মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

Ahmed adroo, ১৫ আগস্ট , ২০২০
মহামারিতেই hsc পরিক্ষা নিতে চাইলে সরকার এর অাগে ভাবা উচিত অভিভাবকবৃন্দ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ পরিক্ষায় মত প্রকাশ করে কি না।কেন না অনেক অভিভাবক তার সন্তানকে risk এর ভিতর দেবে না।শিক্ষক ও তার জীবন risk এ নিবে না। এর জন্য অনেক অভিভাবক হয়তো তার সন্তান এর একটা বছর lose দিতেও দ্বিধা করবে না
Tabiatkowser, ১৪ আগস্ট , ২০২০
ডিপিই আরও ৫ দশমিক ৪ কোটি ডলার অনুদান দেবে। এই অনুদানের টাকায় সরকারি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। আসলে কি শিক্ষকবৃন্দরা তাদের বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে যে তারা জীবনে যত সব প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন তারা এইসব প্রশিক্ষণের শিক্ষণ প্রণালী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থে প্রয়োগ করেছেন কি? যার সহজ সরল উত্তর হবে না। আমাদের শিক্ষক বৃন্দরা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ঠিক। তারা প্রশিক্ষণের শেষে টাকাগুলো পকেট এ নিয়ে যায় আর প্রশিক্ষণের যেসব সারবস্তু তা ওই প্রশিক্ষণের জায়গায় ফেলে চলে আসে। যা হচ্ছে সম্পূর্ণরূপে অন্তঃসারশূন্য। থাই এই ধরনের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করলে হবে না ওসব প্রশিক্ষণের সারবস্তু শিক্ষার্থীদের স্বার্থে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রয়োগ করতে হবে। কথায় আছে একজন মানুষ বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে পরিপূর্ণতা লাভ করে। তাই শিক্ষকবৃন্দ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবে ঠিক। তাদের অর্জিত সেই প্রশিক্ষণগুলো যথাযথ কাজে লাগাচ্ছে কিনা এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থে ব্যবহার হচ্ছে কিনা সেদিকেই মন্ত্রণালয়ের এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে যে সমস্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও রয়েছেন তাদের কঠোর মনিটরিং এর জন্য সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি।
Tabiatkowser, ১৪ আগস্ট , ২০২০
কম্পিউটার ও ডিজিটাল স্ক্রিন কেনা হবে। গত বছর ২৬ হাজার কম্পিউটার কেনার কথা ছিল কিন্তু করোনার কারণে কিনতে পারিনি। তবে এবার সব মিলিয়ে ৪০ হাজার কম্পিউটার কেনা হবে। সরকারের উদ্যোগ পরিকল্পনা এবং আন্তরিকতার মধ্যে কোনো ঘাটতি নেই কিন্তু দুঃখের কথা হল আমাদের শিক্ষকবৃন্দের আন্তরিকতা প্রচেষ্টা ও নৈতিকতার মধ্যে যথেষ্ট ধরনের ঘাটতি রয়েছে। তাই শুধু কিনলে হবে না এই সমস্ত কম্পিউটারের যারা ড্রাইভার তাদের মধ্যে এখনো পর্যন্ত যথেষ্ট ধরনের গাফিলতি ও আন্তরিকতার অভাব রয়েছে। এসব কারিগররা যদি অনভিজ্ঞ থাকে তাহলে সরকারের এসব উদ্যোগ প্রচেষ্টা সব বিফলে যাবে তাতে কোন সন্দেহ নাই। কেননা বাংলাদেশের অনেক অনেক জায়গায় শত শত কম্পিউটার ল্যাপটপ ও প্রজেক্টর পড়ে আছে যার কোনো সুষ্ঠু ব্যবহার নেই বললেই চলে। তাহলে আমি মনে করি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য সরকার এত টাকা ব্যয় করার পরিবর্তে অন্য ক্ষেত্রে এ টাকাগুলো বিনিয়োগ করলে অনেক ভালো হতো। তাই সরকারের এসব সম্পদ যেন বিফলে না যায় এবং শিক্ষার ও শিক্ষার্থীদের স্বার্থে যথাযথ এসব সরঞ্জামাদি ব্যবহৃত হয় সেদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের যথেষ্ট নজর রাখার জন্য সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি।
Tabiatkowser, ১৪ আগস্ট , ২০২০
১ম শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পযর্ন্ত সকল বিষয়ের ডিজিটাল কন্টেন্ট হবে। এই ডিজিটাল কন্টেন্টগুলো ডাউনলোড করে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসে প্রদশর্ন করা হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা খুব আনন্দের সঙ্গে তাদের শিখন সম্পন্ন করতে পারবে বলে দাবি মন্ত্রণালয়ের। আমি মনে করি এই ধারণাটির সম্পূর্ণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভুল ধারণা।
Tabiatkowser, ১৪ আগস্ট , ২০২০
কেননা লেখাপড়া যেন শুধু ডিজিটাল কনটেন্ট এর মধ্যে আবদ্ধ না থাকে সেদিকেও অবশ্যই শিক্ষকদের এবং মন্ত্রণালয়ের খেয়াল রাখতে হবে। কথায় বলে শিক্ষক হচ্ছেন জাতির কারিগর আর কারিগরের কাছে তো কোন টেকনিকের ততা কৌশলের অভাব থাকার কথা নয়। আসলেই কি আমাদের দেশে শিক্ষকরা আদৌ সেই কারিগরের স্থান পূরণ করতে পেরেছে? যার সহজ উত্তর হবে না। কেননা আমাদের সম্মানিত শিক্ষকদের নিকট সেই ধরনের মনমানসিকতা নেই। অথচ এক সময়ে প্রাইমারি শিক্ষকরা প্রতি মাসে 7 টাকা/ 16 টাকা করে বেতন পেত তখন তাদের মন মানসিকতা কি রকম ছিল আর বর্তমানে শিক্ষকরা হাজার হাজার লাখ লাখ টাকা পাওয়ার পরও তাদের মন মানসিকতা কি রকম যা চিন্তা করতে সত্যিই অবাক লাগে। এককথায় তখনকার শিক্ষকদের মন মানষিকতা ছিল শিক্ষকতাকে নেশা হিসেবে আর বর্তমানের শিক্ষকরা শিক্ষকতাকে বেছে নিয়েছে পেশা হিসেবে। যার ফলে মাননীয় সরকার বাহাদুর প্রাইমারি শিক্ষার জন্য এত ব্যয় করার পরও আমাদের শিক্ষক বৃন্দের এখনো কোনো হুস হয়নি হবে ও না।
Tabiatkowser, ১৪ আগস্ট , ২০২০
প্রকল্পের মোট ব্যয় ১২৮ কোটি ৪০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রকল্পটি শুধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাস্তবায়ন করা হবে। এই বিশাল উদ্যোগ বাস্তবায়নে ১২৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা অনুদান দেবে গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন বাকি টাকা সরকারি খাত থেকে। অনুদান দেওয়া এটি কোন বড় কথা নয়, তবে সেই অনুদান এবং সরকারের অনেক কষ্ট অর্জিত রাজস্ব গুলো যেন যথাযথভাবে দেয়া ব্যয় হয় সেটি হল আসল কথা।
Tabiatkowser, ১৪ আগস্ট , ২০২০
বর্তমানে মোট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৬২০টি। নতুন করে স্কুলে এসে শিক্ষার্থীরা যাতে করে স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে না পড়ে সেই জন্যই ‘বাংলাদেশ কোভিড-১৯ স্কুল সেক্টর রেসপন্স’ প্রকল্পের আওতায় এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই আগাম পরিকল্পনার জন্য সরকারকে অশেষ ধন্যবাদ।
Tabiatkowser, ১৪ আগস্ট , ২০২০
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার ফলে সরকারি বিদ্যালয়গুলো অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। ফলে এসব বিদ্যালয়ে নিরাপদ পয়ঃনিষ্কাশন ও হাইজিন, গুণগত মান, সবার জন্য সমান সুযোগ ও টেকসই ব্যবস্থায় ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরি করতে ১২৮ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিতে যাচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। খুব সুন্দর কথা তবে যেন এক্ষেত্রে বালিশ কান্ড না ঘটে সেদিকে সরকারের নৈতিকতা সম্পন্ন উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ দিয়ে মনিটরিং করতে হবে। নতুবা এই 128 কোটি টাকার প্রকল্পের মধ্যে নয় ছয় হবে তাতে কোন সন্দেহ নেই।
Tabiatkowser, ১৪ আগস্ট , ২০২০
সব ধরনের সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেন বন্ধ রাখা হয়েছে। প্রাইমারীর সাথে কিন্ডারগার্টেনকে কেন যুক্ত করা হলো? শিক্ষায় অংশীদার হওয়ার ক্ষেত্রে এসব কিন্ডারগার্টেন গুলো কি সরকারের সাথে চুক্তি করেছে?