মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

rezaemostafa, ১৮ জানুয়ারি, ২০২০
আর বর্তমানে ডিজিটাল উপকরণ ব্যবহার করার জন্য সরকার শিক্ষকদেরকে অনেক ধরনের বিনা পয়সায় উল্টো সম্মানি দিয়ে শিক্ষকদেরকে দক্ষতা করতে জোরালো প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। কিন্তু আমাদের সম্মানিত শিক্ষকরা প্রশিক্ষণটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ফেলে এসে এবং টাকাগুলো পকেটে নিয়ে চলে আসে। আর তার বিপরীতে শিক্ষকরা শুধু বিদ্যালয় যায় আর আসে ও গলাবাজির মধ্যেই ব্যস্ত থাকে।
rezaemostafa, ১৮ জানুয়ারি, ২০২০
বর্তমান ইয়াং জেনারেশন যারা নিয়োগ হচ্ছে তারা আছে শুধু অ্যান্ড্রয়েড ও স্মার্টফোন নিয়ে ব্যস্ত। আর মহিলা শিক্ষকদের সংখ্য আনুপাতিক হারে বেশি হওয়ার কারণে তারা আছে শুধু গল্পগুজবের ব্যস্ততায়। তাই দেশের প্রাইমারি শিক্ষায পরিবর্তন আনতে হলে প্রাইমারি শিক্ষাকে আরো কঠোর ভাবে মনিটরিংয়ের আওতায় আনতে হবে।
rezaemostafa, ১৮ জানুয়ারি, ২০২০
যেখানে প্রাইমারি শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের শুদ্ধভাবে বর্ণমালাগুলো শুদ্ধভাবে উচ্চারণ শিখাতে পারছে না পারছে শুদ্ধ কাঠামোতে বর্ণমালাগুলো শিখাতে। কিন্তু তাদের যখন তাদের কে বোর্ডে কোন কিছু লিখতে বলা হয় তখন প্রাইমারির সেই ভুল শিক্ষা ধরণটা উন্মোচিত হয়।
rezaemostafa, ১৮ জানুয়ারি, ২০২০
প্রাইমারি শিক্ষার ক্ষেত্রে শুধু সাফল্যের কথা বললে হবে না। প্রাইমারি শিক্ষায় যদি এত সফলতা হতো তাহলে আজকে শিক্ষার এরকম দুর্দশা কেন? আমি একজন শিক্ষক আজ স্কুলে প্রাইমারি হতে আসা ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদেরকে ক্লাসে জিজ্ঞেস করি বাংলা ভাষায় মোট বর্ণমালা কয়টি ?কেউ বলে 39 টি আবার কেউ বলে চল্লিশটি আবার কেউ বলে 30 টি। এখন প্রশ্ন হল তাহলে অর্জন হলে এই ধরনের অবস্থা কেন? মোটামুটি ইংরেজি আর অংকের কথা বললাম না । তাই সরকার প্রাইমারি শিক্ষকদের পোষ্যপুত্র মত পোষার পরেও তারা যদি শিক্ষাক্ষেত্রে এই ধরনের অনিয়ম নীতিও অবহেলা দেখায় তাহলে দেশের প্রাইমারির পরিবর্তে টেকনিকেল ওয়ার্কশপ চালু করলে দেশের অনেক দেশের অনেক উন্নয়ন হবে।