মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

Partha Sarathi Ray, ০৩ এপ্রিল, ২০১৯
বৈশাখী ভাতার জন্য এবছরওকি বাসন-খোড়া নিয়ে বসতে হবে? পহেলা বৈশাখের পরে বৈশাখী ভাতা দেওয়া মানে এটা এক ধরনের অপমান।
সাগর খান, ০২ এপ্রিল, ২০১৯
কারিগরির শিক্ষকরা এমন কি অপরাধ করেছে যে তাদের ১০% হারে কাটতে হলো। একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে জেনারেল শিক্ষকদের তুলনায় কারিগরির শিক্ষকরা পায় ৪% কম। করিগরি শিক্ষার কি কোনই মূল্য নেই? প্রশ্ন রইল কর্মকর্তাদের কাছে। যদি আপনাদের কাছে এর কোন মূল্যই না থাকে তবে কেন মুখে মুখে শুধু কারিগরির শিক্ষার প্রসার নিয়ে বড় বড় বুলি আওরান।
সাগর খান, ০২ এপ্রিল, ২০১৯
কারিগরির শিক্ষকরা এমন কি অপরাধ করেছে যে তাদের ১০% হারে কাটতে হলো। একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে জেনারেল শিক্ষকদের তুলনায় কারিগরির শিক্ষকরা পায় ৪% কম। করিগরি শিক্ষার কি কোনই মূল্য নেই? প্রশ্ন রইল কর্মকর্তাদের কাছে। যদি আপনাদের কাছে এর কোন মূল্যই না থাকে তবে কেন মুখে মুখে শুধু কারিগরির শিক্ষার প্রসার নিয়ে বড় বড় বুলি আওরান।
মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ, ০২ এপ্রিল, ২০১৯
কারিগরী ও স্কুল শিক্ষকদের সাথে মিল রেখে একই সময়ে মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ছাড়ার জোর দাবী জানাচ্ছি । যিনি বারবার মাদ্রাসা শিক্ষকদের কষ্ট দিচ্ছেন তাকে আল্লাহ পাক হেদায়াত দান করুন ।
Mizanur rahman, ০২ এপ্রিল, ২০১৯
মাদরাসার শিক্ষকদের প্রতি অনিহা প্রকাশ কেন ? এই দেশের 90% মানুষ মুসলিম হওয়া সত্বেও মারাসার শিক্ষকগণ যথাসময়ে বেতন-ভাতা পান না , বড় দু:খ জনক বিষয়। এই অধিদপ্তরে এমন একজন পরিচালক দরকার যার মধ্যে মানবতাবোধ আছ। পেটে ক্ষুধা থাকলে মুখ দিয়ে পড়া বের হয় না । তাই যথাসময়ে বেতন না দিয়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন হাজারো চেষ্টা করলে সম্ভব হবে বলে আমার ক্ষদ্র জ্ঞানে মনে হয় না। সামান্য বেতন পাই , তাও আবার যথাসময়ে পাই না । এক দেশে ভিন্ন পন্থা , সবাইকে এক সাথে বেতন দিলে সবাই উপকৃত হবে । দৈনিক শিক্ষার মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকরষণ করছি।
Shirin, ০২ এপ্রিল, ২০১৯
মাদরাসা শিক্ষকদের বেতন ছাড়তে দেরি হবার কারণ হল এই অধিদপ্তরে তরকারির তুলনায় ধনে পাতা বেশি তাই। আর দক্ষ লোকের জায়গায় যদি দক্ষ লোক নিয়োগ দেয়া হলে অবস্থা আরো বারোটা বাজবে।
Shirin, ০২ এপ্রিল, ২০১৯
বেতন ও বৈশাখী ভাতা এক সাথে দিলে তাড়াতাড়ি খরচ হয়ে যাবে। তাই আলাদা আলাদা করে দিলে টাকা খরচ হবে কম।
মুসফিকা চৌধুরী, ০২ এপ্রিল, ২০১৯
মাদ্রাসা সব সময় পিছিয়ে, এটা যে কত খানি অপমান জনক তা তাদের মনই হয় না কারন তারা তো আর এই সরকারি বেতনের অপেক্ষায় থাকে না তাই নয় কি? কেন এত কাজে গাফিলাতি, ভাল না লাগলে পদত্যাগ করলেই হয় কত সৎ লোক আছে যোগ্য কাজের জন্য, আমাদের অনেক ভুল যা আমাদের শিক্ষা ব্যবসহা কে ধংসব করছে
walieurrahman chowdhury, ০২ এপ্রিল, ২০১৯
”শিক্ষক-কর্মচারীরা ১০ এপ্রিল পর্যন্ত নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে বেতন-ভাতার সরকারি অংশ উত্তোলন করতে পারবেন।” দিনাজপুর জেলার আমরা শিক্ষক কর্মচারী কোন মাসেও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্ধারিত সময় অনুসারে বেতন ভাতদি উত্তোলন করতে পারি না। ব্যাংকে গেলে বলা হয় এমপিও আসে নাই । ঢাকা থেকে এমপিও আসতে ১০ দিন অতিবাহিত হয়। তাহলে আমরা বলতে পারি কি মাননীয় প্রধাণ মন্ত্রির ডিজিটাল বাংলাদেশ নয় এনালক বাংলাদেশ ?
alamgir, ০২ এপ্রিল, ২০১৯
মাদ্রাসার খবর কি
মেঃ নওশের আলী, ০২ এপ্রিল, ২০১৯
মাদরাসা শিক্ষকদের মার্চ ২০১৯ মাসের বেতন ও বৈশাখী ভাতা এক সাথে ছাড়া হোক।
মেঃ নওশের আলী, ০২ এপ্রিল, ২০১৯
মাদরাসা শিক্ষকদের বেতন ছাড়তে দেরি হয় কেন? এই অধিদপ্তরের লোকবল কি একেবারেই অদক্ষ দক্ষ লোকের অভাব হলে আমাকে নিয়োগ দেওয়া হোক। মোঃ নওশের আলী প্রভাষক পাচ পাখিয়া সিদ্দিকীয়া ফাযিল মাদরাসা শৈলকুপা ঝিনাইদহ।
এনামুল হক, ০২ এপ্রিল, ২০১৯
কত % কেটেছে