মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

rezaemostafa, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
বড় পরিতাপের বিষয় যে গত জোট সরকারের আমলে আমাদের বাংলাদেশ পর পর কয়েকবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দিনরাত অতি কষ্টের পরিশ্রমের মাধ্যমে আমাদের দেশকে পৃথিবীর উন্নয়নশীল দেশের সামনে পরিচয় দেওয়ার মতো একটি প্লাটফর্মে নিয়ে এসেছেন। তাই একসাথে উন্নয়ন ও উন্নয়নের পোকা থাকতে পারে না। এসব পোকা গুলোকে মুক্ত করতে হলে এসমস্ত শয়তান কর্মকর্তাদেরকে অচিরেই বড় ধরনের শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করে দেশকে আমলাতান্ত্রিক অভিশাপ থেকে মুক্তি দিতে হবে। তাহলে দেশের উন্নয়ন দেখা যাবে এবং যোগ্য ব্যক্তি ও গ্রহণযোগ্য প্রতিষ্ঠান স্থান পাবে।
rezaemostafa, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
ঝোঁপজঙ্গল পরিষ্কার করে স্কুলঘর নির্মাণ কাজ এমপিওভুক্তির তালিকায় স্থান পাবার এক সপ্তাহ পর ঝোঁপজঙ্গল পরিষ্কার করে স্কুলঘর নির্মাণ কাজ শুরু হয় নড়াইলের নড়াগাতি থানার চান্দেরচর এলাকার পঞ্চগ্রাম নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। এই বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি চান্দেরচর গ্রামের আসাদুজ্জামান জানান, বিদ্যালয়ের জন্য ৭৫ শতক জমি অনেক আগেই কেনা হয়েছে। ২০০৫ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়। শিক্ষকের সংখ্যা সাত। এখানে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণীর কার্যক্রম চালু রয়েছে। এতদিনেও বিদ্যালয়ের অবকাঠামো বা ঘর নির্মাণ না করার কারণ জানতে চাইলে সভাপতি বলেন, ‘পাশের একটা টিনের ঘরে এতদিন ক্লাস হয়েছে। ঘর নির্মাণের পর এখানে ক্লাস হবে।’ এটা একটি বড় প্রতারণা। তাই এমন সচেতন ও প্রযুক্তির যুগে জাতির বিবেককে হার মানিয়েছে অর্থাৎ প্রযুক্তিকে ব্যর্থতায় পর্যবসিত করেছে। এক্ষেত্রে কারা জড়িত তাদেরকে শাস্তির আওতায় কি আনা যায় না? দয়া করে বিষয়টি সম্পর্কে ভেবে দেখা দরকার। তাই এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে আগাছাগুলো অচিরেই পরিষ্কার করে দেয়া উচিত তথা বাতিল করা উচিত।
rezaemostafa, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
অ্যাকাডেমিক স্বীকৃতিবিহীন প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত জামালপুরের ‘দিপাইত শামছুল হক ডিগ্রি কলেজে’ একটি শাখার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারী এমনকি অ্যাকাডেমিক স্বীকৃতি না থাকলেও এমপিও তালিকায় নাম উঠেছে। অথচ একই কলেজের এইচএইসসি (বিএম) শাখায় এমপিওভুক্তির সব শর্তই বিদ্যমান; কিন্তু সেটির এমপিও হয়নি। দিগপাইত শামছুল হক ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মহির উদ্দিন তালুকদার বলেন, ‘এ কলেজের কৃষি ডিপ্লোমা শাখায় শিক্ষক, কর্মচারী ও অ্যাকাডেমিক স্বীকৃতি নেই। এই শাখায় বর্তমানে মাত্র চারজন শিক্ষার্থী আছে। কীভাবে এই শাখা এমপিওভুক্ত হলো সেটা আমার জানা নেই।’সত্যি সত্যি ব্যাপারটি একটি একবার ভেবে দেখার বিষয়। যেখানে একাডেমিক স্বীকৃতি পর্যন্ত নাই এরকম এমন একটি অস্তিত্ববিহীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিভাবে এমপিও হল তা চিন্তা করার বিষয় । ব্যাপারটি দেখে মনে হয় একটি পাগল ছাগলের কান্ড কারবার ছাড়া আর কিছু নয় । তাই এসব দুর্নীতি করার ক্ষেত্রে যে সমস্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জড়িত তাদেরকে স্থায়ীভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হোক এবং এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক স্বীকৃতি ও এমপিও স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়া হোক।
rezaemostafa, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানও এমপিওভুক্ত পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ‘নতুনহাট টেকনিক্যাল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ’-এর অ্যাকাডেমিক ভবন ছিল না। এমপিওভুক্তির পর রাতারাতি ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়। একই এলাকায় ‘পঞ্চগড় বিসিক নগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজও’ এবার এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। হায়রে কপাল প্রকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দুই নম্বর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচে পড়ে গেছে।এক কথায় মাটির নিচে চাপা পড়েছে। যার অর্থ হলো নকল খাঁটি হয়ে গেল আর খাঁটি নকল হয়ে গেল।
rezaemostafa, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
ভাড়া বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি ‘নরসিংদী আইডিয়াল কলেজ ও নরসিংদী বিজ্ঞান কলেজ’ ভাড়াবাড়িতে পরিচালিত। এ দুটি প্রতিষ্ঠানকেও এবার এমপিওভুক্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এমপিওভুক্তির তালিকা প্রকাশের পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ইতোমধ্যে বলেছেন, ‘ভাড়া বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে নীতিমালায় কোন বাঁধা নেই।’ এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘ভাড়া বাড়িতে এখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন দেয়া হয় না।’ তাহলে কি এটি শিক্ষামন্ত্রী নিজের ক্ষমতার দাপটে ভাড়া বাড়িতে এমপিও না দেওয়ার ক্ষেত্রে কোন বিধি বিধান নেই। এটি কোন অন্যায়ের ক্ষেত্রে পড়ে কিনা তা একটু সুবিবেচনায় দেখবেন।
rezaemostafa, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
ভাড়া বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি ‘নরসিংদী আইডিয়াল কলেজ ও নরসিংদী বিজ্ঞান কলেজ’ ভাড়াবাড়িতে পরিচালিত। এ দুটি প্রতিষ্ঠানকেও এবার এমপিওভুক্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।এতে শিক্ষা মন্ত্রী বড় ধরনের আবেগী কথাবার্তা বলেছেন যে এই ধরনের প্রতিষ্ঠান এমপিও করতে নীতিমালায় কোনো বাধা নেই। এতে বুঝা গেল আগে ঘরের বাতি না দিয়ে মসজিদে বাতি দেওয়ারই নামান্তর।
rezaemostafa, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
যথাযথ যাচাই-বাছাই করলে দেখা যাবে শতকরা 50 ভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি ও একাডেমিক স্বীকৃতির যোগ্য নয়। এসব পাঠদানের অনুমতি ও একাডেমিক স্বীকৃতি প্রদানের ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ও বোর্ডের অধিকাংশ কর্মকর্তারাই জড়িত। তাই এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সঠিক লোক দিয়ে বাছাই করা দরকার। উল্লেখ্য এমন লোক নয় যারা রক্ষক নামের ভক্ষক হয়ে থাকে। কারণ প্রদর্শনকারী লোকদের মধ্যে এমন কেউ আছেন যারা মোটা অংকের টাকা পেলে তারা 'না' কে 'হা'এবং 'হা' কে 'না' করে দিতে দ্বিধাবোধ করেন না।
rezaemostafa, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
কলেজটি বাণিজ্যিক ভবনের ২য় তলা হতে ৬ষ্ঠ তলা পর্যন্ত ভাড়া করা ভবনে পরিচালিত হয়ে আসছে। নিচতলায় রেস্টুরেন্ট অগ্নিকা- ঘটার ঝুঁকিতে আছে। একটি অস্তিত্ববিহীন জমির দলিলাদি তৈরি করে কর্তৃপক্ষকে ধোঁকা দিয়ে এমপিওভুক্তির আবেদন করা হয়েছে। জমিটি খারিজ করতে গেলে এই গুরুতর অনিয়ম ধরা পড়ে। কত বড় লজ্জার ব্যাপার। এমপিও দেওয়ার ক্ষেত্রে এসব অনিয়ম কেন তদারকি করা হলো না। এতে স্পষ্টতই বুঝা যায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাই বড় ধরনের দুর্নীতিতে জড়িত। তাই তাদেরকে অচিরেই কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হোক এবং এসব প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিল করে দেয়া হোক।
rezaemostafa, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা কি বসে বসে আঙ্গুল চুষে? সরকার কি এদের বসে বসে দুর্নীতি করার জন্য তাদেরকে চেয়ারে বসে আছেন। এসব জানোয়ারদের নিকট কি কবরের একটু ভয় নেই?
Md. Faruk Hossain, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
সব কিছুরই জবাব দুই শিক্ষা মন্ত্রীকে দিতে হবে। এত অনিয়ম দুর্নীতি এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধংস করবে।
MD.EDRISH ALI, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
ভাল করতে গিয়ে সব খারাপ হয়ে গেল!বুয়েট প্রযুক্তি যেন আই ওয়াষ মার্কায় পর্যাভূষা
md.sohel rana joarder, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
৫২৪২টি প্রতিষ্টান mpo দিলে এতো কথা থাকতো না।
MD.EDRISH ALI, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
আধুনিক বুয়েট প্রযুক্তির অবদান তুগলোকি কারবারি বেমানান!
Md. Alamin Gazi, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
সবথেকে বেশি এমপিও অযোগ্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাদ্রাসা বেশি, শুধু আলেম পর্যায় ২২৮ টা, অথছ বাছায় করলে ২৮ টাও থাকবেনা।
Mizanur rahman, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
Bangabondu abong tar family's name school college gulo mpo hoy na
প্রশান্ত বিশ্বাস, ০৬ নভেম্বর, ২০১৯
মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলা দিন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে প্রতিষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু কলেজ 2019 সালে প্রথম বর্ষের ছাত্র ছাত্রী ভর্তি হয়েছে 160জন, 2019 সালে পাসের হার 84 পারসেন্ট। একাডেমিক স্বীকৃতি পেয়েছে 2015 সালে। নীতিমালার সমস্ত ক্যাটাগরি পরিপূর্ণ হওয়ার পরেও এবার এমপিওভুক্ত হয়নি অথচ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হয়েও ক্যাটাগরি পরিপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও এমপিও পায়নি। অথচ শুনেছি জামাত-বিএনপির যুদ্ধাপরাধী নামে প্রতিষ্ঠিত এমপিওভুক্ত হয়েছে অথচ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর এর নামে একটি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়নি। এটি জাতির কলঙ্ক।