মন্তব্য লিখতে লগইন অথবা রেজিস্টার করুন

মন্তব্যের তালিকা

মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
সভাপতিরা একটু বেশি বেশি খবরদারী করে থাকে, এতে করে সাধারণ শিক্ষক/কর্মচারীদের বিভিন্ন রকমের হয়রানি হতে হয়। আমার মনে হয়, বেসরকারী স্কুল-কলেজ গুলোতে স্থানীয় সভাপতি না রেখে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া উচিৎ। বিশেষ করে, বৃহত্তর ময়মনসিংহের জামালপুর, শেরপুর অঞ্চলগুলোতে এই সমস্যাগুলো একটু বেশি দেখা যায়।
Abdullah, ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
রংপুর ডিডি থেকে বাব বার অতি তুচ্ছ কারনে এমপিওর আবেদন রিজেক্ট করা হচ্ছে ।
মো কবির হোসেন, ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
নতুন এমপিও ভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (ইন নং 121266) চলছে নানা অনিয়ম আর দূর্নীতি। অভিযোগ দিয়েও কাজ হয়নি। যারা দীর্ঘদিন পরিশ্রম করলো তাদের বাদিয়ে সভাপতি পদাধিকার ও ক্ষমতার বলে বিদ্যালয়টিকে পরিবার কেন্দ্রিক বলয় গড়ে তুলছে।
Partha Sarathi Ray, ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
বিভিন্ন অনিয়মের শাস্তিযোগ্য সতর্কবানী থাকা সত্ত্বেও, দীর্ঘ প্রতীক্ষিত উচ্চতর স্কেলের কাগজ পত্র অগ্রায়নে শিক্ষকগণ, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ও জেলা শিক্ষা অফিস কর্তৃক বিভিন্ন ভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছে। কাগজ পত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও ঠুনকো অজুহাতে তা ব্যাক করানো হচ্ছে। চাইলে এ সংক্রান্ত প্রমাণ দিতে পারি। সারা বাংলার শিক্ষকগণের দর্পণ, দৈনিক শিক্ষাকে বিনীত অনুরোধ করছি এ বিষয়ে শিক্ষকদের পাশে দাঁড়াতে।
Rabindra Nath Tarofder, ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
সব সমস্যা সমাধান হবে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান(স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসা)জাতীয়করণ হলে।
Md.Abdul Jalil, ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০
জনাব সম্পাদক নতুন এমপিও ভুক্তি জেনারেল ও মাদ্রাসা অধিদপ্তরের শিক্ষক /কর্মচারী বৃন্দ ৩/৪ মাস আগে বকেয়া সহ বেতন ভাতাদি পেয়েছেন। তাদের সব কিছু অন লাইনে সম্পন্ন হয়েছে। আর কারিগরি অধিদপ্তর জেলা শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে শিক্ষক /কর্মচারীর কাগজ পত্র নিয়ে অধিদপ্তরে আবার নতুন করে যাচাই বাচাই করে অপ্রয়োজনীয় কাগজ পত্র যেমন সমস্ত সনদ যাচাই পূর্বক জমা দান,নিয়োগ কালীন গভর্নিং বর্ডিং কাগজ পত্র যাহা জেনারেল ও মাদ্রাসা অধিদপ্তরে চাওয়া হয়নি। তা আবার কিছু প্রতিষ্ঠান কয়েক আগে জমা দিয়েছে। তারপরেও এখনও বেতন ভাতাদি ছাড় হয় নাই। অনেকের চাকুরীর বয়স ১৮/২০ বছর হয়ে গেছে। অনেকের নিয়োগ কালীন গভর্নিং বর্ডির কাগজ পত্র সংগ্রহে নেই। কারণ তারা জানতো না, এগুলো লাগবে। কারিগরি অধিদপ্তর যে ভাবে করোনা কালীন সময়ে হয়রানি করছে তা অবর্ণনীয়। দয়ে করে এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগের সচিব মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আপনাকে বিশেষ অনুরোধ জানাচ্ছি ,যাতে করে কারিগরি শিক্ষক / কর্মচারী বৃন্দ দ্রুত বেতন ভাতাদি পেতে পারে।
Modhusudhonmondal, ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০
ম্যানেজিং কমিটি, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা শিক্ষা অফিসারদের কাছে পদে পদে হয়রানি হচ্ছ। অভিযোগ জানাবো কার কাছে।
বংকিম বিশ্বাস, ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০
শিক্ষা মন্ত্রনালয় এতো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিচ্ছে কিন্তু এমপিও ভুক্ত কারিগরি শিক্ষক কর্মচারী এরা কি দোষ করেছে. ১৪ মাস গত হলো কিন্তু হাতে গোনা কয়জন শিক্ষক কর্মচারীছাড়া আর অন্য কেউ আজ পযর্ন্ত বেতন ভাতা পেলো না কেন? শিক্ষামন্ত্রী মহোদ্বয়ের নিকট আমাদের কারিগরি এর সকল শিক্ষক কর্মচারীর পক্ষ থেকে অনুরোধ আমাদের দ্রুত বেতন ভাতা ছাড় করনের ব্যবস্থা করুন