মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

মো: জসীম উদ্দিন, ১১ নভেম্বর, ২০১৯
অতিরিক্ত ক্লাসের নামে স্কুল কক্ষেই চলে কোচিং শিরোনামটি দেখে আমার মনে পড়ল প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ ক্লাশ রুটিনের আদলে অফিসে রুটিন ঝুলিয়ে দিয়ে শিক্ষকদের যোগশাজসে প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে এ রকম বাণিজ্য চলে।স্থানীয় প্রশাসন ( মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার) এর নাকের ডগায় এসব বাণিজ্য হলেও নিরব দর্শকের ভুমিকা পালন করে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একক প্রচেষ্টায় এসব নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয় বরং আমরা সকলে এগিয়ে আসলে এসব অসৎ উদ্দেশ্য সফল হবে না। এগিয়ে আসার সুযোগ করে দিতে হবে।
মোঃজহিরুল ইসলাম, ১০ নভেম্বর, ২০১৯
নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দরকার হয় কোচিং বা প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ হোক না হয় চাকরি হতে ইস্তফা দিন।
Md. Arshad Hossain, ১০ নভেম্বর, ২০১৯
কোচিং বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে
Md. Arshad Hossain, ১০ নভেম্বর, ২০১৯
কোচিং নামে বানিজ্য বন্দ করা দরকার
Md. Arshad Hossain, ১০ নভেম্বর, ২০১৯
Nirdesh omanno korle aniner awotay ana uchit
আরিফরব্বানী, ১০ নভেম্বর, ২০১৯
এমন অভিযোগ গাজীপুর, কাপাসিয়া উপজেলার " নামিলা আনছারিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার " ও রয়ে। জেডিসি পরীক্ষার্থীদের নিকট থেকে বিশেষ ক্লাসের নামে ১০০০ করে টাকা আদায় করেছে। এবং মাদ্রাসার ক্লাসরুমেই চলে বিশেষ ক্লাসের নামে কোচিং বাণিজ্য ।
MD+Hafizur+Rahman, ১০ নভেম্বর, ২০১৯
দেশের বেশির ভাগ বিদ্যালয়ে একি অবস্থা।সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত কোচিং তারপর নামে মাত্র ক্লাসে হাজিরা দেওয়ার।