মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

মোঃ ‌আজাদ ‌সরকার, ৩০ মে, ২০১৯
স্যার ‌আপনাকে ‌ধন্যবাদ ও ‌শুভেচ্ছা,‌এমন ‌সুন্দর ‌লেখা ‌উপহার ‌দেওয়ার ‌জন্য।‌বাংলাদেশের ‌শিক্ষকগণ ‌যুগযুগ ‌ধরে ‌‌সরকারের ‌উপেক্ষিত ‌সমাজ ‌কিন্তু ‌জনগণের ‌নিকট ‌সম্মানিত । ‌তাই ‌শিক্ষকদের ‌চরিত্র ‌গঠনে,‌শিক্ষক ‌‌পিতার ‌সন্তান ‌হিসেবে ‌আপনাদের ‌মত ‌শিক্ষককে ‌এগিয়ে ‌আসতে ‌হবে। ‌ব্যবসায়ি,‌রাজনৈতিক ও ‌নানাবিধ ‌পরিবারের ‌সন্তানগণ ‌আজ ‌শিক্ষকতা ‌পেশায় ‌নিয়োজিত,‌মানুষ ‌তার ‌মূলের ‌দিকেই ‌বেশি ‌ধাবিত ‌হয়,‌এই ‌চরিত্রহীন ‌শিক্ষকদের ‌পিতা-মাতার ‌পরিবার ‌কখনই ‌‌‌শিক্ষক ‌তৈরির ‌পরিবার ‌ছিল ‌না। ‌কোন ‌সুদখোর ‌পিতার ‌সন্তান ‌মেধাবী ‌হতে ‌পারে,‌শিক্ষক ‌হতে ‌পারে ‌‌না।‌ ‌আল্লাহ্ ‌হচ্ছেন ‌নবী-‌‌‌রাসুলদের ‌শিক্ষক ‌আর ‌নবী-রাসুলগণ ‌‌‌সকল ‌মানুষের ‌শিক্ষক,,,,,,,,, ,,,,,,, ,,,,,
মুহাম্মদ আলাউদ্দিন ছাবের, ৩০ মে, ২০১৯
কুরুচিপূর্ন অপরাধ মানুষেরা করে, শিক্ষকও মানুষ, তাই। আপনার লিখা সত্য, মানলাম, বিগত দিনে এ ধরনে কুকর্ম করে অনেক শিক্ষক পার পেয়ে গেছে, বিধায় ....................... আরো দু:খ জনক হলে সত্য যে, এ ধরনের অপরাধীদেরকে আমরা টাকা বিনিময়ে আশ্রয় দিয়ে থাকি যেমন সিরাজ দ্দৌলাকে এতদিন আশ্রয় দিয়েছে .............. যিনি বর্তমানে কারাগারে আছে।
সাকলাইন, ২৮ মে, ২০১৯
কথায় আছে- "দূর্জ্বন বিদ্বান হলেও পরিতার্জ্য"। এ প্রবাদটি বাস্তব সত্য। তবে কি আমরা এর কোন তোয়াক্কা করি? সমাজে যারা কুশিক্ষক,শিক্ষক নামের কুলাঙ্গার এরা কি ঐ বাণীর কোন তোয়াক্কা করে? এরা শিক্ষক সমাজের আগাছা। নেই তাদের কোন লজ্জ্বা। এরা সমগ্র শিক্ষক জাতির জন্য,দেশে-বিদেশের জন্য বড় ধরণের লজ্জ্বার প্রতীক হয়ে ক্যান্সার ব্যাধির মত বিস্তার হচ্ছে। এ ধরণের শিক্ষক নামের নরপিশাচ এরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমনকি প্রসাশনে পর্যন্ত তাদের দৌরাত্য রয়েছে। যারা সময়ে সময়ে আদর্শবান ও নিরীহ শিক্ষকদের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠান প্রধান-ম্যানেজিং কমিটিদের ও প্রশাসনের লোকদের দিয়ে হয়রানি করার মানসে অনেক সময় অনৈতিক কর্মকাণ্ডে পর্যন্ত ঝাপিয়ে পড়তে দ্বিধাবোধ করে না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জ্ঞানের কারখানা আর শিক্ষক হলেন ঐ কারখানার চাবিকাটি বা কারিগর। এ অবস্থায় যদি কারখানা ও কারিগরের বেহাল দশা হয়ে থাকে তাহলে জাতির ঠাই কোথায়?
সাকলাইন, ২৮ মে, ২০১৯
তাই শিক্ষক সমাজ,জাতি এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে আর এসব শিক্ষক নামের কুলাঙ্গার ও লম্পটদের হাত থেকে বাচতে চায়। এজন্য এসব শয়তান্দের থেকে বাচার জন্য বিশেষ আইনের ব্যবস্থা করে চাকুরি থেকে তাড়িয়ে দেয়াসহ বিভিন্ন শাস্তির ব্যবস্থা করা ফরয হয়ে দাড়িয়েছে। কেননা এটি এখন সকলেরই প্রাণের দাবীতে পরিণত হয়েছে। যতসম্ভব আইনটি তাড়াতাড়ি প্রণয়ন করে তা প্রয়োগ করা খুবই প্রয়োজন
প্রশান্ত কুমার, ২৮ মে, ২০১৯
এর জন্য স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রয়োজন। কারণ নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হলে ভালো মনের ও মানের শিক্ষক পাওয়া যাবে। যদিও বর্তমানে সহকারি শিক্ষক নিয়োগ স্কুল কমিটির হাতে নেই। কমিটির হাতে নিয়োগ প্রক্রিয়া থাকলে কমিটিতে দুষ্ট লোকের সংখ্যা বেশি হয় ফলে প্রধান শিক্ষক ও সহকারি প্রধান শিক্ষক নিয়োগ যত দ্রুত সম্ভব সরকারি ভাবে নেয়া উচিত। তাহলে কমিটিতে ভালো মানুষ পাওয়া যাবে।