মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

Shirin, ১৩ মার্চ, ২০১৯
৬% কি ১০% কি? যখন বর্তমানের ২৩০০০/-টাকা ছিল পূর্বের ১৩০০০/-। আর এ অবস্থাটা যদি এখন হতো। কিন্তু বর্তমান সরকার এক সাথে বেতন দ্বিগুন করেছে। ১৩ হাজারের সময় যেমন প্রাইভেট-কোচিং ছিল বর্তমানে ২৩০০০ হাজারের সময়ও প্রাইভেট কোচিং বিদ্যমান রয়েছে। তাহলে এটি থেকে সহজে বুঝা যায় যে ২৩ হাজার টাকা যদি ৪৬০০০ হাজার টাকা হলেও প্রাইভেট ও কোচিং চলতে থাকবে। এসব লোভী শিক্ষকদের কোনদিনই তাদের চোখ ভরবে না।
md.nuruzzaman, ১৩ মার্চ, ২০১৯
গরমের শুরুতেই এত মাথা গরম করলে চলবেনা। গবেষণা করার এখনো অনেক সময় সামনে আছে। আপাতত একটা কাজ করলে কেমন হয়? এহেন অবস্থায় অপরাধিদের যারা সাস্তি দিচ্ছে্‌ তাদের সাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।কিন্তু এ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করবে কে? বলি কি, যারা হুমকি দিচ্ছে তারাই সাহস দিচ্ছে। বঝলেন কিছু?
Partha Sarathi Ray, ১২ মার্চ, ২০১৯
জাতির বিবেকের কাছে সমগ্র বেসরকারী শিক্ষক সমাজের প্রশ্ন; ১৪০০০ বা ২৩০০০ টাকায় একজন শিক্ষকের সংসার চলেকি? তারউপরে আবার কোনো সুযোগ সুবিধা না বাড়িয়ে তাদের বেতন থেকে ৬% এর পরিবর্তে ১০% কর্তন করছে। ১৫ থেকে ২০ বছরের নন এমপিও শিকক্ষকদের জীবন কিভাবে চলছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জানেন কি সে খবর? এভাবে চলতে থাকলে এক সময় তীব্র গণরোষ তৈরী হবে।
Shirin, ১২ মার্চ, ২০১৯
কোচিং সেন্টারে অনৈতিক কর্মকাণ্ড করা যায়,পক্ষান্তুরে বিদ্যালয়ে তা করা যায় না। অপর একটি ব্যপার হচ্ছে বিদ্যালয়ে জবাবদিহী আছে। কিন্তু কোচিং-প্রাইভেটে তা নেই বলে দিন দিন শিক্ষার্থীরা কোচিং-প্রাইভেটের দিকে ঝুকছে। প্রাইমারী এবং কলেজ বয়সসন্ধি কাল নয়। বয়সসন্ধি কাল প্রধানত মাধ্যমিক স্তরে পড়ে। তাই বেশিরভাগ শিক্ষার্থীরা এ সময়ে তারা কোচিং সেন্টারে সময় কাটিয়ে তাদের সেই সাধ মেটাচ্ছে এবং নৈতিক অবক্ষয়ের দিকে ক্রমে ক্রমে ঝুকছে। অতএব যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কোচিং সেন্টার-প্রাইভেট বন্ধ করণে কঠোর নীতিমালা তৈরি করে আইন অমান্যকারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হউক।
শিক্ষা শ্রমিক, ১২ মার্চ, ২০১৯
হাসপাতালে ডাক্তারদের প্রাইভেট প্র্যাকটিসের জন্য রূম বানিয়ে দেয়া হলে শিক্ষকদের প্রাইভেট কোচিংয়ের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও রূম বরাদ্ধ করা উচিৎ । দু’টিইতো সেবা, নাকি ?
Partha Sarathi Ray, ১২ মার্চ, ২০১৯
কোচিং বাণিজ্য বন্ধ হোক এটা আমরা সবাই চাই। তবে এক্ষেত্রে সকল সরকারী সুযোগ সুবিধা গ্রহন করার পরেও যারা সরকার তথা প্রশাসনের নাকের ডগার উপর বসে কোচিং বাণিজ্য করছে তাদের প্রশাসন কি শাস্তি দিয়েছে? শুধু মাত্র কয়েকজন চুনোপুটি, নখদন্তহীন ( অল্প প্রাইভেট পড়ান এই অর্থে) শিক্ষকের প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ করানো ছাড়া প্রশাসন আর কিছুই করতে পারেনি। রাঘোব বোয়ালরা ঠিকই প্রশাসন ম্যনেজ করে কোচিং করিয়েছে এবং করাচ্ছে। প্রশাসন যেটা করেছে তা হল আইনের দোহাই দিয়ে নিতান্তই কিছু গরীব শিক্ষকের পেটে লাথি মেরেছে। কোচিং বন্ধ করাতে হলে আগে সরকারী শিক্ষকদেরটা বন্ধ করাতে হবে, তার পরে বেসরকারীদেরটা নতুবা কোনোটাই বন্ধ হবেনা বরং দারোগার নৌকার মাঝির দু'পয়সা আয় করার আরো একটি রাস্তা তৈরী হবে।
Shirin, ১২ মার্চ, ২০১৯
এটি কি মামার বাড়ির আবদার? এসব শিক্ষক নামের কুলাঙ্গাররাই বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থাকে দিন দিন অধঃপতনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কত বড় সাহস! এ ধরণের মন্তব্যের জন্য তার জিহবায় শিলগালা করে দেয়া উচিত। পৃথিবির যত দেশ রয়েছে প্রত্যেক দেশের জন্য একটি বিধিবদ্ধ আইন রয়েছে। পাশাপাশি আইনের প্রয়োগও রয়েছে। এসব শিক্ষক নামের শয়তান্দের বিরুদ্ধে কেন আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে না। এ অবস্থা যদি চলতে থাকে তাহলে জাতির সামনে সরকারের চলচাতুরির ব্যপারটা অবশ্যই ধরা পড়বে। কোন কোচিং প্রাইভেট চলতে পারবে না। এমনকি প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়েও কোচিং সেন্টার পরিচালনা না করার জন্য শক্তভাবে আইন করা হউক। যদি কোচিং সেন্টারে যেতে হয় তাহলে বিদ্যালয়ে পাঠানো কিংবা ক্লাশের কি দরকার? এরূপ ভেবে অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে যায় না,রুচি হারিয়ে ফেলছে। প্রশ্ন হল নিয়মিত যদি শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যায় এবং ঠিকমত তাদের দায়িত্ব পালন করে তাহলে তাদের প্রাইভেট পড়তে হবে কেন? এ ধরণের প্রাইভেট কোচিং এর নাম দিয়ে তারা অনেক সময় অসামাজিক কর্মকাণ্ডে পর্যন্ত জড়িয়ে যায়। কোচিং সেন্টার প্রথা চালু হবার ফলে যেমনি লেখাপড়া ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে তেমনি দিন দিন বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি সম্মানবোধও লোপ পাচ্ছে।
Md.Shahjahan Kabir, ১২ মার্চ, ২০১৯
কোচিংবাজদের পুলিশ এ দিন,এরা শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসকারী।
Md.Shahjahan Kabir, ১২ মার্চ, ২০১৯
কোচিং বাজদের কারনে শিক্ষাক্ষেত্রে হযবরল অবস্থা, কোচিং ব্যবসা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
Mahmudul Hasan, ১২ মার্চ, ২০১৯
আপনারা শিক্ষকদের পিছনে এত লাগছেন কেন? সরকারি আইন এখানে খুঁজতে খুঁজতে একদম হয়রান হয়ে যাচ্ছেন। অথচ অন্য খাতগুলো দেখছেন না। এটা বড় দু:খজনক।