মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

MD. SAZZAD HOSSAIN, ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
2010 সালের পরে নিয়োগ প্রাপ্ত ডিগ্রি স্তরের তৃতীয় শিক্ষকদের দিকে সুদৃষ্টি দেয়ার জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা মনোনিত নতুন শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষাউপমন্ত্রীর কাছে সবিনয় আবেদন জানাচ্ছি।
Abdur Rouf Shaon, ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
আমাদের নতুন মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর নিকট আবেদন এই যে, মাধ্যমিক পযায়ের জনবল কাঠামোতে অফিস সহকারীর পদটি বৃদ্ধি করা হোক। কারণ একটি মাধ্যমিক হাই স্কুলে 6-10 শ্রেণি পযন্ত কমপক্ষে 1000-1500 জন শিক্ষাথী থাকে। এতে একজন অফিস সহকারীর পক্ষে কাজ করা অনেক কঠিন। কমপক্ষে 2-3টি পদ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। এতে করে প্রশাসনিক কাজে গতিশীলতা আসবে এবং শিক্ষা খাত আরো এগিয়ে যাবে।
KRISHNADHAN SUTRADHAR, Chhaysuti Union High School, Kuliarchar, Kishoregonj., ২৬ জানুয়ারি, ২০১৯
আমাদের নতুন মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর নিকট আবেদন এই যে, মাধ্যমিক পযায়ের জনবল কাঠামোতে অফিস সহকারীর পদটি বৃদ্ধি করা হোক। কারণ একটি মাধ্যমিক হাই স্কুলে 6-10 শ্রেণি পযন্ত কমপক্ষে 1000-1500 জন শিক্ষাথী থাকে। এতে একজন অফিস সহকারীর পক্ষে কাজ করা অনেক কঠিন। কমপক্ষে 2-3টি পদ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। এতে করে প্রশাসনিক কাজে গতিশীলতা আসবে এবং শিক্ষা খাত আরো এগিয়ে যাবে।
MD.BELAL UDDIN, ২৫ জানুয়ারি, ২০১৯
মাদরাসা শিক্ষায় পদোন্নতিতে বৈষম্য মাদরাসা শিক্ষায় শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অনেক বৈষম্য বিদ্যমান। মাদরাসা শিক্ষায় আরবি শিক্ষার পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষা বিদ্যমান থাকলেও সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিতরা অনেক ক্ষেত্রে বঞ্চিত ও অবহেলিত। বিশেষ করে প্রভাষক পদের শিক্ষকেরা ৪/৫ বছরের বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি নিয়েও অধ্যক্ষ বা উপাধ্যক্ষ এর পদ পান না, অথচ একজন আরবি শিক্ষিত হুজুর মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড থেকে ফাযিল-কামিল পাশ করেই দিব্যি সহকারী অধ্যাপক,উপাধ্যক্ষ বা অধ্যক্ষ হয়ে গেছেন। বাস্তবতা হল এই, বর্তমানে অধ্যক্ষ,উপাধ্যক্ষ বা সহকারী অধ্যাপক হওয়া অনেকেই ১৯৮৯ইং সনের পূর্বে ফাযিল পাশ করা, যা ছিল উচ্চ মাধ্যমিকের সমমানের এবং স্বাভাবিক ভাবেই তাদের কামিল ছিল ডিগ্রি মানের। অপর পক্ষে সাধারণ শিক্ষিতদের উচ্চতর ডিগ্রি থাকা সত্বেও অধ্যক্ষ বা উপাধ্যক্ষ হওয়ার কোন সুযোগ নাই।প্রকাশ থাকে যে,বর্তমানে মাদরাসায় আরবি এবং সাধারণ উভয় ধারার শিক্ষাক্রমই চালু আছে । অতএব, এ ব্যাপারে সদাশয় সরকারের সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং সুধীজনের মন্তব্য জানতে চাচ্ছি ।
MD.BELAL UDDIN, ২৫ জানুয়ারি, ২০১৯
মাদরাসা শিক্ষায় পদোন্নতিতে বৈষম্য মাদরাসা শিক্ষায় শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অনেক বৈষম্য বিদ্যমান। মাদরাসা শিক্ষায় আরবি শিক্ষার পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষা বিদ্যমান থাকলেও সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিতরা অনেক ক্ষেত্রে বঞ্চিত ও অবহেলিত। বিশেষ করে প্রভাষক পদের শিক্ষকেরা ৪/৫ বছরের বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি নিয়েও অধ্যক্ষ বা উপাধ্যক্ষ এর পদ পান না, অথচ একজন আরবি শিক্ষিত হুজুর মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড থেকে ফাযিল-কামিল পাশ করেই দিব্যি সহকারী অধ্যাপক,উপাধ্যক্ষ বা অধ্যক্ষ হয়ে গেছেন। বাস্তবতা হল এই, বর্তমানে অধ্যক্ষ,উপাধ্যক্ষ বা সহকারী অধ্যাপক হওয়া অনেকেই ১৯৮৯ইং সনের পূর্বে ফাযিল পাশ করা, যা ছিল উচ্চ মাধ্যমিকের সমমানের এবং স্বাভাবিক ভাবেই তাদের কামিল ছিল ডিগ্রি মানের। অপর পক্ষে সাধারণ শিক্ষিতদের উচ্চতর ডিগ্রি থাকা সত্বেও অধ্যক্ষ বা উপাধ্যক্ষ হওয়ার কোন সুযোগ নাই।প্রকাশ থাকে যে,বর্তমানে মাদরাসায় আরবি এবং সাধারণ উভয় ধারার শিক্ষাক্রমই চালু আছে । অতএব, এ ব্যাপারে সদাশয় সরকারের সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং সুধীজনের মন্তব্য জানতে চাচ্ছি । 6