মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

MD.SAIFUL ISLAM ঈদুল আজাহার বিলগুলো ঈদের বেশ কিছুদিন আগে ছাড়া উচিৎ।, ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯
সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এক যোগে সরকারী করনের ঘোষণাই হচ্ছে শিক্ষকদের প্রাণের দাবী। বঙ্গ বন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জন নেত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষা বান্ধব সরকার। একমাত্র তিনিই পারেন সকল বেসরকারী শিক্ষকদের জাতীয়করণের এই প্রাণের দাবীটি বাস্তবায়ন করতে ।
Shahjahan master, ২১ নভেম্বর, ২০১৮
বঙ্গ বন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জন নেত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষা বান্ধব সরকার। সকল বেসরকারী শিক্ষকদের প্রাণের দাবী তদের নামের সামন থেকে "বে" উপসর্গ টি তুলে দেওয়াই হবে এবারের নির্বাচনী ইস্তেহার। রাজারহাট ফাজিল মাদ্রাসার পক্ষ থেকে শেখ মোঃ শাহজাহান।
amin hossain, ২১ নভেম্বর, ২০১৮
জাতীয়করন করতে সরকারের সম্পুর্নভাবে পি এস সি এর অধীনে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন । এছাড়া শিক্ষার মান আরো নষ্ট হবে ।যেমনটা হয়েছে প্রাথমিকে গাঁ ছাড়া ভাব ।
মোঃ আব্দুল ওয়াহেদ, ২১ নভেম্বর, ২০১৮
সরকার প্রতিটি উপজেলায় একটি করে স্কুল, কলেজ জাতীয়করণ করলেও, কোন মাদ্রাসা জাতীয়করণ করেন নাই।৯০ শতাংশ মুসলিমের দেশে এমপিওভুক্ত মাদ্রাসাগুলোর সাথেই কেন এত বৈষম্য !! এবারের নির্বাচনী ইসতিহারে সকল এমপিওভুক্ত মাদ্রাসাগুলো জাতীয়করণ চাই। মাদ্রাসা সহ সকল শিক্ষকদের একমাত্র দাবি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো জাতীয়করণ করা।
Md. Mosharef Hossain Khan, BAKSIS-Barishal., ২১ নভেম্বর, ২০১৮
এক ঘোষনায় এক সাথে সকল বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণেের দাবী এখন শুধু শিক্ষকদের দাবী নয়। বরং ছাত্র, শিক্ষক, জনতাসহ আপামর জনগনের দাবী। এটি যৌক্তিক দাবী, সময়ের দাবী, পূরণ হওয়ার মত দাবী। কেননা ১০০% বেতন দেয়া হয় সরকারি কোষাগার থেকে শুধু কিছু ভাতা বাড়ালেই প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারি করা যায়। বিনিময়ে প্রতিষ্ঠানের আয়সহ সকল সস্পদ সরকার নিয়ে যেতে পারে। তাতে সরকারের আর্থিক ক্ষতি তো হবেই না বরং লাভ হবে।
মোঃ শাহিদুল ইসলাম, ২১ নভেম্বর, ২০১৮
মোঃ শহীদুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক, খালিশপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, খুলনা। জাতীয়করনের প্রক্রিয়া মহতী সরকার বাহাদুর/দায়িত্বশীল আমলারা কঠিন করে ভাবলে আসলেই জাতীয়করন কঠিন । শিক্ষক-কর্মচারীদের ৫% ইনক্রিমেন্ট,বৈশাখী ভাতা প্রদান হয়ে গেল। চাকুরী জাতীয়করন করে, বাড়িভাড়া ক্রমান্বয়ে ১০%,২০%,৩০%..............চালু করে , শিক্ষার্থীদের টিউশন ফিস এখন যা আছে নির্দিষ্ট হারে নিলে, জাতীয়করন খুবই সহজ। অতঃপর সরকারের সামর্থ বাড়লে ক্রমান্বয়ে শিক্ষার্থীদের টিউশন ফিস হ্রাস করে সমগ্র শিক্ষা জাতীয়করন করা একটি সহজ প্রক্রিয়া। দায়িত্বশীলরা বিষয়টি নিয়ে একটু ভাবুন দয়া করে। এমপিওভুক্তদের বদলীর ব্যবস্থাও এখন কঠিন নয় । ইচ্ছুকদের আন্ত থানায় বদলীর ব্যবস্থা করা যায়। প্রশ্ন হ’লো ভিন্ন ভিন্ন বিদ্যালয়ে সুবিধা ভিন্ন ভিন্ন। এ সমস্যা বর্তমান সরকারী বিদ্যালয়েও আছে। বাড়িভাড়া ক্রমান্বয়ে ১০%,২০%,৩০%..............চালু করে বদলীর ব্যবস্থা শুরু করলে বিষয়টি সহজ হবে। তা ছাড়া শাস্তিমুলক বদলী কিংবা সাধারণ বদলী শিক্ষককে গতিশীল ও সংশোধন করবে।অতএব, এমপিওভুক্তদের বদলীর ব্যবস্থার কথাও একটু ভাবুন ।
মো: রমজান আলী, ২১ নভেম্বর, ২০১৮
বেসরকারি শিক্ষকদের এই যৌক্তিক দাবীর প্রতি সকল রাজনৈতিক দল সম্মান দেখিয়ে, তাদের স্বস্ব নির্বাচনী ইশতেহারে, সকল বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করবেন বলে আমরা আশাবাদী।
মো: রমজান আলী, ২১ নভেম্বর, ২০১৮
বেসরকারি শিক্ষকদের এই যৌক্তিক দাবীর প্রতি সকল রাজনৈতিক দল সম্মান দেখিয়ে, তাদের স্বস্ব নির্বাচনী ইশতেহারে, সকল বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করবেন বলে আমরা আশাবাদী। কারণ সমাজ এখনো শিক্ষকদের ধারাই বেশী প্রভাবিত হয়।
বারাজান এস.সি উচ্চ বিদ্যালয়, কালীগজ্ঞ,লালমনিরহাট।এই বিদ্যালয়ে একটি দৃষ্টিনন্দন আধুনিক ভবন প্রয়োজন।, ২১ নভেম্বর, ২০১৮
সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এক যোগে সরকারী করনের ঘোষণাই হচ্ছে শিক্ষকদের প্রাণের দাবী।
মোঃ ‌আজাদ ‌সরকার, ২১ নভেম্বর, ২০১৮
সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের ৮০ % থেকে ৮৫% ভোট পান,আওয়ামীলীগ এর কারন এই দলটি যতবার ক্ষমতায় ছিল,প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ণ তত বারেই ব্যাপক হয়েছে।আমার জানা মতে,গ্রাম-গন্জে শিক্ষকগণ যে ভাবে মেশে এবং গুরুত্ব পায় ,সরকারের অন্য পেশার লোক সংখ্যায় ও গুরুত্বে এখনো শিক্ষকদের ধারের কাছেও নয়।তাই যে দলই শিক্ষার উন্নয়ণে ও শিক্ষকের উন্নয়ণে কাজ করবে,ভোটের রাজনীতিতে সে দল এগিয়ে থাকবে।
মোঃ ‌আজাদ ‌সরকার, ২১ নভেম্বর, ২০১৮
সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের ৮০ % থেকে ৮৫% ভোট পান,আওয়ামীলীগ এর কারন এই দলটি যতবার ক্ষমতায় ছিল,প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ণ তত বারেই ব্যাপক হয়েছে।আমার জানা মতে,গ্রাম-গন্জে শিক্ষকগণ যে ভাবে মেশে এবং গুরুত্ব পায় ,সরকারের অন্য পেশার লোক সংখ্যায় ও গুরুত্বে এখনো শিক্ষকদের ধারের কাছেও নয়।তাই যে দলই শিক্ষার উন্নয়ণে ও শিক্ষকের উন্নয়ণে কাজ করবে,ভোটের রাজনীতিতে সে দল এগিয়ে থাকবে।