মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

Md.Robiul Islam, ১৬ মার্চ, ২০১৯
একটু মনযোগ দিবেন আমার কথায় প্লিজ। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী আমি মনে করি সব কোচিং বন্ধ করে দেয়া হোক।আর শুধুমাত্র প্রাইভেট পড়ানোটাই চালু রাখা হোক।কেননা আমাদের মত গরীব শিক্ষার্থীরা নাতো কোচিং খুলতে পারি আর নাতো প্রাইভেট পড়াতে পারি।কোচিং এ যদি স্কুল কলেজের সব বিষয়ই পড়ানো হয়,তবে শিক্ষার্থীরা কেন দু একটা সাব্জেক্ট এর জন্য প্রাইভেট পড়তে আসবে??আমরা প্রাইভেট পড়ানোর মত স্টুডেন্ট খুজে পাচ্ছি না,শুধুমাত্র এই কোচিং সেন্টার গুলোর জন্য।।।প্লিজ,বিষয়টি খুটিয়ে দেখবেন,,।আর একটা কাজ করলে ভাল হয় প্রতি প্রাইভেট ব্যাচ এ ৭ জনের অধিক শিক্ষার্থী নেয়া অবশ্যই যদি দন্ডনীয় করতেন!!
Md.Shahjahan Kabir, ১৫ মার্চ, ২০১৯
কোচিং চিরতরে বন্ধ করতে হবে,অন্যথায় শিক্ষাব্যবস্থা পুরোপুরিভাবে ধ্বংস হয়ে যাবে।শিক্ষকদের বদলির ব্যবস্থা করলে শিক্ষার মান এমনতেই বাড়বে।
Shirin, ১৪ মার্চ, ২০১৯
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, সব কোচিং নয়, কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে আর খারাপ। এ কথা থেকে সহজেই বুঝা যায় যে "সাপ ও মরক, লাটিও না ভাঙ্গুক"। সাবেক সফল শিক্ষামন্ত্রী পারেনি, আপনি কিভাবে পারবেন? আপনি বলেছেন যে মানসম্মত শিক্ষার সাথে অনেক কিছু জড়িত। আপনি বলেছেন, আমি যদি বলি যে আর কোনো কোচিং সেন্টার চলবে না। তাহলে কেন আপনি করে দেখাতে পারছেন না? আপনি আরো বলেছেন যে কোচিং সেন্টার তো অনেক রকমের। যার ব্যাখ্যা দিতে দিতে হয়ত শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে পৌছে যাবে। কেননা মন্ত্রী মহোদয় বলেছেন যে আইইএলটিএস, জিআরই ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কোচিং এর বৈধতা দিয়ে তিনি বলেন, এসবে তো সমস্যা নেই। তাহলে যারা স্বচ্ছল তারাই কোচিং এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাবে কিন্তু দুর্বলদের ক্ষেত্রে মন্ত্রী মহোদয় কি বলবেন? কোচিং ছাড়া কি সকল স্তরের শিক্ষার্থীর ভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভর্তির সুযোগ করে দেয়া যায় না?
Shirin, ১৪ মার্চ, ২০১৯
দুর্বল শিক্ষার্থীদের অজুহাত দেখিয়ে কোচিং এর বৈধতা দেখিয়ে যা বলেছেন তা অবশ্য হাস্যকর। কেননা দুর্বল শিক্ষার্থীদের ব্যাপারে বর্তমান শিক্ষানীতি এমনকি বি-এড প্রোগ্রামেও অর্থবহ পাঠদান পদ্ধতির ব্যাপারে নীতিমালা রয়েছে। তাহলে কেন স্কুলের পড়ার বাইরে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের পাঠে মনোযোগ না দিয়ে তারা বাহিরে যাবে? যার রিপোর্টে বলা যাবে কোচিং সেন্টারে কোন জবাবদিহিতা নেই,কিন্তু বিদ্যালয়ে আছে, এছাড়া অপর একটি বড় ব্যাপার তা হচ্ছে মাধ্যমিকের সময়টা হচ্ছে বয়সসন্ধিকালের সময়। আর কোচিং সেন্টারে অনেক বন্ধু জোটে। এ সুবাধে তারা অনেক সময় অনৈতিক কর্মকান্ডে মগ্ন হয়ে পড়ার সুযোগ নেয় বা নিচ্ছে। কিন্তু বিদ্যালয়ে সেই অনৈতিক কাজ করার সুযোগ পায় না বলে দিন দিন শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে না যাওয়ার প্রবনতা কিংবা অনীহা বেড়েই চলেছে।
Shirin, ১৪ মার্চ, ২০১৯
মন্ত্রী মহোদয় আরো বলেছেন যে কেউ যদি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীকে পড়ান এবং পিছিয়ে আছে তাকে সহযোগিতা করতে বাসায় কাউকে পড়ান অথবা স্কুলে এক্সট্রা ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়, এর কোনোটার মধ্যেই দোষের কিছু নেই। তাহলে মাঝে মধ্যে কোচিং বন্ধের ফুলঝুরি ছেড়ে লাভ কি? বাংলাদেশের টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত একটি হুঙ্কার ছেড়ে বলে দিন যে কোচিং সবার জন্য জায়েজ বা উম্মুক্ত। পরিশেষে বলব শিক্ষা ব্যবস্থার এরূপ করুন সময়ে যদি দৃঢ় পদক্ষেপ নেয়া না হয় তাহলে এ দেশে কস্মিনকালেও আর শিক্ষা ব্যবস্থার মান উন্নত হবে না। অচিরেই ধ্বংসের দিকে পতিত হবে। যেভাবে হোক কোচিং প্রাইভেট বন্ধ করতে হবে। কেননা দেশের শিক্ষার্থীদের চারিত্রিক অবস্থা যেরূপ দিন দিন অধঃপতনের দিকে ধাবিত হচ্ছে,তারা শিক্ষক-পিতা-মাতা ও গুরুজন্দের প্রতি যেভাবে খারাপ আচরণ করে যাচ্ছে এতে মনে হয় ভবিষ্যতে তাদেরকে এই খারাপ দিক থেকে ফিরিয়ে আনা খুবই মুশকিল হয়ে পড়বে। অপরদিকে শিক্ষা ব্যবস্থায় মনিটরিং পদ্ধতি যথেষ্ট জোরদার করতে হবে। যে সব শিক্ষকদের দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হয়েছে তাদের প্রতিও খেয়াল রাখতে হবে এদের শিক্ষার মানটা কেমন পর্যায়ের দিকে যাচ্ছে। প্রয়োজনে এর জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া খুবই প্রয়োজন।
Md Motiar Rahman, ১৪ মার্চ, ২০১৯
ক্লাস মনিটরিং এর ব্যবস্থা করতে হবে।ঐ শিক্ষকের কাছে বেশি প্রাইভেট পড়ে,যে শিক্ষক ক্লাসে পাঠদান বেশি ভালকরে করে।
royak1975, ১৪ মার্চ, ২০১৯
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী কে আন্তরিক ধন্যবাদ বিষয়টাকে গভীরভাবে আনুধাবন করার জন্য।গুটীকয়েক কোচিং ব্যাবসায়ীদের কারনে টোটাল কোচিং বন্ধ করা উচিত হবে বলে আমি মনে করি না।আমার ছেলে ইংরেজী বিষয়ে দুর্বল সে ক্লাশে খুব বেশি বুঝে নিতে পারেনা,কিন্তু অন্য অনেক ছেলে-মেয়েরা তার চেয়ে ভাল বুঝতে পারে।তার মানে কি শিক্ষক ফাকি দিচ্ছে,মোটেই না।তাহলে কি আমার ছেলে না বুঝেই পরীক্ষা দিবে।আমার ছেলের ভাল ফলাফল করার অধিকার নেই।ভাল করতে হলে তাকেতো অন্য জায়গায় পড়তেই হবে।'"যতই পড়িবে,ততই শিখিবে'"প্রবাদটি ভুলে গেলে চলবে না।এছাড়াও ক্লাশের বাইরের সময়টা ছেলে মেয়েদের পড়াশুনায় ব্যাস্ত রাখার জন্য প্রাইভেট দেয়াটা জরুরী বলে মনে করি।না হলে তো ওড়া মোবাইল নিয়ে সময় কাটাবে তা কি জাতির জন্য মঙ্গলজনক হবে।ভেবে দেখার বিষয়।
Shirin, ১৩ মার্চ, ২০১৯
মাননীয় মন্ত্রীর কথায় বুঝাই যাচ্ছে যে তিনি মোটামুটি কোচিং বাণিজ্যের পক্ষে। আর তা যদি না হত কেন শিক্ষাক্ষেত্র থেকে এই অভিশাপ প্রথা দূর হচ্ছে না? অপরদিকে মাননীয় মন্ত্রী বলেছেন যে সব কোচিং সেন্টার বন্ধ নয় তাহলে দুর্বল ভার্সিটির বলেন এর সুবাদে কখনো কোচিং বন্ধ হবে না। বরং আমি মনে করি এটাকে জায়েজ করা হচ্ছে।