মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

Md.Shahidul Islam, Assistant Head Master,, ২৭ এপ্রিল, ২০১৯
৯৮% বে:শি :কষ্ট কজনে বুঝতে পারে?
Rabindra Nath Tarofder, ২৬ এপ্রিল, ২০১৯
স্যার আপনি সত্য কথাগুলো তুলে ধরেছেন। স্যার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।স্যার আমার মনে হয় যারা শিক্ষকদের সাথে এ ধরনের আচরন করছে তারা ভালো পরিবার থেকে আসেনি। এ দেরকে আইনের কাঠগড়ায় নেয়া উচিৎ।
Md.Shahjahan Kabir, ২২ এপ্রিল, ২০১৯
যে সব আমলা ও দালাল নেতা এমপিও ভুক্ত শিক্ষকসম্প্রদায় এর পিছনে লেগে আছে তাদের চিহ্নিত করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী কে জানানো দরকার। তারাই শিক্ষার বারোটা বাঁজিয়েছে,সাথেসাথে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে।অতিরিক্ত ৪%কর্তন কোনভাবেই কাম্য নয়।দ্রুত পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা,বাড়ি ভাড়া, বদলির ব্যবস্থা করতে হবে।সব বৈষম্য দূর করতে হবে, এভাবে,বৈষম্য
Md.Shahjahan Kabir, ২২ এপ্রিল, ২০১৯
বেসরকারি কলেজ ও স্কুল এর শিক্ষকসম্প্রদায় জীবন বাঁজি রেখে নির্বাচন এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে,অথচ বেশিরভাগ সরকারিরা দূরে থাকে,সুযোগসুবিধা এর ক্ষেত্রে উলটো, এ সব বৈষম্য কি দালাল নেতারা দেখেনা,ওদের চোখ কি অন্ধ,না এরা শুধু টাকা দেখে।
মো:মেহেদী মাহমুদ, ২১ এপ্রিল, ২০১৯
Thanks a lot,sir for legible writing. Mehedi,BTA,GOPALPUR.TANGAIL
সেখ মোহাঃ ইসরাঈল হোসেন, ২০ এপ্রিল, ২০১৯
সত্যিই সুন্দর।
SHEIKH ATAUR RAHMAN, ASSISTANT TEACHER(ENGLISH), KUKRADANGA HIGH SCHOOL,SADAR, NILPHAMARI, 01728541763, ২০ এপ্রিল, ২০১৯
কী পরিমাণ নীতি ও সততার অভাব হলে জাতিগঠনের কারিগরদের জীবননাশের পরিকল্পনা করা যায় তা নিয়ে, আমার মনে হয় গবেষণার মাধ্যমে সমাধান বের করা যাবে।বার বার শিক্ষানীতি পরিবর্তন, পরীক্ষাপদ্ধতি পরিবর্তন ও তথাকথিত মুখস্তবিদ্যাকে নিরুৎসাহীতকরণ পরিকল্পনা (সৃজনশীল পদ্ধতি) প্রবর্তন যা পাঠ্যবইয়ে থাকা সঠিক তথ্য-উপাত্ত জানার প্রতি শিক্ষার্থীদেরকে নিরুৎসাহী করছে।বইপড়ার প্রতি মনোযোগ হ্রাস পাওয়ার কারণ হিসেবে একদিকে পরীক্ষাপদ্ধতি পরিবর্তন যেমন দায়ী অন্যদিকে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নও অনেকাংশে দায়ী। -শেখ আতাউর রহমান, সহকারি শিক্ষক(ইংরেজী), কুকড়াডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়, সদর, নীলফামারী, । ইমেইল:[email protected]
Mizanur rahman, ২০ এপ্রিল, ২০১৯
স্যার আমাদের দু:খ বুঝার মত আল্লাহ ছাড়া আর কেউ নাই । স্যার ঈদের আগের মাসের বেতন +বোনাস যা পাই তা দিয়ে ঘর ভাড়া দেওয়ার পর যা থাকে পােশাক কিনার তাে দূরের কথা খানা-পানাহারের মাধ্যমে শেষ হয়ে যায়। কারণ রমযান মাসে খরচ বেশি । বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা বাড়িয়ে দিবে তো দূরের কথা আরোও কাটা হচ্ছে এ কেমন আচরণ , যারা এ কাজে নিয়োজিত তাদের কখনো ভাল হবেনা । যারা শুধু নিজের চিন্তা করে তারাতো মানুষ হতে পারেনা । কারণ মানুষ হলে তো মনুষত্ব থাকতে হবে।
মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, ২০ এপ্রিল, ২০১৯
বলিষ্ঠ আওয়াজ । যাযাকাল্লাহ ।
মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, ২০ এপ্রিল, ২০১৯
স্যারকে ধন্যবাদ। সঠিক ও তথ্যবহুল সত্য প্রকাশের জন্য। আপনার দীর্ঘায়ূ কামনা করছি। সবেবরাত সামনে রেখে দোয়া করি আল্লাহ তায়ালা যেন উপযুক্ত প্রতিদান দেন। শিক্ষক সমাজের অতি গুরুত্বপূর্ণ মনের কথা গুলো তুলে ধরার জন্য কৃতজ্ঞতা । তার পাশাপাশি আমরা কয় টাকা পাই, আবার আমাদের ইনকাটেক্স কেন নেয় ? তাও লিখবেন।
ASHRAFUL ALAM, ২০ এপ্রিল, ২০১৯
জাতীয়করণ চাই।