মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

Md.Hasannur Jaman, ০৯ আগস্ট , ২০১৮
বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল প্রকার নিয়োগ এনটিআরসিএ মাধ্যমে করা হোক। এটি উত্তম নীতি কিন্তু ১থেকে ১৩তম নিবন্ধন পরীক্ষায় যারা পাশ করেছে তদেরকে যেন বয়সের ফেমে না ফেলে নিয়োগর ব্যকস্হা করা হোক।কারন ৩৫ এর উপরে অনেক মেধাবী প্রার্থী আছে, নিয়োগের সমস্যা কারনে তারা কোন প্রতিষ্ঠনে চাকুরী নিতে পারে না।দৈনিক শিক্ষা মাধ্যামে শিক্ষামন্তী কাছে বয়স শিতিল করে প্রথম বারের মত নিয়োগ দেয়া হোক অন্যাথায় আবার হাইকোর্টে মামলা হবে।তাড়া শিক্ষা নীতি ২০১৮ইং এর আগে সেসকল মেধাবী প্রার্থীগন এনটিআরসিএ মাধ্যমে শিক্ষক হিসাবে সনদ পেয়েছেন। এদেরকে বাদ দেয়া কোন আইনে পরে না,আমার অনুরোধ ৩৫ এর উপরে প্রার্থীদের প্রতি সহানুবতী দেখানো হোক। Thanks NTRCA
Md.Hasannur Jaman, ০৭ আগস্ট , ২০১৮
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান (অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষক) ও অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে নিয়োগের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, সরকার নতুন নীতি মালার পাশাপাশি চমতকার একটি পদক্ষে নিয়েছে।
MD. AKRAMUL HAQUE, ০৬ আগস্ট , ২০১৮
এমপিওভূক্ত শিক্ষকদের বদলীর ব্যবস্থা করুন।
shafi Mahmod, ০২ আগস্ট , ২০১৮
সহজ শর্তে এম.পি.ও ভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ব্যবস্থা দ্রুত চাই।
S M Tauhidul Islam, ০১ আগস্ট , ২০১৮
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান (অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষক) ও অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে নিয়োগের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, সরকার নতুন নীতি মালার পাশাপাশি চমতকার একটি পদক্ষে নিয়েছে।
helal, ৩১ জুলাই, ২০১৮
১৫ই মে/১৮ নিজামূল হক প্রকাশিত তথ্য ওগ্রাম- বাংলার সর্ব সাধারনের আকাংখিত বে-সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্টানের সকল প্রকার নিয়োগ এনটিআরসিএ মাধ্যমে করা হলে. কিছুটা হলেও দূর্নীতি কমবে অপর পক্ষে ভিটে-মাটি বিক্রি করে হয়রানি থেকে নিস্তার পাবে, ফলে সত্যের প্রতিফলন বিকশিত হবে । পারিবারিক তন্ত্র প্রতিষ্টান ,মেধাশূণ্য শিক্ষক/কর্মচারী দাপটের দৌড়াত্ব ও বিপর্যায় রোধ হবে ।অবাক হওয়ার বিষয় , কিশোরগঞ্জের রাধারাণী মহিলা ডিগ্রি কলেজের সম্পূর্ণ জমি দাতা সদস্য সত্ত্বে ও শ্রীঃ বাচ্চা বাবু উক্ত প্রতিষ্ঠানে তার যোগ্য ছেলে-মেয়ে আছে এবং উক্ত প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ সাহেব তাদের অনুরোধ করেছিল চাকুরী গ্রহন করতে । কিন্তু তারা বাবার পূন্য অর্জনে ভাল দিক চিন্তা করে চাকরী নেননি । সন্তানেরা বাবার জমির উপর প্রতিষ্ঠান বলে অহংকার করতে পারে। ফলে সৎ উদ্দেশ্য সাধন ফলপ্রসূ হবে না । শেষ কথা হলো যে, আমরা মুসলমান হওয়া সত্ত্বে ও উক্ত ব্যক্তির সততার উদাহারণ আমাদের লজ্জ্বা দেয় । যে কারনে সকল নিয়োগ এন টি আর সি এ মাধ্যমে দেওয়ায় দূর্ণিতী মুক্ত সমাজ গড়তে সরকার বাহাদুরের নিকট সবিনয় আবেদন করছি ।
Monzurul Islam, ৩০ জুলাই, ২০১৮
সরকারের নিকট দৈনিক শিক্ষার মাধ্যমে জনাইতে ইচ্ছুক। ২০১৮ নীতি মালায় স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরির তৃতীয় শ্রেনীর কর্মচারী নিম্নমান সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, এবং অফিস সহকারী কাম হিসাব এদের প্রাতিষ্ঠানিক পরিশ্রম অনেক বেশী কিন্তু দায়িত্ব অনেক বেশী । কিন্তু বেতন খুবই নগন্ন যার সঠিক ন্যয বিবেচনায় কেউ নিয়ে আসতে পারে নাই। আমরা মনে করি তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা (স্নাতক বা সমমান) বাড়িয়ে বেতন কোড ১২এবং একাধীক তৃতীয় শ্রেনীর কর্মচারী থাকলে তাদের একজন কে সিনিয়ারিটি দিয়ে তার বেতন ১০ করাটা অতি ন্যায্য পাওনা। মাধ্যমিক পযায়ে তৃতীয় শ্রেনীর কর্মচারীর কোড থেকে কলেজ লেভেল তৃতীয় শ্রেনীর কর্মচারীর কোড আলাদা থাকা দরকার
Monzurul Islam, ৩০ জুলাই, ২০১৮
সরকার নতুন নীতি মালার পাশাপাশি চমতকার একটি পদক্ষে নিয়েছে। যা হচ্ছে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান (অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষক) ও অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে নিয়োগের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন। সরকার দৈনিক শিক্ষার মাধ্যেম জনমত যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তাতে জরিপে সরকারের সিদ্ধান্ত সঠিক হবে। এক কথায় বলা যায় বেসরকারির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যয় বহন করে সরকার। সব নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে সরকার। তাহাতে কোন আপত্তি করা যৌত্তিক মনে হবে না।
মোঃ জাকের হোসেন, উপাধ্যক্ষ, সেনবাগ ফাযিল মাদরাসা, ৩০ জুলাই, ২০১৮
যত দ্রুত হবে, ততই মঙ্গল ।
মোঃ শাহিদুল ইসলাম, ৩০ জুলাই, ২০১৮
মন্তব্যকারী খান সাহেব এক জন সুবিধাভোগি নিয়োগকারী । সরকার পুর্বের নিয়মে নিয়োগে ফিরে গেলে তিনি নিয়োগ দিয়ে লুটপাট করতে পারবেন। হ্যাঁ খান সাহেব আপনার একটা কথা সত্য যে, লুটপাট প্রক্রিয়ার নিয়োগে আপনাদের পেট ভরার সাথে সাথে দ্রুত নিয়োগ সম্ভব। কিনতু ভাল শিক্ষক নিয়োগ ১০০% অসম্ভব। NTRCA এর মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়ার জটিলতা গুলি দূর করার কথা ভাবুন । স্বচ্ছতার ক্তহা ভাবুন।সুতরাং বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল প্রকার নিয়োগ এনটিআরসিএ মাধ্যমে করা হোক। একথার সাথে একাত্মতা ঘোষোণা করুন। শিক্ষার কল্যাণের কথা, দেশের কল্যাণের কথা ভাবুন।
jawad hosain, ৩০ জুলাই, ২০১৮
বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল প্রকার নিয়োগ এনটিআরসিএ মাধ্যমে করা হোক। এটি উত্তম নীতি কিন্তু ১থেকে ১৩তম নিবন্ধন পরীক্ষায় যারা পাশ করেছে তদেরকে যেন বয়সের ফেমে না ফেলে নিয়োগর ব্যকস্হা করা হোক।কারন ৩৫ এর উপরে অনেক মেধাবী প্রার্থী আছে, নিয়োগের সমস্যা কারনে তারা কোন প্রতিষ্ঠনে চাকুরী নিতে পারে না।দৈনিক শিক্ষা মাধ্যামে শিক্ষামন্তী কাছে বয়স শিতিল করে প্রথম বারের মত নিয়োগ দেয়া হোক অন্যাথায় আবার হাইকোর্টে মামলা হবে।তাড়া শিক্ষা নীতি ২০১৮ইং এর আগে সেসকল মেধাবী প্রার্থীগন এনটিআরসিএ মাধ্যমে শিক্ষক হিসাবে সনদ পেয়েছেন। এদেরকে বাদ দেয়া কোন আইনে পরে না,আমার অনুরোধ ৩৫ এর উপরে প্রার্থীদের প্রতি সহানুবতী দেখানো হোক।
jawad hosain, ৩০ জুলাই, ২০১৮
বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল প্রকার নিয়োগ এনটিআরসিএ মাধ্যমে করা হোক। এটি উত্তম নীতি কিন্তু ১থেকে ১৩তম নিবন্ধন পরীক্ষায় যারা পাশ করেছে তদেরকে যেন বয়সের ফেমে না ফেলে নিয়োগর ব্যকস্হা করা হোক।কারন ৩৫ এর উপরে অনেক মেধাবী প্রার্থী আছে, নিয়োগের সমস্যা কারনে তারা কোন প্রতিষ্ঠনে চাকুরী নিতে পারে না।দৈনিক শিক্ষা মাধ্যামে শিক্ষামন্তী কাছে বয়স শিতিল করে প্রথম বারের মত নিয়োগ দেয়া হোক অন্যাথায় আবার হাইকোর্টে মামলা হবে।তাড়া শিক্ষা নীতি ২০১৮ইং এর আগে সেসকল মেধাবী প্রার্থীগন এনটিআরসিএ মাধ্যমে শিক্ষক হিসাবে সনদ পেয়েছেন। এদেরকে বাদ দেয়া কোন আইনে পরে না,আমার অনুরোধ ৩৫ এর উপরে প্রার্থীদের প্রতি সহানুবতী দেখানো হোক।
jawad hosain, ২৯ জুলাই, ২০১৮
বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সকল নিয়োগ ব্যবস্হা এনটিআরসিএ মাধ্যমে হলে দূনীতি কম হবে। এই উদ্যোগকে আমি স্বাগতম জানাই। তবে একটি বিষয় জানতে চাই যারা ১থেকে ১৩তম নিবন্ধন পরীক্ষায় পাশ করেছে তাদেরকে বয়সের ফেমে রাখা হবে কি না?নিবন্ধন পাশ অনেক আছে যাদের বয়স ৩৫ এর উপরে আছে এ সকল প্রার্থীদেরকে এনটিআরসিএ শিক্ষক হিসাবে সনদ প্রদান করেছে। যে সকল প্রার্থী ৩৫ বছরে উপরে আছে তাদের নিয়োগ দেওয়া হবে কি না? জানাবেন কি? কারন শিক্ষা নীতি ২০১৮সালের গঠনে পূর্বে সনদ পেয়েছে।
helal, ২৯ জুলাই, ২০১৮
বাংলাদেশ সরকারকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। যোগ্য মেধাবী ও সৎ শিক্ষক নিয়োগে সরকার নিজেই নিয়োগ দিবেন । এজন্য সারা বাংলাদেশের মেধাবী শিক্ষক রা প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করবেন । এ রকম ভাল পদক্ষেপ গ্রহন করার জন্য । এই পদক্ষেপ যত তারাতারি গ্রহন করবেন ,, তত তারাতারি দূর্নিতী মুক্ত বাংলাদেশ গঠন হবে ।ইনশাআল্লাহ ।
Sumon Shikder, ২৯ জুলাই, ২০১৮
কোন ধরনের নিয়োগ ম্যানেজিং কমিটির হাতে রাখা ঠিক হবে না । অতি দ্রুত Principal & Head Master নিয়োগ NTRCA এর মাধ্যমে করা হোক । কমিটির নিয়োগ ক্ষমতা তাৎক্ষনিক ভাবে বাতিল করা হোক বা বন্ধ করা হোক ।
Md.Nazmul Haque Bhuiyan, ২৯ জুলাই, ২০১৮
সরকারের এই উদ্দোগকে স্বাগত জানাই।
protap chandra ray, ২৯ জুলাই, ২০১৮
Kormochri neayg ntrca ar hata daya hoke
MD.SHAH ALOM, ২৯ জুলাই, ২০১৮
আমি মনে করি প্রধান ও সহঃপ্রধানসহ সকল নিয়োগ এনটি আরবি সিএ-এর মাধ্যমে হওয়া উচিৎ।
Abdul mosabbir, ২৯ জুলাই, ২০১৮
যা করুন দ্রুত করুন, শিক্ষকদের প্রতি একটু সুদৃষ্টি রাখুন।
Khalil Master, ২৮ জুলাই, ২০১৮
Ntrca অথবা নিয়োগ কমিশন, যে নামেই ডাকা হওক, অবশ্যই কমিটি থেকে অনেক ভাল ৷ দু্র্নিতী 90 শতাংশ কমবে ৷
MD. MONIRUZZAMAN TALUKDER, ২৮ জুলাই, ২০১৮
NTRCA এর মাধ্যমে নিয়োগ দিলে জাতি যোগ্য শিক্ষক পাবে । খুব তারাতারি এটা কর্যকর করা হোক ।
raju, ২৮ জুলাই, ২০১৮
জাল সনদ ক্রয়কারী দারুল ইহসানের লাইব্রেরীয়ানদের পদোন্নতি হবে?তারা তো বহাল তবিয়তে চাকুরী করে আসছেন,আসলে তো তাদের গোড়াটাই ঘুনে খাওয়া।এখন জাল হলে ও সমস্যা নেই কয়দিন এটা দিয়ে মাছ ধরে আবার নতুন একটা সার্টিফিকেট জমা দিয়ে শুদ্ধ করে ফেলেন।
সন্দীপ ব্যানার্জী, ২৮ জুলাই, ২০১৮
সবই প্রক্রিয়াধীন কিন্তু কতদিনে তা বাস্তবায়িত হবে তো সংশয়ের বিষয় আরও শিক্ষা মন্ত্রির কথা!
Mizanur rahman, ২৮ জুলাই, ২০১৮
আমরা যারা লাইব্রেরীয়ান পদ‌ে নিয়‌োযিত আছ‌ি সরকার যেন আমাদ‌েরকে শি: মরযাদা দেন
মো: রমজান আলী, ২৮ জুলাই, ২০১৮
প্রধান ও সহঃপ্রধানসহ সকল নিয়োগ এনটি আরবি সিএ-এর মাধ্যমে হওয়া উচিৎ।এতে প্রকৃত মেধাবিরা নিয়োগের সুযোগ পাবে।প্রধান ও সহঃপ্রধান নিয়োগ কমিটির হাতে থাকায় এসব প্রধান খালি হওয়ার ছয়মাস একবৎসর পূর্বেই সম্ভব্য প্রার্থীরা লক্ষ লক্ষ টাকা অগ্রিম ডুনেশান দিয়ে থাকে। এতে প্রকৃত মেধাবিরা যেমন বঞ্চিত হচ্চেন, অন্যদিকে কমিটি গঠণ নিয়ে চলছে অনেক অনিয়ম দুর্নিতী, সংগাত ও বিশৃঙ্খলা। নষ্ট হচ্ছে পাঠদানের স্বাভাবিক পরিবেশ।তাই পুরনো পদ্ধতি বাদদিয়ে এনটি আরসিএ' এর মাধ্যমে পদোন্নতির ভিত্তিতে বাস্তব মেধাবিদের নিয়োগ দেয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সুদৃষ্টি ও সদিচ্ছা কামনা করছি।
মো: রমজান আলী, ২৮ জুলাই, ২০১৮
প্রধান ও সহঃপ্রধানসহ সকল নিয়োগ এনটি আরবি সিএ-এর মাধ্যমে হওয়া উচিৎ।এতে প্রকৃত মেধাবিরা নিয়োগের সুযোগ পাবে।প্রধান ও সহঃপ্রধান নিয়োগ কমিটির হাতে থাকায় এসব প্রধান খালি হওয়ার ছয়মাস একবৎসর পূর্বেই সম্ভব্য প্রার্থীরা লক্ষ লক্ষ টাকা অগ্রিম ডুনেশান দিয়ে থাকে। এতে প্রকৃত মেধাবিরা যেমন বঞ্চিত হচ্চেন, অন্যদিকে কমিটি গঠণ নিয়ে চলছে অনেক অনিয়ম দুর্নিতী, সংগাত ও বিশৃঙ্খলা। নষ্ট হচ্ছে পাঠদানের স্বাভাবিক পরিবেশ।তাই পুরনো পদ্ধতি বাদদিয়ে এনটি আরসিএ' এর মাধ্যমে পদোন্নতির ভিত্তিতে বাস্তব মেধাবিদের নিয়োগ দেয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সুদৃষ্টি ও সদিচ্ছা কামনা করছি।
মো: রমজান আলী, ২৮ জুলাই, ২০১৮
প্রধান ও সহঃপ্রধানসহ সকল নিয়োগ এনটি আরবি সিএ-এর মাধ্যমে হওয়া উচিৎ।এতে প্রকৃত মেধাবিরা নিয়োগের সুযোগ পাবে।প্রধান ও সহঃপ্রধান নিয়োগ কমিটির হাতে থাকায় এসব প্রধান খালি হওয়ার ছয়মাস একবৎসর পূর্বেই সম্ভাভ প্রার্থীরা লক্ষ লক্ষ টাকা অগ্রিম ডুনেশান দিয়ে থাকে। এতে প্রকৃত মেধাবিরা যেমন বঞ্চিত হচ্চেন, অন্যদিকে কমিটি গঠণ নিয়ে চলছে অনেক অনিয়ম দুর্নিতী, সংগাত ও বিশৃঙ্খলা। নষ্ট হচ্চেন পাঠদানের স্বাভাবিক পরিবেশ।তাই পুরনো পদ্ধতি বাদদিয়ে এনটি আরসিএ' এর মাধ্যমে পদোন্নতির ভিত্তিতে বাস্তব মেধাবিদের নিয়োগ দেয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীসহঃপ্রধান সংশ্লিষ্ট সকলের সুদৃষ্টি ও সদিচ্ছা কামনা করছি।
মো: রমজান আলী, ২৮ জুলাই, ২০১৮
প্রধান ও সহঃপ্রধানসহ সকল নিয়োগ এনটি আরবি সিএ-এর মাধ্যমে হওয়া উচিৎ।এতে প্রকৃত মেধাবিরা নিয়োগের সুযোগ পাবে।প্রধান ও সহঃপ্রধান নিয়োগ কমিটির হাতে থাকায় এসব প্রধান খালি হওয়ার ছয়মাস একবৎসর পূর্বেই সম্ভাভ প্রার্থীরা লক্ষ লক্ষ টাকা অগ্রিম ডুনেশান দিয়ে থাকে। এতে প্রকৃত মেধাবিরা যেমন বঞ্চিত হচ্চেন, অন্যদিকে কমিটি গঠণ নিয়ে চলছে অনেক অনিয়ম দুর্নিতী, সংগাত ও বিশৃঙ্খলা। নষ্ট হচ্চেন পাঠদানের স্বাভাবিক পরিবেশ।তাই পুরনো পদ্ধতি বাদদিয়ে এন্টিও আরসিএ এরা মাধ্যমে পদোন্নতির ভিত্তিতে বাস্তব মেধাবিদের নিয়োগ দেয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীসহঃপ্রধান সংশ্লিষ্ট সকলের সুদৃষ্টি ও সদিচ্ছা কামনা করছি।
মো: সেলিম রেজা খাঁন, ২৮ জুলাই, ২০১৮
মহোদয় আপনি জানেন সারাদেশে যতগুলি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই শিক্ষকের ২/৪ টি পদ শুন্য রয়েছে। শিক্ষকের পদ শুন্য থাকা মানে শিক্ষায় ধস নামা। প্রমাণক হিসেবে চলতি বছরের এস এস সি এবং এইচ এসসি পরীক্ষার ফলা ফল দেখেছেন। সারাদেশে যতগুলো শিক্ষকের পদ শুন্য রয়েছে তার চেয়ে বেশি সংক্ষক শিক্ষক/শিক্ষিকা হিসেবে নিবন্ধনকৃত রয়েছে। যদি নিয়োগপ্রক্রিয়া কমিটি’র হাতে থাকত তা’হলে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের শুন্যপদ যোগ্য শিক্ষকদ্বারাই পূরণ হতো। তাই নতুন করে আর কোন সিদ্ধান্ত না নিয়ে পূর্বের নিয়োম বাতিল করে পুনরায় শিক্ষক নিয়োগ কমিটের হাতে দিলে শিক্ষা ব্যবস্থা গতিশীল হবে বলে আমার বিশ্বাস।
MD. ABDUR RAZZAQUE, ২৮ জুলাই, ২০১৮
এনটিআরসিএর মাধ্যমে সব পদে নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন : শিক্ষামন্ত্রী - কথাটি বাস্তবায়ন হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শৃংখলা শান্তি ৮০% উন্নত হবে বলে মনে করি ।
MD. ABDUR RAZZAQUE, ২৮ জুলাই, ২০১৮
এনটিআরসিএর মাধ্যমে সব পদে নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন : শিক্ষামন্ত্রী-কথাটি বাস্তবায়ন হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শৃংখলা ও শান্তি ৮০% উন্নত হবে বলে মনে করি ।
raju, ২৮ জুলাই, ২০১৮
এই নীতিমালাকে সাধুবাদ জানাই।
Md.Nazmul Haque Bhuiyan, ২৮ জুলাই, ২০১৮
সরকারের এই উদ্দোগ ও শিক্ষা নীতি ১২ই জুন-২০১৮ অনতিবিলম্বে বাস্তবায়ন করলে শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত হবে।
মোঃ লহির উদ্দিন, ২৮ জুলাই, ২০১৮
মোঃ লহির উদ্দিন এই ব্যবস্থা চালু হলে আমার মনে হয় দেশের ৯০% মানুষ সরকারকে ধন্যবাদ জানাবে।কারন এই নিয়মের মাধ্যমে মান সম্মত শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবে,যা শিক্ষার উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন তরান্বিত হবে।
Mohd. Kamal Hossain., ২৮ জুলাই, ২০১৮
জাল সনদধারীদের লাভসহ বেতন ব্যাক নিয়ে চাকুরী থেকে বরখাস্ত করা হোক।