মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

মোঃ ‌আজাদ ‌সরকার, ১৫ এপ্রিল, ২০১৯
আজও বন্ধ হয় নাই,এম পি ও জালিয়াতি,এমন কি,অভিযোগ দিয়েও কোন কাজ হয় না।গাইবান্ধা জেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে একটি অভিযোগ করা হয়,এম পি ও জালিয়াতি নিয়ে,গোবিন্দগন্জ উপজেলার একটি আলিম মাদ্রাসার সহকারি মৌলভী এম পি ও জালিয়াতি করে,সিনিয়র প্রভাষকের স্কেলে ২৯০০০৳ বেতন নিচ্ছেন,। তা জানার পরেও কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।একটা কথা আছে, "সরকারের মাল,দরিয়ায় ধাল," ।সরকারের টাকার কোন মূল্য নেই,।আবার যে আরবি প্রভাষকগণের ফাজিল ও কামিল সনদ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর মানহীন,তাদের কোন পদোন্নতি হবে না,তারা প্রভাষক হিসেবেই থাকবেন,ঐ পদ শূণ্য হলে,যথাযথ শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে হবে কিন্তু দেখা যাচ্ছে এই মানহীন সনদের প্রভাষকগণ টাকা ঘুষ দিয়ে সহকারি অধ্যাপক পদে পদোন্নতি হচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স,মাষ্টাস করা প্রভাষকগণ পদোন্নতি পান না,কিন্তু উচ্চমাধ্যমিক মানের ফাজিল ও কামিল সনদধারী গণ সহকারি অধ্যাপক হচ্ছেন।
মো; সুমন বাবু, ১৫ এপ্রিল, ২০১৯
এই শুধু নীলফামারী জেলা নয় বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় একই অবস্থা । সকল তথ্য সংগ্রহ করে প্রকাশ করার জন্য dainikshiksha.com বিশেষ ভাবে বলা যাচ্ছে ।
মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, ১৫ এপ্রিল, ২০১৯
সবজেলার একটি করে প্রতিবেদন প্রকাশ করলে চিত্রটি কেমন হবে?
মোঃ শাহিদুল ইসলাম, ১৫ এপ্রিল, ২০১৯
এখন অতিরিক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের এমপিও কী বাতিল হবে? যদি হয় এর সাথে জড়িত সরকারি কর্মচারীদেরও যেন শাস্তির আওতায় নেয়া হয়।