মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

rashadul, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
বর্তমান ডিজিটাল বাংলাদেশে যে কোন শ্রেনীর চাকুরী করতে কম্পিউটারের জ্ঞান থাকা আবশ্যক এই আইনটি বাস্ত বায়ন করলেই যথেষ্ট। এই জ্ঞান না থাকলে তাকে দিয়ে প্রতিষ্ঠানের কোন উপকার সাধিত হবেনা। এখন যদি কেই টাকার কাছে বিক্রি হয়ে যায় তাহলে প্রতিষ্ঠানের কোন উন্নতি হবেনা। এটাই বাস্তব।
MD,BILLAL HOSSEN, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
বেসরকারী বিদ্যালয়ে ছাত্রেছাত্রীর সংখ্যা ১০০০ এর বেশী থাকলে অফিস সহকারী ২জন কেন নিয়োগ দিয়া যাবে না
rashadul, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
আমি জানতে চাই নিরাপত্তা কর্মী ও আয়া এই দুটি চাকুরী হওয়ার জন্য অষ্টম শ্রেনী যথেষ্ঠ। এমনকি এটি প্রধান শিক্ষক আর কমিটির মাধ্যমে হয়ে থাকে তাহলে মন্ত্রীর ফোনে কেন তারা ভয় পায়।মন্ত্রী যদি সেটা নিয়োগ দিবে তাহলে পেপারে সুপার ও সম্পাদক বরাবর আবেদন চেয়েছে কেন।আরে সেখানে অনার্স পড়ুয়া ছাত্রকে বাদ দিয়ে অনেক অভিজ্ঞ ছেলেকে বাদ দিয়ে টাকার জন্য যদি সেখানে অশিক্ষিত ছেলেদের নিয়োগ দেওয়া হয় তাহলে সেটা নিশ্চয় ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য শোভা পাবেনা। এমনকি প্রতিষ্ঠানের শোভা বাড়বে না। বরং দিন দিন প্রতিষ্ঠানের অবনতি ছাড়া আর কিছু হবেনা।ধরুন আমরা জানি ঢাকার সেরাটন হোটেল খুব নামি দামী কিন্তুু কেন- আমি জানি সেখানকার মেচিয়ার নাকি অনেক অভিজ্ঞ ও গ্রাজুয়েট সম্পূন্ন। তাহলে প্রতিষ্ঠানের উন্নতি প্রকল্পে কেন ভালো ছেলেকে না টেনে টাকার জন্য সম্মান নষ্ট করবো্।সেজন্য এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক আর কমিটির সভাপতি ছাড়া ভালো ছেলে মন্ত্রী মহোদয় চিনবেন না।তাই তাদেরকে কেন্দ্র করdেই নিয়োগটি দেওয়া উচিত।
আবু সাঈদ, সহকারি শিক্ষক (কম্পিউটার), দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়, নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা। ০১৮১৫৪৬৭৪৪৪, ০২ ডিসেম্বর, ২০১৯
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, সহঃ প্রধান, ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারি NTRCA এর মাধ্যমে নিয়োগ দেয়া হোক। অনেক প্রতিষ্ঠান প্রধান আছেন, যারা- ৬ষ্ঠ শ্রেণির ইংরেজির ১টি বাক্যও পড়াতে পারেন না। আঞ্চলিক ভাষায় ব্যতীত চলিত ভাষায় কথা বলতে পারেন না। ব্যবস্থাপনা করতে পারে না। ভূয়া ভাউচার, ভূয়া টেন্ডার, প্রাইভেট, কোচিং ইত্যাদির নামে টাকা ও সম্পদের আত্মসাৎ করা নিয়ে ব্যস্ত থাকে। সহকারি শিক্ষক সহ অন্যদের গায়েও হাত তোলে। স্থানীয় বাহুবলীয় লোকদেরকে প্রভাবিত করে নিয়োগের ফলে নিরীহ শিক্ষক-কর্মচারিদেরকে অত্যাচারে লিপ্ত থাকে। আবার ব্যবস্থাপনা কমিটি বা গভর্নিং বডি এর সদস্যরা লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দান করে থাকে। ভূয়া ভাউচার, ভূয়া টেন্ডার, প্রাইভেট, কোচিং ইত্যাদির নামে টাকারও ভাগ নেন। বাহুবলে প্রভাবিত হয়ে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারিরা নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে কাজ না করেও বেতন ভাতা তুলে নেয়।