মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

হারুন উর রশিদ, ০৩ মার্চ, ২০১৯
আমাদের সম্মানীত মহাসচিব সাহেব বিভিন্ ভাবে বহু টাকা কমাই করছে। অথচ এই মোখলেছ এক সময় খাওয়ার মতো টাকা ছিলো না। গাইবান্ধা ও নীলফামারীসহ দেশের কয়েকটা বাটপাড়কে সংঘটিত করে নেতা সেজে ব্যবসায় নেমেছে। তিনিতো সারাদেশের শিক্ষকদের কথা ভাবেন না। শুধু ভাবেন নিজের কথা। কিভাবে কোন বাহানায় টাকা নেয়া যাবে অসহায় বঞ্চিত শিক্ষকদের কাছ থেকে। এস ধান্ধাবাজ আর সেলফিবাজ দের কাছ থেকে সাবধান
bina computar, ০৩ মার্চ, ২০১৯
শুধু ধান্দাবাজ আর চাপাবাজ। এসব নেতাকে বয়কট করা জরুরী। আর প্রতিহত করার দাবি করছি।
bina computar, ০৩ মার্চ, ২০১৯
প্রিয় শিক্ষক ভাইয়েরা লক্ষ করুন>>>>>>> আজ যে মানববন্ধন হয়েছে সেখানে আমাদের মুল দাবি বেতন ভাতার কথা উল্লেখ্য নেই। সাত দফা দাবিতে স্বারকলিপি দেয়া হলোও সেখানেও নেই। বিষয়টি অবাক করার মতো। যেখানে বেতন-ভাতার জন্য দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছি। সেই বেতনই এখনতো পাইনি। আর সাত দফা কই থেকে আসে। আগে বেতন-ভাতার ব্যবস্থা করা হউক্ তার পর বাকিটা। আজতো লোক দেখানোর জন্য মানববন্ধন করা হয়েছে। তেমন উল্লেখ্য সংখ্যক কেউ ছিলো না। বিষয়টি ভেবে দেখা খুবই জরুরী। এটা এক ধরণের ধান্দাবাজি।
প্রতিবাদী কন্ঠ অজানা তথ্য, ০৩ মার্চ, ২০১৯
আমাদের সম্মানীত মহাসচিব সাহেব তো আঙ্গুল ফুলো কলাগাছ হয়ে গেছে।
প্রতিবাদী কন্ঠ অজানা তথ্য, ০৩ মার্চ, ২০১৯
প্রিয় স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী শিক্ষক ভাইয়েরা লক্ষ করুণ, যেখানে আমার প্রধান সমস্যা বেতন-ভাতা। আজ যে মানববন্ধন হলো যেখানেতো বেতনের কথা উল্লেখ্য নাই। অথচ সাত দফা দাবিতে স্বারকলিপি দেয়া হলো। মুল কথায় যেখানে নাই। তাহলে স্বারকলিপির মুল্য থাকলো কোথায়। এটা তো ধান্দাবাজি। হাতে গোনা কয়েকটা ছিলো। এটা পুরোপুরি ধান্দাবাজি। আর লোক দেখানো। সত্যি কি স্বারকলিপি দেয়া হয়েছে। আর কেকে দিলো। ছবি দেন। মিথ্যা আর চাপাবাজি দিয়েতো অনেক কামাই করছে নেতারা। আর কত এভাবে চলতে পারে না।