মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

হাচান আনোয়ার, ২১ আগস্ট , ২০১৮
স্যার,শিক্ষকদের দাবি পূরণ না হওয়ার জন্য সরকার যতখানি দায়ী তার চাইতে অনেক বেশি দায়ী স্বার্থপর শিক্ষক নেতারা ।হীন ব্যক্তি স্বার্থের কারণে মূলত শিক্ষক নেতারা এক হতে পারছেন না।আবার এদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা মুখে যাই বলুন না কেন অন্তরে সরকারীকরণ বিরোধী ।সরকারীকরণ হয়ে গেলে তাদের ধারণা নেতৃত্বের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন ।মূলত এই ধারণা পোষণকারী নেতৃবৃন্দ এখন আর শিক্ষকতা পেশায় নেই ।তাঁরা বর্তমানে অবসরে আছেন ।তাই, আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ, অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক নেতৃত্বকে বর্জন করে শিক্ষকতায় আছেন এরূপ নিঃস্বার্থ শিক্ষক দরদী নেতৃত্বের পতাকাতলে সামিল হতে আহ্বান জানিয়ে একটি লেখা প্রকাশ করুন । হাচান আনোয়ার সিনিয়র শিক্ষক আল-হাজ্জ্ব জাফর বেপারী উচ্চ বিদ্যালয়, সাভার, ঢাকা ।
MD. AKRAMUL HAQUE, ২১ আগস্ট , ২০১৮
স্যার কি আর বলব আপনাকে, আপনি অনেক বাস্তবমূখী । স্যার ম্যানেজিং কমিটির অত্যাচারে শিক্ষকতা করা বড়ই কষ্টের হয়ে দারিয়েছে। তাই খুব তারাতারি শিক্ষকদের বদলীর ব্যবস্থা করলে শিক্ষক পরিবার উপকৃত হত।
khalequl islam, ১৯ আগস্ট , ২০১৮
স্যার আপনি যা লিখেছেন, বাস্তবতার আলোকেএকেবারেই সঠিক।আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।চালিয়ে যান এর সুফল আমরা পাবই।একটা উদাহারন দেই দেবিগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের নাম জাতীয়করনের১৯৯ তালিকায় আসার পর স্থানীয় এম পি মহোদয় দেবিগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজের নাম পরিবর্তন করে দেবিগঞ্জ কলেজের নাম জাতীয়করনের তালিকায় অন্তভুক্ত করেন।এ কারনে দেবিগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজ রিট দায়ের করেন এবং রিটের রায়ে হাইকোর্ট মহিলা কলেজকে অগ্রাধিকার দিয়ে জাতীয়করণের তালিকায় আনতে বলেন।পরবর্তিতে সরকার উচ্চ আদালতে আপিল করেন।আপিল থাকা অবস্থায় সরকার ২৭১ কলেজের গেজেট প্রকাশ করেন। এম পি মহোদয়ের সদিচ্চছার অভাবে মহিলা কলেজটি ১৯৯ তালিকায় থাকার পরও জাতীয়করণ হতে পারলনা।আপিল বিভাগে পড়ে রইল।আর কি বলি,,,,,,,,?
মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, ১৯ আগস্ট , ২০১৮
কল্যান ট্রাস্ট,টাইম স্কেল,বেতন ৭০%,৮০%,৯০%,৯৫%,১০০%,অবসরকালীন সুবিধা,সিকি বোনাস ১৫ বছরের মধ্যেই চালু হলো।পরবর্তি ১২বছরে বাড়িভাড়া, চিকিৎসাভাতা বৃদ্ধি ছাড়া মৌলিকভাবে তেমন কিছু হলোনা।আশারবাণী আপনারমত অনেকেই শুনিয়েছেন,শুনাচ্ছেন।আমাদের অবসরের পর কোন এক সময় হয়তো কিছু হবে।সেদিন শিক্ষকগণ একদলের হবে।আপাতত তেমনকিছু বৃদ্ধি নেই যখন,বিভিন্ন দলের হয়ে অবস্থানগত শান্তনাটুকু পেতে দেন।একটা যায়গায় আপনাকে ধন্যবাদ যে,শিক্ষকদের পক্ষে আপনি কিছু লেখেন।
Md.Shahin Alom, ১৯ আগস্ট , ২০১৮
শিক্ষা জাতীয়করন করা দরকার। কারণ একই দেশে দুই নীতি। থানা লেভেলে হওয়ার কারণে কোন প্রতিষ্ঠান সরকারী হবে আর যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান থানা লেভেলে নয় সেটা সরকারি হবেনা এই নীতি গ্রাম্য এলাকার শিক্ষকদের হতাশ করেছে। আমার মনে হয় একটা মানদন্ডের আলোকে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে একসাথে জাতীয়করন করা দরকার। আর এটা করতে হলে সাহসী পদক্ষেপ নিতে হবে সরকারকে। এতে করে শিক্ষার ক্ষেত্রে যে বৈশম্য চলছে তা দূর হবে।
Md.Shahjahan Kabir, ১৯ আগস্ট , ২০১৮
এমপিও ভুক্ত ৫ লাখ শিক্ষককে নির্বাচনের আগে এক হতে হবে।যেহেতু শিক্ষকসম্প্রদায় এর সমাজের সবার সাথে ভাল সম্পর্ক আছে,সরকারকে এটা বুঝাতে হবে।
Md.Shahjahan Kabir, ১৯ আগস্ট , ২০১৮
শিক্ষাবান্ধব শিক্ষামন্ত্রী দরকার
Md.Shahjahan Kabir, ১৯ আগস্ট , ২০১৮
ধন্যবাদ স্যারকে সঠিক লিখনির জন্য।কিন্তুক লিখলে কি হবে,আমলারা দেশের ভাল চায় না।ফর্মফিলাপ এর লক্ষ লক্ষ টাকা,বেতন ও অন্যান্য ফি কোথায় যায়???সরকার কি তা জানে না,????প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতিরা গার্মেন্টস এর মত করে, সব আয় কৌশলে নিয়ে যায়,সরকার তা নিশ্চই জানে।