মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

S.M. Saiful Islam, ০৯ আগস্ট , ২০১৮
ধন্যবাদ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে। সামান্য হলেও ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। কিন্তু দেখা যায় অপরাধীরা বিভিন্ন কৌশলে তারা পার পেয়েই যাচ্ছে। বিভিন্ন শিক্ষকের সাথে কথা বলে জানা যায় তারা দু:খ করেই বলেন, আগেই ভাল ছিল, কারন আগে দিতে হত দুই জায়গায় আর এখন দিতে হয় চার জায়গায়। টাকা না দিলে কর্মকর্তারা বলেন, এ কাগজ বোঝা যাচ্ছে না, ওটা বোঝা যাচ্ছে না। বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে তারা ফাইল রিজেক্ট করে দেয়। ফলে তাদেরকে ভুগতে হয় ২/৪/৬ মাস ধরে। এ সকল ভোগান্তি থেকে তারা রেহাই পাওয়ার জন্য ঘাট প্রতি (অফিস প্রতি) ২০,০০০-৩০,০০০/- টাকা করে ঘুষ দিয়ে পার পাই। এ সকল ঘুষখোরদের হাত থেকে শিক্ষকরা মুক্তি চাই। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সার্বিক সহযোগিতা একান্ত কাম্য।