মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

awargirlssecondaryschool, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯
বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলায় অবস্থিত আউয়ার বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়টিকে মাধ্যমিক স্তরে এমপিও ভুক্ত করার জন্য অনুরোধ করছি।
rezaemostafa, ১১ নভেম্বর, ২০১৯
যারা এসব ভুয়া প্রতিষ্ঠানের তালিকা দিয়েছে সেসব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে জরুরিভাবে অ্যাকশন নেয়া হোক।
rezaemostafa, ১১ নভেম্বর, ২০১৯
দেশে এমন কিছু অপ্রয়োজনীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রথমে মাধ্যমিক স্তরের বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার কথা বলা হোক। তম্মধ্যে এমন কিছু স্কুল ও মাদ্রাসা আছে যেখানে ১টি স্কুলে ছাত্র সংখ্যা আছে 1000-2000 জন। অপর একটিতে আছে 160 জন। অনুরূপভাবে ১টি মাধ্যমিক স্তরের মাদ্রাসায় ছাত্র সংখ্যা বেশি থাকলেও অপর ১টি মাদ্রাসায় যতটুকু থাকার কথা তার চেয়ে আরো কম আছে। কিন্তু সরকার কম-বেশি শিক্ষার্থীদের পরিমাণ ও শিক্ষার মান যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রতি মাসে উভয় ধরনের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সমানভাবে বেতন দিয়ে যাচ্ছেন। এক কথায় বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এবং কম সংখ্যক শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সকল প্রতিষ্ঠানে সমানভাবে বেতন দিয়ে যাচ্ছেন এবং সমান সংখ্যক জনবলও রয়েছে।
rezaemostafa, ১১ নভেম্বর, ২০১৯
এবার বলা হোক ইন্টারমিডিয়েট ও আলিম ক্যাটাগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কথা। এখানেও একই দশা যা জরিফ চালালে অনায়াসেই বেরিয়ে আসবে যে, একটি ইন্টারমিডিয়েট কলেজে শিক্ষার্থীর সংখ্যা আছে 300 জন অপর একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা আছে 100 জন। অথচ সরকার সমানভাবে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিমাসে বেতন দিয়ে যাচ্ছেন।একইভাবে ১টি আলিম মাদ্রাসায় আলিম শ্রেণীতে শিক্ষার্থী আছে 30 জন অপর ১টি আলিম মাদ্রাসায় আছে 15জন। অথচ এই উভয় ধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য সরকার প্রতিমাসে সমানভাবে টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে।
rezaemostafa, ১১ নভেম্বর, ২০১৯
এবার বলা হোক ডিগ্রী লেভেলের প্রতিষ্ঠানের কথা যেমন; একটি ডিগ্রী কলেজে ছাত্র সংখ্যা আছে 300 জন। অপর একটি ডিগ্রী কলেজে 150 জনও নেই। একইভাবে মাদ্রাসার অবস্থা আরো সংকটাপন্ন যে ফাজিল মাদ্রাসার একটিতে আছে 30 জন অন্য একটা ফাজিল মাদ্রাসায় 10 জনও নেই । তাহলে এবার বলা হোক এই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যে পরিমাণ শিক্ষার্থী থাকার কথা সেখানে যদি বছরের পর বছর ধরে শিক্ষার্থী সংকট থেকেই যায়,তাহলে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব কি দরকার আছে ? পাশাপাশি বছরের পর বছর এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোটি কোটি টাকা সরকার গচ্চা দিচ্ছে। তাই অচিরেই এসব কম মান সম্পন্ন ও কম শিক্ষার্থী সম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠাগুলোর তালিকা তৈরি করে ওইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদেরকে পার্শ্ববর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরিত করে দেয়া হোক এবং ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদেরকে অন্যত্র বদলি করে দেয়া হোক যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের ঘাটতি রয়েছে। তাহলে এ পদ্ধতিতে যেমনি ছাত্র-শিক্ষকের সমন্বয় ঘটবে,তেমনি প্রতি বছরে সরকারের কোটি কোটি টাকা সাশ্রয় হবে এবং শিক্ষার মানও পরিবর্তন হবে। তাই উপরোল্লেখিত বিষয়াবলী অচিরেই বিবেচনা করার সময় হয়েছে।
rezaemostafa, ১১ নভেম্বর, ২০১৯
তাহলে এবার বলা হোক এই সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যে পরিমাণ শিক্ষার্থী থাকার কথা সেখানে যদি বছরের পর বছর ধরে শিক্ষার্থী সংকট থেকেই যায়,তাহলে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব কি দরকার আছে ? পাশাপাশি বছরের পর বছর এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোটি কোটি টাকা সরকার গচ্চা দিচ্ছে। তাই অচিরেই এসব কম মান সম্পন্ন ও কম শিক্ষার্থী সম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠাগুলোর তালিকা তৈরি করে ওইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদেরকে পার্শ্ববর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরিত করে দেয়া হোক এবং ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদেরকে অন্যত্র বদলি করে দেয়া হোক যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের ঘাটতি রয়েছে। তাহলে এ পদ্ধতিতে যেমনি ছাত্র-শিক্ষকের সমন্বয় ঘটবে,তেমনি প্রতি বছরে সরকারের কোটি কোটি টাকা সাশ্রয় হবে এবং শিক্ষার মানও পরিবর্তন হবে। তাই উপরোল্লেখিত বিষয়াবলী অচিরেই বিবেচনা করার সময় হয়েছে।
rezaemostafa, ১১ নভেম্বর, ২০১৯
পার্শ্ববর্তী দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশি অপর একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তার অর্ধেকও নেই। বলতে গেলে শাকের চেয়ে ধনে পাতা বেশি। কিন্তু উভয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিমাসে সরকার সমানতালে বেতন দিয়ে যাচ্ছে। তাই এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে যে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অপেক্ষাকৃত শিক্ষার্থী কম। ওইসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বদলি করে দেওয়া হোক এবং ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদেরকে অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেখানে শিক্ষক ঘাটতি রয়েছে সেখানে স্থানান্তরিত করে দেওয়া হোক। এ পদ্ধতির মাধ্যমে যে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও শিক্ষার্থী শূন্য করা হবে ওই সব প্রতিষ্ঠানকে পরবর্তীতে বিলুপ্তি ঘোষণা করা হোক। তাহলে এ ধরনের ব্যাঙ্গাচির মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেমন কমবে তেমনি সরকারের রাজস্বও সাশ্রয় হবে ।
rezaemostafa, ১১ নভেম্বর, ২০১৯
দুই হাজার ৭৩০ প্রতিষ্ঠানের তালিকার মধ্যে যুদ্ধাপরাধীর নামে, প্রায় অস্তিত্বহীন, সরকারিকৃত, এমপিওভুক্ত, ভাড়াবাড়িতে ও ট্রাস্ট পরিচালিতসহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও অসঙ্গতির তথ্য প্রকাশ হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো চিরতরে বাদ দেওয়া হোক এবং এদের পাঠদান ও একাডেমিক স্বীকৃতি বাতিল করে দেওয়া হোক। উল্লেখ্য যে এ ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা করনের ক্ষেত্রে যারা দায়িত্ব পালন করেছে তাদেরকে অচিরেই শাস্তির আওতায় আনা হোক । এমনকি তাদেরকে চাকরি থেকেও বরখাস্ত করা হোক।
MD.EDRISH ALI, ১১ নভেম্বর, ২০১৯
বাংলার সাধারণ মানুষের মুখের অপ্রিয় সত্য একটি কথা** যে খেয়েছে তার জন্য ভাত প্লেটে বাড়ো! আর যে খাই নাই তার জন্য চুলার উপর পাতিলে ভাত চড়াও!এটাই আমাদের দেশের বাস্তবতা,কারণ অমানবিক সমাজে মানবিক মূল্যবোধ সম্পূণ মানুষ কোথায় থেকে তৈরি হবে?সবাই নিজের চাওয়া পাওয়া নিয়ে ব্যস্ত| তা না হলে দেখেন যিনারা এমপিওর তালিকা যাচাইবাছাই কাজে জড়িতো ছিলেন তাদের পকেট ভাড়ি করার জন্যই যোগ্য প্রতিষ্ঠান এমপিওর তালিকা থেক বাদ পড়ে আর হ য ব র ল মার্কা প্রতিষ্ঠান এমপিওর তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হয়!আবার ইলিশ আর সিলভারকার্প মাছের দাম একই করে কোন বিবেকে? শহর আর গ্রামের প্রতিষ্ঠান একই শর্ত কি করে হয়?ভাল প্রতিষ্ঠান থেকে বাদ পড়া,ঝরে পড়াদের নিয়ে যে প্রতিষ্ঠান,গ্রামের অর্ধহারে অনাহারে থাকা পরিবারের ছেলে মেয়ে দিয়ে যে প্রতিষ্ঠান চলে,তাদেরকে শহরের ধনীর দুলাল,দুলালীদের সাথে তুলনা করা বুদ্ধিমান ব্যক্তির কাজ হতে পারে?আর যারা শিক্ষক তাদের পেটে ভাত নেই পড়োনের কাপড় নেই ছেলে মেয়ের চাহিদা স্ত্রীর চাহিদা পরিবারের সবার চাহিদা যার কাঁধে নিয়ে যখন বছর যুগ যূগ ধরে টিকে আছে, কোন টাকা হাতে নেই তাদেরকে শহরের শিক্ষকদের সাথে প্রতিযোগীতা করতে বলাটা কতটা যুক্তি যুক্ত?
Md. Abul Kalam, ১০ নভেম্বর, ২০১৯
যেসকল যোগ্য প্রতিষ্ঠান বাদ পড়েছে শেগুলোকে MPO ভুক্ত করা হউক ।
MD.EDRISH ALI, ১০ নভেম্বর, ২০১৯
যাক তাও আমাদের একটি সঠিক জ্ঞানার্জিত হলো যে,বুয়েট প্রযুক্তিতে আমরা অন্যদের থেকে অনেকাংশেই পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থান করছি|
Bijou sen, ১০ নভেম্বর, ২০১৯
পত্র-পত্রিকা দেখে তদন্ত করলে তা আবারও ভুল হবে, কারণ পত্র-পত্রিকায় যে সকল প্রতিষ্ঠানের নাম এসেছে তার বাইরেও আরও প্রতিষ্ঠান আছে যেগুলো কোন ভাবেই M.P.O. ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা রাখে না। যেমন- নাটোর জেলার লালপুর থানার গোপালপুর পৌর মহিলা টেকনিক্যাল বিসনেস এণ্ড ম্যানেজমেন্ট কলেজ যার ছাত্রী নাই অবকাঠামো নাই, অধ্যক্ষ হলো লাল পুর থানা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কেরানী মশাই যিনি দুরনীতি মামলার আসামি যার ছিল না কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা। আর একটা চমক হলো এই প্রতিষ্ঠানের যিনি প্রভাষক তিনি হলেন একজন বইয়ের দোকানদার যিনি S.S.C তে কয়েকবার ফেল করেছে, H.S. C ফেল করেছে। এরা দুজন কিভাবে M.A পাশের সনদ পত্র যোগাড় করল তা একটা মিরাকল।
Md. Abu Juel, ১০ নভেম্বর, ২০১৯
এমপিও এর জন্য সুপারিশকৃত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/কর্মচারীদের এমপিও এর কাগজপত্র/হার্ডকপি কতদিনে চাওয়া হবে/হতে পারে। অনুগ্রহ করে জানাবেন।
Md.Matiar Rahman, ১০ নভেম্বর, ২০১৯
যদি পত্রিকার সংবাদের ভিত্তিতে তদন্ত করা হয়, তাহলে সরকারী কমর্চারী রা কি করলেন! এদের বিরুদ্ধে অাগে তদন্ত করা হউক।
MD.EDRISH ALI, ১০ নভেম্বর, ২০১৯
বিপদ আসিলে চার দিক থেকে আসে,শর্তের চাপে গ্রামে এলাকার স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণ বানের পানিতে গেলো ভেসে,দেখার মতো কোনো মানব দরদী কি আছে?
MD.EDRISH ALI, ১০ নভেম্বর, ২০১৯
ইলিশ আর সিলভার্কাপ মাছ একদাম কি ভাবে সম্ভব হয়? গ্রাম আর শহরের প্রতিষ্ঠানের শর্ত এক সমান হয়?শহরের বাদ পড়ার পর্যায়ের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে যে প্রতিষ্ঠান চালিতো হয়,তাদের কোন যুক্তিতে একই শর্ত দেওয়া হলো?