মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

Shirin, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
সম্ভব হলে যারা পুরাতন আমলের তাদেরকে গোল্ডেন স্যাক দিয়ে নতুনদের চাকুরীতে আসার সুযোগ করে দিন।
Shirin, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
পারলে প্রাইমারীর শিক্ষকদের সুযোগ সুবিধা কমিয়ে ফেলেন। এ ধরণের শিক্ষা দিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে আরো অচল করে দেয়া হচ্ছে।
Shirin, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা,পরিচালনা পর্ষদ, এর থাবা থেকে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বাচান। কারণ তারা দেশের আর্থিক মেরুদণ্ডকে পঙ্গু করে দিচ্ছে। মাদরাসার সুপার-প্রিন্সিপ্যালদের কথা বলতে গেলে আরো করুণ। তারাতো প্রতিষ্ঠানকে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তির মতো বানিয়ে ফেলেছে। একেক মাদরাসার সুপার-প্রিন্সিপ্যালদের নামে বেনামে অনেক অবৈধ সম্পত্তির পাহাড় বানিয়েছে যার কোন ইয়ত্বা নেই। তাই মাননীয় সরকারের কাছে অনুরোধ যত সম্ভব তাড়াতাড়ি এসব দুর্ণীতিকারীদের হাত থেকে প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাচান আর তাদের দূর দুরান্তে বদলির ব্যবস্থা করেন।
Shirin, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা,পরিচালনা পর্ষদ,প্রতিষ্ঠানের কিছু তৈল মালিশকারী শিক্ষক যারা কোন লেখা-পড়ার তালে নেই। এরা নৈতিকতা সম্পন্ন নিরীহ শিক্ষকদের এমনকি শিক্ষা ব্যবস্থার প্রধান অন্তরায়। তাই দয়া করে তাড়াতাড়ি এদের হাত থেকে শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাচান।
Shirin, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
এম পি ও ভুক্ত যারা আছেন তারা গত দু'দশেকের কথা একবার চিন্তা করেন। তারা কোন ধারায়, কোন মনস্তাত্ত্বিক পর্যায়ে জাতিকে শিক্ষা দিয়েছিলেন? আর বর্তমান পর্যায়ে যারা শিক্ষা দিচ্ছেন তারা কোন পর্যায়ের শিক্ষা দিচ্ছেন। একবার চিন্তা করুন। না বলে পারছিনা- যে তারা শিক্ষকতা পেশাকে নিয়েছিল নেশা হিসেবে আর বর্তমান শিক্ষকেরা শিক্ষকতা পেশাকে বানিয়েছে ব্যবসার চেয়েও ব্যবসা। ধন্যবাদ! রাগ করবেন না।
Shirin, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
হায় বাংলাদেশের প্রাইমারী! বর্তমান প্রাইমারীর অর্থ বিশ্লেষণ করলে মনে হয় প্রায়ই মেরে ফেলা হয়েছে। এ মূমুর্ষ অবস্থায় কি রোগীকে বাচাবে নাকি সুস্থ করবে? সদ্য প্রাইমারী থেকে পিএসি পাস করে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছে অনেক শিক্ষার্থী। তাদের প্রতি যদি একবার তাকান, দেখবেন তাদের মধ্যে শতকরা ৯৫% ভাগ শিক্ষার্থী ইংরেজী পড়তে পারে না। এমনকি ঠিকভাবে বাংলা পর্যন্তও পড়তে পারে না। এবার যদি বলা যায় গণিতের কথা,তা আরো করুণ অবস্থা। সম্মানিত শিক্ষকদের কমান্ড হলো "ছাত্ররা পড়, পড়! লেখ লেখ! শিক্ষকের ইচ্ছে হলে দু-একটি অংক বোর্ডে লিখে দিলেও কে বুঝল কি বুঝল না এ দিকে শিক্ষকের কোন দৃষ্টি নেই। তখন শিক্ষার্থীরা নিরূপায় হয়ে বোর্ড থেকে অংকটি হুবহু খাতায় তুলে নেয়। আর শিক্ষার্থীরাও জড়তায়, লজ্জায় শিক্ষকের কাছে কোন প্রশ্ন করে না। এভাবে শিক্ষার্থীরা দিনের পর দিন, বছরের পর বছর ধরে একটি ক্লাশের দুর্বলতা নিয়ে অপর একটি ক্লাশে পদার্পন করে। পরিক্ষায় ফেলের সুবাধে আমাদের সম্মানিত শিক্ষকরা বছর শেষে বিভিন্ন বখশিষ, ও টাকার বিনিময়ে শিক্ষার্থীদের পাশ করিয়ে দেয়।
Shirin, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
হায় বাংলাদেশের প্রাইমারী! বর্তমান প্রাইমারীর অর্থ বিশ্লেষণ করলে মনে হয় প্রায়ই মেরে ফেলা হয়েছে। এ মূমুর্ষ অবস্থায় কি রোগীকে বাচাবে নাকি সুস্থ করবে? সদ্য প্রাইমারী থেকে পিএসি পাস করে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছে অনেক শিক্ষার্থী। তাদের প্রতি যদি একবার তাকান, দেখবেন তাদের মধ্যে শতকরা ৯৫% ভাগ শিক্ষার্থী ইংরেজী পড়তে পারে না। এমনকি ঠিকভাবে বাংলা পর্যন্তও পড়তে পারে না। এবার যদি বলা যায় গণিতের কথা,তা আরো করুণ অবস্থা। সম্মানিত শিক্ষকদের কমান্ড হলো "ছাত্ররা পড়, পড়! লেখ লেখ! শিক্ষকের ইচ্ছে হলে দু-একটি অংক বোর্ডে লিখে দিলেও কে বুঝল কি বুঝল না এ দিকে শিক্ষকের কোন দৃষ্টি নেই। তখন শিক্ষার্থীরা নিরূপায় হয়ে বোর্ড থেকে অংকটি হুবহু খাতায় তুলে নেয়। আর শিক্ষার্থীরাও জড়তায়, লজ্জায় শিক্ষকের কাছে কোন প্রশ্ন করে না। এভাবে শিক্ষার্থীরা দিনের পর দিন, বছরের পর বছর ধরে একটি ক্লাশের দুর্বলতা নিয়ে অপর একটি ক্লাশে পদার্পন করে। পরিক্ষায় ফেলের সুবাধে আমাদের সম্মানিত শিক্ষকরা বছর শেষে বিভিন্ন বখশিষ, ও টাকার বিনিময়ে শিক্ষার্থীদের পাশ করিয়ে দেয়।
Partha Sarathi Ray, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
এমপিওভূক্ত শিক্ষকগণ কি দোষ করল? তাদের মন্ত্রী কি অ-কাজের?