মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

hasan, ২৭ মে, ২০২০
এখানে একটি বিষয় 19 সালের প্যানেল করলে 14সালের পরীক্ষা যারা 18সালে দিয়ে লিখিত পরীক্ষায যারা পাশ করেছে তাদের বিষয়টা আগে ভাবতে হবে কারণ পদ ফাঁকা থাকার পরেও ভাইভার আগেই 19সালের সার্কুলার দেয়া হয়েছে । না হলে নতুন সার্কুলার দিয়ে নিয়োগ দিতে হবে। অনেকে বলছেন 19সালের যারা কেস করেছেন তাদের না নিয়োগ দিলে কেস মীমাংসা হতে 3-4 বছর লাগবে নতুন সার্কুলার দিতে সমস্যা হবে , এখন 18 সালের লোক কেস করলে সমস্যা কমবে কি? সুতরাং প্যানেল করলে 18 সালের প্যানেলে আগে নিয়োগ দিতে হবে। না হলে নতুন সার্কুলার দিয়ে নিয়োগ দিতে হবে ।
Jahedul Islam, ২৬ মে, ২০২০
প্যানেলে নিয়োগ দেয়া অবশ্যই যৌক্তিক। কারণ ২০১৪ সালের নিয়োগে আমি আবেদন করেছিলাম কিন্তু স্নাতক রেজাল্ট না থাকার কারণে আবেদন গৃহীত হয়নি। এর পর নিয়োগের জন্য সার্কুলার দিল ২০১৮ সালে। সেখানে পাস করলাম। তাই কেন প্যানেলে নিয়োগ দেওয়া যৌক্তিক হবেনা?? তাছাড়া ২০১৫ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত নিয়োগ বন্ধ ছিল। এর জন্য দায়ভার কে নেবে?? আর প্যানেলে নিয়োগ দিলে সরকারের কোন ক্ষতি হবে না, বরং লাভই হবে। তাই প্যানেলে নিয়োগ একটি যৌক্তিক দাবি।
Nil Samrat Bulu, ২৬ মে, ২০২০
আমাদের দেশের প্রয়োজনে ডাক্তার, নার্স নিয়োগ হয়। মানবতার পরিচয় দিতে ১০ লক্ষ রোহিঙ্গাকে জায়গা দেওয়া হয়। প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সংকট নিরসনে প্যানেল কেনো নয়? আমাদের জাতীয় মেধার প্রথম সিড়ি হলো প্রাথমিক শিক্ষা। অথচ, সারাজীবন এখানে শিক্ষক সংকট একটি কমন ডিজিজ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এই ডিজিজ কী কারো চোখে ধরা পরে না? আজ সময় এসেছে দেশ থেকে বেকারত্বের বিদায় জানানোর। যদি এই সুযোগ কাজে লাগানো না হয় তাহলে এই ৩৭ হাজার প্যানেল প্রত্যাশীর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কোন শিক্ষায় শিক্ষিতহবে তা আজ প্রশ্নবিদ্ধ। তাই জেনে শুনে জাতীয় মেধার অবমুল্যায়নের বেড়াজাল থেকে বেড়িয়ে এসে প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সংকট নিরসনে প্যানেল কে হ্যা বলুন।
আশিবুর রহমান, ২৬ মে, ২০২০
প্যানেল যৌক্তিক দাবি
Md. Azim Mozumder, ২৬ মে, ২০২০
না হাসি পারি না। এখানে উল্লেখ্য করছে যে, বিকল্পভাবে সরকার পিইডিপি-৩ এর আওতায় ২০১৩, ২০১৪, ২০১৬ এবং ২০১৭ (মুক্তিযোদ্ধা কোটা) সালে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা মাধ্যমে ৩৬ হাজারের মত সহকারী শিক্ষক (প্রাক-প্রাথমিক) নিয়োগ প্রদান করেছেন। ভালো কথা। কিন্তু উনি মনে হয় বুঝতে পারেননি প্যানেল প্রত্যাশী সব চাকরি প্রার্থী মুক্তিযুদ্ধের কোটাধারী না এখানে ৯৫%(+) সাধারণ প্রার্থী। আর এই সার্কুলার গুলো সাধারণ প্রার্থীর জন্য ছিলো কি? তাছাড়া প্যানেল প্রত্যাশীরা সহকারী শিক্ষক পদের জন্য আবেদন করছে। প্রাক-প্রাথমিকের জন্য।
নারায়ন রায়, ২৬ মে, ২০২০
ভাইবা মার্ক ২০, কেউ নানা তদবির করে ২০নিলো, কেই তদবির করেনি বলে ১৪পাইলে ব্যবধান ৬ অথচ ০.২৫এর ব্যবধানে কারো চাকরি হয়েছে, কারো হয়নি। এতে যাদের হয়েছে তারা মহামেধাবী আর যাদের হয়নি তাদের মেধাই নাই এমন বলা বাতুলতা ছাড়া কিছুই না।
সুজন দাস, ২৬ মে, ২০২০
প্যানেলে নিয়োগ কেন দরকার? ১.বেকারত্ব হ্রাস পাবে ২.শিক্ষক সংকট দূর হবে ৩.রিট জটিলতার অবসান হবে ৪.শিক্ষক সরবরাহ নিয়মিত হবে ৫.মেধাবীরা নিয়োগ পাবে ৬.হাওর, চর অঞ্চল এর শিক্ষক সংকট দূর হবে ৭.ভিশন ২০২১ বাস্তবায়ন হবে ৮.করোনা পরবর্তী শিক্ষা প্রনোদনা হবে ৯.রিজার্ভ শিক্ষক প্রয়োজন হবে না ১০.ছাত্র ছাত্রী ঝড়ে পরা রোধ হবে ১১.সরকারি অনেক চাকরিতে প্যানেলে নিয়োগ হচ্ছে ১২.প্রাথমিকে ইতিপূর্বে প্যানেলে নিয়োগ হয়েছে। ১৩.দীর্ঘ ৬ বছরে একটা সার্কুলার পেয়েছি ১৪.প্রধান শিক্ষকের কোন সার্কুলার পায়নি। ১৫.সেশন জটে বয়স শেষ হয়ে গেছে। প্যানেল এজন্য এখন সমগ্র জাতির দাবি।। সময়ের দাবি। প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক ২০১৮ প্যানেলে নিয়োগ চাই।
নারায়ন রায়, ২৬ মে, ২০২০
এখানেও তো দু একটির কারন উল্লেখ করে ভদ্রলোক প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন,,যেখানে দেশের অনেক নীতি নির্ধারনী মানুষ চাকুরির সব বিষয়ে প্যানেল করে নিয়োগ দিতে বলতেছেন, করোনার শেষ বিষেশ করে প্রাথমিক শিক্ষার যে ক্ষতি হবে তা অতুলনীয়,, আর নতুনভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিতে মিনিমাম ২ বছর লাগবে, তাই মৌখিক পরীক্ষা যারা দিয়েছে, এদের কে প্যানেল করে নিয়োগ দিলে দেশ ও জাতি অনেক উপকৃত হবেন।
MEHEDI HASAN, ২৫ মে, ২০২০
প্রথম শ্রেনীতে দেশের সর্বোচ্চ ডিগ্রি দিয়েও যদি আমরা প্রাথমিকে যোগ্য না হই, তাহলে এদেশের কলেজ ও ভার্সিটিগুলো বন্ধ করে দেয়া উচিত,,, অযথা শিক্ষিত বেকার তৈরির কারখানা রেখে কি লাভ। আর ২৪ লক্ষ থেকে ৫৫ হাজার লিখিত পরীক্ষায় উত্তির্ন শতকরা পাশের হার ২.৩ অর্থাৎ প্রতি একশ জনে ২ জন থেকে একটু বেশি,, আর প্রতি একশ জনে দুইজন কে যদি সরকার চাকরি দিতে না পারে তাহলে পড়াশুনার জন্য সরকার প্রতিবছর কেন এত টাকা করচ করবে, এ সেক্টর টা তুলে দিলে খুশি হব,, আর এখানে যিনি ২০১৩, ২০১৪, ২০১৬ ও ২০১৭ নিয়োগের কথা বলেছেন সেটা ত শুধু মুক্তিযুদ্ধ কোটা ধারিদের জন্য নিয়োগ ছিল সেটাতে ত আমরা আবেদন করতে পারিনি,,, এ নিয়োগ আমাদের জন্য নয়। আপনারা জানেন প্রাইমারিতে ৯৬% কোটায় নিয়োগ হয়, আমরা প্যানেল প্রত্যাশীদের কোটা ছিলনা বিধায় কোটা ধারিদের চেয়ে বেশি মার্ক পেয়েও নির্বাচিত হইনি,, তারা কম মার্কস পেয়েও নির্বাচিত হয়েছে,, তাহলে আমরা মেধাবি কি না, জাতির কাছে প্রশ্ন রাখলাম,,??
MEHEDI HASAN, ২৫ মে, ২০২০
নতুনদের টেনশান কেন? যারা বলছেন প্যানেল হলে নতুনদের ক্ষতি হবে।তাদেরকে বলবো না বুঝে কথা না বলাই ভাল। প্যানেল হলে নতুনদের জন্যে সুন্দর একটি দ্বার উন্মোচন হবে।।আপনি এখন পরীক্ষা দিলেও চাকুরি পাবেন এমন কোনো সিউরিটি নেই, কিন্তু প্যানেল আনুষ্ঠানিক চালু হলে ভাইবা দিলেই আপনার চাকুরি পাওয়ার সম্ভাবনা ১০০% থাকবে।আপনাকে প্যানেল করে রাখবে। আর সামনের সার্কুলার হবে প্রাক-প্রাথমিক সার্কুলার।এটার সাথে প্যানেল প্রত্যাশিদের কোনো সম্পর্ক নেই বরং প্যানেল না হলে নতুন সার্কুলার আটকিয়ে দিবে রিটকারীরা। এখানে অনেক জটিলতা রয়েছে। তাই প্যানেল হলে সবাই সব দিক দিয়ে উপকৃত হবে।, "নতুনরা কি করবে? . আর যারা রিট করেছিল তাদের রিট খারিজ হতে ৩/৪ বছর লাগবে। তখন পর্যন্ত নতুন সার্কুলার দিলে আটকে থাকবে। পরীক্ষা হবে না। কিন্তু প্যানেল হলে রিটকারিরা রিট তুলে নিবে, ফলে নতুনরা তাড়াতাড়ি নতুন সার্কুলারের পরীক্ষা দিতে পারবে।
Mustakim, ২৫ মে, ২০২০
উনি যে যুক্তিগুলো দেখিয়েছেন তা সম্পূর্ণভাবে সঠিক না,,