মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

Jamir Hossen, ২৫ মে, ২০১৯
বাংলাদেশের বেসরকারি কলেজের ৩৫০০ জন অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষকদের জনবল কাঠামোয় অন্তর্ভুক্ত করে মাত্র ১০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে এমপিওভুক্ত করে আগে অর্থনৈতিক নিরপত্তা নিশ্চিত করুন, মানবেতর জীবনযাপন থেকে রক্ষা করুন।বেসরঃ অনার্স শিক্ষকগন এমপিও ভুক্ত হলে শিক্ষার্থীদের টিউশন ফিস কমবে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন ছাড়া এসডিজি অর্জন অসম্ভব।নন-এমপিও অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির ব্যবস্থা করে গরীব শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষা নিশ্চিত করুন ।আমরা বিশ্বমানের শিক্ষা দিব।।তাহলে শিক্ষা ও শিক্ষকদের মান মর্যাদা বাড়বে।
মোঃ শাহিদুল ইসলাম, ২৫ মে, ২০১৯
কেন পারা যাচ্ছেনা কয়েকটি গুচ্ছ পরীক্ষা নেয়া? টাকার ধান্দায়তো ? টাকা ওনারা প্রতিটি গুচ্ছে বেশী করে নিয়ে পেট পুড়লে সমস্যা কোথায় ? কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ১ গুচ্ছ হয়েছে, মেডিকেলে গুচ্ছ আছে, প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ১গুচ্ছ, সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ১গুচ্ছ , ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ১গুচ্ছ করে পরীক্ষা নেয়া যায়। ৫ গুচ্ছে ৫দিন পরীক্ষা নিতে হবে একই কেন্দ্রে। প্রতিটি জেলায় ১টি কেব্দ্র হতে পারে। ১ জন শিক্ষার্থী একটি যায়গায়ই পরীক্ষা দিবে কোন বিশ্ব বিদ্যালয়ে সিট খালিও থাকবে না।
মহঃ আবু কায়েশ, ২৪ মে, ২০১৯
স্যার, সুন্দর এবং বাস্তব লেখার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। কথায় আছে, চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী। যাদের নেশা হলো ভর্তি পরীক্ষায় ৪/৫ টা গ্রুপ করে প্রতিটি গ্রুপে ১০০০/১২০০ টাকা করে একজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৪০০০/৫০০০ টাকা নিয়ে কোটি কোটি টাকা কামাই করার ধান্দা, তারা কখনো আমাদের মতো গ্রামের গরীব জনগনের কষ্ট কোনোদিনও বুঝবে না। মনির খানের গানের কথাটা বারবার মনে পড়ে যায়, পুড়েছে যার কপাল একবার সেই বোঝে আগুনের তাপ........। সেই পোড়া গন্ধ আমি আজও শুনতে পাই। সে যে কত যন্ত্রনা যায়না মুখে বলা.......। ২০১৭ সাল, ভার্সিটিতে চান্স পাওয়ার আশায় মেয়েকে নিয়ে ঘুরেছি বাংলাদেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। একদিকে প্রতিটি ভার্সিটিতে ৪/৫ ফরম তোলা। তারপর মেয়েকে নিয়ে কোথায় থাকবো, কি খাবো, কিভাবে যাবো? মেয়েকে কোনোমতে ঠাই করে আমি ঘুমিয়েছি হয়ত মসজিদের বারান্দায় অথবা নিরাপত্তাহীন কোনো এক জায়গায়। এই কষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বুঝবে না। কারন তারা টাকার নেশায় মাতাল হয়ে গেছে। কষ্টের কথাগুলো মনে পড়লে আজও গা শিহরে ওঠে।। এত সংক্ষেপে বর্ননা করাও সম্ভব নয়। শুধু এটুকুই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বলবো, আপনারা ইহকালে জনগনের হাত থেকে পার পেলেও পরকালে পার পাবেননা।এটাই বাস্তব, এটাই সত্য।