মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

সাকলাইন, ২৭ মে, ২০১৯
জাতীয়করণ না করার পিছনে এসব শয়তান্দের হাত রয়েছে।
রফিকুল ইসলাম, ২৭ মে, ২০১৯
আমাদের এই দেশে শিক্ষা অফিসারা বলেন তাড়াতাড়ি দেন নামাজের সময় হয়েছে নামাজ পড়তে হবে ।চলে যাব।এটা যেন তাদের অধিকার এমন বেহায়ার মতো বলে।আর এটাই আমার দেশের আসল চিত্র ।চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া আর কিছু করার নেই কারণ এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে এখন ।
মেহেদি হাসান মানিক, ১৮ এপ্রিল, ২০১৯
এটা শুধু গাজিপুরের চিত্র নয়। সারা বাংলাদেশের চিত্র।উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং জেলা শিক্ষা অফিসার তাদের কাছ গেলে এমপিওর কাজ নিয়ে তাদের কাছে গেলে তাদেরকে ঘুষ দিতেই হবে।ঘুষ নেওয়াটা তাদের অধিকার হয়ে দারিয়েছে। প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে নিতি নির্ধারক যারা আছেন তারাও চায় না ঘুষ-দুর্নীতি উঠে যাক। উপজেলা শিক্ষা অফিসাররা চাঁদা তুলে মোটা অংকের টাকা উচ্চ পর্যায়ে দিয়ে তাদের হাতে এমপিওর কাজ রেখেছে। যতদিন না পর্যন্ত কোনো দুর্নীতি বাজ ঘুষকুর ধরার সঙ্গে সঙ্গে চাকুরীচুত করা না হবে ততদিন পর্যন্ত বাঙ্গালীর রক্তে মিশে তাকা দুর্নীতি দূর হবে না।
মোঃ কামরুজ্জামান, ১৮ এপ্রিল, ২০১৯
এত সুযোগ সুবিদা পাওয়ার পরও ঘুষ চাকূরী থেকে বাদ দেওয়া উচিত।
মোঃ মোসলেম উদ্দিন, ১৮ এপ্রিল, ২০১৯
এটা শুধূমাত্র গাজিপুরের নয়। সারা বাংলাদেশের চিত্র। কোথায়ও প্রকাশিত। কোথায়ও সুপ্ত। ভোলা জেলার চরফেশন উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ঘুষ নেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক দ্বারা। নতুন নিয়োগ 30000 টাকা, ইনডেক্সধারী 10000 টাকা। দূর্ণীতি দমন আমাদের দেশের প্রশাসন দিয়ে হবে না। বাহিরের দেশে থেকে প্রশাসন আমদানি করতে হবে।
Utpal, ১৮ এপ্রিল, ২০১৯
এখানে যে দুই জন শিক্ষা কর্মকর্তার নাম এসেছে তাদের দুই জনকেই আমি নিজে ঘুষ দিয়েছি। এর মধ্যে কালিয়াকৈর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ৫000 টাকা ও গাজীপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ৪০০০ টাকা নিয়েছেন। যদিও উনারা টাকা নিয়ে যথাসময়ে কাজ করে দিয়েছেন, তাতে মার্চ মাসের এমপিওটাই ধরা গেছে এবং বোনাস হিসেবে পাওয়া গেছে বৈশাখী ভাতা। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অনেকেই ২-৫ মাস বেকার খাটছেন আবার এমপিওর কাগজপত্র রেডি করে ইনডেক্স নম্বর পাওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে টাকা দিতে দিতে এক থেকে দুই মাসের বেতন চলে যাচ্ছে তার মানে প্রায় ৬/৭ মাস বেকার খাটার চাকরী পেয়েছে সবাই। এই অবস্থার উত্তরণ প্রয়োজন।
অধ্যক্ষ মো. রহমত উল্লাহ্‌, ১৮ এপ্রিল, ২০১৯
সমাজের সর্বত্র পচন। এই রেবেকারাই সমাজে প্রতিষ্ঠিত। তাদের ছেলেমেয়েদের বিয়েও হবে ভাল।
অধ্যক্ষ মো. রহমত উল্লাহ্‌, ১৮ এপ্রিল, ২০১৯
শিক্ষক নেতারা কী বলেন ও করেন এসব দুর্নীতি বন্ধের জন্য?
অধ্যক্ষ মো. রহমত উল্লাহ্‌, ১৮ এপ্রিল, ২০১৯
যার বিরুদ্ধে আগেই দুর্নীতির অভিযোগে ঝাড়ু মিছিল হয়েছে তাকে নিয়োগের পিছনেও ঘুষের বিষয় থাকতে পারে। এসব অভিযোগ সামলাতেও তিনি ঘুষ দিতে পারেন এবং বদলি ব্যতীত অন্য সাজা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
D.Md.Enayet Hossain, ১৭ এপ্রিল, ২০১৯
রেবেকা আপা কারো কাছে ঘুষ চান না। শিক্ষকরা নিজের ইচ্ছায় ঘুষ দেন!!! শিক্ষকরা যা দেন তাই নেন। উপজেলা থেকে শুরু হয়। মীরপুর তক চলে।
জহিরুল ইসলাম, ১৭ এপ্রিল, ২০১৯
ওরে রেবেকা, তুমি কি মরবে না.....?? রেবেকা আসলে একা নও, সারা দেশের শিক্ষা অফিস গুলোতেই এসব ঘটছে। আর এই রাস্তা তৈরী করে দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রনালয়।। MPO আবেদন অনলাইন করছে যাতে ঘুষ না দিতে হয়।।। আরে আগে তো ঘুষ একবার খাইতো আর এখন পদে পদে খায়।।। এই ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রনালয় এর শীঘ্রই কঠিন পদক্ষেপ নেয়া উচিত।।।। মুন্সীগঞ্জ এলাকার শ্রীনগরের এক স্কুলে সহকারী প্রধান শিক্ষকের কাছে জেলা শিক্ষা অফিসার এম.পি.ও DEO তে পাঠানোর জন্য ৩০,০০০/- টাকা দাবি করে, আর ওই বেকুব শিক্ষক তাকে ১৫,০০০/- দিয়ে কাগজগুলো Send করায়.. এরপরদিন DEO তে আবার ৮,০০০/- দিয়ে আসে অগ্রিম।।। দিবেই না বা কেন, না দিলেই তো যত ঝামেলার গল্প শুনতে হয়।।।
জাহিদ ইসলাম, ১৭ এপ্রিল, ২০১৯
এটা সকল উপজেলাতে