে পড়েছিল।

প্রকাশিত ‘বি’ ইউনিটের ফলাফলে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা ভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়ে উক্ত ইউনিট সম্বনয়কারী অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান  বলেন, যারা লিখিত পরীক্ষায় বেশি পেয়েছে তাদেরকে মেধাক্রমের প্রথম দিকে রাখা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এতে আগের থাকা বহুনির্বাচনী পরীক্ষা পদ্ধতির সঙ্গে লিখিত পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা হয়। পরীক্ষায় মোট ১২০ নম্বর নির্ধারণ করা হয়। এতে ২০ নম্বরের লিখিত এবং ৬০ নম্বরের বহুনির্বাচনী অংশ রাখা হয়। ওই ৬০ নম্বরের মধ্যে ইংরেজিতে ২৫, বাংলায় ২৫ এবং সাধারণ জ্ঞানে ১০ নম্বর রাখা হয়। এছাড়াও মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক ফলাফলের ভিত্তিতে ( ২০+২০) ৪০ নম্বর নির্ধারণ করা হয়।

জারির অপেক্ষায় অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ যোগ্যতার সংশোধনী - dainik shiksha জারির অপেক্ষায় অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগ যোগ্যতার সংশোধনী প্রাথমিকে সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড প্রার্থীদের ২০ শতাংশ কোটা - dainik shiksha প্রাথমিকে সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড প্রার্থীদের ২০ শতাংশ কোটা ১৮২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু - dainik shiksha ১৮২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার অপেক্ষায় চাকরিতে প্রবেশের বয়স: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী - dainik shiksha প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার অপেক্ষায় চাকরিতে প্রবেশের বয়স: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আরও ৯২ প্রতিষ্ঠানের তথ্য চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় - dainik shiksha আরও ৯২ প্রতিষ্ঠানের তথ্য চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষকতা ছেড়ে উপজেলা নির্বাচনে শিক্ষক - dainik shiksha শিক্ষকতা ছেড়ে উপজেলা নির্বাচনে শিক্ষক প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সুপারিশপ্রাপ্তদের করণীয় - dainik shiksha প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সুপারিশপ্রাপ্তদের করণীয় প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ১৫ মার্চ - dainik shiksha প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ১৫ মার্চ ২০১৯ খ্র্রিস্টাব্দের স্কুলের ছুটির তালিকা - dainik shiksha ২০১৯ খ্র্রিস্টাব্দের স্কুলের ছুটির তালিকা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website