মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

AL-HELAL, ২৪ এপ্রিল, ২০১৯
শিক্ষকদের মধ্যে বৈষুম্য সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি অশনি সংকেত। তাই এম পি ও ভুক্ত সকল প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ এখন সময়ের দাবী।
মোঃ ‌আজাদ ‌সরকার, ২০ এপ্রিল, ২০১৯
দেশকে ‌এগিয়ে ‌নিতে ‌হলে,‌শিক্ষার ‌উন্নয়ণের ‌বিকল্প ‌নেই । ‌তাই ‌শিক্ষাকে ‌জাতীয়করণ ‌করা ‌উচিৎ।
Mir Mahmud, ২০ এপ্রিল, ২০১৯
পুষ্টিকর ফলের আশায় গাছ লাগিয়ে, শুধু উন্নত ফলের সপ্ন দেখলে হবেনা। গাছকে স্বাস্থবান রাখতে হবে, তবেই সেই গাছ থেকে পুষ্টিকর ফল আশাকরা যায়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন, যেন সকল গাছের সমানভাবে যত্ন নেন। তবেই সকল গাছ থেকে পুষ্টিকর ফল পেয়ে, দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করা যাবে।
Joy Charan Biswas, ১৯ এপ্রিল, ২০১৯
শিক্ষায় যত সমস্যা আছে। জাতীয়করণই একমাত্র সমাধান। বাংলাদেশ যদি ডিজিটাল দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হয়, তবে পুরো শিক্ষাখাত জাতীয়করণ প্রয়োজনীয় শর্ত হিসেবে কাজ করবে।
Raton Roy, ১৯ এপ্রিল, ২০১৯
তুমি আমাকে একটি শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাকে একটি শিক্ষিত জাতি দেব। একথা যদি সত্যি হয় তবে আমরা একজন শিক্ষাবান্ধব প্রধান মন্ত্রি পেয়েছি কিন্তু বেসরকারি শিক্ষকদের কেন সরকারিককরন করা হয় না। এ প্রশ্নের উত্তর কে দেবে?
Md sujan, ১৯ এপ্রিল, ২০১৯
মাননীয় প্রধান মন্ত্রী সেখ হাসিনা বেসরকারি শিক্ষকের জন্য উন্নয়নের এক রোল মডেল।এই উন্নয়ন অন্যকারো দ্বারা সম্ভব নয়।এই উন্নয়ন আপনার দ্বারাই সম্ভব।তাই শিক্ষক জাতির আপনার কাছে প্রত্যাশা ।আপনি যে উন্নয়নের ধারা অব্যহত রেখেছেন,এই মহান কাজে অন্য কেউ যেন শরিক হতে না পারে।এটা আপনা দ্বারাই শেষ হোক।এখন শুধু একটাই বাকী সেটা হল পাঁচ লাক্ষ শিক্ষক কর্মচারির প্রানের দাবি জাতীয়করন।তাই এই মহান কাজটি করে আপনি হয়ে যান চির স্মরনীয়।যা স্মরনীয় হয়ে থাকবে বাংলার ইতিহাসে চিরকাল।আপনার এই অবদানের কথা মানুষ আজীবন স্মরন করবে।আপনি হয়ে থাকবেন চিরস্মনীয়।
Rabindra Nath Tarofder, ১৯ এপ্রিল, ২০১৯
আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক বটে কিন্তু বেসরকারি (স্কুল কলেজ মাদ্রাসা) শিক্ষকরা বহূ ক্ষেত্রে বৈষ্যমের শিকার। এর থেকে মুক্তি পাওয়ার একটাই উপায় জাতীয়করন করা।
SHEIKH ATAUR RAHMAN, ASSISTANT TEACHER(ENGLISH), KUKRADANGA HIGH SCHOOL,SADAR, NILPHAMARI, 01728541763, ১৯ এপ্রিল, ২০১৯
শিক্ষা ব্যবস্থায় যখন ধীরে ধীরে উন্নয়ন ও আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধি হতে যাচ্ছে তখন একধরনের অসাধূ ও দেশদ্রোহী আমলা দেশকে পিছিয়ে দিতে আদাজল খেয়ে বেসরকারি শিক্ষা তথা দেশের সামগ্রীক শিক্ষার উন্নয়নকে ব্যাহত করতে দুষ্ট প্রেতাত্মার কাছে চুক্তি নিয়েছে তাদের অসৎ উদ্দেশ্যেকে সফল করার জন্য যা গত ১৫/০৪/১৯ তারিখের ১০% অবসর ও কল্যাণ বাবদ চাঁদা কর্তনের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বহি:প্রকাশ হয়। কারণ ৫% বার্ষিক প্রবৃদ্ধি দিয়ে মাসিক ৪% অবসররের নামে কর্তনের মানে কী? বেসরকারি এমপিও শিক্ষকদের বোকা বানানো ছাড়া কিছুই না।সরকারিরা শতকরা কত টাকা অবসর সুবিধার জন্য জমা করে? তারা যদি জমা না করিয়াও সকল সুবিধা ও সকল ভাতা প্রত্যেক মাসের বেতনে পায়, তবে আমাদের কেন অবসর ও কল্যাণে চাঁদা দিয়ে কিঞ্চিৎ সুবিধা ভোগ দেওয়া হয়? বেসরকারি শিক্ষক/কর্মচারীদের কোন পেনশন সুবিধাও নেই, বাড়ী ভাড়ার শতকরা হার নেই,এমনকি চিকিৎসাভাতাও তেমন নেই কেন? বেসরকারি রোগ ও সরকারি রোগ নামে কী কোন রোগ আছে? বেসরকারি রোগের ঔষধ কম দামী কিন্তু সরকারি রোগের ঔষধ মনে হয় বেশি দামী।আমাদের দেশে এমন বৈষম্যমূলক অর্থবন্টননীতি দূর করবে কে?-শেখ আতাউর রহমান, সহশিক্ক্ষক, কুকড়াডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়, সদর, নীলফামারী।
MD. MANZUR RAHMAN, ১৯ এপ্রিল, ২০১৯
Thank you so much, sir. You are right. But who listen to whose word?