মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

MD.EDRISH ALI, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
কি করি আজ ভেবে না পাই? পথ হারিয়ে কোন দিকে যাই? সবই মনে হয় ফাকি 5242টি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের জীবনটাই এখন ঝুঁকি!টাকা নাই পয়সা নাই সংসারে শুধু হা হা কার,চোখের পানি শুধু সাথী নিভে যেতে পারে জীবনের বাতি! চিকিৎসা পাবে কোথায় সংসারে নাই টাকা জীবনে পড়া শুনা করে শিক্ষকতা পেশায় এসে খেয়েছে সবাই ধোঁকা!তাই তাদের আল্লাহর ওপর ভরসা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি এই অবহেলিত শিক্ষকদের করবেন না নিরাশা|এমপিও হবে স্বীঃ5242টি প্রতিষ্ঠান সকলের মনের মধ্যে এটাই করছে আশা,তা হলে সমাজের কাছ থেকে এই অবহেলিত শিক্ষকগন পাবেন ভালবাসা|
MD. REZAUL KARIM, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বর্তমান অবস্থাঃ আমাদের গ্রাম বাংলার বিভিন্ন সমাজে চাকুরিজীবীদের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, পুলিশ, সেনা সদস্য, বর্ডার গার্ড, ও বিভিন্ন কল কারখানার শ্রমিকরাই বেশি । ২০১৫ সালের পূর্বে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগন উল্লেখিত চাকুরিজীবীদের তুলনায় মোটামুটি ভাল বেতন-ভাতা পেতেন। ফলে সামাজিক মর্যাদাও সম্মানজনক পর্যায়ে ছিল। কিম্তু ২০১৫ সালে উল্লেখিত চাকুরিজীবীদের বেতন স্কেল দ্বিগুণের পাশাপাশি বেতন গ্রেডের পরিবর্তন সহ বিভিন্ন ভাতা বৃদ্ধি করায় আজ সমাজে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগন অপেক্ষাকৃত অনেক কম বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। তাই মর্যাদাও কমেছে । বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শুধু স্কেল দ্বিগুন হয়েছে বটে কিন্তু সেইসাথে ৪% কর্তন ও হয়েছে। এতে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে । তাই সমস্যা সমাধানে জাতীয়করণ জরুরী।
বেল্লাল হোসেন, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
মাদ্রাসা শিক্ষার ক্ষেত্রে অশুভ লক্ষন নয়তো।।
MD.EDRISH ALI, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
এমপিওর কি অবস্থা স্বীকৃতিপ্রাপ্ত5242টি প্রতিষ্ঠানের?কোনো মানব দরদী কি বাংলার জমিনে নাই?এদের অসহনীয় যন্ত্রনা দায়ক চাকরি প্রাপ্ত জীবনের দুঃখ দূর করার কি কেউ নেই?যিনি এই জীবন্ত কংকাল শিক্ষকদের কথা ভেবে দেখবেন|আর এমপিওর জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে হস্তক্ষেপ করতে আকুল আবেদন জানাবেন!
মোঃ ‌আজাদ ‌সরকার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
মাদ্রাসার জন্য, অশুভ কোন পরিকল্পনার অংশ নয়তো? স্থগিত কথা শুনলেই ভয় হয়,টাইম স্কেল সেই যে স্থগিত হলো, এখনো তার কোন খবর নেই। এত গুলো স্কুল, কলেজ সরকারি হলো, সেখানে মাদ্রাসার স্থান নেই। মাদ্রাসায় অনেক শিক্ষক ও প্রভাষক আছেন, যারা অনেক ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স -মাস্টার্স ডিগ্রিধারী,চাকুরী বাজারে টাকার প্রতিযোগিতায় হেরে মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেছে, এই শিক্ষকগণ মেধায় স্কুল -কলেজের শিক্ষকদের চাইতে কম নয়,তবুও তাদেরকে মূল্যায়ন করা হচ্ছে না, প্রতিষ্ঠান প্রধান মৌলভী হওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে প্রতারিত হচ্ছে, আবার সরকার থেকেও তেমন সহযোগিতা করা হচ্ছে না।
MD.EDRISH ALI, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
সব সমস্যার সমাধান হতে পারে এমপিওর ক্ষেত্রে তা হলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সৎ সাহস নিয়ে একটি ঘোষনা দিবেন স্বীকৃতিপ্রাপ্ত5242টি প্রতিষ্ঠান এমপিও দিলাম|যা একটি বিপ্লবিক ঘোষনা হয়ে ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিবে|আশা করছি অচিরেই কাঙ্খিতো ঘোষনাটি বাংলার অবহেলিতো ,নির্যাতিতো,বনচিতো,নিষ্পেষিতো,মানবেতর জীবন যাপন করা শিক্ষক সমাজ নিজ কানে শুনতে পাবে!দীর্ঘ দিনের ঘুনে দরা জিমিয়ে পড়া জীবন মানের কিছুটা হলেও উন্নতি হবে!সমাজ এদেরকে মানুষের সারিতে দাঁড় করাবে!
মো: লোকমান হোসেন তাজপুর মাদরাসা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
আগষ্ট মাসের নুতন এমপিও ফাইলগুলো পাঠাইয়া ডিডি কর্তৃক রিজেক্ট হয়ে গেল । কূলে এসে তরী ডোবার মতো ঘটনা । এখন মেমিসের কাছে প্রশ্ন আইডি এবং পাশওয়ার্ড আগেরটাই থাকবে নাকি নুতন তৈরী হবে ।