মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

D.Md.Enayet Hossain, ১৫ মার্চ, ২০১৯
মাননীয় সম্পাদক আসসালামু আলাইকুম। মন্তব্য/ পোষ্টগুলি এডিট করার সুযোগ থাকলে ভাল হয়। কারোর এডিট করার প্রয়োজন হতে পারে। এডিট করার সুযোগ দিন।
D.Md.Enayet Hossain, ১৫ মার্চ, ২০১৯
বাংলাদেশের এক শ্রেণির বিজ্ঞ আলিম এক সময় রাজনীতি অপছন্দ করতেন ।এখন তাঁরা রাজনীতি করেন। রাজনীতিকে বৈধতা দিয়েছেন। সরকারি চাকরিও ছিল এ তালিকায়। সরকারি প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ফাউন্ডেশনে তাঁরা এখন চাকরি নিচ্ছেন। এক সময় ব্লাড ট্রান্সমিশনকে তাঁরা পারমিট করতেন না। এখন করেন। ইসলামিক স্কলাররা এ সব বিষয় নিয়ে গবেষণা করে যাচ্ছেন। অগ্রগতি হচ্ছে। সকলকে দেশের ইতিহাস জানতে হবে।
D.Md.Enayet Hossain, ১৫ মার্চ, ২০১৯
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজগুলোতে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পড়ানো হয়। বিষয়টি তাদের কারিকুলামভুক্ত। নির্দিষ্ট পাঠ্য পুস্তক আছে। কিন্তূ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক কস্তরের কোন শ্রেণিতে মুক্তিযুদ্ধের নিদিষ্ট কোন পাঠ্যপুস্তক নেই। বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বই এ মুক্তিযুদ্ধের কিছু অংশ পড়ানো হয় যা মক্তিযুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস নয়। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে মানবিক শাখায় কোন কোন বিষয়ে খন্ডিত / অপূর্ণাঙ্গ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পড়ানো হয়। কওমী মাদ্রাসায় মক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পড়ানোর উদ্যোগ যথার্থ। সকল ধারার শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রতি শ্রেণিতে শ্রেণি উপযোগী ‘মুক্তিযুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস’ পাঠ্য বই থাকা আবশ্যক।
Shirin, ১৪ মার্চ, ২০১৯
এরা হল এ দুনিয়ার কট্টরপন্থী মুসলমান। এরা যেখানে বিজ্ঞানের অবদানকে স্বীকার করবে,তবুও এদের মধ্যে এমন কেউ আছে যারা মেরাজ শরীফকে বিশ্বাস করতে চায় না। যাদের কাছে শবে বরাত,শবে ক্বদর,আশুরাসহ আরো গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী বিষয় নিয়ে যাদের আপত্তি রয়েছে তারা কিভাবে এ ধরণের নিয়ম কানুনের প্রতি শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস থাকবে বলুন। তাই যত ধরণের আইন করুন না কেন তারা মানবে না। কারণ এরাতো দেশের সার্বভৌমত্বকে পর্যন্ত স্বীকার করে না তাদের মধ্যে এমন লোকদেরও অভাব নেই।