মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

md. shamsul hoque, ১১ জুন, ২০১৯
মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বছরে ছুটি রাখা হয়েছে ৮৫ দিন। এ ছুটিগুলো কেন দেয়া হয় ? নিশ্চয়ই শিক্ষক/কর্মচারীদের একটু বিশ্রামের জন্য। অথচ এই ৮৫ দিনের মধ্যে কমপক্ষে ৫ দিন (শহীদ দিবস, স্বাধীনতা দিবস,বংগবন্ধুর জন্ম দিবস,বাংলা নববর্ষ,বিজয় দিবস ইত্যাদি ) বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে দিবসগুলো যথানিয়মে পালন করতে হয়। তাহলে প্রকৃত অর্থে ছুটি দাঁড়ায় ৮০ দিন। যে দিনগুলোতে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে হয় সে দিনগুলো ছুটির তালিকাভূক্ত কেন করা হয় ? কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাপ্তাহিক ছুটি রাখা হয়েছে ১ দিন। ফলে বছরে ৫২ দিন ছুটি এমনিতেই কম হয়। কই এর জন্য তো বাড়তি পারিশ্রমিক দেয়া হয় না ।কথায় কথায় শিক্ষকদের বলা হয় জাতির বিবেক । জাতির বিবেকরা জাতিকে শুধু দিয়েই যাবেন, জাতি তাঁদেরকে কিছুই দেবে না এটা তো হতে পারেনা। তাই আমার দাবি, ছুটির তালিকায় বাৎসরিক ছুটি ৮৫ দিন না রেখে ৮০ দিন করা হোক অথবা যে দিবসগুলো ছুটির তালিকায় থাকা স্বত্বেও বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে হয় সে দিবসগুলো ছুটির তালিকায় না রেখে অন্য ছুটির সাথে ৫ দিন যোগ করে বাৎসরিক ছুটি ৮৫ দিন করা হোক এবং শিক্ষক/কর্মচারীদের জন্য পৃথক বেতন স্কেল করে বেশী বেতন দেয়া হোক।
সাকলাইন, ১০ জুন, ২০১৯
সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেন একসাথে ভালভাবে সিলেবাস শেষ করতে পারে সেজন্য আলাদাভাবে পরিক্ষা কেন্দ্র গড়ে তুলতে হবে।
সাকলাইন, ১০ জুন, ২০১৯
আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ আমাদের প্রতিবেশী। তাদের সংস্কৃতি,আচার-আচরণ,কৃষ্টি,ধর্মীয়,চিন্তা-চেতন ও মনোভাবের সাথে কোন ধরণের মিল নেই এবং হবেও না। তাই তাদের শিক্ষানীতির বৈশিষ্টের সাথে আমাদের কোন অবস্থাতেই অনুকরণ করা যাবে না।
সাকলাইন, ১০ জুন, ২০১৯
প্রযুক্তির উতকর্ষতার সময়ে কি এসব ভুয়া প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের শাস্তির আওতায় আনা যায় না? যারা মানুষদের হয়রানি ও প্রতারনার মানসে প্রযুক্তিকে অপব্যবহার করে তাদের শাস্তির আওতায় আনা হোক।
মহঃ আবু কায়েশ, ১০ জুন, ২০১৯
সরকারি চাকুরীজীবিদের সাপ্তাহিক ছুটি দুই দিন আর বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য সাপ্তাহিক ছুটি ১ দিন। তাহলে এই ছুটি বাতিল করে সরকারি চাকুরিজীবিদেরকে আরও একদিন ছুটি বাড়িয়ে সপ্তাহে তিন/চার দিন ছুটি ঘোষনা করেন। আর বিভিন্ন ঊৎসব ছুটি সরকারি বেসরকারি সবাই পেলেও বেসরকারি শিক্ষকদের ঐদিন বিদ্যালয়ে উপস্হিত থাকতে হয়। এবার আসি পরিক্ষাকালীন ছুটি। পরীক্ষা কালীন ছুটি বলে কি কোনো ছুটি আছে? বরং পরীক্ষা চলাকালীন দুই সিফট মিলে সকাল থেকে সন্ধা পর্ষন্ত থাকতে হয়। এখন থাকলো রমজান, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহার ছুটি। ভেবে চিন্তে দেখেন এই ছুটিগুলো কিভাবে বাতিল করা যায়?
Md.Manirul Islam, ১০ জুন, ২০১৯
কিছু শিক্ষক আছে শিক্ষক নামের কলঙ্ক তাদের থেকে সরকারকে সাবধান থাকা উচিৎ । রাজধানী অথবা বিভাগীয় সহরের প্রতিষ্ঠান প্রধান গনের সাথে কোন মতাতম শেয়ার করা প্রয়োজন হয়না বরং সরকারের তৃন্যমুল পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানের প্রতি নজর রেখে সব কাজ করা উচিৎ ।