মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

md.nuruzzaman, ১৪ আগস্ট , ২০১৮
স্যার আপনার অনেক লেখা পড়েছি। কিন্তু সব কাজের ভিতরে একটা কাজ করা খুবই জরুরি।সেটা হলো শিক্ষকদের সকল সংগঠনকে এক করা।শিক্ষকরা যদি পেষাগত মর্যাদা ফিরিয়ে আনতে চায়,তা হলে সবাই এক হয়ে সরকারের কাছে দাবি তুলে ধরতে হবে।আমরা আজ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আছি বলে দেশের সব শ্রেনীর মানুষ শিক্ষকদের ঘৃণা ও অবহেলা করার সুযোগ পায়।আজ সরকারি অফিসের পিয়্নদের আর্থিক কারণে শিক্ষকদের থেকে সামাজিক মর্যাদা বেশি। অনেক শিক্ষক হয়তো রাজনৈতিক বা অন্য কারণে ক্ষমতাবান হয়ে শিক্ষকতা পেষাকে গুরুত্ব দেয়না, সেই সব নির্লজ্জ শিক্ষকদের কথা বাদ দিয়ে কাজ করেন আমরা আপনার সাথে আছি।উপজেলা থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত কাউন্সিল করে একটা সংগঠন করতে হবে,সেটাই হবে শিক্ষক সংগঠন। দুই - তিন বছর পর পর শিক্ষক নির্বাচন হোক দেখেন দাবি পুরণ হয় কিনা। তাছাড়া আকাটা বাঁশের আগা ধরে টানলে কাজ সহজে হবে না।কিন্তু সরকার শিক্ষকদের জন্য আন্তরিক।
sahid Hosain, ১২ আগস্ট , ২০১৮
স্যার, আমি একবার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মহোদয়ের কাছে বোনাচের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলাম। সে আমাকে, বলল আপনি মনির খানের গান জানেন,আমি বললাম জানি,সে বলল -আমি একটি গান বলি আপনি শুনুন ...। আটানার জীবন চার আনা ভুবন দুই আনা প্রেমের খাটি ও জীবন্ত আর দুই আনা মাটি। এটাই আপনাদের বোনাচ।
sahid Hosain, ১২ আগস্ট , ২০১৮
স্যার আপনাকে ধন্যবাদ।
MD. AKRAMUL HAQUE, ১২ আগস্ট , ২০১৮
স্যার বদলীর ব্যবস্থা সম্পর্কে কিছু লিখুন।
Md Afzal Alam Chowdhury, ১২ আগস্ট , ২০১৮
স্যারের লেখা পড়ে মনে আশা জাগে, যারা আমাদের শতভাগ বোনাসের ন্যায্য দাবী পুরণের ক্ষমতা রাখেন তাদের যদি একটু সুমতি হয়! আমরাতো সেই শিক্ষক যারা নির্বাচনে প্রিজাইডিং হতে পোলিং সহ প্রায় সব দায়িত্ব পালন করি, আমরাতো সেই শিক্ষক যারা ইলেকশনের আগের দুপুরে উপজেলা হতে নির্বাচনের ব্যালট পেপার ও অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে প্রত্যন্ত এলাকায় রাত্রি যাপন করি। সারা রাত অঘুমা থাকি ব্যালট পেপারের নিশ্চয়তা বিধানের জন্য। সারা দিন না খেয়ে/ অর্ধাহারে ভোট গ্রহন করে রিটার্নিং অফিসারের নিকট পৌছে দিয়ে, গাড়ী না পেয়ে পায়ে হেটে অনেককেই মাইলের পর মাইল পাড়ি দিয়ে রাত ২/৩ টায় বাসায় ফিরি। আর নির্বাচিত সম্মানিত ব্যাক্তি বর্গ কত সহজে আমাদের কথা ভুলে থাকে! আবার হয়তো হঠাত করে শুনতে পারবো কোন দায়িত্বশীল ব্যাক্তি বলছেন, আমারতো জানা-ই ছিল না যে, শিক্ষকরা ২৫% বোনাস পায়, ১০০০ টাকার ভাড়া বাসায় থাকে, আর মাসে ৫০০ টাকায় পুরো পরিবারের চিকিতসা খরচ নির্বাহ করে! এভাবেই চলছে, চলবে, চলতেই থাকবে। আমরা আর যাবো কোথায়?
Mujibur Rahman, ১১ আগস্ট , ২০১৮
মাননীয় প্রধানমন্তী ২৭১টি কলেজ তো সরকারি করলেন, বাকি বেসরকারি কলেজ শিক্ষকদের জন্য কিছু একটা করুন।
Abdul mosabbir, ১১ আগস্ট , ২০১৮
মানুষের সুবিধা দিনদিন বাড়ে, আর বেসরকারি শিক্ষকদের সুবিধা দিনদিন কমে, --- এই বাংলাদেশের অবস্থা। মনে হয় শিক্ষক হওয়াটা আসলে ভুল।
Md.Zahidul Islam, ১১ আগস্ট , ২০১৮
জানিনা আমাদের দাবি ঠিক কবে নাগাদ কোন সরকার মেনে নেবে। আমরা যে সকল শিক্ষক প্রতিনিধি নিজের স্বার্থ নিয়ে ভাবি বা স্বার্থ হাসিল করার পায়তারা করি তারা যদি সকল শিক্ষকদের কথা ভাবত তাহলে আজ আমাদের অবস্থা এমন হতনা। ধৈর্য্য আর অপেক্ষা এটাই এখন আমাদের পুঁজি। সহকারী গ্রন্থাগারিক, ফতেহাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়, দেবিদ্বার, কুমিল্লা।
Md.Gulam Mostafa, ১১ আগস্ট , ২০১৮
দিবে আর কী! উপরন্তু প্রভাষকদের ৮ বছরে প্রাপ্য ৭ নম্বর গ্রেড কেড়ে নিয়ে এখন ১৬ বছরে দিবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। আর কত জুলুম সইতে হবে?
মোঃ লহির উদ্দিন, ১১ আগস্ট , ২০১৮
এসব যৌক্তিক নিবেদনগুলির কোন দাম সরকার যে কেন দিচ্ছেনা তা বোধগম্য নয়।শিক্ষকদের শুধু মানুষগড়ার কারিগর নামে আক্ষ্যায়িত করেই মহা সন্মানি করে তোলে অনেকেই।এ যুগে পেটে ভাত না থাকলে ঐরকম সন্মানের কোন দাম নেই।শিক্ষকদেরকে সঠিক পাওনা থেকে অযৌক্তিক ভাবে বঞ্চিত করা সরকারের উচিত নয়।
মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, ১১ আগস্ট , ২০১৮
কেমনে কহি প্রিয় কি ব্যথা প্রাণে বাজে।
Mizan, ১১ আগস্ট , ২০১৮
যাদের দিলে ক্ষমতায় থাকা যাবে তাদের নিয়ে ব্যস্ত সরকার।
Mizan, ১১ আগস্ট , ২০১৮
ধন্যবাদ স্যারকে সঠিক লিখনির জন্য।গত প্রায় ১৫ বছর আগের ২৫% বোনাস এখনও বহাল।ধন্যবাদ শিক্ষামন্ত্রীকে...ধন্যবাদ সরকারকে... ধন্যবাদ শিক্ষামন্ত্রনালয় কে....কোথায় ৫% প্রবৃদ্ধি, বাড়ি ভাড়া,বৈশাখী ভাতা...... সফল সরকার...