মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

MD.EDRISH ALI, ০২ ডিসেম্বর, ২০১৯
পেট ঠিক তো দুনিয়া ঠিক,বলে একটি কথা আছে!ছাত্রছাত্রীদের পেটে ক্ষুদা থাকলে পড়াশোনায় মনেযোগ আসে না|এই বিষয়টি সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য|যিনারা ঐ ছাত্রছাত্রীদের পাঠদান করাবেন তাদের পেটে ক্ষুদা,পরিবার অভূক্ত ঔষধ ক্রয় করার মতো টাকাও যদি না থাকে তাহলে ঐ শিক্ষকগণ কিভাবে পাঠদান করাবেন? যাদের এমপিও দেওয়ার ক্ষেত্রে শর্ত করে বাদ দেওয়া হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে উপরোক্ত কথাটা প্রযোজ্য নয় কি?মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী!
SHEIKH ATAUR RAHMAN, ASSISTANT TEACHER(ENGLISH), KUKRADANGA HIGH SCHOOL,SADAR, NILPHAMARI, 01728541763, ০১ ডিসেম্বর, ২০১৯
দৈনিক শিক্ষাডটকমের মাধ্যমে মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রীকে আমি ক্ষুদ্র মানুষ হয়ে পরামর্শ দিতে সাহস করি না কারণ বর্তমান যুগ তথ্য-প্রযুক্তির যুগ।যার মাথায় যত বেশি তথ্য আছে সে তত বেশি শক্তিশালী। এখন সৃজনশীল ও কমিউনিকেটিভ ইংলিশের যুগ। তবে ইংরেজী শব্দভান্ডার আছে ব্যাকরণ নাই, স্টোরি বা টেক্স আছে ডিকশনারী নাই। কোন বিদেশী ভাষাকে মনে হয় শুধু রীডিং, রাইটিং এবং লিসেনিং দিয়ে শেখা ও শেখানো যত কঠিন হয়, তার চেয়ে ব্যাকরণ, শব্দার্থ অনুশীলন, বাক্যগঠণ, শব্দগুচ্ছ অনুশীলন, বাগ্ধারা প্রয়োগ-সর্বোপরি উভয় প্রকার তথা বাংলা থেকে ইংরেজী ও ইংরেজী থেকে বাংলায় ভাষান্তরের মাধ্যমেই বেশি শেখা ও শেখানো সম্ভব হওয়ার কথা।এই অনুবাদ কর্মের মাধ্যমেই স্পিকিং ইংলিশে বেশি দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব।বর্তমানে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়ারা চলতি শিক্ষাক্রম ও মূল্যায়ন পদ্ধতি দ্বারা কাঙ্খিত শিক্ষা ও যোগ্যতা অর্জনে অক্ষম। তাদেরকে কেন ভর্তি কোচিং, চাকুরী কোচিং..... করতে হবে। বিশেষকরে বাংলা ও ইরেজী অর্থাৎ ভাষা শিক্ষামূলক বিষয় দুটির পাঠ্যক্রম ও মূল্যায়ন পদ্ধতিতে আমুল পরিবর্তন আনা দরকার।