মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

Md. HemayetUddin, ১৬ আগস্ট , ২০২০
সেলিম ভূইয়ার নিয়োগ অবৈধ হওয়া সত্ত্বেও তিনি কীভাবে তিন মাসের মধ্যে পেনসন সুবিধা প্রাপ্ত হলেন তা বোধগম্য নয়৷ মনে হয় সবকিছুই ভেজাল৷
Md. iqbal hossain, ১২ আগস্ট , ২০২০
উনি আসলে ভালো না। , ১২ আগস্ট , ২০২০ সেলিম ভূঁইয়া কল্যাণ অবসরের টাকা পাওয়া তো দূরের কথা, বরং ইতিপূর্বে তিনি অবৈধ কাগজপত্রের মাধ্যমে তথা ভুয়া সার্টিফিকেট এর মাধ্যমে চাকরি করে সরকারের কোষাগার থেকে যেসব টাকাগুলো নিয়েছে ওসব টাকাগুলোও ফেরত দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে ব্যবস্থা করতে হবে। আর তার সঙ্গে যেসব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও জড়িত তাদের।
মোঃ ফরহাদ হোসাইন, ১২ আগস্ট , ২০২০
অবসরপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি,কি ভাবে শিক্ষক নেতা থাকতে পারে? চোর,বাটপার ও স্বার্থপর ব্যক্তি সর্বদা ঘৃণাজনক কাজে লিপ্ত থাকে।
Mizanur rahman, ১২ আগস্ট , ২০২০
যারা শিক্ষক নামে মুনাফেকিতে লিপ্ত তাদের কোন শান্তি নাই। শিক্ষকতা অনেক পরিশ্রমের পেশা। কিন্তু জাতীয়করণ না থায় শিক্ষকগণ মাথা উচুঁ করে কথা বলতে পারেন না। তাই যারা সরকারকে কুবুদ্ধি দিচ্ছেন তারা মূলত সরকারকে ভালবাসেন না, মূলত তারা সরকার বিরোধী। তাই তাদের মুখোস খুলে দিতে হবে এবং সরকারকে আদবের সাথে বুঝাতে হবে যে,সরকারীকরণ করলে মূলত সরকারের কোন ক্ষতি হবে না বরং লাভ হবে। ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে আওয়ামলীগ সরকারের মাধমে শিক্ষকদের মান সম্মান, মর্যাদা, রিযিক ইত্যাদি বৃদ্ধি পেয়েছে। মহানআল্লাহ রিযিকের রাস্তা খুলে দিবেন। ইনশাআল্লাহ
Tabiatkowser, ১২ আগস্ট , ২০২০
এই সেলিম ভূঁইয়ার সাথে যেসব শিক্ষকরা ইন্দন যোগাবে তাদেরকেও চাকুরিচ্যুত করা হোক। প্রয়োজনে তাদের লিস্ট করে ওসব শিক্ষকদেরকে চিহ্নিত করা হোক। বইয়ের সাথে যারা যোগ দিয়েছে এরা বিএনপি ও রাজাকার পন্থী শিক্ষক। সুতরাং তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। জাতীয়করণ করার ক্ষেত্রে একমাত্র অন্তরায় এসব দুর্নীতিবাজরাই।
Tabiatkowser, ১২ আগস্ট , ২০২০
সেলিম ভূঁইয়া কল্যাণ অবসরের টাকা পাওয়া তো দূরের কথা, বরং ইতিপূর্বে তিনি অবৈধ কাগজপত্রের মাধ্যমে তথা ভুয়া সার্টিফিকেট এর মাধ্যমে চাকরি করে সরকারের কোষাগার থেকে যেসব টাকাগুলো নিয়েছে ওসব টাকাগুলোও ফেরত দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে ব্যবস্থা করতে হবে। আর তার সঙ্গে যেসব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও জড়িত তাদেরও বিচার করতে হবে।
Tabiatkowser, ১২ আগস্ট , ২০২০
সত্য কথা আসলেই সব সময় তিক্ত এ কথা আমরা সবাই জানি। আসলেই কথাটি না বললে হয় না আমাদের শিক্ষক সমাজের মধ্যে এমন কেউ আছেন যারা সবসময় নিজেদের স্বার্থ ছাড়া আর কিছুই বুঝে না। তৎসঙ্গে এ কথাও না বললে হয় না যে অনেকেই সরকারবিরোধী ও রাজাকারদের সাথে যোগাযোগ রেখেই চলে থাকেন যা বড় ধরনের মোনাফেকি ছাড়া আর কিছু নয়। একথা কেউ বুকে হাত দিয়ে অস্বীকার করতে পারবে না। তাই শিক্ষক সমাজের একান্ত উচিত সব সময় নৈতিকতার ধারক বাহক হওয়া ও নৈতিকতা লালন পালন করা শিক্ষকদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য বলে মনে করি।
Tabiatkowser, ১২ আগস্ট , ২০২০
সত্য কথা আসলেই সব সময় তিক্ত এ কথা আমরা সবাই জানি। আসলেই কথাটি না বললে হয় না আমাদের শিক্ষক সমাজের মধ্যে এমন কেউ আছেন যারা সবসময় নিজেদের স্বার্থ ছাড়া আর কিছুই বুঝে না। তৎসঙ্গে এ কথাও না বললে হয় না যে অনেকেই সরকারবিরোধী ও রাজাকারদের সাথে যোগাযোগ রেখেই চলে থাকেন যা বড় ধরনের মোনাফেকি ছাড়া আর কিছু নয়। একথা কেউ বুকে হাত দিয়ে অস্বীকার করতে পারবে না। তাই শিক্ষক সমাজের একান্ত উচিত সব সময় নৈতিকতার ধারক বাহক হওয়া ও নৈতিকতা লালন পালন করা শিক্ষকদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য বলে মনে করি।
Tabiatkowser, ১২ আগস্ট , ২০২০
গং সেলিম ভূঁইয়া শিক্ষকদের স্বার্থে আন্দোলন করার জন্য বলছে না। বরং মিডিয়ায় যখন জাতীয়করণের জন্য বিভিন্ন ধরনের সভা-সেমিনার চলছে এই মুহূর্তে তিনি সেই জাতীয়করণের পথ নস্যাৎ করে দেয়ার জন্য পুনরায় নতুন করে ষড়যন্ত্রে নেমেছে। তাই তার এই ধরনের খারাপ দূরভিসন্ধি পরিপূর্ণ ভাবে ধ্বংস করে দিয়ে সরকারের হাতকে আরো শক্তিশালী করতে হবে।
Tabiatkowser, ১২ আগস্ট , ২০২০
দৈনিক শিক্ষার সম্পাদক জনাব সিদ্দিকুর রহমান সাহেবকে কিভাবে ধন্যবাদ জানাব, যার ভাষা আমার মধ্যে নেই। কেননা উনি শিক্ষকদের পক্ষে দেশের স্বার্থে সব সময় দৈনিক শিক্ষায় কঠোর ভূমিকা পালন করতে যাচ্ছেন। তিনি প্রতিদিন অত্যন্ত সুনিপুণ সূচারুরূপে একনিষ্ঠভাবে শিক্ষকদের যাবতীয় অধিকার নিয়ে প্রতিনিয়ত ফেসবুক সহ আরও বিভিন্ন প্রযুক্তির মাধ্যমে সভা সেমিনার সিম্পোজিয়াম ও লাইভের মধ্যে কথা বলে যাচ্ছেন। বিশেষ করে জাতীয়করণের জন্য তিনি শিক্ষকদের বন্ধু সাবেক শিক্ষাসচিব জনাব এন আই খান স্যার ও সরকারের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ কর্মকর্তাদের সাথে বিভিন্ন যোগাযোগ রেখে চলেছেন। আল্লাহ তার কর্মের জন্য নেক হায়াত দান করুন। আমিন!
Tabiatkowser, ১২ আগস্ট , ২০২০
,সেলিম ভূঁইয়া আসলে বড় চোর,বাটপার এবং বিগত সরকারের বড় দালান। এর মুখে লাথি দিয়ে, আর সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন যুগিয়ে তৎসঙ্গে সকল শিক্ষক সংগঠনের ঐক্যের মাধ্যমে সকল শিক্ষক কর্মচারীদের প্রাণের দাবি তথা জাতীয়করণ আদায় করা সম্ভব। কথায় আছে- "যার খাই নুন, তার গাই গুন"। এটি শুধু আমাদের মানব সমাজের মধ্যে প্রচলিত প্রবাদ নয়। বরং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এর ব্যাখ্যা করলে এটি বরাবরই ধর্মের সাথে মিলে যায়। প্রকৃতপক্ষে এই পৃথিবীতে জোর করে কিছু আদায় করা যায় না। উভয় পক্ষের মধ্যে তথা সরকার ও শিক্ষকদের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার কোনো বিকল্প পথ আছে বলে মনে হয়না। তাই জাতীয়করণ করার ক্ষেত্রে পূর্বে যে সমস্ত শিক্ষক সংগঠনের নেতারা তথা গং সেলিম ভূঁইয়া, মুগিস আহমদ ও কতিপয় নব্য স্বার্থান্বেষী আওয়ামীলীগ নেতাদের সকল ধরনের ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে তাদের সমস্ত ধরনের চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিতে হবে। ইনশাআল্লাহ জাতির জনকের যোগ্য তনয়া দূরদর্শিতাপুর্ণ দেশনেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতীয়করণের পথ আরো সুগম হবে। ইনশাআল্লাহ কোন কেউ এই প্রচেষ্টাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না।
Tabiatkowser, ১২ আগস্ট , ২০২০
,সেলিম ভূঁইয়া আসলে বড় চোর,বাটপার এবং বিগত বিএনপি-জামাত সরকারের বড় দালাল। এই কুত্তার বাচ্চার মুখে লাথি দিয়ে, আর সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন যুগিয়ে তৎসঙ্গে সকল শিক্ষক সংগঠনের ঐক্যের মাধ্যমে সকল শিক্ষক কর্মচারীদের প্রাণের দাবি তথা জাতীয়করণ আদায় করা সম্ভব। কথায় আছে- "যার খাই নুন, তার গাই গুন"। এটি শুধু আমাদের মানব সমাজের মধ্যে প্রচলিত প্রবাদ নয়। বরং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এর ব্যাখ্যা করলে এটি বরাবরই ধর্মের সাথে মিলে যায়। প্রকৃতপক্ষে এই পৃথিবীতে জোর করে কিছু আদায় করা যায় না। উভয় পক্ষের মধ্যে তথা সরকার ও শিক্ষকদের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার কোনো বিকল্প পথ আছে বলে মনে হয়না। তাই জাতীয়করণ করার ক্ষেত্রে পূর্বে যে সমস্ত শিক্ষক সংগঠনের নেতারা তথা গং সেলিম ভূঁইয়া, মুগিস আহমদ ও কতিপয় নব্য স্বার্থান্বেষী আওয়ামীলীগ নেতাদের সকল ধরনের ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে তাদের সমস্ত ধরনের চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিতে হবে। ইনশাআল্লাহ জাতির জনকের যোগ্য তনয়া দূরদর্শিতাপুর্ণ দেশনেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতীয়করণের পথ আরো সুগম হবে। ইনশাআল্লাহ কোন কেউ এই প্রচেষ্টাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না।
Tabiatkowser, ১২ আগস্ট , ২০২০
,সেলিম ভূঁইয়া আসলে বড় চোর,বাটপার এবং বিগত সরকারের বড় দালালা। এর মুখে লাথি দিয়ে, আর সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন যুগিয়ে তৎসঙ্গে সকল শিক্ষক সংগঠনের ঐক্যের মাধ্যমে সকল শিক্ষক কর্মচারীদের প্রাণের দাবি তথা জাতীয়করণ আদায় করা সম্ভব। কথায় আছে- "যার খাই নুন, তার গাই গুন"। এটি শুধু আমাদের মানব সমাজের মধ্যে প্রচলিত প্রবাদ নয়। বরং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এর ব্যাখ্যা করলে এটি বরাবরই ধর্মের সাথে মিলে যায়। প্রকৃতপক্ষে এই পৃথিবীতে জোর করে কিছু আদায় করা যায় না। উভয় পক্ষের মধ্যে তথা সরকার ও শিক্ষকদের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার কোনো বিকল্প পথ আছে বলে মনে হয়না। তাই জাতীয়করণ করার ক্ষেত্রে পূর্বে যে সমস্ত শিক্ষক সংগঠনের নেতারা তথা গং সেলিম ভূঁইয়া, মুগিস আহমদ ও কতিপয় নব্য স্বার্থান্বেষী আওয়ামীলীগ নেতাদের সকল ধরনের ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে তাদের সমস্ত ধরনের চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিতে হবে। ইনশাআল্লাহ জাতির জনকের যোগ্য তনয়া দূরদর্শিতাপুর্ণ দেশনেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতীয়করণের পথ আরো সুগম হবে। ইনশাআল্লাহ কোন কেউ এই প্রচেষ্টাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না।
Jewel Khan, ১২ আগস্ট , ২০২০
Badness Can Be Conquered With Goodness. What Will Our Leaders Do ?