এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ : মামলার চার্জগঠন পিছিয়েছে - কলেজ - দৈনিকশিক্ষা

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ : মামলার চার্জগঠন পিছিয়েছে

সিলেট প্রতিনিধি |

সিলেটে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণ মামলার চার্জগঠন পিছিয়েছে। মামলার তিন আসামিকে ডিসচার্জ আবেদন ও স্টেনোগ্রাফার না থাকার পরিপ্রেক্ষিতে বহুল আলোচিত এ মামলার চার্জগঠন পেছানো হয়।

সোমবার সকালে কঠোর নিরাপত্তার মাধ্যমে আট আসামিকে হাজির করা হয় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মো. মোহিতুল হকের আদালতে। 

সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি রাশিদা সাঈদা খানম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবী শহীদ উজ্জামান জানান, মামলার তিন আসামিকে ডিসচার্জ আবেদন ও স্টেনোগ্রাফার না থাকায় এই মামলায় চার্জগঠন পেছানো হয়। পরবর্তী তারিখে তিন আসামির ডিসচার্জ আবেদনের শুনানি শেষে চার্জগঠন করা হবে। 

উল্লেখ্য, গত ৩ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের আট নেতাকর্মীকে অভিযুক্ত করে এই মামলার অভিযোগপত্র প্রদান করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য।

অভিযোগপত্রে সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ও মিসবাউল ইসলাম রাজন মিয়াকে সরাসরি ধর্ষণে সম্পৃক্ত এবং রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান মাসুমকে ধর্ষণের সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়। এই আটজনই বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন।  

এর আগে গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে নববধূকে গণধর্ষণ করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৫ সেপ্টেম্বর বিকালে স্বামীকে নিয়ে শাহপরান মাজারে বেড়াতে গিয়েছিলেন নির্যাতনের শিকার তরুণী। ফেরার সময় নগরীর টিলাগড় এলাকার এমসি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে স্ত্রীকে প্রাইভেটকারে রেখে স্বামী পার্শ্ববর্তী দোকানে গিয়েছিলেন। ওই সময় প্রাইভেটকারটি ঘিরে ধরে কয়েকজন তরুণ।

প্রাইভেটকারসহ ওই দম্পতিকে তারা নিয়ে যায় বালুচর এলাকার এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের ভেতরে। সেখানে স্বামীর সামনেই গাড়ির ভেতর তরুণীকে ধর্ষণ করে ছয় তরুণ। পরে তাদের মারধর করে টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেয়। আটকে রাখে গাড়িটি।

ঘটনার রাতেই নির্যাতিতার স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। পর আসামিরা পালিয়ে গেলেও তিন দিনের মধ্যে ছয় আসামিসহ সন্দেহভাজন আরও দুজনকে গ্রেফতার করে র্যাব ও পুলিশ। একাধিক আসামি আদালতে ঘটনার দায় স্বীকার করে।

please click here to view dainikshiksha website