মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

miraj mia, ০৮ জুলাই, ২০১৮
এম,পি ও ভূক্তি করবেননা তো তাদের পাঠদানের অনুমতি দিলেন কেন? স্বীকৃতি দিলেন কেন?তাদের শিক্ষক বানালেন কেন?
অধ্যক্ষ মো. রহমত উল্লাহ্‌, ০৭ জুলাই, ২০১৮
এমপিওভুক্তির চলমান আন্দোলনে সরকার গা করছে না এটি পরিষ্কার। তারপরেও অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন সম্মানিত শিক্ষকগণ। কারো কোন আশ্বাস নিয়ে এই অনশন ভাঙার সুযোগ তারা পাবেন বলে মনে হচ্ছে না। এমতাবস্থায় সরকার প্রধান নিজে এবং শিক্ষামন্ত্রী যখন বলেছেন, নীতিমালার ভিত্তিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে, তখন তাঁদের উপর ভরসা রেখে, তাঁদেরকে ধন্যবাদ দিয়ে এই আন্দোলনের ইতি টানাই মন্দের ভাল ছিল না কি? সুষ্ঠু নীতিমালা অনুসরণ না করে ভাল-মন্দ সব প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত/সরকারি করার দাবি কতটা যৌক্তিক? সংশ্লিষ্ট নীতিমালা সঠিক না হয়ে থাকলে তা সঠিক করার দাবিতে এবং সঠিক নীতিমালা নিরপেক্ষভাবে দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে প্রয়োজনে আন্দোলন হতে পারে। কিন্তু কোন নিয়মনীতি না মেনে গয়রহ সকল (যোগ্য ও অযোগ্য) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা) এবং শিক্ষক এমপিওভুক্ত/সরকারি করার দাবিতে কোন আন্দোলনই যৌক্তিক হতে পারে না। বরং এইরূপ আন্দোলনে শিক্ষকদের মর্যাদাই প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে!
মুহা: তারীফ উদদিন, ০৩ জুলাই, ২০১৮
সারা দেশে পাঁচ হাজারের বেশি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে ২০ লাখের বেশি শিক্ষার্থীদের বিনা বেতনে পাঠদান করে অত্যন্ত কষ্টকর ও মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অনেকের চাকরির মেয়াদ আছে ৫ থেকে ১০ বছর। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা উন্নয়নবঞ্চিত অবস্থায় রয়েছেন।’এ কথাগুলি কি সরকার বুঝে ?