আজ আমি আর সেই আমি নেই - মতামত - Dainikshiksha

আজ আমি আর সেই আমি নেই

প্রফেসর ড. মো: লোকমান হোসেন |
ষাট দশকের গোড়ার দিকে বাংলাদেশের কোনও এক অজ পাড়াগাঁয়ে আমার জন্ম। সার্টিফিকেটে একটি জন্মতারিখ লেখা থাকলেও সেটা আমার স্কুলের হেডস্যার আন্দাজ করে লিখে দিয়েছিলেন। বড় হয়ে বুঝতে পারলাম, লাখো বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মত আমিও আমার জন্মের সন, তারিখ ও দিনক্ষণ যথাযথভাবে বোর্ডের রেজিস্ট্রার খাতায় উঠাতে পারিনি। আমাদের মা-বাবা যে তখন অশিক্ষিত ছিলেন তা কিন্তু নয়। জন্মের সময় হয়ত কোথাও লিখে রেখেছিলেন বা মুখস্থ রেখেছিলেন। কিন্তু কালের আবর্তে তা খাতা বা স্মৃতি থেকে হারিয়ে গেছে। 
 
মায়ের কাছ থেকে শুনেছি, আমার বড় ফুফাত ভাইয়ের জন্মের একমাস পর এবং আমার বড় চাচার মেট্রিক পরীক্ষার ফল যে দিন প্রকাশ পেয়েছিল, সেদিনই মঙ্গলবার বিকেল আনুমানিক ৪ টায় নাকি আমি দুনিয়ার আলো দেখেছিলাম। সে সূত্র ধরে আমার একটি জন্মতারিখ বের করেছি বটে, কিন্তু এর বিশুদ্ধতায় শতভাগ নিশ্চিত নই বলে সেটা আপনাদের কাছে জানান দিচ্ছি না। সঠিক জন্মতারিখ জানি না বলে আমার মনে কোনো দুঃখ নেই, আফসোসও নেই, নেই মা বাবার ওপর কোনও রাগ অভিমান। কিন্তু এ ব্যাপারে ঢাকার আধুনিক হাসপাতালে জন্ম নিয়ে বড় হওয়া আমার ছেলে-মেয়েরা যখন আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করে, তখন আমি আনন্দে আত্মহারা হয়ে বুকে জড়িয়ে ধরি আমার প্রিয় সন্তানদের। আত্মতৃপ্তির সঙ্গে তাদের বলি, এমন বাবা কোথায় পাবি, যে তার জন্ম তারিখের বিনিময়ে ছেলে-মেয়েদের মুখে নির্র্মল হাসি ফুটিয়ে তুলতে পারে! 
 
ছেলেবেলায় আমি ডাইনিং টেবিলে বসে রুটি মাখন ডিম দুধ কলা দিয়ে নাস্তা খাইনি। রান্নাঘরে মাটির মেঝেতে মাদুর বিছিয়ে বা পিড়িতে বসে মাটির বা টিনের প্লেটে তৃপ্তির সাথে নানা রকমের শাক ডাল-ভাত খেয়েছি। সুষম খাবার খেতে হবে বলার মতো কারো আগ্রহ বা যোগ্যতা ছিল না। জুতা-মোজা পরে গাড়িতে চড়ে, কিংবা শহরের পিচঢালা পথে ড্রাইভার অথবা ঘরের কাজের বুয়ার হাত ধরে স্কুলে যাইনি বা মা-বাবার সার্বক্ষণিক তদারকির মধ্যে স্কুলে যাওয়া আসা করিনি। খালি পায়ে ছাতা মাথায় বই বগলদাবা করে বাশের সাঁকো পেরিয়ে কাদা-পানি মাড়িয়ে ৫/৬ মাইল হেঁটে রোজ স্কুলে যাওয়া আসা করেছি। এ আমার গৌরব নয়, অহঙ্কার নয়, তবে লজ্জারও নয়। এ আমার জীবনের এক বিশেষ অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ। কলেজে যাওয়ার আগে ভাগ্যক্রমে এক জোড়া জুতো ও একটা ফুল প্যান্ট জুটেছিল। কাঠের খড়ম, বড়জোর দুই ফিতার স্পঞ্জ-স্যান্ডেল, হাফ প্যান্ট এবং লুঙ্গি-পায়জামা পরেই কেটেছে পুরো শৈশব ও কৈশোর। 
 
নারকেলের পাতা দিয়ে ঘড়ি বানিয়ে হাতঘড়ির সাধ মিটিয়েছি এবং আসল ঘড়ির সাধ মিটিয়েছি সূর্যের আলোর ওপর আন্দাজ করে। এগুলো আমার জীবনের কঠিন বাস্তবতা। ছোটবেলা টানাটানির সংসারে বেড়ে ওঠাটা আমাকে অনেক শক্ত করে গড়ে তুলেছে, জীবন সংগ্রামে বন্ধুর পথে হাঁটা-চলার জন্য। ওই দিনগুলোর কথা ও অভিজ্ঞতা পরবর্তীকালে দেশে-বিদেশে আমার মনে অনবরত সাহস যুগিয়েছে, জীবনযুদ্ধে আমাকে কখনো পরাজিত হতে দেয়নি। ফলে পর্বতপ্রমাণ অসুবিধাকে আমার কাছে অসুবিধা বলে মনে হয়নি। দুনিয়ার তাবৎ ভয়কে সহজেই জয় করতে পেরেছি। শত প্রতিকূলতার পাহাড় ডিঙিয়ে কর্মক্ষেত্রে সফলতার দিকে এগিয়ে গেছি। দারিদ্র্যের মাঝে জন্মেছি। এ আমার দুর্বলতা নয়, এ আমার শক্তি, চিরদিনের শক্তি।
একটু একটু করে যখন বড় হয়েছি, তখন নিজের চারপাশকে দেখতে শিখেছি, বুঝতে শিখেছি। মা-বাবা পরিবারের মায়ামমতার গন্ডি পেরিয়ে আশপাশের মানুষ, প্রকৃতি, পরিবেশ ও পারিপার্শ্বিকতাকে অনুভব করেছি। তখন আবিষ্কার করেছি এক নতুন জগৎ। পৃথিবী আস্তে আস্তে অবগুণ্ঠন খুলে ধরা দিয়েছে আমার কাছে। পাশের মানুষগুলোকে নিবিড়ভাবে দেখেছি, তাদের সাথে ভাবের আদান প্রদান করেছি। দেখেছি তারা অতি সাধারণ, নিতান্তই গরিব, সহজ সরল নিরহঙ্কারী গ্রামের মানুষ। অতি সাধারণ ও সাদামাটা তাঁদের খাওয়া দাওয়া, কাপড়চোপড় ও চলাফেরা। তাঁদের মুখে দেখেছি সদা হাসি লেগেই থাকত, হয়তো বা ছোট ছিলাম বলে বা অভাবের সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যের পার্থক্য না বোঝার কারণে তাঁদের কথাবার্তা আচার-আচরণে অভাব অনটনের কোনো আলামত বুঝতে পারতাম না। তাঁদের বুকভরা মায়ামমতা আর অসীম দরদি মনের ছোঁয়া পেয়ে তাদের মাঝেই আমার বেড়ে ওঠা। দু’চোখ ভরে দেখেছি চারপাশের আলো, হাওয়া, মাটি, পানি, গাছপালা, লতা-গুল্ম, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ, ফুলফল ইত্যাদি। মন ভরে উপভোগ করেছি তাঁদের রূপমাধুর্য। সবই মনে হয়েছে সুন্দর, নির্মল, পরিপাটী, সাজানো-গোছানো। সব কিছুকেই মনে হয়েছে মায়ের মতনই আপন, মমতাময়ী। ধরে নিয়েছি তারাও নিজ পারিবারেরই অংশ। মন দিয়ে ভালোবাসতে শিখেছি পরিবেশ, প্রকৃতি ও পারিপার্শ্বিকতাকে।
 
আরেকটু বড় হওয়ার পর স্কুলে যেতে শুরু করেছি। স্বরবর্ণ, ব্যঞ্জণবর্ণ শিখেছি, নামতা পড়েছি, ছড়া কবিতা মুখস্থ করেছি, মনের অজান্তে নিজের মগজে জ্ঞানের ছাপ বাড়াতে শুরু করেছি। একটু একটু করে নতুন নতুন জটিল শব্দের সঙ্গে পরিচিত হয়েছি, জ্ঞান আহরণ করতে শুরু করেছি। এতে পেয়েছি অগাধ আনন্দ, উদ্দীপনা আর উৎসাহ। ওই বয়সে বর্ষাকালে নৌকায় করে মায়ের সাথে মহা আনন্দের সঙ্গে নানার বাড়ি বেড়াতে যেতাম- নদী, খাল-বিল, হাওর-বাওর, কখনও ধানের জমির ওপর দিয়ে জলাপথ পেরিয়ে। নানা বাড়ি যাওয়া আসার পথে খাল বিলে কোথাও দেখতাম জেলেরা জাল দিয়ে নানা রকমের মাছ ধরছে, কোথাও দেখতাম, মরা গরু-মহিষ পানিতে ভেসে যাচ্ছে আর মৃতদেহের পিঠে বসে কাক ও শকুন তা খুবলে খুবলে খাচ্ছে। নৌকার দুপাশে হাজারো শাপলা ফুল। বর্ষায় ভরা হাওরের পানিতে ফুল ফোটা হিজল গাছের শুধু ওপরের ডাল আর পাতা দেখা যেত। বাকি পুরো গাছ ডুবে থাকতো পানির নিচে। নৌকার মাথায় বসে শাপলা ও শালুক কুড়ানোর জন্য মাঝিকে ধীরে ধীরে নৌকা চালানোর অনুরোধ করতাম। মাঝির বৈঠার টানে কলকল পানির শব্দ ও ভাওয়াইয়া গানের সুর কানে এসে বাজতো। হাওরে দেখতাম থৈ থৈ পানির ঢেউ খেলছে। কচুরিপানা দেখতাম দল বেঁধে উজান থেকে ভেসে আসত। কোন অজানা ঠিকানায় কতদূর যাবে ভেবে এর কোনো হদিস পেতাম না। মাঝে মাঝে দেখা যেত দলছুট বড় বড় জাতের পাখি যেমন বালিহাঁস, কুড়া, ডাহুক ইত্যাদি। অনেককে দেখেছি বন্দুক দিয়ে পাখির শিকার করতেন। না জানিয়ে না শুনিয়ে সারাদিন ঘুরে ফিরে বিকেলে গিয়ে যখন হঠাৎ নানাবাড়ির আঙ্গিনায় গিয়ে উঠতাম। কখনো ডাব গাছে উঠে কচি ডাব খেয়ে ক্লান্তি দুর করতাম। সে কী উত্তেজনা! সে কী আনন্দ! ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়। এভাবে আত্মীয়স্বজন, বৃহত্তর পরিবেশে ও প্রকৃতির সঙ্গে শুরু হয় আমার জানাশোনার ব্যাপ্তি ও গভীরতা। 
 
আমার এক ফুফুর বাড়ি ছিল মেঘনা, ধনাগোদা নদী দিয়ে ঘেরা এক দ্বীপে ফতেপুর গ্রামে, যেখানে নৌকা ছাড়া যাওয়ার কোনরকম পথ ছিল না। পরবর্তীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের টাকায় বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। শীতকালে যখন ফুফুর বাড়ি বেড়াতে যেতাম, সরিষা, তিল, তিষি, কাউন, জোয়ার, বাজরা, ধনে, মৌরি, মটরশুটি, সূর্যমূখী ফুল ও সেখানে ভ্রমর ও মৌমাছির আনাগোনা দেখে দিশেহারা হয়ে পড়তাম, প্রকৃতিকে অনেক কাছে থেকে দেখার সুযোগ পেতাম। রাতের বেলায় জোনাকি ও ঝিঁঝিঁ পোকার ডাকে মনকে ঘরের ভেতর বন্দী রাখতে পারতাম না। শীতের রাতে পাতা ও খড় দিয়ে উঠানে আগুন জ্বেলে সরিষা বাটা দিয়ে নবান্নের উৎসবের পিঠা খেতে খুবই মজা লাগত। কখনো সেই আগুনে পোড়ানো হতো গোল বা মিষ্টি আলু। শীতের মৌসুমে ভোর বেলায় কাঁচা খেজুর রস খুবই সুস্বাদু। ভোরে যখন খেজুর গাছ থেকে রস এনে গরম পিঠা খেতাম তখন সারা বাড়িতে খুশির জোয়ার বয়ে যেত, যার তুলনা চলে কেবলই বিয়েবাড়ি বা ঈদ উৎসবের সাথে। 
 
রেলসড়কের পাশ দিয়ে আমার বড় খালার বাড়ি যেতে হতো, খুব আনন্দের সাথে লক্ষ করতাম, কয়লার ইঞ্জিনের রেল গাড়ির আওয়াজ শুনে মাঠে বাঁধা গরু-ছাগল পাগলের মত ছোটাছুটি করত। ট্রেনের গতির সাথে পাখিগুলো উড়ে যেত। মনে হতো আমি ট্রেনের কামরায় স্থির বসে আছি, আর গাছপালা, ঘরবাড়ি, মাঠঘাট, গ্রামগুলো ট্রেনের গতিতে এঁকেবেঁকে উল্টোদিকে দূরে সরে যাচ্ছে। আমার জন্য এসব ছিল এক নতুন অনুভূতি, নতুন অভিজ্ঞতা ও ভীষণ রোমাঞ্চকর বিষয়! এভাবেই প্রকৃতিকে দেখতে পেতাম নিবিড়ভাবে, তাকে উপভোগ করতাম গভীরভাবে! ছোটবেলা এরূপ মায়া মমতা ও ভালোবাসার মধ্যে প্রকৃতি ও পরিবেশের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। আমি আমার মা-বাবা ভাই-বোনকে যেভাবে দেখেছি, যেভাবে ভালবেসেছি, আমার চারপাশের পরিবেশ ও প্রকৃতির সাথে সেভাবেই আত্মার সম্পর্ক গড়ে তুলেছি। হৃদয়ের পরতে পরতে আজো আঁকা রয়েছে ছোটবেলার সেসব মধুর স্মৃতিকথা। 
 
স্বল্পোন্নত দেশের মানুষ হিসেবে আমরা ভালোবাসার অনেক পরীক্ষা দিয়েছি। আমরা দেশকে ভালোবেসেছি, দেশের মানুষ, সমাজ, সংস্কৃতি ও নিজ নিজ ধর্মবিশ্বাসকে ভালোবেসেছি, মাতৃভাষাকে ভালোবেসেছি, দেশের স্বার্থে ভালোবেসেছি, অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষা ও রক্তের বিনিময়ে দেশকে স্বাধীন করেছি। দেশের মানুষ সমাজ, আলো, হাওয়া, প্রকৃতি আর পরিবেশ সব মিলিয়েই তো আমার দেশ। এসব কিছুকেই মনে হয়েছে মায়ের মতই আপন মমতাময়ী। সব কিছুকেই মনে হয়েছে আপন পরিবারের অংশ। ছেলেবেলা দেশপ্রেম ও দেশের ভালোবাসা বলতে আমি এটাই বুঝতাম এখনো বুঝি। সেদিনও দেশ প্রেম বলতে এই ছিল আমার ধারণা। তখন আমার অভাব ছিল বেশি, কিন্তু মন ছিল নিষ্পাপ, নিষ্কলুষ, স্বভাব ছিল পবিত্র। 
 
আজ আমি বড় হয়েছি। আমার আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। হয়তো বা আমার পরিচিতি বেড়েছে, নামডাকও হয়েছে, আমার ক্ষমতা হয়েছে, অর্থবিত্ত হয়েছে। এখন আমি দ্রুত বদলে যাচ্ছি। এখন আমি শুধু আমাকেই ভালোবাসি, শুধু টাকাকে ভালোবাসি। মুখে বলি দেশকে অনেক ভালোবাসি, কিন্তু আসলে দেশকে যেভাবে ভালোবাসা উচিত সেভাবে বাসি না, দেশের পরিবেশ, প্রকৃতি, পারিপার্শ্বিকতাকে ভালোবাসার তো প্রশ্নই ওঠে না। আমি দেশকে ও দেশের মানুষকে রীতিমত ভুলতে বসেছি। এখন আর তাদের চিনি না, তাদের জন্য মায়া হয় না, তাদের জন্য আমার প্রাণ কাঁদে না। দেশের আলো, হাওয়া পানি, ফুলফল, গাছপালা, লতাপাতা, পশুপাখি, কীটপতঙ্গ, ইত্যাদি কাউকে ভালোবাসি না। ভালোবাসি কেবল টাকা, বাড়ি গাড়ি, শান-শওকত, ক্ষমতার দাপট ইত্যাদি। তাই বড় বাড়ি বানাবার জন্য শহরের আশে পাশের যেখানে নদীনালা, খাল-বিল, জলা-পুকুর, হাওর-বাওর দেখি সেখানেই মাটি ফেলি, ভরাট করি, সমতল জামি বানাই, প্লট বানাই, দালান-কোঠা নির্মাণ করি, উঁচু উঁচু বিল্ডিং বানাই সেগুলো বিক্রি করে বস্তা ভরে টাকা ঘরে তুলে আনার জন্য। আজ আমি আর সেই আমি নেই। আমি আমার চারপাশের পরিবেশকে আগের মতো আর ভালোবাসি না। পরিবেশ এখন আমার শত্রু। তার সাথে আমি রীতিমতো যুদ্ধরত। তাকে কেটে ছিঁড়ে ধ্বংস করতে আমার বিবেক একটুও বাধে না। আমি একদিকে বুলডোজার দিয়ে পরিবেশ ধ্বংস করছি, আর অন্যদিকে তরতর করে স্ফীত হয়ে উঠছে আমার ব্যাংক ব্যালেন্স। আমি মেতে উঠেছি এক উন্মত্ত খেলায়, পাশবিক উন্মাদনায়। এর শেষ কোথায়, কেউ জানে না, আমি নিজেও জানি না। সমাজ, সরকার, রাষ্ট্র- এসব প্রতিষ্ঠান ঠায় দাঁড়িয়ে আছে। তারা দর্শক মাত্র। অবশেষে বলতে ইচ্ছে করে, বদলে যাচ্ছি আমি। বদলে গেছে সমাজ ও চিন্তা চেতনা। আমি- ভালোবাসি শুধু টাকা, মাটি আর জমি। আপনাদের প্রতি এবার একটি প্রশ্ন, বলুন তো, কে এই ‘আমি’?.
 
লেখক: পরিচালক (গবেষনা ও তথ্যায়ন), জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম), শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা।
শিক্ষকদের বেতন গ্রেডে বৈষম্য নিরসনের প্রতিশ্রুতি আওয়ামী লীগের - dainik shiksha শিক্ষকদের বেতন গ্রেডে বৈষম্য নিরসনের প্রতিশ্রুতি আওয়ামী লীগের ৩০ ডিসেম্বর সাধারণ ছুটি - dainik shiksha ৩০ ডিসেম্বর সাধারণ ছুটি সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়াবে আওয়ামী লীগ - dainik shiksha সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়াবে আওয়ামী লীগ পৃথক শিক্ষা চ্যানেল, জিডিপির ৫ শতাংশ ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি বিএনপির - dainik shiksha পৃথক শিক্ষা চ্যানেল, জিডিপির ৫ শতাংশ ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি বিএনপির অবসর ও কল্যাণের চাঁদার হার বাড়ছে না : শিক্ষাসচিব - dainik shiksha অবসর ও কল্যাণের চাঁদার হার বাড়ছে না : শিক্ষাসচিব প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষার ফল ২৪ ডিসেম্বর - dainik shiksha প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসি পরীক্ষার ফল ২৪ ডিসেম্বর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া - dainik shiksha জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে খোলা সব ফেসবুক পেজই ভুয়া please click here to view dainikshiksha website