মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

A. S. M. Ferdous Rana, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
পাগলামো ছাড়া কিছুই না। মাধ্যমিকের শিক্ষকদের দিয়ে পরীক্ষা নিবে তাহলে খাতা মূল্যায়ন কে করবে? তার থেকে পরীক্ষা না নিলেই হয়। টাকা নষ্ট হবে না।
Habibur Rahman Khan, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
আহা! অতি দুঃখের কথা। পরিক্ষা কেন্দ্রে প্রাথমিকের শিক্ষক না থাকলে ছোট ছোট বাচ্চাদের উত্তর বলে দেবে কে? তা না হলে তো বড় স্যারদের থলের বিড়াল বেরিয়ে যাবে।৷৷ মাননীয় মহাপরিচালক, সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
rezaemostafa, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
প্রাথমিক শিক্ষকরা কি মামার বাড়ির আবদার পেয়েছে? এরা কি সরকারের নিকট টাকশাল জমা রেখেছে? কথায় কথায় তারা আন্দোলনের কথা বলে অযুক্তিক দাবি তারা সরকারের নিকট ন্যস্ত করে। একটা বিবেক করা দরকারতাদের আন্দোলন কতটুকু সিদ্ধ । তারা যে দাবিগুলো করছে তা কিভাবে সম্ভব? একজন প্রাইমারি প্রধান এর সাথে একজন উপজিলা প্রাইমারির শিক্ষক অফিসারের গ্রেড সমান হতে পারে না। তাই তাদের অন্যায় মূলক দাবি কোনদিনও কাম্য নয়।
মোঃ ‌আজাদ ‌সরকার, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
মাধ্যমিক শিক্ষক সংগঠন ও মাদ্রাসা শিক্ষক সংগঠন গুলির নিকটে অনুরোধ করছি, আমলাদের এই চক্রান্তে সহযোগী হিসেবে কাজ করবেননা। এ রকম একটি ধিকৃত কাজ প্রাথমিক শিক্ষকগণ করে ছিল, তাই বলে প্রাথমিক শিক্ষকদের মত ভুল কাজ করলে, বার বার আমলারা জয়লাভ করবে। বরং উচিৎ হবে, প্রাথমিক শিক্ষকদের আন্দোলনকে সমর্থন করা।
PROBAL PRADIP, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
পরীক্ষা না হয় নিলেন, খাতা দেখবে কে? সুষ্ঠ সমাধানই কাম্য। সরকার এবং শিক্ষক উভয়কেই ইতিবাচক দৃষ্টি ভংগি অনুসরন করতে হবে।
Rabindra Nath Tarofder, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
মৌআলু খাবেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আর মৌআলুর গাছ খাবেন বে-সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। ফন্দি তো ভালই আটছেন।
মুহাম্মদ হারুন অর রশিদ, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
শিক্ষকদের দাবি মেনে নেওয়া উচি।
Md. Rafiqul Alam, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
দাবী দাওয়া নিয়েএকটা সমঝোতায় আসা উচিত।
rezaemostafa, ০৫ নভেম্বর, ২০১৯
সুন্দর সিদ্ধান্ত। মাননীয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষরা আপনারা এগিয়ে যান। এসব শিক্ষক নামের কলঙ্কদের বিরুদ্ধে তড়িৎ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন। খেতে খেতেই এদের জিব্বা লম্বা হয়ে গেছে। প্রয়োজনে তাদের মাইনে কমিয়ে দিন এবং দিনের কার্যক্রমএর হিসাব নিন। টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত যত ধরনের প্রাইমারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একটি নেটওয়ার্ক চক্র তৈরি করে তাদের কার্যক্রমগুলো তদারকি করেন এবং তাদের পাঠদানের কৌশল কার্যাদিও পর্যবেক্ষণ করুন। এ পদ্ধতিতে আশা করা যায় প্রাথমিক শিক্ষার লেখাপড়ার একটি গতিধারার চিত্র ভেসে উঠবে। অন্যথায় সরকারের বছরে বিলিয়ন বিলিয়ন টাকা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে।